শীতের সকালে ফুপাতো ভাই মুকুলের সঙ্গে কাটানো মুহূর্তগুলো যেন অনন্য এক গল্প। আমরা দুজনেই প্রায় সমবয়সী এবং ভালো বন্ধু । গ্রামের বাড়িতে গেলে ওর সঙ্গ খুব উপভোগ করি আমি ।
এবারের ছুটিতে সবাইকে নিয়ে গ্রামের বাড়িতে বেড়াতে গেলে তার ব্যতিক্রম হয়নি। মুকুল এবং তার পরিবারের অসাধারন আতিথেয়তা আমাদের মুগ্ধ করেছে ।
ভোর বেলায় খেজুর গাছের রস, নানা রকম পিঠা আর মজার মজার টাটকা মাছ- ভাত খেতে অসাধারণ লেগেছে । এর সব কিছুই মাটির চুলায় রান্না করা হতো। মুকুলের দুই ছেলে সাইম এবং রাফি ছিল খুবই বন্ধুত্বপূর্ণ । সাইম আমাদের জন্য রাতে মাছ দিয়ে বারবিকিউ করেছিল । সেই আয়োজনটা ছিলো খুব সুন্দর ।
ঢেউ- মেঘের জন্য রাতের বেলা গ্রামের পথে ঘুরে বেড়ানো ছিল নতুন এক অভিজ্ঞতা । ঝোনাকি পোকা দেখা, কবরস্থান থেকে শেয়ালের ডাক ভেসে আসা আরো কতো কতো অভিজ্ঞতার ঝুলি ! ওদের সেইসব গল্প না হয় অন্য কোনো এক সময় বলা যাবে ।
As part of the Storytelling class at the final stage of this course, we had a hands-on Photo Editing session. Learning how to edit their own photographs to make visual stories more powerful and meaningful.
Wishing you a happy and peaceful New Year. May 2026 bring good health and happiness. Looking forward to another year of working together. Happy New Year to all!
Inna Lillahi Wa Inna Ilaihi Rajiun BNP Chairperson and former Prime Minister Begum Khaleda Zia , 80 died today (30 December 2025) at 6:00 a.m. at Evercare Hospital. Her personal physician, Prof. AZM Zahid Hossain, confirmed the death.
মায়ের ইন্তেকালের পর আমরা গভীর শোক ও ভারাক্রান্ত হৃদয় নিয়ে মাকে গোসল করিয়ে ঢাকায় তাঁর প্রথম জানাজা সম্পন্ন করি। সবকিছু যেন অদ্ভুত লাগছিল—বিশ্বাস করতে কষ্ট হচ্ছিল যে এটাই মায়ের সঙ্গে আমাদের শেষ আনুষ্ঠানিকতা।
এরপর ভোরের নিস্তব্ধ আলোয় আমরা গ্রামের বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা হই। মায়ের নিথর দেহবাহী অ্যাম্বুলেন্সে আমি আর বড় মামা নীরবে বসে ছিলাম। চারপাশের নিস্তব্ধতার মাঝে শুধু বুকভরা কান্না আর অসীম শূন্যতা নিয়ে আমরা মায়ের শেষ যাত্রার সঙ্গী হয়েছিলাম।
আমাদের গ্রামের বাড়ির আঙিনা সেদিন ছিল শোকের নীরবতায় আচ্ছন্ন। মায়ের জানাজার সময় আমাদের সব কাজিন ও আত্মীয়-স্বজনেরা দূর-দূরান্ত থেকে এসে একত্রিত হয়েছিলেন— হিজুলিয়াতে।
সবার চোখে ছিল অশ্রু, হৃদয়ে ছিল গভীর বেদনা—প্রিয় মাকে শেষ বিদায় জানানোর ভারী মুহূর্ত। মেঘ এবং ঢেউয়ের চোখে ছিল গভীর বেদনা তারা তাদের প্রিয় দাদীকে হারিয়ে খুব নীরবে হয়ে গিয়েছিল!
