মাথার উপরে পূর্ণিমার চাঁদ . . .

আমাদের মাথার উপরে তখন ভরা পূর্ণিমার বিশাল আকাশ ছবি: মনিরুল আলম

পূর্ণিমার চাঁদ / Full Moon —আমার কাছে সর্বদা এক ‘কাব্য রহস্য’ বা Poetic Mystery বলে মনে হয়, কি জানি এর অর্থ হয়তো-বা অন্য কোন কিছু । সেদিন পূর্ণিমা দেখতে আমরা তিনজন ছাঁদ-বাগানে বসে ছিলাম, আমাদের মাথার উপরে তখন ভরা পূর্ণিমার বিশাল আকাশ।

মেঘ, ঢেউ আমাকে চাঁদের ছবি তুলতে সাহায্য করেছিল, আমি ছবি তোলা শেষে চাঁদ নিয়ে ছোট বেলায় জানা, নানা গল্প আর চাঁদ বিজ্ঞানের নানা কথা শোনালাম । চাঁদের এই ‘কাব্য রহস্য’ ওদের মনে হয়তো ভালো লাগলো । চাঁদের এই ছবিটি Double Exposure দিয়ে তোলা হয়েছিল, সে গল্প না হয়, অন্য কোন দিন বলা যাবে . . .

[ ডাইরি ] পুরান ঢাকা
এপ্রিল / ২০২১ © মনিরুল আলম

রানা প্লাজা দুর্ঘটনার আট বছর . . .

আবদুল আজিজের সাথে আলাপচারিতা. . .

আবদুল আজিজ— সবজী বিক্রি করেই তার সংসার চলে এখন। একমাত্র ছেলেকে হারিয়েছে আজ আট বছর হলো । রানা প্লাজার চার তলায় ফ্যানটম গামেন্টস, আয়রন সেকশন কাজ করতেন ১৮, বছরের শাওন। রানা প্লাজা দুর্ঘটনার আট বছর কাভার করতে, আজ সেখানে গিয়েছিলাম,সাভারে ।

ধ্বংস স্তুপ এর কোন চিহ্ন নেই—আজ সেখানে। কাটাতারের বেড়া দিয়ে ঘিরে রাখা হয়েছে, সবুজ আগাছা, ময়লা- আর্বজনা আর ডোবায় পরিনত হয়ে, স্থবির হয়ে আছে, সেই—রানা প্লাজা !

নিহত ব্যক্তিদের স্মরণ করতে এই করোনাকালীন সময়ে স্বজনের অনেকেই আজ এসেছিলেন, এসেছিল বিভিন্ন শ্রমিক সংগঠন । ঘটনাস্থলে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান তারা,
প্রতিবাদ করেন, বিচার চান, ক্ষতিপূরণ চান।

বাংলাদেশের গামেন্টস শিল্পের জন্য ২৪ এপ্রিল ২০১৩ এক কালো দিন হিসাবে চিন্তিত হয়ে আছে । যেখানে ১১৩৬ জন শ্রমিকের করুণ মৃত্যু হয় এবং আহত হন আরও কয়েক হাজার শ্রমিক কেউ কেউ পঙ্গুত্ব হয়ে, চাকুরি হারিয়ে মানবেতর জীবন-যাপন করছেন, আজ।

বৃদ্ধ আজিজ, তার ছেলেকে স্বরণ করে— কাঁটাতার ঘেরা এক প্রান্তরে দাড়িয়ে, নিরবে কাঁদছিলেন । ছেলের জন্য আল্লাহর কাছে দোয়া চাইছিলেন । সেখানেই আলাপচারিতা হয়—নিহতদের বাবা আবদুল আজিজের সাথে . . .

[ ডাইরি ]
সাভার, রানা প্লাজা
২৪ এপ্রিল / ২০২১
© মনিরুল আলম

কুতুব আলীর ময়না পাখি . . .

জীবন- জীবিকার এই প্রিয় ঢাকা শহর ছেড়ে হাজারো মানুষ তাদের নিজস্ব গন্তব্যে— গ্রামের বাড়ী ছুটছেন। করোনা সংক্রমন আগের থেকে বেড়ে যাওয়ায় সরকার আগামী ১৪ থেকে ২১ এপ্রিল ২য় সপ্তাহের জন্য সর্বাত্মক লকডাউনে ঘোষণা দিয়েছে, এবারের লকডাউন হবে আগের থেকে অনেক বেশী কঠোর, যাতে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে ।

মাছ ব্যবসায়ী কুতুব আলী যাত্রা বাড়ীর মোড়ে বিকল্প গাড়ীর জন্য দাড়িয়ে ছিলেন তার প্রিয় ময়না পাখিটি নিয়ে, কুতুব আলীর সাথে আলাপচারিতায় উঠে এলো —করোনা ভাইরাস, লকডাউনে, মাছ ব্যবসা আর প্রিয় ময়না পাখি নিয়ে তার ঘর-সংসারের গল্প . . .

