Happy birthday dear daughter . . .

WITNESS MY TIME | The alarm clock nock me, and than I weaks up early in the morning for my morning walks in our rooftop, I saw the day is beautiful, air’s so frash with clear blue sky and white clouds moves around the sky. I started my exercise and makes some plane for my little baby girl’s birthday, This year she turned into three years old.

Unfortunately these time periods around the world are facing on coronavirus pandemic, COVID-19 diseases, more than 10 million people around the world has been infected of the coronavirus COVID-19 diseases and the death toll half a million already cross. We should be able to take care of ourselves, and stay safe and healthy and should maintain World Health Organization (WHO) guideline for it’s preventation.

© MONIRUL ALAM

All Praises and Thanks Be To Allah, for everything. These day, three years ago she was born in our family. It was very happy and loving for us. Our baby girl is so nice and pretty child, sometimes she crosses and commands us if we are not to be good attention to her, Today’s shortly I bought some birthday gifts and cake for her.

Our little baby, DHEU / ঢেউ holds a balloon in our sweet home as she poses for photos, and played with her elder brother during her birthday time. DHEU and her elder brother MEGH so kinds and happy for these beautiful moments!

Happy birthday my dear daughter, I wishes to you enjoy every moment of your life with my love . . .

ডাইরি / জুলাই ২০২০

পুরান ঢাকা

© MONIRUL ALAM

Blooming flowers in our roof garden . . .

Now the rainy season is going on. Several flowers are blooming in our roof garden at this time. I love it very much, and stare to the flowers, it’s always look beautiful with color and sweet samells around the garden !

As the flowers name is Joba or Hibiscus rosa-sinensis, Lantana, Nil Aparajita, Rangan, Madagascar Periwinkle, Powder Puff, Allamanda Cathartica.

diary / July 2020
Old Dhaka, Bangladesh

পুষ্প, বৃক্ষ, বিহঙ্গের উপাখ্যান . . .

থোকায় থোকায় ফুটে আছে ফুরুস ফুল । ছবি : মনিরুল আলম

এই বর্ষায় আমাদের ছাঁদ বাগানে তারা থোকায় থোকায় ফুটে আছে,কখনো দুলছে ! বাতাসে তাদের সুবাস অনেক দূর পর্যন্ত ভেসে যায় ! ছাঁদে উঠলে তা খুব টের পাওয়া যায়। হ্যাঁ— তাদের এই প্রস্ফুটন কালে তাদের সঙ্গী হয়েছে সেইসব—মুক্ত বিহঙ্গেরা !

সকল-বিকাল যখন তারা কিচিরমিচির জুড়ে দেয়, তখন পরিবেশটাই যেন—অন্যরকম হয়ে উঠে ! পুষ্প, বৃক্ষ আর বিহঙ্গের বসবাসে ছাঁদের পরিবেশটাই বদলে যায় ! আবার যখন দিন শেষে, গোধুলীর সময়টা ফিরে তখন অন্য এক আবহ তৈরি হয় !

ভোরের দোয়েলটি করমচা গাছটির ডালে বসে, শেষ শিস দিয়ে তার দিনটির সমাপ্তি টানে—সন্ধ্যা নামে ! অন্ধকার রাত্রির ঘরে ঘরে কেউ কেউ তখন—ঘুমের রাজ্যে । ততোক্ষনে প্রকৃতিতে শুরু হয়ে গেছে, অন্য এক আয়োজন।অন্ধকারের আহবানে— নিশাচর প্রাণের নিঃশব্দ চলাচল !