২০২৫ সালের ১৫ মে, বৃহস্পতিবার বিকেল ৪টা ২০ মিনিটে আমাদের প্রাণপ্রিয় মা জননী এই পৃথিবীর মায়া ত্যাগ করে মহান আল্লাহর ডাকে সাড়া দেন। তাঁর শূন্যতা আমাদের জীবনে এক অপূরণীয় শূন্যতা হয়ে থাকবে।
এর অনেক আগেই, ১৯৯০ সালের ২০ ডিসেম্বর, আমাদের প্রিয় বাবা আমাদের ছেড়ে চলে গেছেন। বাবা-মা দু’জনের স্মৃতি আজও আমাদের হৃদয়ে অমলিন, তাঁদের ভালোবাসা ও আদর্শই আমাদের চলার পথের শক্তি।
Extremely sad news to hear that legendary British documentary photographer Martin Parr—has passed away at the age of 73. He was diagnosed with cancer in May 2021.
We, the national and international photojournalists and Pathshala teachers, posed for a group photo with Anna Kuéma, Program Manager of the World Press Photo Foundation, after her insightful presentation and discussion in two separate sessions on WPP Education and the upcoming World Press Photo Contest 2025 submission guidelines, among other topics.
I am truly delighted to have had the opportunity to conduct a class for the three days ‘Photojournalism Workshop’ conducted by Press Institute Bangladesh ( PIB ) and Bangladesh Photo Journalist’s Association ( BPJA ).
Throughout the workshop, many senior photojournalists and resourceful persons shared their knowledge and experiences, offering insightful discussions on various dimensions of photojournalism. I believe their contributions were profoundly valuable for all participants.
প্রথম আলো, শুভ জন্মদিন! আজ প্রিয় পত্রিকা প্রথম আলোর, ২৭তম জন্মদিনে আন্তরিক শুভেচ্ছা, ভালোবাসা ! এই বিশেষ দিনটিতে আমার পক্ষ থেকে প্রথম আলো পরিবারের সকল সদস্যের জন্য রইল অফুরন্ত অভিনন্দন ও শুভ কামনা।
আমার স্পষ্ট মনে আছে, পাঠশালা থেকে ফটোগ্রাফির ওপর তিন বছরের কোর্স শেষ করার পরই আমার পেশাদার জীবনের শুরু। প্রথমে ‘আইস মিডিয়া’তে ফটোসাংবাদিক হিসেবে কাজ শুরু করি, এরপর যোগ দিই প্রথম আলোতে। সম্ভবত সালটা ছিল ২০০৫।
প্রথম আলোতে আমার যাত্রা শেষ হয় ২০১৭ সালে—প্রায় এক যুগ! এই দীর্ঘ পথচলায় আমি যেমন প্রথম আলোর কাছ থেকে সাংবাদিকতার পাঠ নিয়েছি, ঠিক তেমনি আমার মেধা, মনন ও অভিজ্ঞতা উজাড় করে দিয়েছি প্রতিষ্ঠানটির জন্য। প্রথম আলোতে যোগদানের পরপরই এই পত্রিকার প্রতি এক ধরনের গভীর আস্থা, শ্রদ্ধা এবং ভালোবাসা তৈরি হয়েছে, যা এখনো বিদ্যমান আছে এবং সব সময়ই থাকবে আশা রাখি।
প্রথম আলোর পুরনো সংখ্যাগুলো ঘাঁটলে আজও সেখানে আমার কাজের স্বাক্ষর খুঁজে পাওয়া যাবে। একটি মজার বিষয় হলো, প্রথম আলোতে যোগদানের মাত্র কয়েক মাসের মধ্যেই সম্পাদক মতিউর রহমান ( মতি ভাই ) আমাকে ডেপুটি চিফ ফটোসাংবাদিকের গুরুদায়িত্ব দেন। তখন আমাদের ফটোগ্রাফি বিভাগের চিফ ছিলেন জিয়া ইসলাম ( আমার পছন্দের একজন মানুষ ) যা হোক, আমি সবসময় সততা ও নিষ্ঠার সাথে আমার সেই দায়িত্ব পালনের চেষ্টা করেছি।
