Bengali New Year celebrations in Dhaka  . . . 

Dhaka, Bangladesh – 14 April, 2017 Dhaka, Bangladesh- People of all walks of life including students and cultural activists attend the Mangal Shobhajatra rally held to celebrate Pahela Baishakh, the first day of the first month of the Bangla calendar year 1424, in Dhaka, Bangladesh, 14 April 2017. The day is celebrated across the country while the United Nations Educational, Scientific and Cultural Organization (UNESCO) added the Mangal Shobhajatra festival on Pahela Baishakh, among other new items, to the safeguarding intangible cultural heritage list. 

Note: Need HD quality for MEDIA publication please contact witnessphoto@gmail.com

© Monirul Alam / WITNESS PHOTO

© Monirul Alam / WITNESS PHOTO

© Monirul Alam / WITNESS PHOTO

The festival of Faith . . . 

13 April, 2017 Munshigonj, Bangladesh- Hindu community devotees dance and attend as they take part in a festival called Lal Kach Red Glass during the last day of the Bangla month in outskirts of Dhaka in Munshigonj, April 13, 2017, Bangladesh. As the month of Chaitra, the last in the Bangla year, draws to an end, the Hindu community in Abdullahpur, Munshiganj, comes together in a festival dedicated to the worship of Lord Shiva and Parvati. The festival is well known for the local community for more than hundred years. The Hindu youth and men paint themselves with red color and attend a procession holding swords as they show power against evil and welcome the Bengali New Year 1424 on 14 April 2017.  

Note: Need HD quality for MEDIA publication please contact witnessphoto@gmail.com

Monirul Alam / WITNESS PHOTO

Bengali New Year Preparation 1424 . . . 

10 April, 2017 Dhaka, Bangladesh – Bangladeshi students of the Institute of Fine Arts in Dhaka University busy to making the colorful masks and pottery for the preparation of Bengali New Year Celebration in Bangladesh. Pahela Baishakh Bengali New Year also called Pohela Boishakh, is the traditional new year day of the Bebgali people . It is celebrated on 14 April as a national holiday in Bangladesh, and on 14 or 15 April in the India states of West Bengal, Tripura and elsewhere by people of Bengali heritage, irrespective of their religious faith. The festival date is set according to the lunisolar Bengali calendar as the first day of its first month Baishakh. In Bangladesh The UNESCO added the Mangal Shobhajatra festival on Pahela Baishakh among other new items to the safeguarding intangible cultural heritage list during their 11th session in Addis Ababa, Ethiopia, that runs from 28 November to 02 December.

Note: Need HD quality for MEDIA publication please contact witnessphoto@gmail.com

© Monirul Alam

Justice for Irfan . . .

Drik and Pathshala formed a human chain and to protest against killed and to demands justice for Irfan during the first death anniversary of Irfanul Islam at Shahbagh in the capital Old Dhaka, on 02 April 2017. Irfan was found dead in the bushes beside the Dhaka-Narayanganj Link Road in Jalkuri area of Narayanganj on the evening of April 2 last year.

monirul alam

02 April 2017

Dhaka, Bangladesh

Note: Need HD quality for MEDIA publication please contact witnessphoto@gmail.com

BLACK NIGHT 1971 Bangladesh . . .

The black night of March 25, 1971 when the Pakistani occupation forces kicked off one of the worst genocides in history that led to a nine-month war for the independence of Bangladesh in 1971. Every year different socio-cultural and educational organizations chalk out elaborate programs to observe 25th March. In 2013 I was documents the present situation after its 42 years of Independence.

-monirul

25 March 2013

Dhaka, Bangladesh

Note: Need HD quality for MEDIA publication please contact witnessphoto@gmail.com

MON_0241
©Monirul Alam

ছোট ছোট ভালবাসা . . . 

© Mursalin Abdulla
১.বৈশাখী ঝড়ো বৃষ্টি এখনো থেমে থেমে চলছে কোথাও কোথাও । ঢাকা শহরের কোনো কোনো সড়ক বৃষ্টির পানিতে সয়লাব ! শুধু ঢাকা শহর নয়—দেশের অনেক জায়গাতেই এই ঝড়ো বৃষ্টি হচ্ছে । সামনের দিন গুলোতে আরো বৃষ্টি হবে, আসছে বর্ষা— ঋতু ! গতকাল এক বিয়ের অনুষ্ঠানে গিয়েছিলাম। রাতের বেলাতে, বাসায় ফিরতে বেশ বিড়ম্বনায় পড়তে হলো ! বৃষ্টির পানিতে সিএনজি বন্ধ হলো বার কয়েক ! আর সিএনজি পেতেও খুব কষ্ট করতে হয়েছিল—সেই সময়ে !

