জীবন- জীবিকার এই প্রিয় ঢাকা শহর ছেড়ে হাজারো মানুষ তাদের নিজস্ব গন্তব্যে— গ্রামের বাড়ী ছুটছেন। করোনা সংক্রমন আগের থেকে বেড়ে যাওয়ায় সরকার আগামী ১৪ থেকে ২১ এপ্রিল ২য় সপ্তাহের জন্য সর্বাত্মক লকডাউনে ঘোষণা দিয়েছে, এবারের লকডাউন হবে আগের থেকে অনেক বেশী কঠোর, যাতে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে ।
মাছ ব্যবসায়ী কুতুব আলী যাত্রা বাড়ীর মোড়ে বিকল্প গাড়ীর জন্য দাড়িয়ে ছিলেন তার প্রিয় ময়না পাখিটি নিয়ে, কুতুব আলীর সাথে আলাপচারিতায় উঠে এলো —করোনা ভাইরাস, লকডাউনে, মাছ ব্যবসা আর প্রিয় ময়না পাখি নিয়ে তার ঘর-সংসারের গল্প . . .
দৈনিক পত্রিকায় রুটিন কাজ করে, নিজের চিন্তার কাজ বের করা এবং সেই কাজের প্রদর্শনী করা— বাংলাদেশে ফটোসাংবাদিকতার পরিপ্রেক্ষিতে খুব একটা সহজ পথ নয় ! এর জন্য মনের সাহসিকতা এবং কঠোর পরিশ্রমী হতে হয় । নিজের ভিতরের শক্তিকে জাগাতে হয় । জয়ীতার— ‘আলোর মানুষ’ শীর্ষক প্রদর্শনীটি দেখে আমার কাছে মনে হয়েছে, জয়ীতার সেই শক্তি আছে, তিনি পারেন ।
প্রতিদিন কাঁধে ক্যামেরা ব্যাগটি ঝুলিয়ে তার সঙ্গী স্কুটি বাইকটি নিয়ে বেড়িয়ে পরেন । তুলে আনেন, এই শহরেরই বুকে ঘটে যাওয়া নানা ঘটনা-দুর্ঘটনা, সংশ্লেষণ ঘটনা। কখনো বা পত্রিকার পাতায় সেইসব ছবি নানা শিরোনামে, ক্যাপশনে ছাপা হয় । ছাপা হওয়া ছবি দেখে মনে এক ধরনের প্রশান্তি কাজ করে । ছাপা না হলে মন খারাপ হয়, কিন্ত ভেঙ্গে পরেন না । ঐ যে বললাম— একজন ‘মানুষ’ জয়ীতা অনেক প্রাণ শক্তি ধারণ করেন. . .
তখন আমাদের ‘মা’ টাঙ্গাইল থেকে ঢাকার তার নানীর বাসায় বেড়াতে আসতেন । নারিন্দা এলাকায় তার নানা-নানীর বাসা ছিল, একদিন নিউ মার্কেট এলাকায় বেড়াতে গেলে সেখানকার কোন এক ষ্টুডিও থেকে এই ছবিটি তোলা । ছবিট কত সালে তোলা মায়ের আজগর মনে পরে না না । ছবি: পারিবারিক অ্যালবাম থেকে সংগ্রহ ।
বারান্দার গ্রীলে ঝুলতে থাকা বাহারি শুকনো পাতারা এক-ভিড় বাতাসে—নিঃশব্দে ঝরে প’রে ;— জানালা দিয়ে প্রবেশ করা এক-টুকরো আলোর রৌদ্র— মায়ের মুখে !
চড়ুই পাখি আর ঝুটি শালিকের হৃদয়ের আর্তনাদ শুনি,— ওদের মনে কোন এক বিপন্ন বিস্ময় জাগে;—একটা বুনো বেড়াল জীবন্ত শিকার ধরে,—দেয়ালের কার্নিশ দিয়ে হেটে চলে গেল !
দেয়ালের কার্নিশে বসে থাকা এক ঝাঁক বুনো কবুতর কোথায় যেন উড়ে চলে গেল;—‘হরি বলা’ ধ্বনি দিয়ে কারা যেন, কাঁধে করে একটা শব নিয়ে গেল—শশ্মান ঘাটে;
আজকাল— চোখে খুব ভালো একটা দেখতে পাই না;—ঘরের দেয়ালে ঝুলিয়ে রাখা কবিদের সেইসব স্কেচ করা পোট্রেট গুলো—অস্পষ্ট বলে মনে হয়;
জানালা থেকে ফিরে আসি.—আবার জানালায় পাশে যাই,— আলোর বিচ্ছুরণ দেখি;—অন্ধকার চোখে . . .
