Hindu Rath Yatra Festival 2017

June 25, 2017- Dhaka, Bangladesh – Bangladeshi Hindu devotees attend in the annual festival of Rath Yatra, or chariot procession, in Dhaka, Bangladesh on June 25, 2017. The Ratha Yatra involves a public procession with a chariot with deities Jagannath (Vishnu avatar), Balabhadra (his brother), Subhadra (his sister) and Sudarshana Chakra (his weapon) on a ratha, a wooden deula-shaped chariot. It attracts over a million Hindu pilgrims who join the procession each year.

Reportage & Video by Monirul Alam

ফটোগ্রাফী নিয়ে এটিএন নিউজের টিভি শো . . .

19366159_10158908561635707_1429700533194406951_n
© Monirul Alam / WITNESS PHOTO

সে দিন এটিএন নিউজের টিভি শো— ডার্করুম অনুষ্ঠানটিতে অংশ নিয়েছিলাম । অনুষ্ঠানটির প্রধান পরিকল্পনায় আছেন—এটিএন নিউজের হেড অফ নিউজ মুন্নী সাহা। পরিকল্পনা, গ্রন্থণা ও উপস্থাপনায় আছেন জনপ্রিয় ফটোগ্রাফার এবং ওয়েডিং ডাইরির প্রতিষ্ঠাতা প্রীত রেজা এবং প্রযোজনা করছেন ফারুক আযম ।

রোজার মাস— বিকেলে সড়ক গুলোতে ভয়াবহ যানজট ! অফিস ছুটি শেষে বাড়ী ফেরার তাড়া সবার ! কিন্তু বিধিবাম বৃষ্টি ! সঙ্গে ছাতা আর রেইনকোট ছিল বলে রক্ষা ! সেদিন দৃক এর ইফতার পার্টিতে অংশ গ্রহণ করতে গিয়ে, বৃষ্টিতে ভিজে—শিক্ষাটা ভালো হয়েছে !

এটিএন নিউজে ইফতার শেষ করলাম। আমরা সংক্ষিপ্ত আলাপতারিতা শেষে—সরাসরি সম্প্রচারিত অনুষ্ঠানটিতে অংশ নিলাম । ফটোগ্রাফী, ফটোর্জানালিজম এবং ফটোগ্রাফী প্রশিক্ষণ সহ ফটেগ্রাফীর নানা বিষয় আলোচনা হলো— প্রীতর সাথে । সময় সল্পতার কারণে আলোচনা সংক্ষিপ্ত করতে হলো, যা হোক—আমি ধন্যবাদ জানাই, আয়োজক এটিএন নিউজ এবং ডার্করুম টিভি শো কর্তৃপক্ষকে—আমাকে আমন্ত্রণ জানানোর জন্য ।

অনুষ্ঠানটি শেষ হয়ে গেলে—আমাদের আড্ডা হলো আরো কিছুক্ষণ ! আর সেই আড্ডার ফাঁকে একটা গ্রুপ সেলফি ! প্রীত রেজা, ফারুক আযম এবং আমি . . .

১৮ জুন ২০১৭
এটিএন নিউজ
কারওয়ান বাজার

© Monirul Alam / WITNESS PHOTO
https://monirulalam.net

আমি এখন স্মার্ট নাগরিক . . .

19030589_10158863619995707_8469355625031083945_n
© Monirul Alam / WITNESS PHOTO

আজ রাতে—সেহেরি না খেয়েই রোজা রাখতে হয়েছে ! আমাদের পরিবারের কেউ, সেহেরির রাতে ঘুম থেকে উঠতে পারেনি । যদিও আমার ঘুমাতে ঘুমাতে বেশ রাত হয়েছিল । তবুও সেহেরির সময়— আমার ঘুম ভাঙ্গেনি । লালকুঠিতে আমাদের কাউন্সিলরের কার্যালয়ে, জাতীয় পরিচয়পত্র সংগ্রহ করার সময় কথা হচ্ছিল এলাকার—সানি চাচার সাথে । সেও গত রাতের সেহেরিতে ঘুম থেকে উঠতে পারেনি । তার শারীরিক অবস্থার খোঁজ-খবর করছিলাম । এখন সে একা বেলেন্স করে চলতে পারেন না কষ্ট হয়— আরেক জনের সাহায্য নিতে হয় । মসজিদে যাওয়া হয়ে উঠে কম । বাড়ীতেই নামায আদায় করেন । স্মার্ট কার্ডটি আনতে গিয়ে দেখা হলো এলাকার আরো অনেক মুরুব্বীর সাথে কথা হলো—তরুণ প্রজন্মের সাথে ।

