সুন্দরবন ডায়েরী . . . 

© Monirul Alam / WITNESS PHOTO
[ দুই ] 
বর্ষাকালে সুন্দরবনে বন্য প্রাণী দেখার জন্য –আসলেই উত্তম সময়। আমি এই বর্ষায় সুন্দরবনে না গেলে, তার সেই সব সৌন্দর্য্য গুলো উপভোগ করতে পারতাম না ! আমাদের জাহাজ তখন সুন্দরী খালে নোঙ্গর করা ছিল। দুপুরের খাবার শেষ করে; আমরা জাহাজের ডেকে বসে ছিলাম, অসল ভঙ্গীতে । তখন দেখলাম–আকাশ কালো করে বনের উপর দিয়ে মেঘের দল ছুটে যাচ্ছে– কোন এক দুরের দেশে ! অসাধারন সেই ল্যান্ডস্কেপ ! যদিও মাত্র কয়েক সেকেন্ড ছিল–সেই দৃশ্যকাব্য ! তারপর শুরু হলো–ঝুম বৃষ্টি ! আমাদের কেউ কেউ সেই দৃশ্য-কাব্যের ছবি তোলার জন্য দৌড়ে ক্যামেরা আনতে গেলে; ততোক্ষণে তা মিলিয়ে গেছে–কোথায় ! আমি তখন অসাধারন সেই দৃশ্য কাব্যের মুহূর্তটি ধরে রাখতে চাইলাম– প্যানারোমিক ভিউতে ! 

যদিও টুরিষ্টদের জন্য বর্ষাকাল–সুন্দরবনে বেড়ানো জন্য উপযুক্ত সময় নয় । কারণ–কালবৈশাখী ঝড়, নিম্নচাপ, জলোচ্ছাস সহ নানা কারণে বনের পরিবেশ এবং জীবন হয়ে উঠে অন্যরকম ! বনে বেড়ানো তখন ঝুকিপূর্ণ হয়ে যায় ! তবে যারা বন’কে ভালোবাসে–প্রকৃতি প্রেমী; তাদের কথা আলাদা ! কবি গুরু– রবীন্দ্র নাথ ঠাকুর বর্ষার রুপ দেখতে তার ছোট বোটে নিয়ে– উত্তাল পদ্মা ঘুরে বেড়িয়েছেন; দেখেছেন পদ্মা পারের সেই সব জীবন-গাঁথার গল্প . . . 

পুরান ঢাকা, আগষ্ট ২০১৭ 

বুড়ীগঙ্গা নদী পারাপার . . .

18670957_10158775680125707_7183096945597771050_n
© Monirul Alam / WITNESS PHOTO

সংবাদ আলোকচিত্র ~ স্কুল শিক্ষার্থীরা স্কুল ছুটি শেষে লাইফ জ্যাকেট পরে নৌকায় করে, বুড়ীগঙ্গা নদী পারাপার হচ্ছে । গরমের উত্তাপ থেকে বাঁচতে, মাথায় ছাতা ধরে রেখেছে । নিজেদেরকে নৌ দূরর্ঘটনার হাত থেকে রক্ষা করতেই এই ব্যবস্থা ! এ সকল স্কুল শিক্ষার্থীরা লাইফ জ্যাকেট পরে প্রতিদিন নৌকায় বুড়ীগঙ্গা নদী পার হয়ে স্কুলে যাওয়া-আসা করে ।

ঘাটের টোল আদায়কারী চাঁন মিয়া জানান, কেরাণীগঞ্জের নানা এলাকা থেকে এ সকল শিক্ষার্থীরা নৌকায় করে আসে,ঢাকায় । নৌকা দিয়ে পারাপারের সময় তারা এই জ্যাকেট গুলো পরে, নৌকা ডুবির হাত থেকে বাঁচতেই, অভিভাবকরা এই ব্যবস্থা করে দিয়েছেন, নিজ নিজ সন্তানের জন্য । তারা লাইফ জ্যাকেট গুলো ঘাটেই রেখে যায়, কেউ কেউ নৌকাতে রাখে । হারানোর কোন সুযোগ নেই। পরিচিত হয়ে গেছে সবাই । ২৩ মে, ২০১৭ সদরঘাট, বুড়ীগঙ্গা নদী, ঢাকা, বাংলাদেশ । ছবি: মনিরুল আলম

তবুও মানুষের আশ্রয় এখানেই . . .

