আমার প্রিয় সেন্ট গ্রেগরিজ স্কুল . . .

আজ— হঠাৎ করেই ( ঢেউ ) মেয়েকে নিয়ে আমার প্রিয় সেন্ট গ্রেগরিজ স্কুল অ্যান্ড কলেজে (এখন কলেজও হয়েছে) ঘুরতে গিয়ে যেন স্মৃতির এক অদৃশ্য দরজা খুলে গেল !

স্কুলের প্রতিটি করিডোর, প্রতিটি ক্লাসরুম, মাঠের সেই পরিচিত কোণগুলো—সবকিছু যেন আমাকে টেনে নিয়ে গেল আমার শৈশব আর কৈশোরের দিনগুলোর কাছে।

মনে পড়ে গেল মাঠের কোণে আমাদের ধর্ম ক্লাস, টেবিল টেনিস কোর্ট, হ্যান্ডবল কোর্ট, বাস্কেটবল কোর্ট, বকুলতলার সেই পানি পান করার কল, আশুতোষ সাহা স্যারের ডিটেনশন ক্লাস, ব্রাদার চার্লসের সেই গণিত ক্লাস !

অবশ্য ব্রাদার হোবার্টের ক্লাস আমি পাইনি— ততোদিন তিনি বৃদ্ধ হয়ে গিয়েছিলেন ক্লাস খুব বেশি নিতেন না—তবে আমি যখন ক্লাস 3/4 পড়ি তখন তার সাথে কথা বলেছি, চকলেট নিয়েছি! ব্রাদার হোবার্ট অসাধারণ একজন শিক্ষক এবং ভালো মানুষ ছিলেন ।

আরো মনে পরে গেল—জন স্যার এবং আইরিন টিচার ছিলেন আমার খুব প্রিয় শিক্ষক । জন স্যারের কাছে কতবার কাঠের হলুদ স্কেলের মার খেয়েছি— তবুও তিনি আমার প্রিয় শিক্ষক ছিলেন । স‍্যার আমাকে খুব পছন্দ করতেন । কারণ আমি তখন ছিলাম ক্লাসের ফার্স্ট বয়! ঢেউ এর সাথে সেইসব গল্প করছিলাম তখন ।

ঢেউ এর সাথে আমি আমাদের সেন্ট গ্রেগরিজ স্কুল অ্যান্ড কলেজের সামনে ।
মে, ২০২৬ লক্ষীবাজার ঢাকা । ছবি : মনিরুল আলম

নিকোলাস রোজারিও ওয়ান স‍্যারের অসাধারণ সেইসব ক্লাস কখনো ভুলবো না ! রায়হান জামিল স্যার আমাকে একদিন খুব মেরেছিল— আমার পিঠ তখন লাল হয়ে গিয়েছিল! যদিও আমার দুষ্টুমির জন্যই সেই মার খেয়েছিলাম । ক্লাশ শেষ করে স্যার আবার আমাকে খুব আদর করেছিলো— আহা সেই সব স্মৃতি!

মনে পড়ে গেল—আমি ক্লাস ফুটবল টিমে লেফট আউট খেলতাম। জীবনের কত সরল, কত নির্মল ছিল সেই দিনগুলো। আজ এত বছর পর দাঁড়িয়ে অনুভব করলাম—একটি স্কুল কেবল পড়াশোনার জায়গা নয়; এটি একজন মানুষের স্বপ্ন, শেকড়, স্মৃতি আর মানুষ হয়ে ওঠার প্রথম পাঠশালা।

আমার জীবনের ভিত গড়ে তোলার পেছনে এই স্কুলের সকল শিক্ষক এবং ব্রাদারদের অবদান আমি গভীর কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করি। তাদের শিক্ষা, শাসন, স্নেহ, মূল্যবোধ আর মানবিকতাই আমাকে জীবনের পথ চিনতে শিখিয়েছে।

ঢেউ —আমাদের সেন্ট গ্রেগরিজ স্কুল অ্যান্ড কলেজের সামনে দাঁড়িয়ে।
মে, ২০২৬ লক্ষীবাজার ঢাকা । ছবি : মনিরুল আলম

যদিও শেষ পর্যন্ত এই স্কুলে আমার পড়াশোনা সম্পূর্ণ করা হয়ে ওঠেনি—আমি ড্রপ আউট হয়েছিলাম। তবুও আমি বিশ্বাস করি, সেন্ট গ্রেগরি স্কুল অ্যান্ড কলেজ আমাকে শুধু একজন শিক্ষার্থী নয়, একজন প্রকৃত মানুষ হয়ে ওঠার পথ দেখিয়েছে।

এই প্রতিষ্ঠানের প্রতি তাই আমার ভালোবাসা, শ্রদ্ধা আর কৃতজ্ঞতা আজীবনের। লেখাটি শেষ করতে চাই রেভারেন্ড ব্রাদার জুড, সি.এস.সি.-এর একটি গভীর অনুভবের উক্তি দিয়ে—

“একজন ভালো মায়ের পরেই, একজন মানুষের একটি ভালো বিদ্যালয় নিয়ে গর্ব করা উচিত।”
— রেভারেন্ড ব্রাদার জুড, সি.এস.সি.

