Tiger and Human Conflict | Monirul Alam

The Conflict between tiger and human has to a new level in the mangrove forest of the Bangladesh.Thirty people were killed by tigers last year and three tigers by people. Since Cyclone Sidr [November 2007] and Cyclone Aila [May 2009], when 1,000 people who lived near to the water had their homes flooded and were forced to move inland. Hungry people now risk facing a tiger attack everyday when they go into the forest looking for food. On February 6 in southern Sundarban. A Bengal tiger had just killed a 40-year-old woodcutter called Mabud, deep in the mangrove forest when he was collecting firewood in the area of Char-shesher. One villager told me ‘We enter the jungle searching for food and the tiger kills us . . . the tiger comes to our village, we kill the tiger’.

I took these photos on February 6 in southern Sundbaran . A Bengal tiger had just killed a 40-year-old woodcutter called Mabud, deep in the mangrove forest when he was collecting firewood in the area of Char-Shesher. One of his fellow woodcutters, Abul Sarder, told me that five of them entered the jungle to collect firewood and suddenly a tiger attacked them. ‘When we had escaped we realised that Mabud had not. We tried to save him but failed to fight off the tiger.’

© Monirul Alam

Share this:

অনন্য শিল্পী ইউকি ওদাকুরা . . .

 

জয়নুল গ্যালারিতে ইউকির একটি ছবি শিরোনাম গ্লাডিওলাস-১ জাপানি পিগমেন্ট,গোল্ড লিফ,জাপানি পেপার © Monirul Alam
 