photo-1494576732
© Monirul Alam / WITNESS PHOTO

খালপাড়ে পড়ে আছে কয়েক ফুট উঁচু নোংরা পলিথিনের স্তূপ—সেখানে মাছি উড়ছে! দুর্গন্ধ, কাছে যাওয়া যায় না! রয়েছে ঘোড়ার আস্তাবল। সরু খাল দিয়ে বয়ে যাওয়া—দগদগে কালা পানি! সেই কালা পানিতে ধোয়া হচ্ছে লন্ড্রির কাপড়! এটা বুড়িগঙ্গা নদীর শাখা খাল, কামরাঙ্গীরচরের প্রবেশ মুখের চিত্র।

একটা সময় এই খালটি বুড়ীগঙ্গা নদীর একটা চ্যানেল ছিল, এখন দখল হতে হতে তা সরু খালে পরিণত হয়েছে! এই খাল পার এলাকায় দেখা হলো কয়েকজন মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের সঙ্গে—বিকেলে তারা এখানেই ঘোরাফেরা করে, মানে খেলাধুলা। এই শিশুদের সঙ্গে আমার পরিচয় হলো, টুকটাক কথা হলো ওদের সঙ্গে—ওরা ছবি তুলতে চাইলে আমি ওদের ছবি তুললাম। চোখে পড়ল টিন দিয়ে ঘেরা কিছু ছোট ছোট ঘর। কিছু নারী শ্রমিককে দেখলাম—নোংরা পলিথিনের স্তূপের ওপর বসে কাজ করছেন। আমার সঙ্গে ক্যামেরা থাকায় তাঁরা কেউ কেউ মুখ ঢেকে ফেললেন। এঁরা সামান্য অর্থের বিনিময়ে সারা দিন পলিথিন ঘাঁটাঘাঁটি করেন। তাঁদের থেকে একটু সামনের দিকে এগিয়ে গেলাম—চোখে পড়ল ব্রিজ! ব্রিজের নিচে বিকেলের রোদে বসে আছে একটি শিশু! মাটির নিজ দিয়ে বেরিয়ে আসা একটি ড্রেনের মুখ দিয়ে নোংরা পানি পড়ছে সরু খালটিতে—শিশুটি বসে বসে সেই পানি পড়া দেখছে! আরো চোখে পড়ল কিছু বেওয়ারিশ কুকুর! এরা সবাই এই বিষাক্ত পরিবেশে বেড়ে উঠছে—ভাবলেশহীন সব প্রাণ! আমি বিকেলের আলোয় একের পর এক ছবি তুলে যাই! সব চোখ যেন আমার ক্যামেরাকে কেন্দ্র করে ঘুরতে থাকে! কারো কারো চোখে আনন্দের ঝিলিক দেখি! কেউ কেউ ভীত-সন্ত্রস্ত! সেদিন পরিবেশ বিপর্যয় নিয়ে ছবি তুলতে গিয়েছিলাম—পুরান ঢাকার বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে অবস্থিত কামরাঙ্গীরচর ও এর আশপাশের এলাকায়

1494576626-Image-02
© Monirul Alam / WITNESS PHOTO

এই এলাকা বুড়িগঙ্গার দ্বিতীয় চ্যানেল হিসেবে পরিচিত। দীর্ঘদিন ধরে দখল প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে, এলাকাটি ঘুরলেই তা চোখে পড়ে। আর এই দখল প্রক্রিয়ার সঙ্গে জড়িত সরকারি মদদপুষ্ট লোকজন, সেটা আর বলার অপেক্ষা রাখে না! সময় সময় রাজনৈতিক পটপরিবর্তন হয়, একদল চলে নতুনরা ক্ষমতায় বসেন, তখন দখল প্রক্রিয়ার চিত্রেরও বদল ঘটে!

মূল নদী থেকে শুরু করে নদীটির আশপাশের খাল, খানা-খন্দে পানির প্রবাহ দেখলেই বোঝা যায়, বিশেষ করে শুকনো মৌসুমে নদীর পানিতে কালো এক ধরনের তরল পদার্থ ভাসতে থাকে, পুরো শুকনো মৌসুম। মাদ্রাসার শিশুদের সঙ্গে নদীর পানি নিয়ে কথা বলতেই—ওরা জানাল এ সময়ে (শুকনো মৌসুমে) তারা এই নদীর পানি ব্যবহার করে না। ওরা জানাল—এই পানিতে গোসল করলে শরীর পচে যায়, ঘাসহ নানা ধরনের অসুখ হয়। এ সময় এলাকার কেউ নদীর পানি ব্যবহার করেন না। বর্ষা মৌসুমে নদীর পানি যখন কিছুটা ভালো থাকে—তখন তারা এই নদীর পানিতে গোসল করাসহ অন্যান্য কাজে তা ব্যবহার করে।