আই অ্যাম প্রাউড টু বি এ গ্রেগরিয়ান . . .

📷 WITNESS MY TIME
Diary / Luxmibazar May 2026
© Monirul Alam

সেন্ট গ্রেগরিজ স্কুল অ্যান্ড কলেজের বর্তমান মূল ভবন । মে, ২০২৬ লক্ষীবাজার ঢাকা । ছবি : মনিরুল আলম

কাফরুল শিমুল তলার সেই মানুষটি . . .

উত্তর কাফরুল মসজিদে তার জানাজার নামাজ পরার জন‍্য বসে আছি—নামাজ শুরুর অপেক্ষা। চারপাশে স্থানীয় মুসল্লীদের নীরব কথোপকথন । “ইমামের ঠিক পেছনে, প্রথম কাতারে যে মানুষটা সবসময় দাঁড়াতেন—আজ তিনি নেই…”

কথাগুলো বাতাসে ভেসে আসছিল, আর আমি নীরবে শুনছিলাম। মনে হচ্ছিল, একজন মানুষের চলে যাওয়া কতটা গভীর শূন্যতা তৈরি করে—তা শব্দে নয়, অনুভূতিতে বোঝা যায়।

জানাজার নামাজ শেষে আমরা তাকে নিয়ে গেলাম বড় বেড়াইদ কবরস্থানে ।সেখানে তিনি চিরনিদ্রায় শায়িত হলেন—তার বাবা-মা আর প্রিয়জনদের পাশে।

আমার কাছে তিনি শুধু একজন মানুষ নন—
তিনি আমার শ্বশুর ছিলেন।বুবলী, খোকন, মহসিন ভাইয়ের বাবা। মেঘ, ঢেউ এর— নানা। যদিও মেঘ তার নানাকে দেখেছে কিন্তু ছোট ঢেউ তার নানাকে দেখার সৌভাগ্য হয়ে উঠেনি।

স্বল্পভাষী, অথচ অসাধারণ ব্যক্তিত্বের একজন মানুষ ছিলেন তিনি।কখনো উপদেশ দেননি, বড় বড় কথা বলেননি—
কিন্তু তার জীবনটাই ছিল এক নীরব শিক্ষা। তার চলাফেরা, তার নম্রতা, মানুষের প্রতি তার ভালোবাসা—
আমাকে শিখিয়েছে, একজন পূর্ণ মানুষ হতে হলে ভেতরের পূর্ণতাটা কতটা জরুরি।

এই ছবিটা বুবলীদের হাফিজুন নাহার বুবলী পারিবারিক অ্যালবাম থেকে নেওয়া—সম্ভবত ১৯৯৬/৯৭ সালের দিকে তোলা।নতুন কেনা ক্যামেরার প্রথম দিকের স্মৃতি । কাফরুল শিমুল তলার সেই বাড়িতে, সালেক খোকনের তোলা এক টুকরো সময় ছবিটির মধ্যে দিয়ে ধরা পড়েছে— একটা মায়া ছবি ! পুরাতন প্রিন্ট ছবি থেকে ছবিটিকে এ আই এডিটিং করা হয়েছে।

© ছবি : সালেক খোকন

১৮ মার্চ ছিল তার ১০ম মৃত্যুবার্ষিকী।সময় পেরিয়ে যায়, কিন্তু কিছু মানুষ থেকে যান—স্মৃতিতে, শিক্ষায়, আর ভালোবাসায়। ঠিক তেমনি একজন মানুষ ছিলেন আমার শশুর। তাকে নিয়ে কিছু লিখতে পেরে নিজের কাছে খুব ভালো লাগছে ।

‎رَبَّنَا ٱغۡفِرۡ لِي وَلِوَٰلِدَيَّ وَلِلۡمُؤۡمِنِينَ يَوۡمَ يَقُومُ ٱلۡحِسَابُ
অর্থ: “হে আমাদের প্রতিপালক! কিয়ামতের দিন আমাকে, আমার পিতা-মাতা ও সকল মুমিনকে ক্ষমা করুন।”

হে মহান আল্লাহ,
আমাদের সবাইকে সুস্থতা ও ঈমানের ওপর অটল রাখুন।
যারা আমাদের ছেড়ে চলে গেছেন—আমাদের প্রিয় বাবা-মা, আমার শশুর সহো সকলকে জান্নাতুল ফেরদৌস নসীব করুন। তাঁদের কবরকে নূরে ভরে দিন, আযাব থেকে হেফাজত করুন। আমীন।

WITNESS MY TIME
ডাইরি / ১৯ মার্চ ২০২৬ পুরান ঢাকা
© মনিরুল আলম

ছোট ছোট কথা . . .

