প্রযুক্তিগত দক্ষতা থাক বা না থাক, মানুষ ছবি তুলে, ভাগ করে নেয় . . .

আলোকচিত্রের আবিষ্কারের পর থেকেই এটি মানুষের অভিজ্ঞতা ও অনুভূতির এক শক্তিশালী ভাষা হয়ে উঠেছে। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এর বিস্তার ও জনপ্রিয়তা বেড়েছে বহুগুণ—বিশেষত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের প্রসারে তা আজ আরও দৃশ্যমান।

ডকুমেন্টারি ফটোগ্রাফি— এই মাধ্যমের এক গভীরতর রূপ, যা প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে অভিজ্ঞতার সেতুবন্ধন রচনা করে। একটি ছবির ভেতরে লুকিয়ে থাকে সময়,প্রেক্ষাপট ও অনুভবের স্তরবিন্যাস। তাই একটি ছবির গুরুত্ব শুধু ধারণে নয়, তার পাঠেও। যে চোখ দেখে, তারও দায় আছে ছবিটিকে বোঝার—ঠিক ততটাই, যতটা দায় থাকে আলোকচিত্রী’র।

আজকের সমাজে এই মাধ্যমের ব্যবহার সহজলভ্য। প্রযুক্তিগত দক্ষতা থাক বা না থাক, মানুষ ছবি তুলে, ভাগ করে নেয়, সংরক্ষণ করে স্মৃতি। আমার মনে হয়, এই সহজলভ্যতাই এর বড় সার্থকতা—বিশেষ করে কর্পোরেট জগতে এর প্রয়োগ তা আরও সুসংহত করেছে। তবে এ বিষয়ে ভিন্ন মত থাকতেই পারে, এবং সে ভিন্নতাকে আমি সম্মান করি।

নোট: ফটোগ্রাফি বিষয়ক বোঝাপড়া লেখালেখি গুলো চলমান থাকবে । ফটোগ্রাফি নিয়ে নানা ধরনের লেখা, ছবি আলোচনা এখানে অন্তর্ভুক্ত করার চেষ্টা চলবে । সঙ্গে থাকার জন‍্য অনুরোধ রইল । সবার জন্য শুভকামনা । 📷🙏

ছবির নোট : বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্রের আলোর স্কুলের ফটোগ্রাফি কোর্সের ক্লাস চলাকালীন সময়ে ছবিটি তুলেছেন মেজবাহ সুমন / আলোকচিত্রী, সংগঠক ।

ফটোগ্রাফী বিষয়ক বোঝাপড়া
মনিরুল আলম / ফটোগ্রাফার, শিক্ষাবিদ
এপ্রিল ২০২৬ ঢাকা

#photography #education #photojournalism #witnessmytime

Leave a comment