বিচ্ছিন্নতার—এই সময়ে প্রকৃতি এই অনন্য রুপ— বিষণ্ণ, এই মনকে কিছুটা হলেও প্রশান্তি এনে দেয়। ছাঁদে উঠে মাঝে মাঝে এইসব প্রকৃতির ছবি তুলি; অন্য এক অর্থবহতার বার্তা খুঁজি ! যার পরিশ্রমে ছাঁদের এই ফুল-বাগান, তাকে অবশ্যই ধন্যবাদ দিতে হয়। সে আমার বোন প্রাণীবিদ—নাজমা আক্তার ।

মেঘ, ঢেউ এবং নীল আমাদের পরিবারের ক্ষুদে বাহিনী ! তারা প্রকৃতিকে ভালোবাসার প্রথম পাঠ পাচ্ছে, তাদের ফুপির কাছ থেকে। তারা ইতিমধ্যে অনেক পুষ্প, বৃক্ষ আর বিহঙ্গের নাম বলতে শিখে গেছে, শিখে গেছে কিভাবে প্রকৃতির যত্ন নিতে হয়, ভালোবাসতে হয় । এই ছাঁদ বাগানকে কেন্দ্র করে, ফুপিকে নিয়ে ওদের নানা কাজ ভালো লাগে ।

এই সময়ে বৃক্ষ গুলো যে সব ফুল ফুটিয়ে চলছে, তারা হলো—ফুরুস,পাউডার পাফ, অলকানন্দা, স্পাইডার লিলি, জবা, নয়ন তারা, রঙ্গন ফুল এরা বেশীর ভাগ বর্ষার ফুল। যদিও দুই-একটি প্রজাতি সারা বছর ফুল ফুটিয়ে থাকে । আর মুক্ত বিহঙ্গ গুলোর মধ্যে বেশীর ভাগ আমাদের সবার পরিচিত— দোয়েল, শালিক,নীলটুনি, টুনটুনি, চড়ুই, কাক, কবুতর !

আমাদের এই পৃথিবীতে প্রতিটি প্রাণের জন্য নিদিষ্ট একটা বৈজ্ঞানিক জীবন ব্যবস্থা আছে। এটি এমন একটি ব্যবস্থা যা শারীরিক, রাসায়নিক, জৈবিক এবং পরিবেশগত উপাদানগুলিকে এমনভাবে সমন্বয় করে যা প্রতিটি প্রাণকে বসবাসের জন্য সম্ভব্য সহজ করে তোলে । আর এর ব্যত্যয় ঘটলেই পৃথিবীর জন্য—অমঙ্গল ! পৃথিবীর সকল প্রাণ তার নিয়মে বেঁচে থাক, মানুষ হিসাবে এটাই চাওয়া । এই মুর্হূতে কবি জীবনানন্দের দুটি কবিতার চরন খুব মনে পড়ছে . . .

আকাশের চাঁদ,
বুড়ি হয়ে গেছ তবু জাগিতেছ অদ্ভুত অবাধ
পৃথিবীর দিকে চেয়ে একা-একা হিম জ্যোৎস্নায়
কী দেখিছ, হায়’

—জীবনানন্দ দাশ

ডাইরি / জুন, ২০২০

জন্ম সনদের যোগ . . .

জ্যোতিষ শাস্ত্রে মানুষের যে ভুগোল লেখা থাকে, তা আমার কখনো দেখা হয়ে উঠেনি; দেখা হয়ে উঠেনি আকাশমন্ডলের সেই সব— জ্যোর্তিময় গ্রহ, নক্ষত্রদের ! অথচ কোন এক শুক্লা তিথিতে জন্ম নেওয়া গাছটির সাথে, আমার জন্ম সনদের যোগ খুঁজে পাওয়া গেছে—সেই কবে থেকে . . .

পুরান ঢাকা / ডাইরি

মে, ২০২০

ও মন রমজানের ঐ রোজার শেষে . . .

মেঘের কন্ঠে কবি কাজী নজরুলের সেই কালজয়ী গান ।
মা, ছেলে আর ছোট ঢেউয়ের এই প্রচেষ্টা। ওদের জন্য ভালোবাসা । সবাইকে ঈদের শুভেচ্ছা ।

নিরাপদে থাকুন, সুস্থ থাকুন . . .

ডাইরি / মে, ২০২০
পুরান ঢাকা

ছোট ছোট কথা । ঝুঁটি শালিক . . .

