I wish you to a wonderful new year and your dreams come true. For my part, I will do my desire of the mind to fight forward, to continue the struggle will be more focused. Welcome to new year 2020 . . .
Old Dhaka / Bangladesh
January, 2020

I wish you to a wonderful new year and your dreams come true. For my part, I will do my desire of the mind to fight forward, to continue the struggle will be more focused. Welcome to new year 2020 . . .
Old Dhaka / Bangladesh
January, 2020


আজকের আকাশে কোথায়ও চাঁদটাকে খুঁজে পেলাম না, আকাশের দিকে তাকিয়ে থেকে অসংখ্য তারা দেখলাম — তারা মিটিমিট করে জ্বলছে . . .
এটা প্রকৃতির নিয়ম বাবা-মা তাদের সন্তানকে প্রচন্ড ভালোবাসে । যা সন্তানের জন্য অমূল্য সম্পদ । আমাদের বাবা তার তিন সন্তানকে প্রচন্ড ভালোবাসতেন, কিন্তু আমাদের বাবার ক্ষেত্রে সেই ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশটা ছিল, যতোটানা প্রকাশ্যে তার চেয়ে অনেক বেশী ছিল—অন্তরের । এমনিতেই বাবা খুব কম কথা বলতেন, চুপচাপ থাকতে পছন্দ করতেন ।
আমি ছোট বেলায় খুব দুরন্ত ছিলাম, বাবা’কে খুব ভয় পেতাম ! যতোটা না ভয় পেতাম মা’কে । মাথার মধ্যে বুদ্ধি আটতাম কি করে তাকে ফাঁকি দেওয়া যায় ! আজ এই সময়ে এসে ভাবি, বাবাটাই আমাকে ফাঁকি দিয়ে চলে গেলেন ! বাবা, সন্ধ্যা তারার দেশে দিয়েছেন— অন্তহীন ঘুম !
আজ আমাদের বাবার ২৯তম মৃত্যু বাষির্কী। আমাদের পরিবারের প্রায় সবাই হিজুলিয়াতে গেছেন। সেখানে মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছে । আমাদের যাওয়া হয়ে উঠেনি, আমাদের মেঘ ( ছোট বাবা ) স্কুলে স্কুলে ভর্তি যুদ্ধ পরীক্ষায় লিপ্ত হয়েছে । তাকে নিয়ে আমরা এ স্কুল ও স্কুল দৌড়ে বেড়াচ্ছি ।
মনটা বিষন্ন থাকায় রাতের বেলায় ছাঁদে উঠলাম। খানিকটা চুপচাপ বসে থেকে, বাবার সঙ্গে আমার কিছু স্মৃতি মনে করার চেষ্টা করলাম । পেশায় আইনজীবি হওয়ায় দিনের বেলা তার সময় কাটতো আদালত পাড়ায়। সন্ধ্যার পর থেকে মধ্যরাত অবধি তার চেম্বারে । অনেক রাত জেগে কাজ করতেন, মাঝে মাঝে ছাঁদে পায়চারি করতেন ! রাত গভীর হলে ঘুমাতে যেতেন ।
আমাদের জন্য প্রত্যাশিত থাকতো ছুটির দিন গুলো, নিজে বাজার করতে খুব পছন্দ করতেন । তার পছন্দের খাবার ছিল ডিম ভাজা, ডাল আর ভাত। তার বড় একটা থালা ছিল, সেই থালাতে করে খুব মজা করে ডিম ভাজা দিয়ে ভাত মেখে আমাদের খেতে ডাকতেন । যদিও সেই দিনগুলি ছিল খুব অল্প সময়ের জন্য, তখন আমরা কেবল হইচই, স্কুল আর নানী-দাদী বাড়ী যাই—দিনমান।আহা সেই সব সময় !
আজকের আকাশে কোথায়ও চাঁদটাকে খুঁজে পেলাম না, আকাশের দিকে তাকিয়ে থেকে অসংখ্য তারা দেখলাম — তারা মিটিমিট করে জ্বলছে ! মায়ের ফোন পেলাম। মা জানালেন, হিজুলিয়াতে বাবার স্বরণে মিলাদ মাহফিলের কাজটি ভালো ভাবে হয়েছে ।
বাবা— তোমার জন্য ভালোবাসা . . .
—পুরান ঢাকা
২০ ডিসেম্বর, ২০১৯