প্রখ্যাত চিত্রশিল্পী মাসুক হেলাল ভাইয়ের আঁকা আমার সেই প্রিয় স্কেচটি হঠাৎ করেই খুঁজে পেলাম। স্কেচটি ২০১০ সালের—তখন আমি কর্মরত ছিলাম প্রথম আলো—তে ।

নিজের ব্যক্তিগত লাইব্রেরিতে বই ঘাঁটতে ঘাঁটতেই হঠাৎ চোখে পড়ল স্কেচটি। মুহূর্তেই ফিরে গেলাম সেই সময়ের স্মৃতিতে।
মাসুক ভাইকে আবারও জানাই আন্তরিক কৃতজ্ঞতা, শ্রদ্ধা ও অনেক অনেক ভালোবাসা।

স্কেচ: চিত্রশিল্পী মাসুক হেলাল ২০১০

মাসুক হেলাল বাংলাদেশের একজন প্রখ্যাত চিত্রশিল্পী, অলংকরণশিল্পী ও সাংবাদিক। তিনি বর্তমানে দৈনিক প্রথম আলোর সিনিয়র আর্টিস্ট হিসেবে কর্মরত। ১৯৮৭ সালে চারুকলা ইনস্টিটিউট থেকে পড়াশোনা শেষ করেন। তিনি অসংখ্য বইয়ের প্রচ্ছদ ও পোর্ট্রেট এঁকেছেন এবং একাধিকবার জাতীয় পুরস্কার অর্জন করেছেন। বিশেষ করে তাঁর ড্রয়িং ও রেখাচিত্রই তাঁকে আলাদা পরিচিতি এনে দিয়েছে।

ডাইরি / ঢাকা
ফেব্রুয়ারি ২০২৬
© মনিরুল আলম

ছোট ছোট কথা . . .

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে সকল ভাষা শহীদের প্রতি জানাই বিনম্র শ্রদ্ধা। আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস আমাদের ভাষা, সংস্কৃতি ও আত্মপরিচয়ের গৌরবের দিন। ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি ঢাকা’তে ভাষার অধিকার রক্ষায় শহীদদের আত্মত্যাগের স্মরণে দিনটি পালন করা হয়। পরবর্তীতে UNESCO ১৯৯৯ সালে ২১ ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে ঘোষণা করে।

গতকাল কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে নিউজ ইভেন্টটি কভার করতে গিয়ে অনেক পরিচিত মুখের সঙ্গে দেখা হলো, কথা হলো। এই দিনটিতে শহীদ মিনারে গেলে যেন পুরোনো দিনের স্মৃতিগুলো আবারও ফিরে আসে—অনেকের সঙ্গে দেখা হয়, কিছুক্ষণ গল্প-আড্ডা হয়, আর মনটা ভরে ওঠে এক অন্যরকম অনুভূতিতে।

এবার দেখা হলো না আব্দুল মালেক বাবুল ভাইয়ের সঙ্গে। তিনি প্রতি বছর এইদিনটিতে  সকালবেলায় একবার শহীদ মিনারে আসতেন। আরও অনেকেই আসতেন—আমাদের ছোট্ট একটা আড্ডা বসত। কিন্তু এবার অনেক পুরনো মুখের সঙ্গেই আর দেখা হলো না, সেই অভাবটা অনুভব করলাম।

তবে অনেক দিন পর গতকাল কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে রতন’দার সঙ্গে দেখা হয়ে ভালো লাগল। এছাড়া দেখা হলো মেরাজ, মঞ্জুর, নান্নু ভাই, আমিনুল ভাই, কাজল’দা এবং আরো অনেকের সাথে। কাজল’দা তাঁর পুরস্কারপ্রাপ্ত বিখ্যাত ছবিটির পেছনের গল্প শোনালেন আমাদের। আমরা কিছু সময় একসঙ্গে আড্ডা দিলাম, ছবি তুললাম, ছবির গল্প শুনলাম। তারপর এলো ফেরার পালা।

সিনহুয়া সংবাদ সংস্থার ফটোসাংবাদিক হাবিবুর রহমানের সঙ্গেও দেখা হলো। হাবিন একজন পরিশ্রমী ফটোগ্রাফার তার কাজ আমার ভালো লাগে । তার কাজের মধ্যে একধরণের চেষ্টা দেখতে পাই । 

