বিদায় আনিসুল হক . . .

snapseed-46
© Monirul Alam / WITNESS PHOTO

 
02 December 2017 | Dhaka Army Stadium

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) মেয়র আনিসুল হককে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে হাজারো মানুষ অংশ নেয় ঢাকার আর্মি স্টেডিয়ামে । সেখানে সর্বস্তরের মানুষ তাঁর প্রতি শেষ শ্রদ্ধা জানায়। নামাযে জানাজা শেষে বনানী কবরস্থানে তাঁকে সমাহিত করা হয়।

মোটর সাইকেল ডায়েরী . . .

23844369_10159665698845707_4617347705970105632_n
© Monirul Alam / WITNESS PHOTO

বাবা—আমার ঘুম পাচ্ছে ! তখন রাত হয়ে গেছে, আমি মেঘ’কে নিয়ে মটরসাইকেল চালিয়ে বাসায় ফিরছি । আমি বললাম, বাবা—আমরা চলে এসেছি, আর একটু পরেই বাসায় ঢুকবো । মেঘ বলে—বাবা, জানো আমার কেন ঘুম পাচ্ছে ? আমি বললাম, না—সে বলে আমিতো আজ দুপুরে ঘুমাই নাই—তাই ঘুম পাচ্ছে !

আজ মেঘ আর আমি মটরসাইকেল নিয়ে বেড়িয়ে ছিলাম । সে বলে তোমার মটর সাইকেলে অনেকদিন আমি ঘুরতে বের হই না ! গিয়েছিলাম বেগম রোকেয়া এভিনিউ সড়কের বিসিএস কম্পিউটার সিটিতে । ক্যাননের মামুন ভাইয়ের সাথে একটা কাজ ছিল । মটর সাইকেলে যেতে যেতে বাপ-বেটা মিলে নানা কথা বলছিলাম ।

সাপ্তাহিক দিনটি বৃহস্পতিবার থাকায় সড়কে যানজটের অবস্থা ছিল যথারিত— ভয়াবহ ! কম্পিউটার সিটিতে কাজ শেষ করে বেড়িয়ে পড়লাম । আমাদের এখন গন্তব্য শিল্পকলা একাডেমী— প্রথম আলোর তরুণ আলোকচিত্রীদের শরনাগত—বাস্তচ্যুত রোহিঙ্গা শীর্ষক আলোচিত্র প্রদর্শনী দেখা । প্রদর্শনীতে গিয়ে দেখা হলো সুমন ইউসুফ, আশরাফুল আলম আর আবদুস সালামের সাথে । প্রদর্শনী নিয়ে কথা হলো ওদের সাথে ।

প্রদর্শনীটি কিউরেট করেছেন—ফটোসাংবাদিক আবীর আবদুল্লাহ । প্রদর্শনীর ছবি গুলো দেখে আমার কাছে মনে হয়েছে—দৈনিক সংবাদপত্রের জন্য এটা—এক ধরনের ডকুমেন্টেশন বা প্রামানিক দলিল । যদিও এই তরুণ ফটোসাংবাদিকদের কাছ থেকে আরও শক্তিশালী কাজ আশা করছিলাম ।

ফটোসাংবাদিকদের সব সময় একটা চাপের মধ্যে থেকে কাজ করতে হয় । সময় মতো ঘটনাস্থলে পৌছান, সঠিক অবস্থান নেওয়া, সঠিক ছবিটি তুলতে পারার পাশাপাশি তা সময় মতো অফিসে পাঠানো, পুরো প্রক্রিয়াটি একটা বড় মুন্সিয়ানার পরিচয় বহন করে— যা কাজ করতে করতে নিজের মধ্যে গড়ে উঠে ।

সময় উপযোগী প্রদর্শনীটির জন্য আয়োজক প্রথম আলো পত্রিকা, প্রদর্শনীর কিউরেট আবীর আবদুল্লাহ এবং সকল ফটোসাংবাদিকদের আমার পক্ষ থেকে ধন্যবাদ জানাই . . .

পুরান ঢাকা

Rohingya Exodus by Monirul Alam

As a front line photojournalist I have to seen many destruction and death during my photojournalist assignment to coverage like many disaster situation but Rohingya’s refuges fled from Myanmar to me should different, thousand and thousand feeling form Myanmar to enter Bangladesh during their long journey, to scape death and violence. I feel pain and sorrows to see of them, especially children and women to cross the border on the muddy water on to the bad weather. I saw after they enter into Bangladesh their face is quite happy to escape death but they are really desperate for food, for water, for shelter, for their baby’s health  . . .  