সেদিন গিয়েছিলাম বুড়ীগঙ্গা নদীর পাড়ে গরুর হাটের ছবি তুলতে; আমার সঙ্গী হয়েছিল—ছোট মেঘ । বাপ-বেটা মিলে পোস্তগোলা এলাকায় বিকেলের রোদে নদীর পাড় দিয়ে বেশ হেঁটে বেড়ালাম— দেখা হলো গরুর হাট; ছবি তোলা হলো । সামনেই কোরবানীর ঈদ; ট্রলারে করে দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে বুড়ীগঙ্গা নদী হয়ে কোরানির গরু ঢাকায় আসছে। এ ঘাটেও কিছু কিছু গরু নামানো হচ্ছে । একজন গরুর ব্যাপারীকে জিজ্ঞেস করলাম, আপনারা কোন এলাকা থেকে গরু নিয়ে এসেছেন, সে জানালো ফরিদপুর থেকে ।
বর্ষার পানিতে বুড়ীগঙ্গা নদীর অন্যরকম সৌন্দর্য আমার চোখ এড়ালো না ! নদীর পাড়টিতে ছোট ছোট ঢেউ আছড়ে পড়ছে; সূর্যের আলোতে সেসব ঢেউ গুলো অদ্ভুত সুন্দর লাগছিল ! আমি চিন্তা করলাম— এখানে খুব সুন্দর সিলুয়েট ( Silhouette ) ছবি হয় । আসলে সিলুয়েট ফটোগ্রাফী করতে যা যা দরকার তার সব এলিমেন্ট গুলো এখানে খুঁজে পেলাম । আমি সিদ্ধান্ত নিলাম এখন কিছু সিলুয়েট ছবি তুলবো ।
সিলুয়েট ছবি তোলার ক্ষেত্রে যে বিষয়টি খেয়াল রাখতে হবে তা হলো — আপনি যে বিষয়বস্তু বা যার ছবি তুলছেন আলোর উৎসটি তার পিছনে থাকতে হবে । ব্যাকগ্রাউন্ডের আলো এবং স্পেসকে প্রাধান্য দিয়ে ছবি তুলতে হবে; ফোরগ্রাউন্ডকে না । ফ্রেমিংটা এমন ভাবে করতে হবে; যাতে আপনার বিষয়বস্তুটির শুধু ‘কালো একটা আউটলাইন’ তৈরি হয় । সহজ করে বললে— সাধারন নিয়মে আমরা ছবি তুললে ক্যামেরার পিছনে আমাদের আলোর উৎসটি থাকে আর সিলুয়েট ছবি ক্ষেত্রে আলোর উৎসটি হবে বিষয়বস্তুর পিছনে । আউটডোর সিলুয়েট ছবি তোলার জন্য ফাঁকা জায়গা, আকাশ, নদী, সমুদ্রের তীর উপযুক্ত । আর একটা কথা low angle of view হলে ভালো হয় ।
সিলুয়েট ছবির অর্থবহতা নিয়ে যদি বলতে হয় তাহলে আমি বললো— এই ধরণের ছবি গুলো আমাদের মূল গল্পটা পরিষ্কার করে না কিন্তু দর্শক বা পাঠককে এক ধরণের কল্পনার জগতে ভাসিয়ে নিয়ে যায় . . .
পুরান ঢাকা, লক্ষীবাজার
আগষ্ট ২০১৯