ছবি: মনিরুল আলম
দীর্ঘদিন দৈনিক সংবাদপত্রে কাজ করার ফলস্বরূপ যে অসাধারণ অভিজ্ঞতা অর্জন হয়, তা জীবনের মূল্যবান সম্পদ। আমি সেই অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়েছি—যা আমাকে আজ আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে কাজ করার সুযোগ করে দিয়েছে। এছাড়া আমি নানা প্রতিষ্ঠানে ফটোগ্রাফি এবং ফটোসাংবাদিকা বিষয়ে খন্ডকালীন শিক্ষকতা করি ।
প্রথম আলো নিয়ে আমার উপলব্ধি হলো, যেকোনো প্রতিষ্ঠানের সাফল্যের পেছনে সঠিক পরিকল্পনা, কৌশল এবং দূরদর্শী নেতৃত্ব কাজ করে। প্রথম আলোর বিশাল সাফল্যের ক্ষেত্রেও এর ব্যতিক্রম ঘটেনি। আমার কাছে মনে হয়েছে, প্রয়াত মালিক লতিফুর রহমান এবং দূরদর্শী সম্পাদক মতিউর রহমান—এই দুজনের ব্যক্তিত্বই প্রথম আলোর সাফল্যের মূল ভিত্তি । তবে এ কথাটি মনে রাখতে হবে এই ধরনের মানুষদের নিয়ে নানা আলোচনা সমালোচনা হবে বিশেষ করে আমাদের এই সমাজে।
আজকের দিনের পত্রিকাটির প্রধান শিরোনাম— ‘সত্যই সাহস’—মন ছুঁয়ে গেল। সম্পাদক মতিউর রহমান ( মতি ভাইয়ের ) সেই সুচিন্তিত লেখাটি মনোযোগ দিয়ে পড়লাম; সুন্দর বিশ্লেষণ করেছেন পত্রিকাটি নিয়ে । আমার এখনো মনে পরে মতি ভাই কমরেড মণি সিংহ এর প্রয়াণে একটা অসাধারণ লেখা লিখেছিলে, যদিও তখন আমি প্রথম আলোতে কাজ করতাম না, কিন্তু লেখাটি পড়ে আমার কাছে অসাধারণ মনে হয়েছিল।
মতি ভাইয়ের লেখাটি পড়তে গিয়ে হঠাৎ করে Apple-এর প্রয়াত কিংবদন্তী সিইও স্টিভ জোবসের বিখ্যাত স্ট্যানফোর্ড বক্তৃতার একটি অংশ মনে পড়ে গেল—তিনি বলেছিলেন, “Truth be told”।
একজন পাঠক হিসেবে প্রিয় পত্রিকাটির কাছে আমার একান্ত প্রত্যাশা: ‘সত্যই সাহস’ যেন শুধু একটি স্লোগান হয়ে না থাকে। আমি পত্রিকার প্রতিটি পাতায়, প্রতিটি প্রতিবেদনে, প্রতিটি ছবিতে, প্রতিটি ভিডিওতে, প্রতিটি মন্তব্যে এই সাহসিকতার সত্য প্রকাশ দেখতে চাই। একজন নিবেদিত পাঠক হিসেবে এই দাবিটুকু নিশ্চয়ই আমি করতে পারি।
একজন ভিজ্যুয়াল জার্নালিস্ট হিসেবে কাজ করতে গিয়ে আমি অনুভব করেছি, বর্তমান সময়ে সাংবাদিকদের মাল্টি-প্ল্যাটফর্ম সাংবাদিকতায় অবশ্যই দক্ষতা অর্জন করতে হবে। তথ্যপ্রযুক্তি দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলেছে এবং প্রতিনিয়ত নতুন নতুন প্ল্যাটফর্ম আপডেট হচ্ছে। সাংবাদিকদের উচিত এই পরিবর্তনকে ইতিবাচকভাবে গ্রহণ করা এবং সময়ের সাথে তাল মিলিয়ে প্রয়োজনীয় দক্ষতা অর্জন করা।
এই দক্ষতা অর্জনের ক্ষেত্রে সংবাদ প্রতিষ্ঠান বা পত্রিকাগুলোর ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং অনস্বীকার্য বলে আমি মনে করি। প্রতিষ্ঠানগুলোর সঠিক উদ্যোগই পারে সাংবাদিকদের ভবিষ্যতের জন্য প্রস্তুত করতে।
পরিশেষে, আরও একবার প্রথম আলোকে তার ২৭তম বছরে উষ্ণ অভিনন্দন জানাই। পত্রিকার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সকল কলাকুশলী ও শুভানুধ্যায়ীর জন্য রইল আন্তরিক শুভকামনা।