মিরপুর-গাবতলী এলাকা থেকে শুরু হয়ে রায়েরবাজার বধ্যভূমি, হাজারীবাগ, লালবাগ ও কামরাঙ্গীরচর—এদিকে বাবুবাজার ব্রিজের নিচ হয়ে লালকুঠি, শ্যামবাজার, পোস্তগোলা, পাগলা পর্যন্ত বিস্তৃত এলাকা দখল আর নদী দূষণের চিত্র প্রায়—অভিন্ন। আমি বুড়িগঙ্গা নদী ঘেঁষে নিমির্ত বেড়িবাঁধটির কল্পনায় আনি—না কোথাও খুঁজে পাই না এতটুকু দূষণমুক্ত পরিবেশ। যেখানে ভোরে বা বিকেলে রোদে নদীটির বাঁধ ধরে হেঁটে যাওয়া যায় বহু দূরে—কিংবা নৌকা নিয়ে নদী ভ্রমণে বেরিয়ে পড়া যায়—এই নদী বুড়িগঙ্গার বুকে! একটা সময় (নব্বই দশকে) আমাদের স্কুলজীবনে এই নদীতে বন্ধুরা মিলে নৌকাতে ঘুরে বেড়িয়েছি, শ্যামবাজার থেকে এক কাদি/ছড়ি কলা কিনে নৌকায় বসে তা খেতে খেতে গল্প করেছি, নদীর দুই পারের নানা চিত্র দেখেছি, জাল দিয়ে মাছ ধরা দেখেছি! আজ সেই সব চিত্র কোথায় হারিয়ে গেছে! অতীত কল্পনা থেকে বাস্তবে ফিরে আসি!

পরিবেশ বিশেষজ্ঞরা সংবাদমাধ্যমে নানা সময়ে জানিয়েছেন এই নদী নিয়ে তাঁদের শঙ্কা ও পর্যবেক্ষণের কথা। প্রায় ৬২ ধরনের রাসায়নিক বর্জ্যে অনেক আগেই বিষাক্ত হয়ে গেছে বুড়িগঙ্গার পানি। বাতাসে ছড়াচ্ছে দুর্গন্ধ। নদীর তলদেশে জমাট বেঁধেছে আট ফুট পুরু পলিথিনের স্তর। পরিবেশ সংরক্ষণ আইন ও প্রাণিবিজ্ঞানীদের মতে, মাছ ও জলজ প্রাণী বসবাসের জন্য প্রতি লিটার পানিতে দ্রবীভূত অক্সিজেনের পরিমাণ পাঁচ মিলিগ্রাম বা তার বেশি থাকা প্রয়োজন। অন্যদিকে, দ্রবীভূত হাইড্রোজেন মাত্রা কমপক্ষে সাত মিলিগ্রাম থাকা উচিত। অথচ বুড়িগঙ্গা নদীর পানিতে অক্সিজেনের পরিমাণ প্রায় শূন্যের কোটায়।

1494576663-Image-04
© Monirul Alam / WITNESS PHOTO

এত দূষণ এবং দখলের মধ্যেও জীবন এখানে থেমে নেই! প্রতিদিন ঘরছাড়া, গ্রামছাড়া অসহায় মানুষের দল আশ্রয় নেয় এই নগরে। তাদের বসবাসের আশ্রয়স্থল হয় কখনো এই এলাকার কোনো বস্তিতে, এখানে-সেখানে বা অন্য কোথাও! বিপন্ন পরিবেশ, তবুও আশ্রয়হীন মানুষের আশ্রয় এখানেই—বেঁচে থাকতে হবে! ন্যায়-অন্যায় এখানে বিবেচ্য নয়—কখনই! নানা অপরাধ এখানে সংগঠিত হয়। পরিবেশগত কারণেই তা ধরাছোঁয়ার বাইরেই থেকে যায়। বড় কোনো অপরাধ সংগঠিত হলে প্রশাসনের টনক নড়ে, আবার রাজনৈতিক ছত্রচ্ছায়া এবং অসৎ প্রসাশনিক লোকজনের বদৌলতে অপরাধীরা ছাড়া পেয়ে যান।

