Snapseed(5)

বর্ষার আকাশে শোকাবহ নগরী . . .

আজ জাতীয় শোক দিবস । ১৯৭৫ সালের এই দিন আমরা হারিয়েছিলাম জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তার পরিবারের বেশ কয়েকজন সদস্যকে । ১৫ আগষ্টের শহীদদের প্রতি রইল বিনম্র শ্রদ্ধা . . .

গতকাল ১৪ আগষ্ট, ২০১৬ বাংলা একাডেমী থেকে একটা আ্যসাইমেন্ট শেষ করে অফিসে ফিরছি । আর একটু পরেই সন্ধ্যা হবে । বিকেলের শেষ আলো-ছায়া গুলো নগরীর এই প্রান্তের সড়কে, ভবনের দেয়ালে দেয়ালে ছড়িয়ে আছে ।

আজ যেন— সেই ভবন গুলোর দেয়ালে দেয়ালে এক অন্য রকম শোভা ফুটে উঠেছে ! জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতি স্থির হয়ে আছে দেয়ালে দেয়ালে । আগামীকাল ১৫ আগষ্ট পালিত হবে— জাতীয় শোক দিবস । শোকের পতাকা, বঙ্গবন্ধু এবং তার পরিবারের সদস্যদের প্রতিকৃতি দিয়ে সাজানো হয়েছে নগরীকে । যেন বর্ষার আকাশে শোকাবহ— এই নগরী আজ !

শহরের মানুষ গুলো কাজ শেষ করে প্রতি দিনের মতো বাড়ী ফিরছেন— আজ । এই মানুষ গুলোর জন্য, এই বাংলাদেশের জন্য যে মানুষটা সারা জীবন সংগ্রাম করে গেছেন; হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি, বাংলাদেশের স্থাপিত— যেন ঐ উঁচু ভবন থেকে দেখছেন; আজকের এই বাংলাদেশে’কে—এই মানুষ গুলোকে ! আমার মটর সাইকেল থামিয়ে এই সময়টুকু ধরে রাখতে চাইলাম ক্যামেরাতে . . .

১৪ আগষ্ট , ২০১৬
বাংলামটর, ঢাকা

‪#‎বঙ্গবন্ধু‬ ‪#‎শেখমুজিবুররহমান‬ ‪#‎শোকদিবস‬ ‪#‎১৫আগষ্ট‬ ‪#‎বাংলাদেশ‬ ‪#‎মনিরুলআলম‬ ‪#‎ঢাকা‬ ‪#‎সাংবাদিক‬ ‪#‎লেখালেখি‬ ‪#‎ছবি‬
Image may contain: 5 people , outdoor

প্রধানমন্ত্রীকে খোলা চিঠি । জাতীয় কমিটি

ছবি:মনিরুল আলম
ছবি:মনিরুল আলম

 

রামপাল কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ প্রকল্পসহ ‘দেশবিরোধী’ সব চুক্তি বাতিলের দাবিতে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় অভিমুখে তেল-গ্যাস-খনিজ সম্পদ ও বিদ্যুৎ-বন্দর রক্ষা জাতীয় কমিটির পূর্বঘোষিত বিক্ষোভ মিছিল ছত্রভঙ্গ করে দেয়  পুলিশ। গত ২৮ তারিখে এই কর্মসূচিতে চলাকালে  পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তি ও কাঁদানে গ্যাসের শেলের আঘাতে অন্তত শতাধিক ব্যক্তি  এবং পথচারী আহত হয়েছেন বলে দাবি করেছেন জাতীয় কমিটির নেতারা। তাঁরা বলেন, এ সময় ছয়জন বিক্ষোভকারীকে আটক করা হয়েছে।

জাতীয় কমিটির আহ্বায়ক প্রকৌশলী শেখ মুহাম্মদ শহীদুল্লাহর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সমাবেশের শুরুতে  কমিটির সদস্যসচিব অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর যদি দেশের প্রতি, দেশের জনগণের প্রতি বিন্দুমাত্র দায়বদ্ধতা থাকে, তাহলে তাঁকে অনুরোধ করব, তিনি যেন সুন্দরবন-বিনাশী এই প্রকল্প বাতিল করেন।’ এ সময় তিনি প্রধানমন্ত্রীকে উদ্দেশ করে লেখা একটি খোলাচিঠি পাঠ করেন।

২৯ জুলাই , ২০১৬

ঢাকা,বাংলাদেশ

নোট:  একটি ক্রস মিডিয়া জার্নালিজম পরিকল্পনা ।

 

The Mystery Lives . . .

 

[The Mystery Lives ] is a long journey in my photography life. I try to captured unguarded moment of lives which is surround me. As a visual storyteller, during my photographic journey always try to look around for exploration images as it is naturally spring themselves in the world around me. In the process to stablished my personal ethical point of view. If we believe in the narration of images , then we must have faith in the arguments, accepting others opinions however hurtful they might be.