আমাদের সুমন তার পরিবার নিয়ে গ্রামের বাড়ি হিজুলীয়াতে বেড়াতে গিয়েছে— সেখানেও বৃষ্টি হচ্ছে । সে অবশ্য তার ফেসবুকে লিখেছে— বৃষ্টি হচ্ছে খুব, সাথে বিদ্যুৎ চমকাচ্ছে—ঘনঘন ! গ্রামের বাড়ীর এই পরিবেশ তার খুব ভালো লাগছে ! 

বৃষ্টি আমার খুব প্রিয় । আর গ্রামের পরিবেশে সেই বৃষ্টি—অসাধারন ! ছোট বেলায় আমার, বর্ষা আর বৃষ্টি নিয়ে অনেক অনেক স্মৃতি রয়েছে—আহা! সেই সব বৃষ্টি ভেজা দিনগুলো ! 

২.ছোট মেঘ— তার দাদির জন্ম দিনে, খুব সুন্দর একটা উপহার দিয়েছে—তার দাদিকে । সে তার হাতে আঁকা একটা ছবি দিয়েছে । নিজে একটা ছোট খাম তৈরি করে, তাতে একটা চকলেট আর ছবি সেই খামে ভরে, দাদিকে বলে, দাদি তোমার জন্মদিনে—আমার গিফট ! আমি মেঘ’কে বললাম, তুমি ‘শুভ জন্মদিন দাদি’ লিখেছ বাংলায়, আর তোমার নাম কেন ইংরেজীতে লিখেছ ? মেঘ তার উত্তরে বলে—বাবা, আমি আমার নামের বানান এখন না দেখে ইংরেজীতে লিখতে পারি, তাই আমি আমার নামের বানান ইংরেজীতে লিখেছি। 

এই মুহূর্তে আহমেদ শরীফ স্যারের একটা কথা মনে পরে গেল—সুখ কেউ কাউকে দিতে পারে না, সুখ পেতে জানতে হয় । সুখ বাইরে নেই, সুখ চিত্তলোকে সৃষ্টি করতে হয় . . . 

পুরান ঢাকা

১১ মার্চ, ২০১৭

মেঘের গাছ বন্ধু হওয়া . . . 

গত রাতে ঝড়ো বৃষ্টি হয়েছে । সেই সাথে মেঘের গর্জন আর ঘন ঘন বিদ্যুৎ চমকানো—কালবৈশাখী ! মেঘ বলল, বাবা আমার স্কুলে আগামীকাল বাষির্ক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা আছে, সকালে কি বৃষ্টি থাকবে ? আমি বললাম জানি না বাবা, দেখা যাক কি হয়, তুমি এখন ঘুমাও। সে একটু পরে আবার বলে, বাবা— আমিতো যেমন খুশি তেমন সাজোতে, নাম দিয়ে এসেছি—আমি গাছ সাজবো ! আমি বললাম বাবা ঠিক আছে । তুমি এখন ঘুমাও ।   

বৃষ্টি ভেজা সকাল—খুব চমৎকার রোদ চারপাশে ! দেখেই মনটা আনন্দে ভরে উঠল ! মেঘ বেচারা খুব টেনশন করছিল, সে সকালে স্কুলে যেতে পারবে কিনা ? সকালে যদি বৃষ্টি হয় ! সকালের নাস্তা শেষ করে আমরা তিন জন রিকশাতে রওনা করলাম সঙ্গে মেঘের—গাছ বন্ধু ! মা-বেটা মিলে খুব সুন্দর করে এই গাছ বানিয়েছে, কাগজ কেটে কেটে—তাতে রঙ করা হয়েছে । মেঘের সেকি আনন্দ ! আজ সে তার স্কুলে— গাছ বন্ধু হয়ে ঘুরে বেড়াবে, তার অন্য সব বন্ধুদের সাথে । তার ফুপিকে বলছে সে গাছ সাজবে তার স্কুলে ।

সেন্ট টমাস মিশন প্রাইমারী স্কুলটিতে প্রবেশ করতেই, মনটা ভরে গেল অন্য রকম—এক আনন্দে ! সকালের মিষ্টি রোদে ভরে আছে মাঠ । চারপাশের গাছ গুলো—বৃষ্টি ভেজা ! আর মূল চার্চটি যেন—খুব নির্বাক ! সেই কতোদিন—কতোদিন দিন তার বুকে ঘড়ি এটে দাড়িয়ে আছে নিরবে । এখানকার মানুষ এখনো—সেই ঘড়ি দেখে পথ চলে ! সময় সময় ঘন্টা বাজিয়ে সময়ের জানান দেয়—সেই চার্চের দেয়াল ঘড়ি । 