ঝুঁটি শালিক । মে, ২০২০ ছবি মনিরুল আলম

ঝুঁটি শালিক / উনি আমাদের পড়শী হন ! দেখে বোঝা গেল, তার সঙ্গীর সাথে খুব ঝগড়া হয়েছে— আজ ! চিৎকার চেচামেচি করতে করতে দেয়ালের অনেকটা পথ তিনি হাঁটলেন ! পরে অবশ্য তাদের দুজনকে একসাথে দেখা গেল। মনে হয় তাদের কলহ মিটেছে ! শেষ বিকেলের রোদে ছাদের কার্নিশের উপর বসে আছেন, তারা। ঘরে ফেরার পায়তারা করছেন . . .

ডাইরি / মে, ২০২০ পুরান ঢাকা

13 Photographers on Capturing Hope Amid the Coronavirus Pandemic | Interview for Shutterstock blog . . .

Shutterstock I May, 7, 2020

It’s a painful and stressful time, but in the midst of devastating loss and uncertainty, photographers around the world are finding reasons to be hopeful.

“In the past, I’ve covered historic events such as Maoist Insurgency, the massive earthquake in 2015, and now, the COVID-19 pandemic,” Nepal-based photojournalist Narendra Shrestha tells us. “For the first time in my career, I’m facing a new kind of challenge. This is something I have no reference point for. It’s something I never imagined would happen in my lifetime, and I am learning every day.”

So much about this pandemic is unprecedented, from the exponential spike in disease to the response from leading researchers and scientists. It’s a historic event on both a national and global scale.

The hope can be found on the balconies of Italy and Tel Aviv, in the streets of Morocco and London, and beyond. For some, it all comes down to a momentous occasion of strength and unity. For others, it’s something smaller and more subtle, like a glance shared between two people.

“As a photojournalist, I feel it is my responsibility to give people some kind of positive message and convey any rays of hope I can grasp,” Shrestha says. “When I share positive photos, people comment about how it’s helped them find peace and positivity amid the pandemic. In turn, reading those comments, I find myself at peace.”

We interviewed thirteen extraordinary photojournalists about some of their most powerful images, and asked for their insights on staying safe during this period. Read on for their stories . . .

Monirul Alam: While I was covering the local situation in Bangladesh one day, I made my way to the Kamlapur train station where thousands of people were leaving Dhaka to return to their villages. I always look at people’s eyes and try to understand what they’re thinking. I saw this girl sitting on the train, reading the daily newspaper and absorbing the reality of our new situation.

Three or four days later, I visited the same train station. It was almost empty, save for a few railway guards. It was silent, and I stood there taking pictures of the vast emptiness. As I did this, I heard some sparrows begin to sing. For me, their song represented life and hope for the future.

What are your tips for photographers hoping to follow in your footsteps?

Monirul Alam: As a photojournalist, remember not to panic or put too much pressure on yourself. Our mental health is more important than ever in this kind of situation. Don’t force yourself to work long hours. We all need occasional breaks to cope with what we’re seeing.

Learn more about Monirul Alam: WebsiteInstagramTwitter.

STAY SAFE, Thank you so much  Shutterstock blog to published photojournalists interview . . . 

Diary / 11 May, 2020

Old Dhaka, Bangladesh

 

কইন্যার প্রশ্ন—আমার বসার জায়গা কই . . .

মেঘ এবং ঢেউ । ঢাকা, জানুয়ারি ২০২০ ছবি: মনিরুল আলম

এই রিকশা আস্তে চালান, আমিতো পরে যাই—আমিতো সিটে বসেছি ! কথা গুলো বলে ঢেউ আমার দিকে তাকিয়ে ! রিকশাওয়ালা পিছন ফিরে একটা হাসি দিয়ে বলে, ঠি ক আছে মা—আমি আস্তে চালাই। তুমি শক্ত করে বাবাকে ধরে, বসে থাকো . . .