সেদিন শান্তি নগর গিয়েছিলাম । একটা ব্যক্তিগত কাজ ছিল । লিফট দিয়ে নামছি— লিফটের গ্লাসে আমারই প্রতিচ্ছবি ভেসে উঠেছে, সেটা আমার নজরে এলো । মাস্কের আবরণে মুখের অর্ধেকটা ঢাকা পরে আছে, কিছুটা যেন অস্পষ্ট, অচেনা লাগছিল নিজের আত্মপ্রতিকৃতিটি দেখে ! মোবাইল ক্যামেরাটি দিয়ে মুহুর্তটির ছবি তুলে রাখলাম ।
করোনাকালীন সময়— এখন সময়ের দাবি মাস্ক পরিধান করা, সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা এবং সাবান-পানি দিয়ে হাত ধোয়া । এটাই এখন নিজেকে এবং অন্যকে সুস্থ রাখার স্বাভাবিক নিয়মে পরিণত হয়েছে । আজকাল এই শহরের অনেক জায়গাতে একটি লেখা বেশ চোখে পরে—No mask, No service । সেদিন দেখি, মেঘ আমাদের ছাঁদের দেয়ালে বিভিন্ন জায়গায় ইটের টুকরা দিয়ে এই কথাটি লিখে রেখেছে ।
শহরের মানুষ আগের থেকে অনেকটা ( কম-বেশী ) এই বিষয়ে সচেতন হয়েছেন । তবে এই সচেতনতার ধারাবাহিকতা রক্ষা করা উচিত—আমাদের সবার । ইতিমধ্যে COVID-19 এর ভ্যাকসিন আমাদের দেশে চলে এসেছে । করোনাযুদ্ধের সম্মুখ যোদ্ধারা এরই মধ্যে ভ্যাকসিন নিতে শুরু করেছেন । এ মাসেই শুরু হবে সবার জন্য করোনা ভ্যাকসিন কর্মসুচি । তবে করোনাকালীন সংকটময় সময়টা— মানুষ চিরদিন মনে রাখবে । এই মহামারি জনিত রোগে অনেকেই হারিয়েছেন তাদের প্রিয়জন। যারা এই রোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেছেন, তাদের আত্মার শান্তি কামনা করি । যারা অসুস্থ রয়েছেন তাদের জন্য আল্লাহর কাছে দোয়া করি তারা যেন দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠেন । সবার জীবন সুস্থ এবং সুন্দর কাটুক— এই প্রত্যাশা ।
Norwegian ফটোগ্রাফার— আমার শ্রদ্ধাভাজন শিক্ষক Morten Krogvold, বাংলাদেশে এসেছিলেন তার তোলা ছবির প্রদর্শনী নিয়ে ( ছবি মেলার আমন্ত্রণে ) পাশাপাশি আমাদের একটা কর্মশালা নিয়েছিলেন । আমি সেই কর্মশালাতে অংশগ্রহণ করেছিলাম । তার প্রথম আ্যসাইমেন্ট ছিল Self-Portrait তোলা । মুল বিষয়টি ছিল, অনেকটা এরকম—আমি নিজেকে আমার ক্যামেরায় কিভাবে দেখতে চাই এবং উপস্থাপিত হতে চাই । আমরা তা প্যাটিক্যাল করে আমাদের কর্মশালাতে উপস্থাপন করেছিলাম । এই সেলফ পোট্রেটটি তুলতে গিয়ে সেই সময়ের অনেক স্মৃতি মনে পরে গেল ।
আত্মপ্রতিকৃতি Self-Portrait কিংবা group selfie এখন সময়ের দাবি ।বিশেষ করে মোবাইলের সাথে ক্যামেরা সংযুক্ত হবার পর, এই ছবি তোলার প্রবনতা আগের তুলনায় অনেক বেশী বেড়েছে । মানুষ প্রযোজনে-অপ্রযোজনে নিজের সেলফি তুলে ফেসবুকে পোষ্ট দেন এবং লিখে দেন, এটা এমনি এমনি তুললাম ! অবচেতন মনে, আমরা অনেক সময় অনেক কিছু করি । সব সময় সব কিছুর কারণ খুঁজতে গেলে, অনেক সময় আনন্দটা নষ্ট হয়ে যায়—মন খারাপ হয় ।
সেলফ পোট্রেটটি তোলার একটা গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো—ঘটনাস্খলটির একটা প্রত্যক্ষ প্রমাণিক দলিল বা স্বাক্ষ্য বহন করা । যা অত্যন্ত সহজ এবং দ্রুততার সাথে বর্তমানে মোবাইল ফোনটি দিয়ে তোলা যায়, সংরক্ষণ করা যায় চাইলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বন্ধুদের সাথে শেয়ার করা যায় । ছবি তোলার গুরুত্বের দিক থেকে বলতে গেলে—আজকের তোলা একটি আলোকচিত্র / ছবি আগামী দিনের ইতিহাস। যা সেই সময়ের স্মৃতিকে অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে মনে রাখে, প্রকাশ করে . . .
