River Life . . . 

 

© Monirul Alam
  
© Monirul Alam
  
© Monirul Alam
  
© Monirul Alam
  
© Monirul Alam
  
© Monirul Alam
 

Prothom Alo Publucation | 03, September,2015

 
   

 

Prothom Alo Publication | 02 September, 2015

   
 

Prothom Alo Publication | 02, September,2015

   
 

Prothom Alo Publication | 01, September, 2015

   
  
   
 

Prothom Alo Publication | 31 August 2015

  

   
 

এ জানির্ বাই বোট . . . 

 

© Monirul Alam
 
ছাত্র জীবনে —এ জানর্ি বাই বোট রচনাটি অনেক বার পড়তে হয়েছে । পরীক্ষার সময় তা লিখেছি বার কয়েক—আজ আর তা মনে নেই । পুরান ঢাকায় আমার বসবাস । বুড়ীগঙ্গা নদীর পাড়ের মানুষ হিসেবে বহু বার সদরঘাট থেকে নৌকা ভ্রমণ করেছি—বন্ধুরা মিলে । আবার আমাদের গ্রামের বাড়ীতে গেলে— সেখানেও নৌকা ভ্রমণের সুযোগ হয়েছে। গ্রামের বাড়ীতে যাবার একটা সময় অনেকটা পথ নৌকা ভ্রমণ করতে হতো —বষর্াকালে । আমাদের একটা ছোট নৌকা ছিল । ছুটিতে বাড়ী গেলে—সেই নৌকা আমি আর আমার ফুপাতো ভাই, মুকুল মিলে চালাতাম । লগি বা বৈঠা দিয়ে খুব আনন্দের সাথে নৌকা চালাতাম ! 
সে দিন ২৮, আগস্ট, ২০১৫ আমরা বুবলী, মেঘ এবং আমি ধানমন্ডি লেকে বেড়াতে গিয়েছিলাম । লেকে বেড়াতে আসা লোকজন নৌকা ভ্রমণ করেন । আমার খুব ইচ্ছা হলো— এসব বক্স আকৃতির নৌকা গুলো চালাতে ! ১০০ টাকা দিয়ে টিকেট কিনে দাঁড়ালাম, প্রায় পঁচিশ মিনিট অপেক্ষার পর আমাদের সিরিয়াল পাওয়া গেল ! টিকিটটি উল্টে-পাল্টে নিয়ম গুলো জেনে নিলাম । ঘড়ি দেখে ৩০ মিনিট সময় নির্ধারণ করে একটা লাইফ জ্যাকেট দিয়ে আমাদের বোটটি ছাড়া হলো । মেঘের আনন্দটা তখন অন্যরকম— সে বোট চালাবে ! 
এ বোট চালাতে লগি বা বৈঠা লাগে না ! পা দিয়ে চালাতে হয় । সাইকেল বা রিকশার মতো প্যাডেল করা আছে । প্যাডেল আগে পিছে করে চালাতে হয় । ডান দিক বা দিক করার জন্য হাত দিয়ে গিয়ারটি কন্ট্রোল করতে হয় । আমরা বেশ মজা করে বোটটি চালাতে লাগলাম । কেউ কেউ বোটটি ঠিক মতো চালাতে না পেরে —দুই বোটের মধ্য ঠোকাঠুকি হলো বেশ ! এতে করে ছোট আকারে নৌ-জট হলো ! তবে তা ঢাকা শহরের সড়ক গুলোর মতো অসহনীয় যানজট না ! 
শরতের নীলাকাশ—সাদা মেঘ আমাদের মাথার উপর দিয়ে ভেসে যেতে লাগলো । মেঘ আকাশের দিকে তাকিয়ে বলে উঠল, বাবা প্লেন ! ছবি তুল । পকেট থেকে মোবাইল ফোনটি বের করে বেশ কয়েকটা ছবি তুললাম সেই সাথে নিজেদের গ্রুপ ছবি তোলা হলো । বোট চলছে—এর মধ্য মেঘের হিসু পেয়ে গেল ! বোটটিকে লোকের এক পাড়ে নিয়ে একটা গাছের আড়াল করে হিসু সমস্যার সমাধান হলো ! বোট চালাতে চালাতে লেকের পানি থেকে একটু উচিয়ে থাকা একটা তারের লাইন চোখে পড়ল ! সেটাকে আমাদের এড়িয়ে চলতে হলো । এবার ফেরার পালা—মেঘের অভিযোগ সে বোট চালাতে পারেনি এবং আরোক্ষণ ( তার ভাষায় ) সে বোটে ঘুরতে চেয়েছিল ! আমি তাকে বলালম, আরেকদিন এক ঘন্টার জন্য আমরা ‘আরোক্ষণ’ বোটে বেড়াব . . . 
২৮, আগস্ট, ২০১৫
ধানমন্ডি লেক, ঢাকা

আমাদের জাতীয় সংসদ ভবন . . .

