তখন আমি স্কুলে পড়ি । সময় কালটা এখন মনে করতে পারছি না । তবে এটা মনে আছে ঈদের ছুটিতে আমার গ্রামের বাড়িতে ঈদ করতে গিয়েছিলাম আমরা সবাই — আমি সঙ্গে নিয়ে ছিলাম জাপানি ইয়াশিকা কমপ্যাক্ট পয়েন্ট-অ্যান্ড-শুট ক্যামেরাটি।
তখন এই ক্যামেরা খুব জনপ্রিয় হয়েছিল। মামার কাছ থেকে এই কামেরাটি ধার করেছিলাম, ছবি তুলবো বলে । যতোদূর মনে পরে গ্রামে গিয়ে অনেক অনেক ছবি তুলেছিলাম এই ক্যামেরা দিয়ে, সেসব অনেক ছবি, নেগেটিভ হারিয়ে ফেলেছি আবার কিছু খুঁজে পাওয়া গেছে।

এই দুটি ছবির নেপথ্য গল্প গুলো অনেকটা এরকম —কোন এক ঈদের ছুটিতে আমাদের গ্রামের বাড়ি হিজুলিয়াতে এই ছবিগুলো তুলেছিলাম। ঈদের মাঠে নামাজ পড়ার আগে। আমাদের বাড়ির সামনে সবাইকে অনুরোধ করে এই ছবি গুলো তুলেছিলাম। আমার চাচা এই ছবি তুলতে খুব উৎসাহ দিয়েছিলেন আমাকে। আর বাবা ছিলেন নিলিপ্ত ! দাদা বেশ অসুস্থ ছিলেন তখন ।
বাম পাশ থেকে আমার চাচা। চাচা এখন অবসরপ্রাপ্ত । সরকারি দেবেন্দ্র কলেজ, মানিকগঞ্জ অধ্যক্ষ ছিলেন। ২০০৭ সালে চাচা অবসরপ্রাপ্ত হন। তারপর দাদা এবং আমাদের বাবা দুজনেই পৃথিবী থেকে চিরবিদায় নিয়েছেন অনেক আগেই।
জাপানি ইয়াশিকা কমপ্যাক্ট পয়েন্ট-অ্যান্ড-শুট ক্যামেরা দিয়ে তোলা ছবি ।সাদা-কালো ফুজি ফিল্ম নিউপেন ২০০।
■ ডাইরি / ঢাকা
আগস্ট ২০২৬
হিজুলিয়া, মানিকগঞ্জ
ছবি: © Monirul Alam