দখল হয়ে যাওয়া নদীর পারে গড়ে উঠেছে পলিথিন ও প্লাস্টিক গলানোর কারখানা। ফেলে দেওয়া পলিথিন আর প্লাস্টিক এসব কারখানায় জড়ো করা হয়—তারপর তা আগুনে পোড়ানো হয়। দিনে-রাতে সারাক্ষণ এই এলাকায় ধোঁয়ার কুণ্ডলী দেখা যায়! এসব গলানো প্লাস্টিক আবার ব্যবহার করে তৈরি করা হয় নতুন প্লাস্টিকের পণ্য। দীর্ঘদিন ধরেই এসব কারখানা থেকে দূষিত বর্জ্য উন্মুক্ত স্থানে ফেলার কারণে পুরো এলাকা দূষিত হচ্ছে, দূষিত হচ্ছে বাতাস, বাড়ছে শ্বাসকষ্টের রোগ। যাঁরা এলাকায় বসবাস করেন, তাঁরা অনেকটা অসহায় হয়ে বেঁচে আছেন। এলাকাটি ঘুরে চোখে পড়ল পরিবেশ বিপর্যয়ের নানা চিত্র! দখলদার আর ক্ষমতাসীনদের নেতৃত্বে চলছে—এই পরিবেশ বিপর্যয়ের ঘটনা! পরিবেশ অধিদপ্তরসহ অন্যান্য কর্তৃপক্ষ, যাঁরা এসব দেখার দায়িত্বে আছেন—তাঁরা সত্যি কি তা দেখছেন? শুনেছি—নদী রক্ষায় সরকারের একটি টাস্কফোর্স আছে, সময়ে সময়ে তাঁরা জানান দেন, তাঁরা আছেন—শুধু টেবিলে আর খাতা-কলমে! তাঁদের মাঠে যাওয়ার মতো সময় হয় না।

আশার কথা শোনা যাচ্ছে, এ সরকারের সময়ে সম্প্রতি পানিসম্পদমন্ত্রী আনিসুল ইসলাম মাহমুদ সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, বুড়িগঙ্গা নদীর পানিপ্রবাহ বৃদ্ধির মাধ্যমে পানি দূষণমুক্ত করার লক্ষ্যে সরকার বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছে। বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের অধীন ‘বুড়িগঙ্গা নদী পুনরুদ্ধার’ শীর্ষক প্রকল্প বাস্তবায়নাধীন রয়েছে। আমরা বিভিন্ন সরকারের আমলে এই রকম আশা বাণী শুনতে পাই কাজ হোক আর না হোক! সাধারণ জনগণ হিসেবে এই আশার ‘বাণী’ আমাদের ভরসা। জানি না, আবার কখনো এই মৃতপ্রায় নদী বুড়িগঙ্গা দখল, দূষণের জালমুক্ত হয়ে আবার প্রাণ সঞ্চারিত হবে কি না!

লেখক : সাংবাদিক ও আলোকচিত্রী

নোট: লেখাটি এনটিভি বিডি ডট কম তাদের মতামত পাতায় প্রকাশ করেছেন । প্রকাশকাল ১২ মে ২০১৭

 Muslims Congregation in Bangladesh 

The Bishwajit Ijtema meaning Global Congregation is an annual gathering of Muslims in Tongi, by the banks of the River Turag, in the outskirts of Dhaka, Bangladesh. It is the second largest Islamic congregation after the Hajj. Ijtema is an Arabic word which means public gathering. In Bengali, the event is known as the “Bishwa Ijtema”. Bishwa is a Bengali word which means world. Every year thousands of Muslims gathered and join the Ijtema is a prayer meeting spread over three days, during which attending devotees perform daily prayers while listening to scholars reciting and explaining verses from the Quran. It is attended by devotees from 150 countries.Speakers include Islamic scholars from various countries.

In this year devotees from home and abroad were seen streaming towards the gathering site on the 1st phases 15-17 January 2017. According to organizers, around three million people have taken part in the final prayers,During the Final Prayer,huge crowds stretch from the Ijtema ground in Tongi into the Dhaka metropolitan area. Schools and offices are declared closed on the occasion.

The Bengali Tabhlighi Jamaat movement started in Dhaka, East Bengal during the 1950s. The first Ijtemas were organized in Chittagong 1954 and Narayangonj 1958 followed by Ijtemas at the Ramna Race Course in Dhaka in 1960, 1962 and 1965 Due to the increasing rate of participants, the government of East Pakistan allowed organizers to schedule the event annually by the River Turag in Tongi 1967. As the number of participants increased, The government of Bangladesh allotted 160 acres of land was acquired and developed as a permanent Ijtema ground in Tongi.