ক্ষুদে শিক্ষার্থীরা মাঠে ঘুরে বেড়াচ্ছে— পরনে তাদের স্কুল ড্রেস হাতে লাল ফিতে বাঁধা । আমার কাছে খুব ভালো লাগলো, লাউড স্পিকারে— একটার পর একটা রবীন্দ্র সংঙ্গীত বাজছিল । আমার হিয়ার মাঝে / আমার পরানো যাহা চায় / আমি মুগ্ধ হয়ে সেই গানগুলো শুনছিলাম । 

স্কুলের প্রধান শিক্ষিকা উপস্থিত অতিথিদের অব্যর্থনা জানিয়ে একটু পর ঘোষণা দিলেন—তাদের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতার । উপস্থিত অতিথীরা ক্ষুদে শিক্ষার্থী এবং অভিভাবকদের উদ্দেশ্যে সুন্দর সুন্দর কথা বললেন। 

 শুরু হলো—বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতার অনুষ্ঠান । বিভিন্ন শ্রেনীর ক্ষুদে শিক্ষার্থীদের একটা জায়গায় বসানো হয়েছে । সেখান থেকে ক্লাস অনুযায়ী ডাকা হচ্ছে, খেলা গুলোতে অংশ গ্রহনের জন্য । প্রতিযোগিতা গুলো ছিল বেশ মজার । যেমন— জুতা-মোজা দৌড়,আলু তুলে দৌড় , অংক দৌড় ,মটরসুটি দৌড়,ভারসাম্য দৌড়। ব্যাঙ লাফ, হাঁস হাঁটা, চকলেট দৌড় সহ নানা আয়োজন । 

আমরা অভিভাবকরা ক্ষুদে শিক্ষার্থীদের এই সব খেলা দেখে—খুব মজা পেলাম । এরই মধ্য ছোট ছোট এই মানুষ গুলো যেমন খুশি তেমন সাজো প্রতিযোগিতা অংশ নিয়ে সারা মাঠ ঘুরতে লাগলো । কেউ সেজেছে — বঙ্গবন্ধু , কেউ কৃষক, কেউ মুক্তিযাদ্ধা, কেউ কমান্ডার,আবার কাউকে দেখা গেল ডাক্তার সেজে ঘুরে বেড়াতে; কেউ সেজেছে কৃষ্ণ কিন্তু রাধা’কে দেখা গেল না, আবার কেউ শিক্ষিকা সেজেছে, কেউ বা উকিল । মেঘ তার গাছ নিয়ে গাছ বন্ধু হয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছে—মনের আনন্দে ।

একটু পরে শিক্ষার্থীদের টিফিন দেয়া হলো । এর পর পর অভিভাবক এবং শিক্ষকদের জন্য একটা প্রতিযোগিতা ছিল । সেটাও খুব মজা হলো । প্রতিযোগিতার শেষ পর্ব ছিল পুরষ্কার বিতরণ । 

এবার মাইকে ঘোষণা এলো — ব্যাঙ লাফে প্রথম পুরষ্কার পেয়েছেন, নিরব মিয়া ! আমি ছোট নিরব মিয়াকে দেখার জন্য আগ্রহী হয়ে উঠলাম ! এরই মধ্য মাইকে ঘোষণা এলো মেঘের নাম— সে যেমন খুশি তেমন সাজোতে—প্রথম পুরষ্কার পেয়েছে ! 

বেটা’তো আমার মহা খুশি, সে প্রথম পুরষ্কার পেয়েছে ! আমি মেঘ’কে জড়িয়ে ধরে আদর করলাম । আমি মেঘ’কে বললাম, তোমার স্কুল’তো আমাকেও একটা পুরষ্কার দিয়ে দিল । মেঘ বলল, আমি দেখেছি—তুমি বেলুন ফুটানো’তে ২য় হয়েছ । এবার আমাদের বিদায়ের পালা, স্কুল কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ জানিয়ে বাড়ীর পথে রিকশা নিলাম, সঙ্গে দুটি পুরষ্কার আর গাছ বন্ধু . . . 

সেন্ট টমাস স্কুল, পুরান ঢাকা

© Monirul Alam

০৬ মার্চ,২০১৭ © Monirul Alam