Climate Refugee in Bangladesh . . .

Climate change touches already every corner of the world and every aspect of people’s lives. As the global temperature increases, its impacts will become even more extreme. The impact of climate change world is already facing food and fuel crises. World Bank and IMF have sounded a larger alarm push 100 million people in low-income countries deeper into poverty. In Bangladesh we are seeing rice-crises firsthand everyday. The long queues on the roadside subsidized rice sale centers are probably an indication of the coming hunger, when 30 million people will face starvation. In Bangladesh natural disasters like SIDR, River Erosion, Drought and Flood mass migration of people from the countryside to the cities. Visions of money, food and a better life, but many of they failed to realize their dreams lured the migrants, and the rural poor became the urban poor. I began to document of marginal condition in my own country. My investigation finally brought me to a climate refugee in Bangladesh.


Intellectual Martyrs Day Observes in Dhaka

The Martyred Intellectuals Memorial at Rayerbazar, December, Dhaka, Bangladesh on 14 December 2017. Thousands of Bangladeshi people paid tribute to the dozens of intellectuals killed during the war, 1971 which won the South Asian country independence from Pakistan. The intellectuals were systematically killed across the former East Pakistan by the Pakistani army and their collaborators to maim the emerging nation of its talented and intellectual people.

Note: WITNESS PHOTO is an Independent Photo Agency. For an assignment Please contact: | Click the link for an update events WITNESS PHOTO AGENCY

বিদায় আনিসুল হক . . .

© Monirul Alam / WITNESS PHOTO

02 December 2017 | Dhaka Army Stadium

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) মেয়র আনিসুল হককে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে হাজারো মানুষ অংশ নেয় ঢাকার আর্মি স্টেডিয়ামে । সেখানে সর্বস্তরের মানুষ তাঁর প্রতি শেষ শ্রদ্ধা জানায়। নামাযে জানাজা শেষে বনানী কবরস্থানে তাঁকে সমাহিত করা হয়।

মোটর সাইকেল ডায়েরী . . .

© Monirul Alam / WITNESS PHOTO

বাবা—আমার ঘুম পাচ্ছে ! তখন রাত হয়ে গেছে, আমি মেঘ’কে নিয়ে মটরসাইকেল চালিয়ে বাসায় ফিরছি । আমি বললাম, বাবা—আমরা চলে এসেছি, আর একটু পরেই বাসায় ঢুকবো । মেঘ বলে—বাবা, জানো আমার কেন ঘুম পাচ্ছে ? আমি বললাম, না—সে বলে আমিতো আজ দুপুরে ঘুমাই নাই—তাই ঘুম পাচ্ছে !

আজ মেঘ আর আমি মটরসাইকেল নিয়ে বেড়িয়ে ছিলাম । সে বলে তোমার মটর সাইকেলে অনেকদিন আমি ঘুরতে বের হই না ! গিয়েছিলাম বেগম রোকেয়া এভিনিউ সড়কের বিসিএস কম্পিউটার সিটিতে । ক্যাননের মামুন ভাইয়ের সাথে একটা কাজ ছিল । মটর সাইকেলে যেতে যেতে বাপ-বেটা মিলে নানা কথা বলছিলাম ।

সাপ্তাহিক দিনটি বৃহস্পতিবার থাকায় সড়কে যানজটের অবস্থা ছিল যথারিত— ভয়াবহ ! কম্পিউটার সিটিতে কাজ শেষ করে বেড়িয়ে পড়লাম । আমাদের এখন গন্তব্য শিল্পকলা একাডেমী— প্রথম আলোর তরুণ আলোকচিত্রীদের শরনাগত—বাস্তচ্যুত রোহিঙ্গা শীর্ষক আলোচিত্র প্রদর্শনী দেখা । প্রদর্শনীতে গিয়ে দেখা হলো সুমন ইউসুফ, আশরাফুল আলম আর আবদুস সালামের সাথে । প্রদর্শনী নিয়ে কথা হলো ওদের সাথে ।