মেঘের— স্কুল ছুটি শেষে, মাঝে মাঝে আমি তাকে নিয়ে আসি । তখন আমার সঙ্গী হয়—ঢেউ । রিকশাতে উঠে সে আমার কোলে বসবে না; রিকশার পাশের সিটে তার বসা লাগবে ! রিকশাতে বসে সব কিছু দেখতে হবে। অত:পর প্রশ্ন — এটা কি, সেটা কি ? এবং উত্তরটাও যথাযথো হওয়া লাগবে ।

আজ মেঘ, ঢেউ এবং আমি স্কুল থেকে বাসায় ফিরছি, রিকশাতে । ফেরার সময় ঢেউ’কে যথারীতি আমার কোলে বসিয়েছি। রিকশা চলতে শুরু করেছে, ঢেউ আমাকে বলছে— বাবা, আমার বসার জায়গা কই ? আমি বলি তাইতো, আমার আম্মীর বসার জায়গা কই ? তারপর বলি—আম্মী তুমি, ভাই আর আমার মাঝখানে বসো— তার বসার জায়গা ছোট হওয়ায় একটু মন খারাপ হয়েছে ! সে ভাইয়ের হাত ধরে রেখেছে, তার বাবার প্রতি অভিমান হয়েছে !

অন্যদিকে, ভাইয়ের প্রতি—তার প্রগাঢ় ভালোবাসা । তার ভাইকে এতোটুকু বকাঝকা করা যাবে না। বকাঝকা করলেই— সে তীব্র এক প্রতিবাদী মানুষ ! শিশুদের মনটা বুঝি এমনই হয় ; তাদের পৃথিবীতে বকাঝকার কোন স্থান নেই । আমরা বড় মানুষেরা এটা মাঝে মাঝে ভুলে যাই ।

কইন্যা আমার— তুই একজন সৎ, সুন্দর এবং সুখী মনের মানুষ হয়ে বেড়ে উঠিস—আল্লাহ নিশ্চই তোকে এবং তোর ভাইকে সহায় এবং রক্ষা করবেন। তার কাছে সব সময় আমার এই প্রার্থনা।

দুই ভাই-বোনের প্রতি ভালোবাসা . . .

ডাইরি / ঢাকা ফেব্রুয়ারি ২০২০

আমার সময় আমার কথা . . .

ছবি: মনিরুল আলম

১. মেঘ’কে ক্লাসে দিয়ে এসে—এখানে বসলাম । জায়গাটা এককথায় সুন্দর, প্রকৃতি এখানে অনেকটা জীবন্ত ! শীতের সকালে এক মগ কফি আর সঙ্গে একটা বই নিয়ে বসলেই, অনায়েসেই ঘন্টা খানিক সময়—কাটিয়ে দেয়া যায় ।

এক মগ ক্যাপাচিনো কফি অর্ডার করে, স্কটিশ লেখক অ্যালিস্টায়ার ম্যাকলিনের লেখা ‘নাইট উইথআউট ইন্ড’ বইটি নিয়ে পড়তে শুরু করলাম ।

গ্রিনল্যান্ড আইস ক্যাপের মাঝখানে যাত্রীবাহী বিমানের সন্দেহজনক ক্রাশ-অবতরণ দিয়ে গল্পটি শুরু, আইস ক্যাপে কাজ করতে যাওয়া তিনজন বিজ্ঞানী সেই যাত্রীদের উদ্ধার অত:পর নানা ঘটনা—এভাবেই থ্রিলার উপন্যাসটি এগিয়েছে । বইটি পড়তে পড়তে মেঘের ডাকে যেন ফিরে এলাম; সেই গ্রিনল্যান্ডের—আইস ক্যাপ থেকে ।

২. এখন পর্যন্ত অমর একুশে গ্রন্থমেলায় দুইবার যাওয়া হয়েছে, কিছু বই কেনা হয়েছে, আরো কিছু বই কেনার বাকি আছে। বই মেলার সময় শেষ হয়ে আসছে, সময় করে আর একবার যেতে চাই . . .

ডাইরি / ফেব্রুয়ারি ২০২০