তিনি  ছবি তোলার পাশাপাশি তার ড্রোন ক্যামেরা দিয়ে ছবি ও ভিডিও ফুটেজ সংগ্রহ করছিলেন। কিছু সময়ের জন্য তিনি তাঁর ড্রোনটি আমাকে ব্যবহার করতে দিলেন ছবি ও ভিডিও ধারণের জন্য। আমি সেটি দিয়ে কিছু ছবি এবং ভিডিও করলাম। হাবিরের এই আন্তরিক সহযোগিতা আমার খুব ভালো লেগেছে—তাঁকে আন্তরিক ভাবে আমি ধন্যবাদ জানাই। 

সব মিলিয়ে দিনটি ছিল স্মৃতি, শ্রদ্ধা আর বন্ধুত্বের এক অনন্য মেলবন্ধন। ভাষা শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানাতে গিয়ে সহকর্মী ও প্রিয়জনদের সঙ্গে এই দেখা-সাক্ষাৎ যেন সম্পর্কের বন্ধনকে আবারও নতুন করে গড়ে তোলে।

মহান একুশের চেতনাই আমাদের এভাবেই বারবার একত্রিত করে, স্মরণ করায়—ভাষা, স্মৃতি আর ভালোবাসার বন্ধন কখনও মুছে যায় না।

WITNESS MY TIME

Diary / 21 February 2026

Dhaka, Bangladesh 

© Monirul Alam

আই লাভ টু রিড নিউজপেপার . . . 

সকাল বেলা চা খেতে খেতে নিয়মিত পত্রিকা পড়ার অভ্যাস  আমার সেই ছোটবেলা থেকে। তখন আমাদের বাসায় দৈনিক পত্রিকা এবং সাপ্তাহিক পত্রিকা রাখা হতো নিয়মিত । বাবার পছন্দ ছিল ইত্তেফাক আর মায়ের সাপ্তাহিক বেগম । আমাদের পরিবারের সবাই কমবেশি পত্রিকা পড়তাম তখন। বর্তমানে ফটোসাংবাদিকতাকে পেশা হিসাবে নেওয়ার ফলে প্রতিদিন নিয়ম করে অনেক গুলো পত্রিকা অফলাইন বা অনলাইন পড়তে হয় । 

আমার কাছে— হাতে নিয়ে পত্রিকা পড়া সবসময়ই এক অসাধারণ ভালোলাগার বিষয় । সেই  ভালোলাগার আবেদন এখনো ফুরিয়ে যায়নি । অনলাইনে পত্রিকা পড়ার পাশাপাশি সুযোগ পেলেই দৈনিক পত্রিকাটি ঠিক ঠিক কাছে টেনে নেই পড়ার জন্য—তো যাইহোক !

সম্প্রতি ডেইলি স্টার পত্রিকাটি চোখ বুলাতে বুলাতে একটা নিউজের প্রতি আমার দৃষ্টি নিবদ্ধ হলো । আমার কাছে ভেরি ইন্টারেস্টিং মনে হতে— নিউজটা পড়তে শুরু করলাম । 

ডেইলি স্টার নিজস্ব প্রতিবেদকের করা সংবাদটি পড়ে যা বুঝলাম, প্রযুক্তির পরিবর্তনের হাওয়া এখানেও লেগেছে ! যাহোক নিউজ টির মূল বিষয় হলো আমাদের দেশে ৭৩% মানুষ খবরের কাগজ পড়ে না ।

প্রশ্ন হলো তাহলে কি আমাদের দেশের মুদ্রিত সংবাদপত্র গুলো কি সত্যিই তাদের আবেদন হারাচ্ছে ? বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর বরাত (বিবিএস) দিয়ে ডেইলি স্টার পত্রিকায় এক সংবাদ প্রতিবেদন ছাপা হয়েছে,গত ৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ । অন্যান্য পত্রিকায়ও এই সংবাদটি প্রকাশিত হয়েছে । পরিসংখ্যান বলছে, ৭৩% মানুষ খবরের কাগজ পড়ে না। তবে মুদ্রিত সংবাদপত্রের পরিবর্তে মানুষ মোবাইল ফোনে অনলাইন সংস্করণ পড়ে থাকেন । 

সময়ের প্রয়োজনে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার নিশ্চয়ই বুদ্ধিমানের কাজ । আমি যেমন আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহারের পাশাপাশি আমার সেই ছোট বেলায় এই পত্রিকা পড়ার অভ্যাসটি ধরে রাখতে চাই । আই লাভ টু রিড নিউজপেপার . . . 

ডাইরি / ফেব্রুয়ারি, ২০২৫

ছবি : © মনিরুল আলম