প্রদর্শনীটি কিউরেট করেছেন—ফটোসাংবাদিক আবীর আবদুল্লাহ । প্রদর্শনীর ছবি গুলো দেখে আমার কাছে মনে হয়েছে—দৈনিক সংবাদপত্রের জন্য এটা—এক ধরনের ডকুমেন্টেশন বা প্রামানিক দলিল । যদিও এই তরুণ ফটোসাংবাদিকদের কাছ থেকে আরও শক্তিশালী কাজ আশা করছিলাম ।

ফটোসাংবাদিকদের সব সময় একটা চাপের মধ্যে থেকে কাজ করতে হয় । সময় মতো ঘটনাস্থলে পৌছান, সঠিক অবস্থান নেওয়া, সঠিক ছবিটি তুলতে পারার পাশাপাশি তা সময় মতো অফিসে পাঠানো, পুরো প্রক্রিয়াটি একটা বড় মুন্সিয়ানার পরিচয় বহন করে— যা কাজ করতে করতে নিজের মধ্যে গড়ে উঠে ।

সময় উপযোগী প্রদর্শনীটির জন্য আয়োজক প্রথম আলো পত্রিকা, প্রদর্শনীর কিউরেট আবীর আবদুল্লাহ এবং সকল ফটোসাংবাদিকদের আমার পক্ষ থেকে ধন্যবাদ জানাই . . .

পুরান ঢাকা

Rohingya Exodus by Monirul Alam

As a front line photojournalist I have to seen many destruction and death during my photojournalist assignment to coverage like many disaster situation but Rohingya’s refuges fled from Myanmar to me should different, thousand and thousand feeling form Myanmar to enter Bangladesh during their long journey, to scape death and violence. I feel pain and sorrows to see of them, especially children and women to cross the border on the muddy water on to the bad weather. I saw after they enter into Bangladesh their face is quite happy to escape death but they are really desperate for food, for water, for shelter, for their baby’s health  . . .  


-monirul alam, Independent photojournalist 


Rohingya people, fled from ongoing military operations in Myanmars Rakhine state, make their way through muddy water after crossing the Bangladesh-Myanmar border in Teknuf, Bangladesh on September 2017. According to the United Nations High Commissioner for Refugees, UNHCR, more than 400,000 Rohingya refugees have fled Myanmar from violence over the last few weeks, most trying to cross the border and reach Bangladesh.  The crisis began when a Rohingya insurgent group launched attacks with rifles and machetes on a series of security posts in Myanmar on August 25, prompting the military to launch a brutal round of “clearance operations” in response. Those fleeing have described indiscriminate attacks by security forces and Buddhist mobs, including monks, as well as killings and rapes.

Conditions are worsening in the border town of Cox’s Bazar where the influx has added to pressures on Rohingya camps already overwhelmed with 400,000 people from earlier waves of refugees. Poor and low-income countries such as Bangladesh, Uganda and Lebanon are left struggling to deal with huge numbers of refugees, when rich countries who host far fewer should be stepping up to provide aid and resettlement places. Myanmar’s government, led by Nobel Peace Prize winner Aung San Suu Kyi, and it’s still powerful military do not allow independent media free access to northern Rakhine state, from where the Rohingya are fleeing. While fires are no longer visible from the Bangladeshi border, some refugees told that their homes had been burned during Myanmar military to launch a brutal round of clearance operations.

The latest evidence published by Amnesty International points to a mass-scale scorched-earth campaign across northern Rakhine State, where Myanmar security forces and vigilante mobs are burning down entire Rohingya villages and shooting people at random as they try to flee. In legal terms, these are crimes against humanity – systematic attacks and forcible deportation of civilians. This is more than the total number of refugees who came to Europe by sea in 2016.

Note: WITNESS PHOTO is an Independent Photo Agency. For an assignment Please contact: |