পৃথিবীর সেই সব বিকেলের আলো একে একে নিভে গেলে —সন্ধ্যা আসে ! দূরাগত— শহরের প্রান্ত থেকে কি জানি কিসের শব্দ ভেঁসে আসছে ! আমরা তিনজন— জ্যোৎস্নার আলোয় বসে আছি; আমাদের মাথার উপর হিম রাত্রি নামছে ।
ভোরের আলো ফুটে উঠার আগেই প্রস্তুতিটা নিতে হয় ! রাত তিনটার সময় ঘর থেকে বের হন—তারা । তারপর ছোট ছোট ডিঙ্গী নৌকা নিয়ে বিলে চলে যায়—শাপলা তুলতে ! সারাদিন শাপলা তুলে নৌকা বোঝাই করে তা নিয়ে চলে আসেন ঘাটে, বিকেল নাগাদ । নদীর ঘাটে শুরু হয় দ্বিতীয় পর্ব; শাপলা গুলো আটিঁ বাঁধার কাজ। এই কাজটি পানির মধ্যে দাড়িয়ে থেকেই করতে হয় । সেদিন গিয়েছিলাম মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখানে, এই শাপলা তোলার ছবি এবং সেইসব মানুষ গুলোর সুখ-দুঃখের কথা জানার জন্য । যাদের জীবন-জীবিকা প্রকৃতির নিয়মেই ঋতুতে ঋতুতে পাল্টে যায়—এইখানে ।
কৃষক ইয়ার রহমানের সাথে কথা হয় ঘাটে বসে । বেলা তিনটা-চারটার দিকে আমরা সব শাপলা রেডি কইরা পিকআপে তুইলা দেই, তারপরে হেইডা চইলা যায় ঢাকার যাত্রাবাড়ী, হেনে দরদাম কইরা বিক্রি হয় —শাপলা। সারাদিন এক নৌকা শাপলা তুললে খরচপাতি বাদ দিয়ে তা ধরেন তিন/চার শত টাকা আমাগো থাহে ।
এখন শরৎ কালের শুরু—আকাশটা অদ্ভুত সুন্দর হয়ে আছে। সড়কটির দুইপাশে বিল; সেই বিলেই শত শত শাপলা ফুটে আছে । সড়কের পাশে সারিসারি গাছ, মাঝে মাঝে দুই একটা গাড়ী চলে যাচ্ছে, তাদের গন্তব্যের দিকে। জায়গাটা খুব ভালো লাগল !
ঘাটে বসে বসে ছবি তুলতে থাকি—ইয়ার রহমানের সুখ-দু্ঃখের কথা শুনি । অন্য আর একজন কৃষক গনি মিয়া শাপলার আটিঁ বাঁধতে বাঁধতে বলেন, সাংবাদিক ভাইরে তোমার দুঃখের কথাটা কও রহমান ভাই, রহমান মাথা নিচু করে কাজ করতে থাকেন । গনি মিয়াই বলতে শুরু করেন, চার মাইয়্যার এহনো বিয়া দিবার পারে নাই, মাইয়্যারা বড় হইয়া গেল ? বাপ-মায়ের বড় চিন্তা অভাবের সংসার কেমনে দিন চলবো । এই করনার সময়ে আমরা যে কেমনে চলতাছি, তা আল্লাই জানে।শাপলার দাম কইমা গেছে, বেচা-বিক্রি ভালো না—এবার । মানুষের হাতে টাকা নাই । জীবন বড় কষ্টে চলতাছে, আমাগো। সাংবাদিক ভাই আমাগো কথা একটু লেইখা দিয়েন ।
ততোক্ষণে ঘাটে আরো অনেক নৌকা এসে থেমেছে। সব নৌকাতেই শাপলা বোঝাই—আমাদের জাতীয় ফুল ‘শাপলা’ যা এই মানুষ গুলোর জীবিকানির্ব্বাহের একটা মাধ্যম হিসাবে কাজ করছে।
সড়কের ওপারে একটা উঁচু জায়গায় গিয়ে দাঁড়াই । যতোদূর চোখ যায় বিলটি দেখি । দূর থেকে একটা ডিঙ্গী নৌকা নিয়ে দুটি শিশু এই ঘাটের দিকেই আসছে শাপলা বোঝাই করে । বিকেলের রোদ ওদের চোখে-মুখে, ওরা হাসছে ! ওদের শাপলাও তুলে দেওয়া হবে পিকআপে । যা একটু পরেই ছুটবে ঢাকার উদ্দেশ্যে, আমারও গন্তব্যে ঢাকা . . .