[ডাইরি ]
ঢাকা, যাত্রাবাড়ী মোড়
১৩ এপ্রিল / ২০২১
© মনিরুল আলম

আমরা তখন অন্ধকারে হেঁটে চলছি . . .

সন্ধ্যার আকাশে একটা নিশাচর উড়ে গেল মনে হয়; তারপর আরো একটা । মুকুলে মুকুলে ছেয়ে পরা আম গাছটায়—একটা লক্ষীপেঁচা ডেঁকে উঠলো ;

আমরা তখন অন্ধকারে হেঁটে চলছি, সড়কের প’রে— জোনাকি পোকা দেখে দেখে । আমাদের পায়ের শব্দ গুলো বহু দূরে গিয়ে মিলিয়ে যায়— ফিরে আসে না ! কি জানি কি হয় !

পৃথিবীর এই সব গল্প গুলো ফুরিয়ে যায়— মৃত হয়ে হারিয়ে যায় — যেমন হারিয়ে গেছে — প্রস্তর যুগের সেই সব ঘোড়াদের কাহিনী . . .

মার্চ ২০২১

■ ডাইরি / কালিহাতী, টাঙ্গাইল

জয়ীতার—‘আলোর মানুষ’ শীর্ষক প্রদর্শনী নিয়ে আলাপচারিতা . . .

দৈনিক পত্রিকায় রুটিন কাজ করে, নিজের চিন্তার কাজ বের করা এবং সেই কাজের প্রদর্শনী করা— বাংলাদেশে ফটোসাংবাদিকতার পরিপ্রেক্ষিতে খুব একটা সহজ পথ নয় ! এর জন্য মনের সাহসিকতা এবং কঠোর পরিশ্রমী হতে হয় । নিজের ভিতরের শক্তিকে জাগাতে হয় । জয়ীতার— ‘আলোর মানুষ’ শীর্ষক প্রদর্শনীটি দেখে আমার কাছে মনে হয়েছে, জয়ীতার সেই শক্তি আছে, তিনি পারেন ।

প্রতিদিন কাঁধে ক্যামেরা ব্যাগটি ঝুলিয়ে তার সঙ্গী স্কুটি বাইকটি নিয়ে বেড়িয়ে পরেন । তুলে আনেন, এই শহরেরই বুকে ঘটে যাওয়া নানা ঘটনা-দুর্ঘটনা, সংশ্লেষণ ঘটনা। কখনো বা পত্রিকার পাতায় সেইসব ছবি নানা শিরোনামে, ক্যাপশনে ছাপা হয় । ছাপা হওয়া ছবি দেখে মনে এক ধরনের প্রশান্তি কাজ করে । ছাপা না হলে মন খারাপ হয়, কিন্ত ভেঙ্গে পরেন না । ঐ যে বললাম— একজন ‘মানুষ’ জয়ীতা অনেক প্রাণ শক্তি ধারণ করেন. . .

দৃক গ্যালারি / পান্থপথ, ঢাকা
১১ মার্চ ২০২১ © মনিরুল আলম

জয়ীতা— ‘আলোর মানুষ’শীর্ষক প্রদর্শনীর ছবির গল্প . . .
ছবি: মনিরুল আলম
জতীয়া— তার কাজ নিয়ে যা জানালেন । ভিডিও ধারণ: মনিরুল আলম

মায়ের জন্মদিন . . .

তখন আমাদের ‘মা’ টাঙ্গাইল থেকে ঢাকার তার নানীর বাসায় বেড়াতে আসতেন । নারিন্দা এলাকায় তার নানা-নানীর বাসা ছিল, একদিন নিউ মার্কেট এলাকায় বেড়াতে গেলে সেখানকার কোন এক ষ্টুডিও থেকে এই ছবিটি তোলা । ছবিট কত সালে তোলা মায়ের আজগর মনে পরে না না । ছবি: পারিবারিক অ্যালবাম থেকে সংগ্রহ ।

বারান্দার গ্রীলে ঝুলতে থাকা বাহারি শুকনো পাতারা এক-ভিড় বাতাসে—নিঃশব্দে ঝরে প’রে ;— জানালা দিয়ে প্রবেশ করা এক-টুকরো আলোর রৌদ্র— মায়ের মুখে !

নিঃসঙ্গ স্তব্ধতায়—আলো আধঁরের দিন-রাত কেঁটে যায় তাঁ’র—কী ভিষণ এই বিষন্ন বেঁচে থাকা ! আজ মায়ের জন্মদিন; ‘মা’— তোমাকে ভালোবাসি . . .