আমাদের এলাকা ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন ৪৩ নম্বর ওয়ার্ডের স্মার্ট জাতীয় পরিচয়পত্র বিতরণ কার্যক্রম এ সপ্তাহে শুরু হয়েছে— চলবে ১৭ জুন ২০১৭ পর্যন্ত । কেউ যদি নিদিষ্ট সময়ের মধ্যে স্মার্ট কার্ডটি সংগ্রহ করতে না পারেন, তাহলে বাড়তি একটা দিন রাখা হয়েছে কার্ডটি সংগ্রহের জন্য—সেটা ১৮ জুন, ২০১৭ ।

আজ আমার ‘স্মার্ট জাতীয় পরিচয়পত্র’ অর্থাৎ—স্মার্ট কার্ডটি হাতে পেলাম । এখন থেকে আমি দেশের একজন—স্মার্ট নাগরিক ! যদিও অনেক আগে থেকেই আমি যোগাযোগের অন্যতম মাধ্যম স্মার্ট ফোন ব্যবহার করে, স্মার্ট নাগরিক হওয়ার চেষ্টা করছিলাম ! এখন কিন্তু পুরোপুরি—স্মার্ট নাগরিক হয়ে গেলাম ! এই কার্ড সম্পর্কে যতটুকু জেনেছি—এই কার্ড ব্যবহার করে, ২২টি সেবা পাওয়া যাবে—যদিও এই কার্ডটির চিপ বা তথ্য ভান্ডারে আমার ৩২টি তথ্য সংগ্রহে থাকছে—যা মেশিন রিডেবল ! তারপরও—আমি এখন দেশের একজন স্মার্ট নাগরিক . . .

১১ জুন, ২০১৭
পুরান ঢাকা

© Monirul Alam / WITNESS PHOTO
https://monirulalam.net

মেঘের মুসলমানি . . . 

© Monirul Alam / WITNESS PHOTO

আল্লাহর রহমতে আজ মেঘের— মুসলমানি করানো হলো । ধানমন্ডির সেন্ট্রাল হাসপাতালে সকাল ১২ টার সময় অপারেশনটি সফল ভাবে করেন, অধ্যাপক ডা: সজল মজুমদার ( বিশেষজ্ঞ শিশু সার্জন ) শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ ।

 
রমজান মাস এবং ঈদ উপলক্ষে—মেঘের স্কুল এ সপ্তাহে থেকে বন্ধ শুরু হয়েছে । আর এই বন্ধকে সামনে রেখেই মেঘের মুসলমানি / সুন্নতে খাতনা করিয়ে ফেললাম ।

 
এনেসথেসিয়া—দিয়ে ঘুমিয়ে যাওয়ার পর অপারেশন শুরু হয় । প্রায় আধা ঘন্টা সময় লাগে অপারেশন করতে, জ্ঞান ফিরে আসতে— আরো দেড় ঘন্টা সময় লাগে । জ্ঞান ফিরে আসার পর পর মেঘ বলছে, বাবা একটা মাস্ক আমার মুখের সামনে ধরার পর; আমি রোবটের মতো কাঁপতে কাঁপতে ঘুমিয়ে পড়লাম ! চোখ খুলেই রাখতে পারলাম না—আমার অনেক কষ্ট লেগেছে !

 
মেঘ’কে বাসায় নিয়ে এসেছি । সিএনজি দিয়ে বাসায় আসতে আসতে বার কয়েক ঝাকিতে—সে বেশ কষ্ট পেয়েছে ! ডাক্তার বলে দিয়েছে, সাত দিন তাকে সাবধানে থাকতে হবে, কোন রকম ইনফেকশন হতে দেওয়া যাবে না । নিয়মিত ওষুধ গুলো খেতে হবে ।

 
সবাই মেঘের জন্য দোয়া করবেন . . .
০২ জুন ২০১৭

পুরান ঢাকা

Bangladesh: Ramadan begins in Dhaka

 

Multimedia Journalism ~ People gather to buy foods for breaking their fast during the Muslims holy fasting month of Ramadan at a traditional food market in Dhaka, Bangladesh on May 28, 2017. Muslims around the world celebrate the holy month of Ramadan by praying during the nighttime and abstaining from eating, drinking, and sexual acts daily between sunrise and sunset. Ramadan is the ninth month in the Islamic calendar and it is believed that the Koran’s first verse was revealed during its last 10 nights.

Published on NEWZULU : Bangladesh: Ramadan begins in Dhaka

ন্যায্যমূল্যে নিত্যপণ্য বিক্রি কার্যক্রম . . .

18739662_10158795449685707_6178968098800881554_n
© Monirul Alam / WITNESS PHOTO

সংবাদ আলোকচিত্র ~ সাশ্রয়ী মূল্যে টিসিবির পণ্য ( ট্রাক সেল ) কিনতে সাধারণ মানুষ এভাবেই লাইনে দাড়িয়ে তাদের প্রয়োজনীয় পণ্যটি কিনছেন । রোজাকে সামনে রেখে সারাদেশে ন্যায্যমূল্যে নিত্যপণ্য বিক্রি কার্যক্রম শুরু করেছে, সরকারি বিপণন প্রতিষ্ঠান ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি)। সারাদেশের ১৭৯টি স্থানে ট্রাকে করে ৫টি নিত্যপণ্য বিক্রি করছেন প্রতিষ্ঠানটি। রাজধানী ঢাকার প্রায় ৩২টি ব্যস্ততম স্থানে টিসিবির এ সকল পণ্য বিক্রির কার্যক্রম চলছে। বাহাদুর শাহ র্পাক, পুরান ঢাকা ২৮ মে ২০১৭, ঢাকা, বাংলাদেশ । ছবি: মনিরুল আলম

বুড়ীগঙ্গা নদী পারাপার . . .

18670957_10158775680125707_7183096945597771050_n
© Monirul Alam / WITNESS PHOTO

সংবাদ আলোকচিত্র ~ স্কুল শিক্ষার্থীরা স্কুল ছুটি শেষে লাইফ জ্যাকেট পরে নৌকায় করে, বুড়ীগঙ্গা নদী পারাপার হচ্ছে । গরমের উত্তাপ থেকে বাঁচতে, মাথায় ছাতা ধরে রেখেছে । নিজেদেরকে নৌ দূরর্ঘটনার হাত থেকে রক্ষা করতেই এই ব্যবস্থা ! এ সকল স্কুল শিক্ষার্থীরা লাইফ জ্যাকেট পরে প্রতিদিন নৌকায় বুড়ীগঙ্গা নদী পার হয়ে স্কুলে যাওয়া-আসা করে ।

ঘাটের টোল আদায়কারী চাঁন মিয়া জানান, কেরাণীগঞ্জের নানা এলাকা থেকে এ সকল শিক্ষার্থীরা নৌকায় করে আসে,ঢাকায় । নৌকা দিয়ে পারাপারের সময় তারা এই জ্যাকেট গুলো পরে, নৌকা ডুবির হাত থেকে বাঁচতেই, অভিভাবকরা এই ব্যবস্থা করে দিয়েছেন, নিজ নিজ সন্তানের জন্য । তারা লাইফ জ্যাকেট গুলো ঘাটেই রেখে যায়, কেউ কেউ নৌকাতে রাখে । হারানোর কোন সুযোগ নেই। পরিচিত হয়ে গেছে সবাই । ২৩ মে, ২০১৭ সদরঘাট, বুড়ীগঙ্গা নদী, ঢাকা, বাংলাদেশ । ছবি: মনিরুল আলম

তবুও মানুষের আশ্রয় এখানেই . . .

photo-1494576732
© Monirul Alam

খালপাড়ে পড়ে আছে কয়েক ফুট উঁচু নোংরা পলিথিনের স্তূপ—সেখানে মাছি উড়ছে! দুর্গন্ধ, কাছে যাওয়া যায় না! রয়েছে ঘোড়ার আস্তাবল। সরু খাল দিয়ে বয়ে যাওয়া—দগদগে কালা পানি! সেই কালা পানিতে ধোয়া হচ্ছে লন্ড্রির কাপড়! এটা বুড়িগঙ্গা নদীর শাখা খাল, কামরাঙ্গীরচরের প্রবেশ মুখের চিত্র।

একটা সময় এই খালটি বুড়ীগঙ্গা নদীর একটা চ্যানেল ছিল, এখন দখল হতে হতে তা সরু খালে পরিণত হয়েছে! এই খাল পার এলাকায় দেখা হলো কয়েকজন মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের সঙ্গে—বিকেলে তারা এখানেই ঘোরাফেরা করে, মানে খেলাধুলা। এই শিশুদের সঙ্গে আমার পরিচয় হলো, টুকটাক কথা হলো ওদের সঙ্গে—ওরা ছবি তুলতে চাইলে আমি ওদের ছবি তুললাম। চোখে পড়ল টিন দিয়ে ঘেরা কিছু ছোট ছোট ঘর। কিছু নারী শ্রমিককে দেখলাম—নোংরা পলিথিনের স্তূপের ওপর বসে কাজ করছেন। আমার সঙ্গে ক্যামেরা থাকায় তাঁরা কেউ কেউ মুখ ঢেকে ফেললেন। এঁরা সামান্য অর্থের বিনিময়ে সারা দিন পলিথিন ঘাঁটাঘাঁটি করেন। তাঁদের থেকে একটু সামনের দিকে এগিয়ে গেলাম—চোখে পড়ল ব্রিজ! ব্রিজের নিচে বিকেলের রোদে বসে আছে একটি শিশু! মাটির নিজ দিয়ে বেরিয়ে আসা একটি ড্রেনের মুখ দিয়ে নোংরা পানি পড়ছে সরু খালটিতে—শিশুটি বসে বসে সেই পানি পড়া দেখছে! আরো চোখে পড়ল কিছু বেওয়ারিশ কুকুর! এরা সবাই এই বিষাক্ত পরিবেশে বেড়ে উঠছে—ভাবলেশহীন সব প্রাণ! আমি বিকেলের আলোয় একের পর এক ছবি তুলে যাই! সব চোখ যেন আমার ক্যামেরাকে কেন্দ্র করে ঘুরতে থাকে! কারো কারো চোখে আনন্দের ঝিলিক দেখি! কেউ কেউ ভীত-সন্ত্রস্ত! সেদিন পরিবেশ বিপর্যয় নিয়ে ছবি তুলতে গিয়েছিলাম—পুরান ঢাকার বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে অবস্থিত কামরাঙ্গীরচর ও এর আশপাশের এলাকায়

1494576626-Image-02
© Monirul Alam

এই এলাকা বুড়িগঙ্গার দ্বিতীয় চ্যানেল হিসেবে পরিচিত। দীর্ঘদিন ধরে দখল প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে, এলাকাটি ঘুরলেই তা চোখে পড়ে। আর এই দখল প্রক্রিয়ার সঙ্গে জড়িত সরকারি মদদপুষ্ট লোকজন, সেটা আর বলার অপেক্ষা রাখে না! সময় সময় রাজনৈতিক পটপরিবর্তন হয়, একদল চলে নতুনরা ক্ষমতায় বসেন, তখন দখল প্রক্রিয়ার চিত্রেরও বদল ঘটে!

মূল নদী থেকে শুরু করে নদীটির আশপাশের খাল, খানা-খন্দে পানির প্রবাহ দেখলেই বোঝা যায়, বিশেষ করে শুকনো মৌসুমে নদীর পানিতে কালো এক ধরনের তরল পদার্থ ভাসতে থাকে, পুরো শুকনো মৌসুম। মাদ্রাসার শিশুদের সঙ্গে নদীর পানি নিয়ে কথা বলতেই—ওরা জানাল এ সময়ে (শুকনো মৌসুমে) তারা এই নদীর পানি ব্যবহার করে না। ওরা জানাল—এই পানিতে গোসল করলে শরীর পচে যায়, ঘাসহ নানা ধরনের অসুখ হয়। এ সময় এলাকার কেউ নদীর পানি ব্যবহার করেন না। বর্ষা মৌসুমে নদীর পানি যখন কিছুটা ভালো থাকে—তখন তারা এই নদীর পানিতে গোসল করাসহ অন্যান্য কাজে তা ব্যবহার করে।

মিরপুর-গাবতলী এলাকা থেকে শুরু হয়ে রায়েরবাজার বধ্যভূমি, হাজারীবাগ, লালবাগ ও কামরাঙ্গীরচর—এদিকে বাবুবাজার ব্রিজের নিচ হয়ে লালকুঠি, শ্যামবাজার, পোস্তগোলা, পাগলা পর্যন্ত বিস্তৃত এলাকা দখল আর নদী দূষণের চিত্র প্রায়—অভিন্ন। আমি বুড়িগঙ্গা নদী ঘেঁষে নিমির্ত বেড়িবাঁধটির কল্পনায় আনি—না কোথাও খুঁজে পাই না এতটুকু দূষণমুক্ত পরিবেশ। যেখানে ভোরে বা বিকেলে রোদে নদীটির বাঁধ ধরে হেঁটে যাওয়া যায় বহু দূরে—কিংবা নৌকা নিয়ে নদী ভ্রমণে বেরিয়ে পড়া যায়—এই নদী বুড়িগঙ্গার বুকে! একটা সময় (নব্বই দশকে) আমাদের স্কুলজীবনে এই নদীতে বন্ধুরা মিলে নৌকাতে ঘুরে বেড়িয়েছি, শ্যামবাজার থেকে এক কাদি/ছড়ি কলা কিনে নৌকায় বসে তা খেতে খেতে গল্প করেছি, নদীর দুই পারের নানা চিত্র দেখেছি, জাল দিয়ে মাছ ধরা দেখেছি! আজ সেই সব চিত্র কোথায় হারিয়ে গেছে! অতীত কল্পনা থেকে বাস্তবে ফিরে আসি!

পরিবেশ বিশেষজ্ঞরা সংবাদমাধ্যমে নানা সময়ে জানিয়েছেন এই নদী নিয়ে তাঁদের শঙ্কা ও পর্যবেক্ষণের কথা। প্রায় ৬২ ধরনের রাসায়নিক বর্জ্যে অনেক আগেই বিষাক্ত হয়ে গেছে বুড়িগঙ্গার পানি। বাতাসে ছড়াচ্ছে দুর্গন্ধ। নদীর তলদেশে জমাট বেঁধেছে আট ফুট পুরু পলিথিনের স্তর। পরিবেশ সংরক্ষণ আইন ও প্রাণিবিজ্ঞানীদের মতে, মাছ ও জলজ প্রাণী বসবাসের জন্য প্রতি লিটার পানিতে দ্রবীভূত অক্সিজেনের পরিমাণ পাঁচ মিলিগ্রাম বা তার বেশি থাকা প্রয়োজন। অন্যদিকে, দ্রবীভূত হাইড্রোজেন মাত্রা কমপক্ষে সাত মিলিগ্রাম থাকা উচিত। অথচ বুড়িগঙ্গা নদীর পানিতে অক্সিজেনের পরিমাণ প্রায় শূন্যের কোটায়।

1494576663-Image-04
© Monirul Alam

এত দূষণ এবং দখলের মধ্যেও জীবন এখানে থেমে নেই! প্রতিদিন ঘরছাড়া, গ্রামছাড়া অসহায় মানুষের দল আশ্রয় নেয় এই নগরে। তাদের বসবাসের আশ্রয়স্থল হয় কখনো এই এলাকার কোনো বস্তিতে, এখানে-সেখানে বা অন্য কোথাও! বিপন্ন পরিবেশ, তবুও আশ্রয়হীন মানুষের আশ্রয় এখানেই—বেঁচে থাকতে হবে! ন্যায়-অন্যায় এখানে বিবেচ্য নয়—কখনই! নানা অপরাধ এখানে সংগঠিত হয়। পরিবেশগত কারণেই তা ধরাছোঁয়ার বাইরেই থেকে যায়। বড় কোনো অপরাধ সংগঠিত হলে প্রশাসনের টনক নড়ে, আবার রাজনৈতিক ছত্রচ্ছায়া এবং অসৎ প্রসাশনিক লোকজনের বদৌলতে অপরাধীরা ছাড়া পেয়ে যান।

দখল হয়ে যাওয়া নদীর পারে গড়ে উঠেছে পলিথিন ও প্লাস্টিক গলানোর কারখানা। ফেলে দেওয়া পলিথিন আর প্লাস্টিক এসব কারখানায় জড়ো করা হয়—তারপর তা আগুনে পোড়ানো হয়। দিনে-রাতে সারাক্ষণ এই এলাকায় ধোঁয়ার কুণ্ডলী দেখা যায়! এসব গলানো প্লাস্টিক আবার ব্যবহার করে তৈরি করা হয় নতুন প্লাস্টিকের পণ্য। দীর্ঘদিন ধরেই এসব কারখানা থেকে দূষিত বর্জ্য উন্মুক্ত স্থানে ফেলার কারণে পুরো এলাকা দূষিত হচ্ছে, দূষিত হচ্ছে বাতাস, বাড়ছে শ্বাসকষ্টের রোগ। যাঁরা এলাকায় বসবাস করেন, তাঁরা অনেকটা অসহায় হয়ে বেঁচে আছেন। এলাকাটি ঘুরে চোখে পড়ল পরিবেশ বিপর্যয়ের নানা চিত্র! দখলদার আর ক্ষমতাসীনদের নেতৃত্বে চলছে—এই পরিবেশ বিপর্যয়ের ঘটনা! পরিবেশ অধিদপ্তরসহ অন্যান্য কর্তৃপক্ষ, যাঁরা এসব দেখার দায়িত্বে আছেন—তাঁরা সত্যি কি তা দেখছেন? শুনেছি—নদী রক্ষায় সরকারের একটি টাস্কফোর্স আছে, সময়ে সময়ে তাঁরা জানান দেন, তাঁরা আছেন—শুধু টেবিলে আর খাতা-কলমে! তাঁদের মাঠে যাওয়ার মতো সময় হয় না।

আশার কথা শোনা যাচ্ছে, এ সরকারের সময়ে সম্প্রতি পানিসম্পদমন্ত্রী আনিসুল ইসলাম মাহমুদ সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, বুড়িগঙ্গা নদীর পানিপ্রবাহ বৃদ্ধির মাধ্যমে পানি দূষণমুক্ত করার লক্ষ্যে সরকার বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছে। বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের অধীন ‘বুড়িগঙ্গা নদী পুনরুদ্ধার’ শীর্ষক প্রকল্প বাস্তবায়নাধীন রয়েছে। আমরা বিভিন্ন সরকারের আমলে এই রকম আশা বাণী শুনতে পাই কাজ হোক আর না হোক! সাধারণ জনগণ হিসেবে এই আশার ‘বাণী’ আমাদের ভরসা। জানি না, আবার কখনো এই মৃতপ্রায় নদী বুড়িগঙ্গা দখল, দূষণের জালমুক্ত হয়ে আবার প্রাণ সঞ্চারিত হবে কি না!

লেখক : সাংবাদিক ও আলোকচিত্রী

 

Bengali New Year Preparation 1424 . . . 

10 April, 2017 Dhaka, Bangladesh – Bangladeshi students of the Institute of Fine Arts in Dhaka University busy to making the colorful masks and pottery for the preparation of Bengali New Year Celebration in Bangladesh. Pahela Baishakh Bengali New Year also called Pohela Boishakh, is the traditional new year day of the Bebgali people . It is celebrated on 14 April as a national holiday in Bangladesh, and on 14 or 15 April in the India states of West Bengal, Tripura and elsewhere by people of Bengali heritage, irrespective of their religious faith. The festival date is set according to the lunisolar Bengali calendar as the first day of its first month Baishakh. In Bangladesh The UNESCO added the Mangal Shobhajatra festival on Pahela Baishakh among other new items to the safeguarding intangible cultural heritage list during their 11th session in Addis Ababa, Ethiopia, that runs from 28 November to 02 December.

Note: Need HD quality for MEDIA publication please contact witnessphoto@gmail.com

© Monirul Alam

Justice for Irfan . . .

Drik and Pathshala formed a human chain and to protest against killed and to demands justice for Irfan during the first death anniversary of Irfanul Islam at Shahbagh in the capital Old Dhaka, on 02 April 2017. Irfan was found dead in the bushes beside the Dhaka-Narayanganj Link Road in Jalkuri area of Narayanganj on the evening of April 2 last year.

monirul alam

02 April 2017

Dhaka, Bangladesh

Note: Need HD quality for MEDIA publication please contact witnessphoto@gmail.com