ফটোগ্রাফী বিষয়ক বোঝাপড়া’তে আমি ( রিয়ালিষ্টিক ) বাস্তব দৃশ্যাবলী এবং ( অ্যাবস্ট্রাক্ট ) বিমূর্ত ফর্ম নিয়ে আলোচনা করেছিলাম, যেখানে আপনি আপনার ছবিতে নান্দনিকতার দিকটা কি করে তুলে ধরবেন । আজ Angle of View নিয়ে খুব ছোট করে বলবো । ফটোগ্রাফী যেহেতু একটা কারিগরি মাধ্যম তাই এর ( ক্যামেরা ) ব্যবহারিক দিকটা জানা জরুরী ।
আমরা নতুনরা ছবি তোলার ক্ষেত্রে বেশীর ভাগ সময় একই Angle of View থেকে ছবি তুলি, যার কারণে আমাদের তোলা ছবিটি একটা সাধারন মানের ছবি হয়ে যায়। আমি বলছি না যে, সাধারন Angle of View থেকে ছবি তুলতে তা খারাপ হয় । যারা ছবি সিলেকশনের দায়িত্বে থাকেন ( ফটো-এডিটর, বিচারক ) তারা কিন্তু তাদের অভিজ্ঞতার আলোকে খুব সহজেই বুঝতে পারেন, আপনার তোলা ছবিটির মানদন্ড কোন পর্যায়ের ।
একটু চিন্তা করে ফ্রেমিং করলেই কিন্তু ছবিটির Angle of View ভিন্ন করা সম্ভব । যদিও ছবি তুলতে তুলতে একটা সময় এই পরিবর্তনটা একজন ফটোগ্রাফারের নিজ থেকেই হয়ে যায় । কিন্তু আমাদের যদি বিষয়টি সম্পর্কে আগেই জানা থাকে তাহলে শুরু থেকেই আপনার তোলা ছবি প্রসংশিত হতে থাকবে ।
এবার সহজ মন্ত্রটা জানা যাক—অর্থাৎ আপনার তোলা ছবিটির Angle of View হতে হবে Unique Angle of View বা —দেখার স্বতন্ত্র কোণ । সহজ ভাবে আমি যেটা বুঝি গতানুগতিকা থেকে বের হয়ে বেশীর ভাগ মানুষের পছন্দের একটা ছবি তোলা। যে মানুষটা আপনার ছবিটি দেখছেন তার যেন মনের ভিতরে একটা অনুভুতি তৈরি হয় । কাজটি কিন্তু একেবারে সহজ নয় . . .
পুরান ঢাকা, লক্ষীবাজার
আগষ্ট ২০১৯

১. সকাল বেলা ঘুম থেকে উঠে নাস্তা শেষ করে চা এবং পত্রিকা নিয়ে বসেছি—আজ শুক্রবার আমাদের পারিবারিক একটি দাওয়াত আছে— সন্ধ্যায় । আমরা যাবো সেখানে—‘মা’ যাবেন না শারীরিক ভাবে ‘মা’ খানিকটা অসুস্থ হয়ে পড়েছেন ।
চা খেতে খেতে খোঁজ খবর করছিলাম ডেইলি নিউজ ইভেন্টে আজ উল্লেখযোগ্য কি কি আছে ? জানা গেল ‘হ্যাসট্যাগ মি টু’ নিয়ে বাংলাদেশের নারী সাংবাদিকদের একটা মানববন্ধন আছে—জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে, বেলা আড়াইটায় । পশ্চিমা বিশ্ব থেকে শুরু হওয়া এই ‘হ্যাসট্যাগ মি টু’ আন্দোলন এখন বাংলাদেশে । নারী এবং শিশুদের উপর যৌন নিপিড়নকারীর মুখোশ খুলে দেওয়ার জন্য মূলত এই আন্দোলন ।বাংলাদেশে এটাই হচ্ছে প্রথম ‘হ্যাসট্যাগ মি টু’ সংহতি মানববন্ধন ।
২. শুভ জন্মদিন ছোট দুই মানুষ—অর্ণব এবং আদ্রিতা ! ওরা আমার কাজিন / cousin ( সুমন ) সুমন-শিমুর জমজ দুটি ছেলে-মেয়ে, থাকে ঢাকার রায়ের বাগে । আমরা ওদের জন্মদিনের অনুষ্ঠানে উপস্থিত হলাম । মেঘ, ঢেউ, নীল, অর্ণব, আদ্রিতা এরা হলো আমাদের পরিবারের ছোট গ্যাং । ওরা সবাই এক সঙ্গে হয়ে সেকি আনন্দ ! অনেক মজা হলো—অনেক দিনপর পারিবারিক আড্ডা হলো ! আমার কাজিনদের তিন ভাই-বোনের মধ্যে সুমি এখন বাংলাদেশে নেই, পরিবার নিয়ে সে এখন মধ্যপ্র্যাচে থাকে, সুমন এবং শুভ দেশে আছে দুজনেই বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে জব করছে, বিয়ে করে সংসারি হয়েছে— ওরা । আমাদের এই আড্ডায় সুমিকে মিস করলাম !
২১শ শতাব্দীর এই পৃথিবীতে মানুষের বসবাস এবং জীবনধারণের চিত্র অনেকটাই পাল্টে গেছে— আজ ! সময়ের বিবর্তনে একান্নবর্তী পরিবার গুলো ভেঙ্গে তৈরি হয়েছে, একক পরিবার— কনসেপ্ট ! আমরা ছুটছি; প্রতিদিন—প্রতিনিয়ত ! আজ অনিবার্য হয়ে পড়ছে আমাদের এই ছুটে চলা । হয়তোবা পরিবারের সবাইকে আর একসঙ্গে পাওয়া সম্ভব নয় তবু প্রত্যাশা থাকে আমরা হয়তো কোন একদিন মিলিত হবে সেই সব ছোট ছোট ভালোবাসা নিয়ে . . .
রায়ের বাগ, ঢাকা
১৬ নভেম্বর ২০১৮