In these photography project is not the linear stories, it is and individual images which is a separate narration and mystery, mystery of lives . Here I am saying one example if you close to see my images, you see an individual narration. One images shown a body burn in a cremation programmed,one of my closed friends who dead in a road accident. We observed in midnight in front of mine my friends body was burn, within an hours he was vanishing, he never come again in our world again, an other images shown a new born baby arrive and he look around me, I look his eyes it a big mystery ! these two picture is shown us different narration, but somehow it is inter links, someone arrive someone departure, it is the natural process, but we don’t know but it’s a big mystery.

We try to observed on the way of life that is understood but not to explainable some times it is big mystery because only those who have turned themselves to photography know that satisfaction. I hope that these powerful visual narration and psychological think on viewers to there own lives .

-Monirul Alam / Photojournalist, Artist, Filmmaker
Old Dhaka, Bangladesh
July, 2015

মোটরসাইকেল ডাইরি . . . 

Les journaux de moto । Juillet 2016 , Dhaka, Bangladesh © Monirul Alam

মেঘ বলল— বাবা তোমার তো অফিস বন্ধ,চলো তোমার মোটরসাইকেল করে ঘুরে আসি । আমি বললাম—আচ্ছা চলো, বাপ-বেটা মিলে বুড়ীগঙ্গা সেতু থেকে ঘুরে আসি । সেতুর উপর থেকে লঞ্চ চলাচল দেখতে পাবা । অনেক মানুষ ঈদ করতে গ্রামের বাড়ী যাচ্ছে । নদীটা বর্ষার পানিতে ভরে আছে, চলো সেই সব দেখে আসি । 
Les journaux de moto | Juillet 2016 , Dhaka, Bangladesh © Monirul Alam

গুড়ি গুড়ি বৃষ্টি হচ্ছে । যে কোন সময় বৃষ্টি বাড়তে পারে তাই সঙ্গে ছাতাটা নিয়ে নিলাম । ফরিদাবাদ যেতেই মোটরসাইকেলের ষ্টার্ট বন্ধ হয়ে গেল ! মিটারের দিকে তাকিয়ে দেখি ফুয়েল নেই । হিসাব করলাম কাছাকাছি কোন পেট্রোল পাম্প আছে কিনা ? খোঁজ নিয়ে জানলাম জুরাইন এলাকায় একটা পেট্রোল পাম্প আছে । কিন্তু যানজটের কারণে সেখানে যেতে ইচ্ছা হলো না । রির্জাভে দিয়ে মোটরসাইকেল চালিয়ে ব্রীজের উপর উঠলাম । বাপ-বেটা মিলে সেখানে বেশ কিছুক্ষণ কাটালাম । দেখা মিলল—সদরঘাট নদী বন্দর থেকে ছেড়ে আসা সেই সব লঞ্চ ! ভেঁপু বাজিয়ে যাত্রী নিয়ে তারা ছুটে চলছে দেশের দক্ষিণ অঞ্চলে । 


ফটোসাংবাদিক জামির ভাইয়ের সাথে দেখা হয়ে গেল । সে কেরানীগঞ্জ এলাকায় থাকে । মোটরসাইকেলের ফুয়েল সমস্যার কথা বলতেই সে বলল, মনির ভাই, আমার মোটরসাইকেল থেকে ফুয়েল নিন । অতপর একটা পলিথিনের প্যাকেট এক রিকশাওয়ালা ভাইয়ের কাছে থেকে সংগ্রহ করে তাতে ফুয়েল নিয়ে আমার মোটরসাইকেলে ভরে দিলাম । রিকশাওয়ালা ভাইকে ধন্যবাদ দিলাম—তার এই উপকারের জন্য । সে বৃষ্টি থেকে বাঁচার জন্য তার মাথায় পলিথিনের প্যাকেটটি টুপি আকারে পরেছিল । আমি তাকে বল্লাম, এটা আপনার লাগবে না ! সে বলল, এখন আর বৃষ্টি নাই । আমার আর লাগবো না । আপনি নিয়ে যান ।

© Monirul Alam

জামির ভাই বললেন, একটান দিয়ে তেঘোরিয়া গেলেই পেট্রোল পাম্প পেয়ে যাবেন । আমি জামির ভাইয়ের কথা মতো সেখান গিয়ে মোটরসাইকেলটিতে পেট্রোল ভরে নিয়ে নিলাম । জামির ভাইকে মনে মনে অনেক ধন্যবাদ দিলাম তার এই উপকারের জন্য । 

এখন নিশ্চিন্ত ! ইচ্ছা করলেই মোটরসাইকেল চালিয়ে অনেক দূরে যাওয়া যায় ! মেঘকে বললাম—বাবা, এখন কোথায় যাবা বল। মেঘ আমাকে বলল, বাবা ক্ষুধা লেগেছে ! আমি বললাম—অসুবিধা নেই, ব্যাগে থাকা বিস্কুটের একটা প্যাকেট দিয়ে বললাম, বাবা এটা খেয়ে নাও । 