১০ মার্চ ২০২১
■ ডাইরি / পুরান ঢাকা

নির্জনতার গল্প . . .

নির্জন দুপুরে—জানালার পাশে রোজ এসে বসি,—দেয়ালের কার্নিশে হেলে পরা আলোর বিচ্ছুরণ দেখি ;

চড়ুই পাখি আর ঝুটি শালিকের হৃদয়ের আর্তনাদ শুনি,— ওদের মনে কোন এক বিপন্ন বিস্ময় জাগে;—একটা বুনো বেড়াল জীবন্ত শিকার ধরে,—দেয়ালের কার্নিশ দিয়ে হেটে চলে গেল !

দেয়ালের কার্নিশে বসে থাকা এক ঝাঁক বুনো কবুতর কোথায় যেন উড়ে চলে গেল;—‘হরি বলা’ ধ্বনি দিয়ে কারা যেন, কাঁধে করে একটা শব নিয়ে গেল—শশ্মান ঘাটে;

আজকাল— চোখে খুব ভালো একটা দেখতে পাই না;—ঘরের দেয়ালে ঝুলিয়ে রাখা কবিদের সেইসব স্কেচ করা পোট্রেট গুলো—অস্পষ্ট বলে মনে হয়;

জানালা থেকে ফিরে আসি.—আবার জানালায় পাশে যাই,— আলোর বিচ্ছুরণ দেখি;—অন্ধকার চোখে . . .

২২ ফেব্রুয়ারি ২০২১

■ ডাইরি / পুরান ঢাকা

সেলফ পোট্রেট . . .

সেলফ পোট্রেট । ছবি: মনিরুল আলম

সেদিন শান্তি নগর গিয়েছিলাম । একটা ব্যক্তিগত কাজ ছিল । লিফট দিয়ে নামছি— লিফটের গ্লাসে আমারই প্রতিচ্ছবি ভেসে উঠেছে, সেটা আমার নজরে এলো । মাস্কের আবরণে মুখের অর্ধেকটা ঢাকা পরে আছে, কিছুটা যেন অস্পষ্ট, অচেনা লাগছিল নিজের আত্মপ্রতিকৃতিটি দেখে ! মোবাইল ক্যামেরাটি দিয়ে মুহুর্তটির ছবি তুলে রাখলাম ।

করোনাকালীন সময়— এখন সময়ের দাবি মাস্ক পরিধান করা, সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা এবং সাবান-পানি দিয়ে হাত ধোয়া । এটাই এখন নিজেকে এবং অন্যকে সুস্থ রাখার স্বাভাবিক নিয়মে পরিণত হয়েছে । আজকাল এই শহরের অনেক জায়গাতে একটি লেখা বেশ চোখে পরে—No mask, No service । সেদিন দেখি, মেঘ আমাদের ছাঁদের দেয়ালে বিভিন্ন জায়গায় ইটের টুকরা দিয়ে এই কথাটি লিখে রেখেছে ।

শহরের মানুষ আগের থেকে অনেকটা ( কম-বেশী ) এই বিষয়ে সচেতন হয়েছেন । তবে এই সচেতনতার ধারাবাহিকতা রক্ষা করা উচিত—আমাদের সবার । ইতিমধ্যে COVID-19 এর ভ্যাকসিন আমাদের দেশে চলে এসেছে । করোনাযুদ্ধের সম্মুখ যোদ্ধারা এরই মধ্যে ভ্যাকসিন নিতে শুরু করেছেন । এ মাসেই শুরু হবে সবার জন্য করোনা ভ্যাকসিন কর্মসুচি । তবে করোনাকালীন সংকটময় সময়টা— মানুষ চিরদিন মনে রাখবে । এই মহামারি জনিত রোগে অনেকেই হারিয়েছেন তাদের প্রিয়জন। যারা এই রোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেছেন, তাদের আত্মার শান্তি কামনা করি । যারা অসুস্থ রয়েছেন তাদের জন্য আল্লাহর কাছে দোয়া করি তারা যেন দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠেন । সবার জীবন সুস্থ এবং সুন্দর কাটুক— এই প্রত্যাশা ।

Norwegian ফটোগ্রাফার— আমার শ্রদ্ধাভাজন শিক্ষক
Morten Krogvold, বাংলাদেশে এসেছিলেন তার তোলা ছবির প্রদর্শনী নিয়ে ( ছবি মেলার আমন্ত্রণে ) পাশাপাশি আমাদের একটা কর্মশালা নিয়েছিলেন । আমি সেই কর্মশালাতে অংশগ্রহণ করেছিলাম । তার প্রথম আ্যসাইমেন্ট ছিল Self-Portrait তোলা । মুল বিষয়টি ছিল, অনেকটা এরকম—আমি নিজেকে আমার ক্যামেরায় কিভাবে দেখতে চাই এবং উপস্থাপিত হতে চাই । আমরা তা প্যাটিক্যাল করে আমাদের কর্মশালাতে উপস্থাপন করেছিলাম । এই সেলফ পোট্রেটটি তুলতে গিয়ে সেই সময়ের অনেক স্মৃতি মনে পরে গেল ।