 

© Monirul Alam
 
১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় আয়োজন করা হয়েছিল ‘চিত্রগাথায় শোক গাঁথা’ আলোকচিত্র প্রদশর্নীর, উদ্যোগটি ছিল উত্তর সিটি করপোরেশনের, সেই প্রদশর্নী দেখতে গিয়েছিলাম । প্রদশনর্ী থেকে ফেরার পথে মাকর্িন স্থপতি লুই কানের গড়া—আমাদের জাতীয় সংসদ ভবনটি আর একবার দেখলাম, অপূর্ব ! সন্ধ্যার অপাথর্িব আকাশ—ভবনটির উপর লাল সবুজের আলোয়—আমাদের জাতীয় পতাকা । দূর থেকে ল্যান্ডস্কেপটি অসাধারন লাগছিল । ভবনের সামনে দাঁড়িয়ে থাকা ‘অচিন বৃক্ষটিকে ফোরগ্রাউন্ডে রেখে মুহুর্তটি ধরে রাখতে চাইলাম . . . 
১৫, আগস্ট,২০১৫
জাতীয় সংসদ ভবন,

ঢাকা

Prothom Alo Publication | 16 August 2015

  

এই নীলিমায় আমরা . . .

 

© Monirul Alam
 
আজ ১৪ আগষ্ট, ২০১৫ আমাদের দাওয়াত ছিল ফরিদাবাদ, আইজি গেট, ব্যাংক কলোনিতে। সেখানে আমার খালাত বোন— শিমুল, তার পরিবার নিয়ে থাকে । ছোট আভনীত’কে নিয়ে শিমুল-শাহজাহানের সংসার । ওরা দুজনেই ব্যাংকে চাকুরী করে। আমাদের সবার দাওয়াত ছিল । অনেক অনেক দিনপর— আমরা কাজিনরা একত্রিত হলাম সেখানে। সঙ্গে আমাদের পুচকেরা, মামা-মামী,খালা-খালু’রা আর আমাদের সবার পি্রয় নানী— নানীর বয়স এখন ৮৪ বছর । এখন আমাদের পরিবারের মধে্য সবার বড় মুরুব্বি বলতে— আমাদের একমাত্র নানী । আমাদের পুচকেরা নানীকে বড় ‘মা’ বলে ডাকেন । তার শরীরটা খুব একটা ভালো যাচ্ছে না । তবে আল্লাহর রহমতে, সে সবাইকে এখনো চিনতে পারেন —তার পুতিদের সাথে কথা বলেন, ওদের আদর করেন, দোয়া করেন । দুপুরের পর থেকে সন্ধ্যা অবধি আমাদের আড্ডা চলতে থাকল । সবাই মিলে খাওয়া-দাওয়া, ছবি তোলা,আলাপে আলাপে কেটে গেল, সুন্দর সেই সব মুহুর্ত গুলো । 

আমার মনে পরে গেল— আমাদের ‘বন্ধন’ নামের সংগঠনটির কথা । আমরা কাজিনরা মিলে একটা সংগঠন করেছিলাম । নিজেদের সংগঠিত করতে বেশ কিছু কর্মসূচী ছিল আমাদের—তারপর নাগরিক ব্যস্ততা, নিজেদের ক্যারিয়ার গড়া আর সাংসারিক দায়িত্ব—সব কিছু মিলিয়ে পরবর্তীতে সংগঠনটি নানা কর্মসূচী আর হয়ে উঠেনি। তবে আমি যেটা চেয়েছিলাম— নিজেদের মধ্য বন্ধনটা অটুট থাকুক । সেটা আমাদের মধ্যে তৈরি হয়েছে । ভিত্তিটা সঠিক হয়েছে— এখন এটাকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া । ভবিষ্যত প্রজন্মের হাতে তুলে দেয়া । 
আমাদের কাজিনদের মধ্য কেউ কেউ ইতিমধ্যে পড়াশোনার জন্য বিদেশে পাড়ি জমিয়েছে । এ সপ্তাহে স্কলারশিপ নিয়ে শুভ— চলে গেল কানাডাতে । বাঁধন— তার স্বামীর সাথে আছে অষ্টে্রলিয়াতে । সৌরভ—আমেরিকাতে, সুমি—তার স্বামীর সাথে ওমানে, আর আমরা বাকিরা বাংলাদেশে আছি । মজার ব্যাপার হলো, ফেসবুক থাকায় সবার সাথে কমবেশি যোগাযোগ গুলো আছে । আমাদের কাজিনদের মধ্যে সবচেয়ে বড় হলো লিটন ভাই বয়স ৪৮, নানী যাকে সম্প্রতি পাইলট বলেন, আর সবচেয়ে ছোট সদস্য হলো আলভিনা বয়স ১০ বছর । 
আশা রাখি—এই সব লেখা এবং ছবি গুলো আমাদের অতীত এবং ভবিষ্যত প্রজন্মকে জানতে এবং জানাতে কাজ করবে। সবাই ভালো থাকুন . . . 

১৪, আগষ্ট, ২০১৫

ফরিদাবাদ,আইজি গেট, ব্যাংক কলোনি 

পুরান ঢাকা