© Monirul Alam

আমরা মোটরসাইকেল চালিয়ে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ এর বেশ কয়েকটা এলাকা ঘুরে এলাম । হাসনাবাদ, পানগাঁও,জালিবাড়ী সহো নানা এলাকা । এই সব এলাকার খাল গুলোতে বর্ষার পানিতে ভরে উঠেছে— দেখলাম ঝাউবন গুলো—আমাকে খুব কাছে টানলো । কি রকম অদ্ভুত সবুজ হয়ে ছড়িয়ে আছে সারা জায়গা জুড়ে । সড়কের দুই পাশে সারিসারি গাছ দেখতে খুব সুন্দর লাগছিল । আমাদের মোটরসাইকেল সেখানে থামালাম ! বাপ-বেটা মিলে বেশ কিছু ছবি তুললাম । আমাদের ছবি তোলার সঙ্গী হলো ঐ এলাকার একটি ছেলে তার নাম শাওন । কতো গুলো ছেলেকেও দেখলাম ছোট একটা মাঠে ফুটবল খেলছে । ওদের ফুটবল খেলার ছবি তুললাম । 
© Monirul Alam
পানগাঁও থেকে বেড়িয়ে আমাদের মোটরসাইকেল ছুটতে শুরু করলো বাসার উদ্দেশ্যে । বুড়ীগঙ্গা ব্রীজে ( প্রথম চীন মৈত্রী সেতু, পোস্তগোলা ) আবার মোটরসাইকেল থামালাম— ততোক্ষণে সূর্যের আলো আর নদীর পানিতে ছোট ছোট ঢেউ— অদ্ভুত এক ব্যঞ্জনার সৃষ্টি করেছে ! ভীষণ ভালো লাগলো—খুব বসে থাকতে ইচ্ছা করলো ! সেই সব কিছু দৃশ্যপট ধরে রাখতে চাইলাম আমার মোবাইল ফোনে ! 

আজ শেষ রোজা ! অনেক দিন পরিবারের সবার সাথে ইফতার করা হয়ে উঠেনি ! মেঘ’কে বললাম—বাবা চলো বাসায় ফিরে যাই। আজ আমরা সবাই মিলে এক সঙ্গে ইফতার করবো . . . 

পুরান ঢাকা

২২, আষাঢ়, ১৪২৩

Les journaux de moto । Juillet 2016 , Dhaka, Bangladesh  © Mursalin Abdullah

Happy Birthday to MEGH . . . 

How can we ever forget the moment when we took you in our arms for the very first time? Every year your Birthday reminds of this beautiful moment. Here’s wishing the best of blessings and good luck on your Happy Birthday! We all pray and love you too.

Our baby (son) Megh was born in 1st July 2009 around 7.21 pm Hi tech Multi care Hospital in Kafrul area Dhaka city. Today’s he turn 7 years old. We are very happy and celebrate his 7th birthday.

maa/baba 1st July 2016

Old Dhaka, Bangladesh

© Monirul Alam

© Monirul Alam

© Monirul Alam

© Monirul Alam
© Monirul Alam
© Monirul Alam
© Monirul Alam
© Monirul Alam
© Monirul Alam

বদলে যাওয়া প্রযুক্তি . . . 

ছবি: ইন্দ্রজিৎ ঘোষ

কত দ্রুত বদলে যাচ্ছে প্রযুক্তির ব্যবহার ! কয়েক বছর আগেও ঘটনাস্থল থেকে অফিসে ছবি পাঠানোর জন্য ল্যাপটপ ব্যবহার করতাম । ক্যামেরার ব্যাগে ল্যাপটপ বহন করতে হতো । ইন্টারনেট সংযোগের জন্য ছিল মোডেম । 

আর এই ২০১৬-তে এসে, স্মার্ট ফোন ব্যবহার করছি ছবি পাঠাতে। ফোনটি একটি ইন্টারনেট ডিভাইস হিসাবে ব্যবহার হচ্ছে । বিশেষ করে অনলাইন সংবাদ সংস্করনের জন্য । প্রযুক্তির সাথে তাল মিলিয়ে তীব্র প্রতিযোগিতার এই বাজারে নিজেকে সব সময় আপডেট রাখতে হয় । 

প্রতিনিয়ত বদলে যাওয়া প্রযুক্তিকে ভয় না পেয়ে ফ্রেন্ডলি ভাবে নেয়াটা হচ্ছে— বুদ্ধিমানের কাজ । প্রযুক্তি জ্ঞানের পাশাপাশি, নিজের পেশাদারী মনোভাবটাও খুব জরুরী । 

আমার এই ছবিটি তুলেছেন New Age পত্রিকার ফটোসাংবাদিক ইন্দ্রজিৎ ঘোষ । আমরা আগারগাঁও এলাকায় আগুন লাগার একটা খবর পেয়ে সেখানে গিয়েছিলাম । সময়টা ছিল ০৩, অক্টোবর, ২০১৩ । 

পুরান ঢাকা

১৩, আষাঢ়, ১৪২৩