       

-monirul alam, Independent photojournalist 

 

Rohingya people, fled from ongoing military operations in Myanmars Rakhine state, make their way through muddy water after crossing the Bangladesh-Myanmar border in Teknuf, Bangladesh on September 2017. According to the United Nations High Commissioner for Refugees, UNHCR, more than 400,000 Rohingya refugees have fled Myanmar from violence over the last few weeks, most trying to cross the border and reach Bangladesh.  The crisis began when a Rohingya insurgent group launched attacks with rifles and machetes on a series of security posts in Myanmar on August 25, prompting the military to launch a brutal round of “clearance operations” in response. Those fleeing have described indiscriminate attacks by security forces and Buddhist mobs, including monks, as well as killings and rapes.

Conditions are worsening in the border town of Cox’s Bazar where the influx has added to pressures on Rohingya camps already overwhelmed with 400,000 people from earlier waves of refugees. Poor and low-income countries such as Bangladesh, Uganda and Lebanon are left struggling to deal with huge numbers of refugees, when rich countries who host far fewer should be stepping up to provide aid and resettlement places. Myanmar’s government, led by Nobel Peace Prize winner Aung San Suu Kyi, and it’s still powerful military do not allow independent media free access to northern Rakhine state, from where the Rohingya are fleeing. While fires are no longer visible from the Bangladeshi border, some refugees told that their homes had been burned during Myanmar military to launch a brutal round of clearance operations.

The latest evidence published by Amnesty International points to a mass-scale scorched-earth campaign across northern Rakhine State, where Myanmar security forces and vigilante mobs are burning down entire Rohingya villages and shooting people at random as they try to flee. In legal terms, these are crimes against humanity – systematic attacks and forcible deportation of civilians. This is more than the total number of refugees who came to Europe by sea in 2016.

Note: More pictures for media publication, please contact us. WITNESS PHOTO is an Independent Photo Agency. For an assignment, story telling still & video please contact: witnessphoto@gmail.com +88 01713067634 #monirulalam 

সুন্দরবন ডায়েরী . . . 

© Monirul Alam / WITNESS PHOTO
[ দুই ] 
বর্ষাকালে সুন্দরবনে বন্য প্রাণী দেখার জন্য –আসলেই উত্তম সময়। আমি এই বর্ষায় সুন্দরবনে না গেলে, তার সেই সব সৌন্দর্য্য গুলো উপভোগ করতে পারতাম না ! আমাদের জাহাজ তখন সুন্দরী খালে নোঙ্গর করা ছিল। দুপুরের খাবার শেষ করে; আমরা জাহাজের ডেকে বসে ছিলাম, অসল ভঙ্গীতে । তখন দেখলাম–আকাশ কালো করে বনের উপর দিয়ে মেঘের দল ছুটে যাচ্ছে– কোন এক দুরের দেশে ! অসাধারন সেই ল্যান্ডস্কেপ ! যদিও মাত্র কয়েক সেকেন্ড ছিল–সেই দৃশ্যকাব্য ! তারপর শুরু হলো–ঝুম বৃষ্টি ! আমাদের কেউ কেউ সেই দৃশ্য-কাব্যের ছবি তোলার জন্য দৌড়ে ক্যামেরা আনতে গেলে; ততোক্ষণে তা মিলিয়ে গেছে–কোথায় ! আমি তখন অসাধারন সেই দৃশ্য কাব্যের মুহূর্তটি ধরে রাখতে চাইলাম– প্যানারোমিক ভিউতে ! 

যদিও টুরিষ্টদের জন্য বর্ষাকাল–সুন্দরবনে বেড়ানো জন্য উপযুক্ত সময় নয় । কারণ–কালবৈশাখী ঝড়, নিম্নচাপ, জলোচ্ছাস সহ নানা কারণে বনের পরিবেশ এবং জীবন হয়ে উঠে অন্যরকম ! বনে বেড়ানো তখন ঝুকিপূর্ণ হয়ে যায় ! তবে যারা বন’কে ভালোবাসে–প্রকৃতি প্রেমী; তাদের কথা আলাদা ! কবি গুরু– রবীন্দ্র নাথ ঠাকুর বর্ষার রুপ দেখতে তার ছোট বোটে নিয়ে– উত্তাল পদ্মা ঘুরে বেড়িয়েছেন; দেখেছেন পদ্মা পারের সেই সব জীবন-গাঁথার গল্প . . . 

পুরান ঢাকা, আগষ্ট ২০১৭ 

সুন্দরবন ডায়েরী . . . 