ভাই আপনে হেলিকাপ্টার আনেন নাই ? আমি প্রথমে তার কথা বুঝতে না পেরে তাকে জিজ্ঞেস করলাম, ভাই আপনার কথা আমি ঠিক বুঝতে পারলাম না !
উত্তরে সে জানালেন, আরেকদিন দেখলাম কয়জন সাংবাদিক ছোট খেলনা হেলিকাপ্টার আইনা ছাইড়া দিছে, আকাশে ! একবারে আস্তা হেলিকাপ্টার । উপরে অনেক দূর পর্যন্ত উইঠ্যা যায়, আবার নিচে নাইমা আসে, দেখলাম হাতের তাইলায় নামাইলো ! হেইডা দিয়া ছবি তুলছে, ভিতরে মনে হয় ক্যামেরা আছে ।
আমি বললাম আপনি ঠি ক বলছেন, ছোট হেলিকাপ্টারটির নাম হলো ড্রোন । সেটা দিয়ে খুব সহজে ছবি এবং ভিডিও করা যায়, সেটার ভিতরে একটা ক্যামেরা লাগানো থাকে । তবে ঐ যন্ত্র চালাইতে সরকারের অনুমতি লাগে । কিছু নিয়মনীতি আছে, যাক সে কথা, আমি বললাম, ভাই সেই হেলিকাপ্টার আমার নাই ! আমি এই ক্যামেরা দিয়া ছবি তুলি । তার সাথে কথা বলে ভালো লাগলো, নদীভাঙ্গন সম্পর্কে তাকে জিজ্ঞেস করি ।
কৃষক হাফেজ আলী জানান, প্রায় একমাস হইলো এই নদী ভাঙ্গন শুরু হইছে । এহন পর্যন্ত প্রায় তিনশত বসতভিটা, নদীতে বিলিন হইয়া গেছে । মানুষ অসহায় হইয়া গেছে, তাগো দাঁড়ানের জায়গা নাই । আমাগো বাড়ী এখনো ভাঙ্গে নাই তবে চিন্তায় আছি, কহন কি হইয়া যায় ! নদীতে প্রচন্ড স্রোত দেখলে বোঝা যায় না। কিন্তু হঠাৎ কইরা ভাঙ্গন শুরু হয় । কিছু বুইঝা উঠার আগেই সব শেষ ।
হাফেজ আলীকে আমি প্রশ্ন করি—নদী ভাঙ্গে কেন ? উত্তরে সে জানায়, নদী থেকে বালু উঠায় আর এই কারণে বন্যার সময় প্রচন্ড স্রোতে নদীর গতিপথ পরিবর্ত হয়, তাই নদী তীরের বসতভিটা ভাঙ্গে । নদীর তীরে রক্ষাবাধঁ দিলে এই ভাঙ্গন বন্ধ করা সম্ভব আর নদী থিইক্যা বালু তোলা বন্ধ করতে হইবো ।
নদী ভাঙ্গন দেখাতে দেখাতে কথা বলে চলেন এই কৃষক, তার সঙ্গে থাকা শহিদুল বিশ্বাস আরো কিছু যোগ করেন । অনেক গ্রামবাসীদের দেখলাম নদীগর্ভে বসতবিটা বিলীন হওয়ার ভয়ে তা আগে থেকেই অন্যত্র সরিয়ে নেবার চেষ্টা করছেন, তাদের ভিটের গাছগুলো কেঁটে ফেলছেন । ছবি তোলা শেষ করে তাদের বিদায় জানিয়ে আমি ফিরে চলি আমার গন্তব্যে . . .
যাই, বন্যার পানি সড়ক থেকে কতটুকু কমলো দেখে আসি; ভোর বেলা একবার গরু গুলোর জন্য কাঁচা ঘাস খুঁজতে বের হয়েছিলাম—পাইনি;
দেখি ঐ পারায় পাওয়া যায় কিনা ! যদিও বন্যার পানিতে পচে গেছে অনেক ঘাস ! আহা, বোবা প্রাণী গুলো—কেমন করে তাকিয়ে থাকে আমার দিকে !
ছোট মেয়েটার ইলিশ ভাজা দিয়ে ভাত খেতে ইচ্ছে হয়েছে; তার মা ঐ বোবা প্রাণী গুলোর মতো আমার দিকে অনেকক্ষণ তাকিয়ে থাকলো !
বন্যার পানি ভাঙ্গতে ভাঙ্গতে ভাবি, আমি কৃষক মানুষ; আমাকে ঘুরে দাঁড়াতেই হবে; বৃদ্ধা মায়ের ঔষধ, আমাদের বেঁচে থাকার অবলম্বন গরু গুলোর খাবার, ছোট মেয়েটার আবদার আর সংসারের সাতটা মুখ ! ওরা আমার পথ চেয়ে থাকবে;
যাই, বন্যার পানি সড়ক থেকে কতটুকু কমলো দেখে আসি . . .