রৌদ্র ঝিলমিল- দিনটিতে আমি ছুটছি চারুকলার দিকে। জাপানি শিল্পী ইউকি ওদাকুরার চিত্র প্রদর্শনী উদ্বোধন হবে জয়নুল গ্যালারীতে তাই কাভার করতে যাচ্ছি। ২৬ মার্চ-স্বাধীনতা দিবসকে কেন্দ্র করে নগরী সাজতে শুরু করেছে । প্রধান প্রধান সড়ক গুলোতে ইতি মধ্যে টানিয়ে দেয়া হয়েছে- আমাদের লাল সবুজের পতাকা তাই পত পত করে উড়ছে- দুরন্ত বাতাসে।
প্রেস ক্লাব ক্রস করছি- হাইকোর্টের সামনে এসে আমার মটর সাইকেল যেন আপনা আপনি থেমে গেল! বাতাসে পতাকা গুলোর উড়াউড়ি দেখে আর থাকতে পারলাম না- সারি সারি এতো গুলো পতাকা- এভাবে উড়তে থাকলে যে কারো মনটা আবেগে ভরে উঠবে- চিৎকার করে বলতে ইচ্ছা করে- ঐ দেখ আমার বাংলাদেশে ! ব্যাগ থেকে ক্যামেরা বের করে সেই লাল সবুজের উড়াউড়ি ধরে রাখতে শুরু করি।
ঘড়ির কাটা ততোক্ষণে এগারোটা । আমি চারুকলার গেট দিয়ে প্রবেশ করতেই চোখে পড়লে শিক্ষার্থীরা তাদের পরসা নিয়ে বসেছে! কেউ আঁকাআঁকি করছেন, কেউবা ছবি টানাতে ব্যস্ত। মনে মনে ভাবলাম হঠাৎ করে তাদের এই আয়োজনের হেতু কি? একটু পরেই তা বুঝতে পারলাম- আর কয়েক দিন পরই তো বাঙালীর প্রাণের উৎসব পহেলা বৈশাখ ! তারই আয়োজন চলছে- চারুকলার শিক্ষক এবং শিক্ষার্থীদের আঁকা ছবি, সরা, মুখোশ, মাটির পুতুল- বিক্রি করে মঙ্গল শোভা যাত্রার অর্থের যোগান এর জন্য এই আয়োজন। আমি জয়নুল গ্যালারীর দিকে পা বাড়াই।
শিল্পীরা আঁকেন তাদের নিজস্ব ঢং-এ, নিজস্ব স্বকীয়তায়। দেশ, রাষ্ট্র এবং জাতি ভেদে সেই সব ছবি হয়ে উঠে ভিন্ন থেকে ভিন্নতর- এক একটা অনন্য সৃষ্টি।
শিল্পী ইউকি ওদাকুরা আমাদের দেশে অতিথী শিল্পী হয়ে এসেছেন। তার আঁকা ছবি দিয়েই আজ জয়নুল গ্যালারী সেজেছে। চারুকলার শিক্ষক এবং শিল্পী মোহাম্মদ ইকবাল এই পুরো প্রদশর্নীর মূলে আছেন আর আছেন অধ্যাপক এবং শিল্পী জামাল আহমেদ প্রমুখ। উদ্বোধক হয়ে এসেছেন জাপানের রাষ্ট্র দূত শিরো সাদো শিমা আর আছেন শিল্পী ইউসিমি নিসি।
ইউকির ‘প্রকৃতিকে’ নিয়ে আঁকা ছবি দেখতে দেখতে আমার কাছে মনে হলো- শিল্পী তার দেশ এর প্রকৃতিকে দেখেছেন তার নিজস্ব ঢং-এ, নিজস্ব রঙে। দীর্ঘ সময় ধরে যেখানে সে বেড়ে উঠেছেন- প্রকৃতিকে প্রত্যক্ষ করেছেন অনেক অনেক সময় ধরে আর তারই শিল্পীত রুপ দিয়েছেন তার ক্যানভাসে নানা মাধ্যমে। আর তাই শিল্পী তার কাজ সম্পর্কে বলে উঠেন, ‘এট দি ডেপ্থ অফ মাই সোল’। এখানেই শিল্পী হয়ে যান অনন্য-শিল্পী ইউকি কে বাংলাদেশে অভিবাদন !
বুনো ফুলের প্রতি ইউকি-র দুর্বার আকর্ষন- তা তার ছবি গুলো দেখলেই বোঝা যায়। এই বুনো ফুলকে সে দেখেছেন অনেক গভীরে গিয়ে। পৌছে গেছেন তার শিকড়ে- তুলে এনেছেন তার নির্যাস আর সেই সব আমরা প্রত্যক্ষ করছি আজ- চারুকলার ইনষ্টিটিউটের এই জয়নুল গ্যালারীতে। বিভিন্ন সাইজে আঁকা তার এই ছবি গুলোতে উজ্বল রঙের উপস্থিতি নেই তবে রঙের গভীরতা আছে। আমার কাছে মনে হয়েছে তার এই কাজ আমাদের জন্য শিক্ষনীয় হতে পারে।
শিরান, আজমি, বানকা, গ্লাডিওলাস সহো নানা নামের সেই সব ফুল- বিভিন্ন সিজেনে সেই সব ফুলের বেড়ে উঠা আর এদের কে ঘিরে তার এক অনন্য সৃষ্টি। একটি দেশের শিল্পীত রুপ ইউকির হাত হয়ে আজ বাংলাদেশের শিল্প প্রেমীদের জন উন্মুখ হয়ে আছে। এখন শুধু তার স্বাদ গ্রহণের পালা।
মনিরুল আলম, ২৫ মার্চ ২০১২, চারুকলা জয়নুল গ্যালারী, ঢাকা।

  

এ পি জে আবদুল কালাম স্বরণে . . . 

ভারতের সাবেক রাষ্ট্রপতি বিজ্ঞানী এ পি জে আবদুল কালাম চলে গেলেন না ফেরার দেশে । ইন্নালিল্লাহি ওয়াইন্নালিল্লাহি রাজিউন। সোমবার ২৭ জুলাই, ২০১৫ সন্ধ্যায় মেঘালয়ের শিলংয়ে একটি অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেওয়ার সময় হঠাৎ অচেতন হয়ে পড়ে গেলে তাঁকে স্থানীয় একটি হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) নিয়ে যাওয়া হয়। রাতে সেখানেই তিনি মারা যান বলে পিটিআইয়ের এক খবরে জানানো হয়। ভারতের ১১তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে আবদুল কালাম ২০০২ থেকে ২০০৭ সাল পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন।

জ্ঞানী এই মানুষটির ২০১২ সালে জুলাই মাসে দুই দিনের এক সফরে বাংলাদেশে এসেছিলেন । তখন তার বক্তব্য শুনেছিলাম তার বেশ কিছু ছবি তুলেছিলাম। শ্রদ্ধা ভাজন এই মানুষটির আত্মার শান্তি কামনা করি . . .