© Noor Ahmed Gelal
[ এক ]

সুন্দরবনের কটকা এলাকায় বন্যপ্রাণীর ছবি তুলতে একটা রেঞ্জে বসে অপেক্ষা করছি । ছবিটি তুলেছেন, আলোকচিত্রী ( ডকুমেন্ট্রি এবং ট্রাভেল ফটোগ্রাফার ) নুর আহমেদ জিলাল । সুন্দরবনের নানা জীববৈচিত্রের ছবি তুলতে এ বছরের আগষ্ট ২০১৭ মাসে সুন্দরবন গিয়েছিলাম । ওয়াইল্ড লাইফ ফটোগ্রাফী করতে গিয়ে নানা অভিজ্ঞতা হলো । আমাদের— দলটি বনের নানা জায়গায় ঘুরে বেড়িয়েছি—ছবি তোলা হলো, সুন্দরবন সম্পকে আরো জানা হলো দেখা হলো—নানা জীববৈচিত্রের । 
সপ্তাহ জুড়ে বেঙ্গল ট্যুরের জাহাজ এম ভি ডিঙি’তে ঘুরে বেড়ানোর অভিজ্ঞতাটা ছিল অসাধারন । আমাদের প্রতিদিন ভোর রাতে অর্থ্যাৎ ৪.৩০ / ৫.০০ মধ্যে ঘুম থেকে উঠতে হতো । জাহাজ থেকে নেমে ছোট বোটে করে সুন্দরবনের ছোট খাল গুলিতে বন্যপ্রাণী দেখতে এবং ছবি তুলতে বের হতাম । জোয়ার-ভাটা বিষয়টি মাথায় রাখতে হতো । বন বিশেষজ্ঞদের মতে—সুন্দরবনে বন্যপ্রাণী দেখার জন্য উত্তম সময় হচ্ছে বর্ষা কাল . . . 

পুরান ঢাকা, অক্টোবর ২০১৭ 

© Monirul Alam / WITNESS PHOTO

Email: witnessphoto@gmail.com

জয়নুলের ব্রহ্ম পুত্র নদে . . .

© Monirul Alam / WITNESS PHOTO
ময়মনসিংহের বর পুত্র শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিনের ব্রহ্ম পুত্র নদে— গোধূলি বেলায়, মাঝি ভাসাইয়াছে তার ছোট তরি— যাত্রীরা পারাপার . . . 

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিক সমিতি আয়োজিত কর্মশালাটি শেষ করে আমরা ঘুরতে বেড়িয়ে ছিলাম। দেখা হলো বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস, জব্বারের চত্তর, ব্রহ্ম পুত্র নদ । বিশ্ববিদ্যালয় তার ৫৭ বছর উদযাপন উপলক্ষে প্রস্তুতি চলছিল, কথা হলো অনেকের সাথে । বিশ্ববিদ্যালয়ের ফটোগ্রাফী ক্লাবটির সদস্যদের উদ্যোগে ক্যাম্পাসে চলছিল ফটোগ্রাফী প্রদর্শনী । সদস্যরা বিশ্ববিদ্যালয়ের নানা জায়গার ছবি তুলেছেন । সেটা দেখলাম । প্রদর্শনীর ছবি গুলো দেখে মনে হলো—অংশগ্রহণকারীরা চেষ্টা করেছেন তাদের ক্যাম্পাসটির পুরো চিত্রটি এক দেয়ালে বন্দী করতে । আমার কাছে মনে হলো— ক্ষেত্র বিশেষে তারা অনেকটাই সফল হয়েছেন, তাদেরকে সবাইকে ধন্যবাদ জানাই। 

ব্রহ্ম পুত্র নদে ছোট ছোট রঙিন পাল তোলা নৌকা গুলো অসাধারন ! লাল, সবুজ, হলুদ নানা রঙের সব পাল ; নদে ভেসে বেড়ানোর জন্য এ সব পালতোলা নৌকাই উত্তম, তবে সাঁতার জানাটা জরুরী ! দীর্ঘ বছর পর আবার এই নদে বেড়ানো হলো। সবার সাথে সময়টি খুব চমৎকার কাটলো । 

আমি বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. মো. আলী আকবর সহ আয়োজক কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিক সমিতির সকলকে ধন্যবাদ জানাই । বিশেষ করে করে ধন্যবাদ জানাই কর্মশালায় অংশগ্রহণকারী সকল সাংবাদিক— শিক্ষার্থীদেরকে । তাদের আথিতীয়তা এবং আন্তরিকতা আমাকে মুগ্ধ করেছে । আমার পক্ষ থেকে সবাইকে আবার ধন্যবাদ জানাই . . . 

 ০৭ অক্টোবর ২০১৭

ব্রক্ষপুত্র নদ, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদযালয়