Blooming flowers in our roof garden . . .

Now the rainy season is going on. Several flowers are blooming in our roof garden at this time. I love it very much, and stare to the flowers, it’s always look beautiful with color and sweet samells around the garden !

As the flowers name is Joba or Hibiscus rosa-sinensis, Lantana, Nil Aparajita, Rangan, Madagascar Periwinkle, Powder Puff, Allamanda Cathartica.

diary / July 2020
Old Dhaka, Bangladesh

13 Photographers on Capturing Hope Amid the Coronavirus Pandemic | Interview for Shutterstock blog . . .

Shutterstock I May, 7, 2020

It’s a painful and stressful time, but in the midst of devastating loss and uncertainty, photographers around the world are finding reasons to be hopeful.

“In the past, I’ve covered historic events such as Maoist Insurgency, the massive earthquake in 2015, and now, the COVID-19 pandemic,” Nepal-based photojournalist Narendra Shrestha tells us. “For the first time in my career, I’m facing a new kind of challenge. This is something I have no reference point for. It’s something I never imagined would happen in my lifetime, and I am learning every day.”

So much about this pandemic is unprecedented, from the exponential spike in disease to the response from leading researchers and scientists. It’s a historic event on both a national and global scale.

The hope can be found on the balconies of Italy and Tel Aviv, in the streets of Morocco and London, and beyond. For some, it all comes down to a momentous occasion of strength and unity. For others, it’s something smaller and more subtle, like a glance shared between two people.

“As a photojournalist, I feel it is my responsibility to give people some kind of positive message and convey any rays of hope I can grasp,” Shrestha says. “When I share positive photos, people comment about how it’s helped them find peace and positivity amid the pandemic. In turn, reading those comments, I find myself at peace.”

We interviewed thirteen extraordinary photojournalists about some of their most powerful images, and asked for their insights on staying safe during this period. Read on for their stories . . .

Monirul Alam: While I was covering the local situation in Bangladesh one day, I made my way to the Kamlapur train station where thousands of people were leaving Dhaka to return to their villages. I always look at people’s eyes and try to understand what they’re thinking. I saw this girl sitting on the train, reading the daily newspaper and absorbing the reality of our new situation.

Three or four days later, I visited the same train station. It was almost empty, save for a few railway guards. It was silent, and I stood there taking pictures of the vast emptiness. As I did this, I heard some sparrows begin to sing. For me, their song represented life and hope for the future.

What are your tips for photographers hoping to follow in your footsteps?

Monirul Alam: As a photojournalist, remember not to panic or put too much pressure on yourself. Our mental health is more important than ever in this kind of situation. Don’t force yourself to work long hours. We all need occasional breaks to cope with what we’re seeing.

Learn more about Monirul Alam: WebsiteInstagramTwitter.

STAY SAFE, Thank you so much  Shutterstock blog to published photojournalists interview . . . 

Diary / 11 May, 2020

Old Dhaka, Bangladesh

 

আমার সময় আমার কথা . . .

ছবি: মনিরুল আলম

১. মেঘ’কে ক্লাসে দিয়ে এসে—এখানে বসলাম । জায়গাটা এককথায় সুন্দর, প্রকৃতি এখানে অনেকটা জীবন্ত ! শীতের সকালে এক মগ কফি আর সঙ্গে একটা বই নিয়ে বসলেই, অনায়েসেই ঘন্টা খানিক সময়—কাটিয়ে দেয়া যায় ।

এক মগ ক্যাপাচিনো কফি অর্ডার করে, স্কটিশ লেখক অ্যালিস্টায়ার ম্যাকলিনের লেখা ‘নাইট উইথআউট ইন্ড’ বইটি নিয়ে পড়তে শুরু করলাম ।

গ্রিনল্যান্ড আইস ক্যাপের মাঝখানে যাত্রীবাহী বিমানের সন্দেহজনক ক্রাশ-অবতরণ দিয়ে গল্পটি শুরু, আইস ক্যাপে কাজ করতে যাওয়া তিনজন বিজ্ঞানী সেই যাত্রীদের উদ্ধার অত:পর নানা ঘটনা—এভাবেই থ্রিলার উপন্যাসটি এগিয়েছে । বইটি পড়তে পড়তে মেঘের ডাকে যেন ফিরে এলাম; সেই গ্রিনল্যান্ডের—আইস ক্যাপ থেকে ।

২. এখন পর্যন্ত অমর একুশে গ্রন্থমেলায় দুইবার যাওয়া হয়েছে, কিছু বই কেনা হয়েছে, আরো কিছু বই কেনার বাকি আছে। বই মেলার সময় শেষ হয়ে আসছে, সময় করে আর একবার যেতে চাই . . .

ডাইরি / ফেব্রুয়ারি ২০২০

Happy new year 2020 . . .

I wish you to a wonderful new year and your dreams come true. For my part, I will do my desire of the mind to fight forward, to continue the struggle will be more focused. Welcome to new year 2020 . . .

Old Dhaka / Bangladesh

January, 2020

© MONIRUL ALAM

ভিজুয়াল তথ্যের পাঠ . . .

জাতীয় নির্বাচন কাভার করতে ঝিনাইদহ শহরে। এপ্রিল, ২০১৩ । ছবি : আনিসুর রহমান / ডেইলি ষ্টার

সংবাদের স্বার্থে জোর করে ছাপা হওয়া ছবিটির কোন অর্থবহতা থাকে না সময়ের প্রযোজনে ভিজুয়াল তথ্যের পাঠ অতন্ত জরুরী বলে মনে হয়

সমকালীন সময়ে সংবাদ মাধ্যমে ( ছাপা হওয়া ছবি ) যে ছবি পাঠ করা যায় না, সেই ছবির পাঠক গ্রহনযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন করার অবকাশ থাকে। সংবাদের স্বার্থে জোর করে ছাপা হওয়া ছবিটির কোন অর্থবহতা থাকে না । সময়ের প্রযোজনে ভিজুয়াল তথ্যের পাঠ অতন্ত জরুরী বলে মনে হয় ।

বর্তমান সময়ে আমাদের দেশের ফটোসাংবাদিকদের বিশেষ করে, যারা তরুণ ফটোসাংবাদিক হিসাবে কাজ করছেন, তাদের কারো কারো কাজ আমার কাছে বেশ উঁচু মানের বলে মনে হয়। আমি তাদের কাজের মধ্য ভিজুয়াল তথ্যের পাশাপাশি ছবির মধ্য এক ধরণের শৈল্পিক প্রকাশ দেখতে পাই—যা ক্লিশে ছবিকে অতিক্রম করে যায়।কখনো কখনো নিবিষ্ট সত্যেকে পড়তে শিখায় ।

সংবাদ মাধ্যমে ছাপা হওয়া ছবিটির গ্রহনযোগ্যতা, অর্থবহতা এবং পাঠক প্রিয়তা পায়।একজন সার্থক ফটোসাংবাদিক হিসাবে নিজের কাজটি সকলের কাছে গ্রহণযোগ্য হয় ।আজকাল তরুণ এই ফটোসাংবাদিকদের কাজ, জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক ভাবে স্বীকৃত, যা ফটোসাংবাদিকতার পেশাকে অনুরত করে।

পুরান ঢাকা, লক্ষীবাজার । নভেম্বর ২০১৯

স্বতন্ত্র দৃষ্টি কোণ থেকে ছবি তোলা . . .

Angle of view পরিবর্তন করে ছবি তোলা । © মনিরুল আলম

Angle of view পরিবর্তন করে ছবি তোলা । © মনিরুল আলম

ফটোগ্রাফী বিষয়ক বোঝাপড়া’তে আমি ( রিয়ালিষ্টিক ) বাস্তব দৃশ্যাবলী এবং ( অ্যাবস্ট্রাক্ট ) বিমূর্ত ফর্ম নিয়ে আলোচনা করেছিলাম, যেখানে আপনি আপনার ছবিতে নান্দনিকতার দিকটা কি করে তুলে ধরবেন । আজ Angle of View নিয়ে খুব ছোট করে বলবো । ফটোগ্রাফী যেহেতু একটা কারিগরি মাধ্যম তাই এর ( ক্যামেরা ) ব্যবহারিক দিকটা জানা জরুরী ।

আমরা নতুনরা ছবি তোলার ক্ষেত্রে বেশীর ভাগ সময় একই Angle of View থেকে ছবি তুলি, যার কারণে আমাদের তোলা ছবিটি একটা সাধারন মানের ছবি হয়ে যায়। আমি বলছি না যে, সাধারন Angle of View থেকে ছবি তুলতে তা খারাপ হয় । যারা ছবি সিলেকশনের দায়িত্বে থাকেন ( ফটো-এডিটর, বিচারক ) তারা কিন্তু তাদের অভিজ্ঞতার আলোকে খুব সহজেই বুঝতে পারেন, আপনার তোলা ছবিটির মানদন্ড কোন পর্যায়ের ।

একটু চিন্তা করে ফ্রেমিং করলেই কিন্তু ছবিটির Angle of View ভিন্ন করা সম্ভব । যদিও ছবি তুলতে তুলতে একটা সময় এই পরিবর্তনটা একজন ফটোগ্রাফারের নিজ থেকেই হয়ে যায় । কিন্তু আমাদের যদি বিষয়টি সম্পর্কে আগেই জানা থাকে তাহলে শুরু থেকেই আপনার তোলা ছবি প্রসংশিত হতে থাকবে ।

এবার সহজ মন্ত্রটা জানা যাক—অর্থাৎ আপনার তোলা ছবিটির Angle of View হতে হবে Unique Angle of View বা —দেখার স্বতন্ত্র কোণ । সহজ ভাবে আমি যেটা বুঝি গতানুগতিকা থেকে বের হয়ে বেশীর ভাগ মানুষের পছন্দের একটা ছবি তোলা। যে মানুষটা আপনার ছবিটি দেখছেন তার যেন মনের ভিতরে একটা অনুভুতি তৈরি হয় । কাজটি কিন্তু একেবারে সহজ নয় . . .

পুরান ঢাকা, লক্ষীবাজার

আগষ্ট ২০১৯

ছোট ছোট কথা | ঘাটের কথা . . .

বুড়ীগঙ্গা নদীর ঘাটে বসে থাকা নৌকার মাঝি । ঢাকা, ২০ এপ্রিল ২০১৯ ছবি: © মনিরুল আলম

সেদিন গিয়েছিলাম বুড়ীগঙ্গা নদীর এক ঘাটে— বসে ছিলাম প্রায় সারা বিকেল ।পাশেই পোস্তগোলা শশ্মান ঘাট—এই শশ্মান ঘাটকে কেন্দ্র করে রয়েছে আমার অনেক স্মৃতি ! প্রিয় বন্ধু ‘বাবু’ সড়ক দূর্ঘটনায় মারা গেলে ওকে আমরা এই শশ্মান ঘাটে দাহ্য করেছিলাম । সারারাত ধরে জ্বলতে থাকা চিতার আগুনের সামনে আমরা দাড়িয়ে ছিলাম ক’বন্ধু—দেখছিলাম আমাদের প্রিয় বন্ধুটি চিতার আগুনে আস্তে আস্তে পুড়ে ছাই হয়ে মিলিয়ে যাচ্ছে আমাদের সামনে থেকে ।

অনেকদিন এদিকটায় আসা হয় না; আজ যেন কি মনে হলো সঙ্গে ক্যামেরাটি নিয়ে বেড়িয়ে পরলাম। বুড়ীগঙ্গার এই দিকটায় এতোটা প্রাণচাঞ্চল্য নেই—সদরঘাটের মতো । এসব ঘাটে নৌকা খুব বেশী থাকে না যাত্রীও কম পারাপার হয় । ৭/৮ টি নৌকা ঘাটে সিরিয়াল দিয়ে যাত্রী পারাপার করে ।এক নৌকায় ৮/১০ জন যাত্রী হলে মাঝি তার নৌকা নিয়ে বুড়ীগঙ্গা নদী পাড়ি দেন । জন প্রতি পারাপারে দশ টাকা করে নেন তারা । আমি ঘাটের এক পাশে দাড়িয়ে ছবি তুলছিলাম আর মাঝিদের কথা শুনছিলাম ।

তাদের দৈনন্দিন জীবনের আয়-রোজগার, থেকে শুরু করে—পরিবার-পরিজন, সমাজ-সংসার, রাজনীতি, ধর্ম তাবৎ দুনিয়ার গল্প তারা করেন; ঘাটে বসে থেকে।একটু ধৈর্য ধরে বসে তাদের কথা শুনলে বর্তমান সমাজ নিয়ে তাদের ভাবনা-চিন্তা গুলো জানা যায়—বোঝা যায়।

এখন চলছে বর্ষার ভরা মৌসুম । বুড়ীগঙ্গা নদীর দিকে তাকালে সেই চিত্র স্পষ্ট ! দেশের বেশ কয়েকটি জেলায় বন্যার কারণে পানি বন্দী হয়ে পড়েছে দরিদ্র এবং নিম্ন আয়ের মানুষেরা । এদের আলাপচারিতায় সেইসব মানুষের দুঃখ-কষ্টের কথা গুলো জানা গেল ।

আমি একজন মাঝিকে জিজ্ঞেস করলাম, নদীতে এতো কচুরিপানা কেন ? উত্তরে হাসেম মাঝি আমাকে বলেন— আর কইয়েন না ভাই, এই পানা কাইটা নৌকা পাড়ে ভিড়াইতে আমাগো খুব কষ্ট হয়, যাত্রীরা নৌকায় হাত না লাগাইলে একা একা নৌকা চালানো যায় না; এই সব পানা বানের স্রোতে ভাইস্যা আইছে— ভাই।

হঠাৎ একজন বলে উঠলো; ঐ দেহেন একটা গুইসাপ সাঁতার কাইটা এই দিকে আইতেছে, আমরা সবাই তাকালাম । আমি দেখলাম— সাপটি সাঁতার কেটে এসে কচুরিপানা গুলোর মধ্যে আশ্রয় নিলো । মাঝিদের মধ্যে একজন বলে উঠলো, ঐ গুইসাপকে মারিস না—গুইসাপ মারতে হয় না; ওইডা মনে হয় বানের পানিতে ভাইস্যা আইসে । আমি সাপটিকে দেখি তার কয়েকটা ছবি তুলি !

ইতিমধ্যে মাঝিরা নতুন নতুন যাত্রী নিয়ে নদী পাড়ি দিচ্ছেন। কেউ কেউ নৌকায় বসে ঝিমুচ্ছেন; কেউ আবার নতুন গল্প জুড়ে দিচ্ছেন, একজন মাঝি বলে ওঠেন— ভাই এই ঘাটে আমি একজন মানুষরে মইরা যাইতে দেখছি—মানুষটা ১৩ বছর যাবত পঙ্গু হইয়া বাড়ীতেই থাকতো। দুই হাতের উপর ভর কইরা চলাচল করতো । একদিন এই ঘাটের সামনে আইয়া পিছলা খ্যাইয়া পইড়া গেল; হের পরে হে মইরা গেল গা— হাইরে মানুষের জীবন !

সন্ধ্যা নেমে আসে । আমি কচুরিপানা গুলোর দিকে তাকাই—তারা দলে দলে ভেসে আসছে; গুইসাপটিকে খুঁজি; চোখে পরে না । একজন মাঝিকে দেখি— কচুরিপানা কেটে কেটে যাত্রী নিয়ে নদী পাড়ি দিচ্ছেন। সদরঘাট লঞ্চ টারর্মিনাল থেকে ইষ্টিমার ছেড়ে আসার শব্দ পাই। আমি ফিরে যাবার জন্য তৈরি হই। আজ আমাকে দৈনন্দিন জীবনের কিছু ছবি পাঠাতে হবে আমার এজেন্সি—ইপিএ’র জন্য . . .

২০ এপ্রিল ২০১৯ বুড়ীগঙ্গা নদী

ঢাকা, বাংলাদেশ

ছোট ছোট কথা . . .

দিনমজুর মামুন টুকরি মাথায় দাড়িয়ে, পুরান ঢাকা ছবি: মনিরুল আলম

সকাল সকাল মেঘ’কে নিয়ে ছুটলাম স্কুলে তার ভর্তি পরীক্ষা আছে । এ বছরও মেঘ’কে নিয়ে শুরু হয়েছে ভর্তি যুদ্ধ যুদ্ধ খেলা ! আহা—আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থা !

ঘূর্ণিঝড় ‘ফেথাই’ দূর্বল হয়ে পড়েছে কিন্তু এর প্রভার পড়েছে—সারা দেশে । গত দুই দিনে মানুষের দুর্ভোগ বেড়েছে অনেক । একদিকে নিম্নচাপ আর অন্য দিকে শীত । জানা গেলে; সামনেই শৈত প্রবাহ আসছে— আসছে ৩০ ডিসেম্বর জাতীয় সংসদ নির্বাচন ।

গতকাল মেঘ’কে নিয়ে বাসায় ফিরলাম বৃষ্টিতে ভিজে । আজ ছাতা নিয়ে বের হয়েছি; বৃষ্টি নেই— সূর্য মামারও দেখা নেই তবে আবহাওয়া একটা গুমোট ভাব রয়েছে । স্কুল গেটে দাড়াতেই হাতে একটা লিফলেট ধরিয়ে দিল—ভোট চাই ! আবার কেউ কেউ নতুন স্কুলের ঠিকানার লিফলেট হাতে গুঁজে দিচ্ছে !

দিনমজুর মামুনের সাথে কথা হলো — ইট টানার টুকরিটা মাথায় দিয়ে, টুপি মাথায়— একটা গামছা শরীরে জড়িয়ে দাড়িয়ে আছেন, আজকের মতো তার ইট টানার কাজ শেষ। একটু পরেই পাওনা বুঝে ফিরে যাবেন; ভোর রাইতে উঠছি, আইজ ইট টানার কাজ পাইছিলাম— কোনদিন কাজ পাই আবার পাই না । আইজ মোট ৮০০ টাকা কামাই করছি । সে ঢাকা শহরে এসেছেন কয়েক বছর হলো, দিনমজুর হিসাবে কাজ করছেন । মামুনের সাথে কথা বলতে বলতে আমরাও ফিরে চলি—আমাদের গন্তব্যে . . .

পুরান ঢাকা, বাহাদুর শাহ পার্ক

১৯ ডিসেম্বর ২০১৮

Workshop on Election Reporting . . .

© Monirul Alam

Today’s participate a virtual interactive workshop on Election Reporting the workshop facilitator by award wining journalist, Woodrow Wilson’s International Center for Scholars and former CNN Journalist Linda Roth, USA.

EMK center in collaboration with Public Affairs Section of the Embassy of the United State. This training session was held at Edward M Kennedy Center ( EMK ) at Dhanmondi, Bangladesh.

I am really happy to join and highly appreciated to learn more about on election reporting sharing my experience thanks again Linda & EMK center.

Dhaka | 17 December 2018

ছোট ছোট কথা . . .

বুড়িগঙ্গা নদীতে প্রতিমা বিসর্জন । ছবি: মনিরুল আলম

এবার দেবী দুর্গার আগমন ঘটেছিল—ঘোড়ায় চড়ে আর ফিরে গেলেন—দোলায় চড়ে । প্রতিবার দুর্গোৎসবে আমার খুব জানতে ইচ্ছা করে দুর্গা আসা-যাওয়ার বাহনটি সম্পর্কে। তার এই ধরাতলে গমনাগমনের বার্তাটা কি ? মূলত প্রতি বছর গজ, ঘোটক, নৌকা, দোলা এইসব বাহনে করে তার মর্ত্যে গমনাগমন ঘটে । তার এই আসা ও যাওয়ার সময় শুভ, অশুভ, ক্ষয়ক্ষতি একটা বার্তা বহন করে । আর এটা পুরাকালের মুনি, ঋষি ও পণ্ডিতরা গবেষনা করে এই বাহনে গমনাগমনের বার্তাটি অনুধাবন করেছিলেন ।

শাখারী বাজার, পাটুয়াটুলি হয়ে হাঁটতে হাঁটতে চলে এলাম সদরঘাট—বুড়ীগঙ্গা নদীর তীরে । বিনা স্মৃতি ঘাটে প্রবেশ করতেই মনটা এক অদ্ভুত ভালো লাগায় পেয়ে বসলো ! নদীটির পশ্চিম আকাশে তাকাতেই দেখলাম সূর্যটি ততোক্ষণে লালা রং ধারণ করেছে—আজকের মতো সে বিদায় নিচ্ছে এই ধরাতল থেকে আর তার এই বিদায়ের সঙ্গী হয়েছেন—দূর্গা দেবী !

পুরান ঢাকা । ওয়াইজঘাট, বিনা স্মৃতি ঘাট । অক্টোবর ২০১৮