The Ijtema is considered a demonstration of Muslim unity, solidarity, mutual love and respect and an opportunity to reiterate their commitment to Islamic values.

© Monirul Alam
© Monirul Alam
© Monirul Alam
Note: For use Editorial or Feature please contact witnessphoto@gmail.com

World Aids Day in Bangladesh 

 

© Monirul Alam
 
01 DEC, 2015 – Dhaka, Bangladesh – Bangladeshi transsexuals pose for a photograph in front of a Osmani Seminar Hall on the occasion of the World Aids Day in Dhaka, Bangladesh, 01 December 2015. According to latest government figures, a total of 3,241 HIV-positive patients have been identified in Bangladesh since 1989, among who 1,299 became AIDS patients and 472 died while the UN estimates the number to be between even higher, between 8,000 and 16,000. © Monirul Alam 

Pet Dog Display in Dhaka

 

© Monirul Alam
 
Nov. 25, 2015 – Dhaka, Bangladesh – A pet lover hold his dog it’s an American Pit Bull dog, during the Pet Dog display exhibition at the National Press Club in the Dhaka city. The National Salvation Movement organization organized thes pet dog display exhibation,they said these pet dog exhibition held first time in Bangladesh,at list 45 spices dogs national and international displayed on this exhibition. Number of dog lover and people visit thes exhibation and enjoy it. 

 Violence Against Women  

© Monirul Alam

Nov. 25, 2015 – Dhaka, Bangladesh – Women activists protest demanding elimination of violence against women on the occasion of the International Day for the Elimination of Violence Against Women in front of Central Shaid Minar in Dhaka.Recent global prevalence figures (WHO) indicate that 35% of women worldwide have experienced either intimate partner violence or non-partner sexual violence in their lifetime. In 2013, the Bangladesh Bureau of Statistics (BBS) with support from UNFPA released a national survey of violence against women that found that 87 percent of ever married women have experienced some form of violence in their lifetime with 77 percent reporting violence in the past 12 months. 

I am Deathless . . . 

“I am eternal, I am deathless. After this body falls, do not think that everything will come to an end. I will live in the hearts of all living beings in my subtle astral form. Whoever will seek my refuge, will always receive my Grace.” 
– Baba Lokenth 

© Monirul Alam

Lokenath Divine Life Mission  seeks a world where individuals are relieved of crippling, self-created illusion of dependence; where individuals are conscious of their inner resources and learn to overcome poverty, to live with dignity and self-reliance.
Baba Lokenath Brahmachari was born in 1730 (the date of Birth is dipped in controversy) in the district of presently Barasat and in the village named Chaurasi Chakla a few miles to the North of the city of Kolkata, India.
At the age of 11, young Lokenath left home with his guru. He visited Kalighat Temple in Kolkata and then lived in the forests for 25 years, selflessly serving his master and practicing the Ashtanga Yoga of Patanjali along with the most difficult Hatha Yoga. After this he travelled to the Himalayas where he meditated in the nude for nearly five decades. Finally, he attained enlightenment at the age of ninety.
After his enlightenment he traveled extensively on foot to Afghanistan, Persia, Arabia and Israel, making three pilgrimages to Mecca. When he came to the small town Baradi near Dhaka, Bangladesh. A wealthy family built him a small hermitage, which became his ashram.There he accepted the sacred thread of the Brahmins and clothed himself in saffron robes. For the rest of his life he performed miracles and gave divine wisdom to all who came to him to seek his blessings. He received the title Baba.
On the 19th day of Jaistha, 1297 (1st June, 1890), Sunday, at 11:45 am, Baba Lokenath was meditating when he went into a trance with his eyes open, and while still in meditation, left his physical body forever. He was aged 160. He had made a promise before his death:
An annual festival in remembrance of Lokenath is held every year by millions of devotees and followers, in many ashrams and in millions of households through worship, keertan, Tasha,food offerings and in many other religious ways on the 19th day of the Hindu month of Jyaishtha.

 

© Monirul Alam
  
© Monirul Alam
  
© Monirul Alam
 

 

© Monirul Alam
  
© Monirul Alam
   

Portrait | Mehjabin 

 

© Monirul Alam
 
Bangla Academy, Dhaka, Bangladesh | 13, November,2015

Every Day Life: A Bangladeshi populer model and actress Mehjabin attend the Prothom Alo 17 anniversary event at the Bangla Academy premises in the Dhaka city on 13 November, 2015. Hundreds of readers on Friday thronged the Bangla Academy premises in Dhaka to take part part in the fanfare of the 17th founding anniversary celebrations of Prothom Alo newspaper.