বর্ষাকালে সুন্দরবনে বন্য প্রাণী দেখার জন্য –আসলেই উত্তম সময়। আমি এই বর্ষায় সুন্দরবনে না গেলে, তার সেই সব সৌন্দর্য্য গুলো উপভোগ করতে পারতাম না ! আমাদের জাহাজ তখন সুন্দরী খালে নোঙ্গর করা ছিল। দুপুরের খাবার শেষ করে; আমরা জাহাজের ডেকে বসে ছিলাম, অসল ভঙ্গীতে । তখন দেখলাম–আকাশ কালো করে বনের উপর দিয়ে মেঘের দল ছুটে যাচ্ছে– কোন এক দুরের দেশে ! অসাধারন সেই ল্যান্ডস্কেপ ! যদিও মাত্র কয়েক সেকেন্ড ছিল–সেই দৃশ্যকাব্য ! তারপর শুরু হলো–ঝুম বৃষ্টি ! আমাদের কেউ কেউ সেই দৃশ্য-কাব্যের ছবি তোলার জন্য দৌড়ে ক্যামেরা আনতে গেলে; ততোক্ষণে তা মিলিয়ে গেছে–কোথায় ! আমি তখন অসাধারন সেই দৃশ্য কাব্যের মুহূর্তটি ধরে রাখতে চাইলাম– প্যানারোমিক ভিউতে !
যদিও টুরিষ্টদের জন্য বর্ষাকাল–সুন্দরবনে বেড়ানো জন্য উপযুক্ত সময় নয় । কারণ–কালবৈশাখী ঝড়, নিম্নচাপ, জলোচ্ছাস সহ নানা কারণে বনের পরিবেশ এবং জীবন হয়ে উঠে অন্যরকম ! বনে বেড়ানো তখন ঝুকিপূর্ণ হয়ে যায় ! তবে যারা বন’কে ভালোবাসে–প্রকৃতি প্রেমী; তাদের কথা আলাদা ! কবি গুরু– রবীন্দ্র নাথ ঠাকুর বর্ষার রুপ দেখতে তার ছোট বোটে নিয়ে– উত্তাল পদ্মা ঘুরে বেড়িয়েছেন; দেখেছেন পদ্মা পারের সেই সব জীবন-গাঁথার গল্প . . .
পুরান ঢাকা, আগষ্ট ২০১৭
Teknaf (Bangladesh), Sep 5 (EFE/EPA)- (Camera: Monirul Alam).- At least 87,000 members of the Rohingya Muslim minority have entered Bangladesh in the last week fleeing violence in northwestern Myanmar, a United Nations official said Monday.

তার নাম দিলাম ‘ঢেউ’ ! মেঘের বোন—ঢেউ । নবজাতক পেটে থাকতেই, আমরা তার নাম কি রাখা হবে সেটা ভাবছিলাম, হঠাৎ করেই এই নামটা মাথায় আসলো । ছেলে হোক বা মেয়ে তার নাম রাখা হবে —ঢেউ । মেঘের সাথে মিলিয়ে কইন্যার নাম রাখা হলো—ঢেউ । মেঘের মা অবশ্য খাতা-কলমের জন্য একটা নাম ভেবে রেখেছে ! আল্লাহর রহমতে তার আকিকাটা দিয়ে নামের কাজটি সম্পন্ন করতে চাই ।
সবাই আমাদের কইন্যা ‘ঢেউ’ এর জন্য দোয়া করবেন . . .
পুরান ঢাকা
২৪ জুলাই ২০১৭
Multimedia Journalism ~ People gather to buy foods for breaking their fast during the Muslims holy fasting month of Ramadan at a traditional food market in Dhaka, Bangladesh on May 28, 2017. Muslims around the world celebrate the holy month of Ramadan by praying during the nighttime and abstaining from eating, drinking, and sexual acts daily between sunrise and sunset. Ramadan is the ninth month in the Islamic calendar and it is believed that the Koran’s first verse was revealed during its last 10 nights.
Published on NEWZULU : Bangladesh: Ramadan begins in Dhaka