আত্মপ্রতিকৃতি Self-Portrait কিংবা group selfie এখন সময়ের দাবি ।বিশেষ করে মোবাইলের সাথে ক্যামেরা সংযুক্ত হবার পর, এই ছবি তোলার প্রবনতা আগের তুলনায় অনেক বেশী বেড়েছে । মানুষ প্রযোজনে-অপ্রযোজনে নিজের সেলফি তুলে ফেসবুকে পোষ্ট দেন এবং লিখে দেন, এটা এমনি এমনি তুললাম ! অবচেতন মনে, আমরা অনেক সময় অনেক কিছু করি । সব সময় সব কিছুর কারণ খুঁজতে গেলে, অনেক সময় আনন্দটা নষ্ট হয়ে যায়—মন খারাপ হয় ।

সেলফ পোট্রেটটি তোলার একটা গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো—ঘটনাস্খলটির একটা প্রত্যক্ষ প্রমাণিক দলিল বা স্বাক্ষ্য বহন করা । যা অত্যন্ত সহজ এবং দ্রুততার সাথে বর্তমানে মোবাইল ফোনটি দিয়ে তোলা যায়, সংরক্ষণ করা যায় চাইলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বন্ধুদের সাথে শেয়ার করা যায় । ছবি তোলার গুরুত্বের দিক থেকে বলতে গেলে—আজকের তোলা একটি আলোকচিত্র / ছবি আগামী দিনের ইতিহাস। যা সেই সময়ের স্মৃতিকে অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে মনে রাখে, প্রকাশ করে . . .

■ ডাইরি / ঢাকা
ফেব্রুয়ারি, ২০২১

Slow shutter photography . . .

© MONIRUL ALAM

[ ছয় ] ফটোগ্রাফী আবিষ্কারের সময় থেকে শুরু করে এখন পর্যন্ত এই মাধ্যমটিতে ছবি পরিবেশন, উপস্থাপন নিদিষ্ট একটা গন্ডির মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে এর ব্যাপ্তী সকল স্তরে ( শিল্প-সংস্কৃতি, বিজ্ঞান-প্রযুক্তি রাজনীতি-অর্থনীতি ) সঞ্চারিত হয়েছে— হচ্ছে । যেমনটা বর্তমান সময়ে ব্যবহার করা Virtual Reality (VR) journalism প্রযুক্তি একটা উদাহরণ হিসাবে উল্লেখ করা যেতে পারে । বিশ্বের বিভিন্ন গণমাধ্যম ইতিমধ্যেই এর ব্যবহার শুরু করেছে ।

‘ঢেউ’ এর এই প্রোট্রেট ছবিটি তোলার ক্ষেত্রে Slow shutter photography বা Long exposure photography technique ব্যবহার করা হয়েছে । আমি এই ছবিটি তোলার ক্ষেত্রে Motion Blur Movement Technique ব্যবহার করেছি । ক্যামেরার সাথে অতিরিক্ত equipments হিসাবে একটা Camera tripod stand এবং Torch light ব্যবহার করেছি, রাতের বেলা ছবিটি indoor তোলা হয়েছে ।

এই long exposure বা slow shutter পদ্ধতি ব্যবহার করে আপনি অনেক ধরনের ছবি তুলতে পারেন যেমন— Motion Blur, Camera Panning, Light Trails, Light Painting, Stat Trails বা Ghost Effect ইত্যাদি । DSLR বা Mobile ক্যামেরা যন্ত্র চালানোর সাধারন জ্ঞান ( বেসিক ফফোগ্রাফী ) জানা থাকলেই, এইসব ছবি খুব সহজে তোলা সম্ভব . . .

জানুয়ারি ২০২১ / পুরান ঢাকা
মনিরুল আলম

হিম রাত্রি নামছে . . .

পৃথিবীর সেই সব বিকেলের আলো একে একে নিভে গেলে —সন্ধ্যা আসে ! দূরাগত— শহরের প্রান্ত থেকে কি জানি কিসের শব্দ ভেঁসে আসছে ! আমরা তিনজন— জ্যোৎস্নার আলোয় বসে আছি; আমাদের মাথার উপর হিম রাত্রি নামছে ।

■ ডাইরি / ডিসেম্বর, ২০২০