দৈনিক পত্রিকায় রুটিন কাজ করে, নিজের চিন্তার কাজ বের করা এবং সেই কাজের প্রদর্শনী করা— বাংলাদেশে ফটোসাংবাদিকতার পরিপ্রেক্ষিতে খুব একটা সহজ পথ নয় ! এর জন্য মনের সাহসিকতা এবং কঠোর পরিশ্রমী হতে হয় । নিজের ভিতরের শক্তিকে জাগাতে হয় । জয়ীতার— ‘আলোর মানুষ’ শীর্ষক প্রদর্শনীটি দেখে আমার কাছে মনে হয়েছে, জয়ীতার সেই শক্তি আছে, তিনি পারেন ।
প্রতিদিন কাঁধে ক্যামেরা ব্যাগটি ঝুলিয়ে তার সঙ্গী স্কুটি বাইকটি নিয়ে বেড়িয়ে পরেন । তুলে আনেন, এই শহরেরই বুকে ঘটে যাওয়া নানা ঘটনা-দুর্ঘটনা, সংশ্লেষণ ঘটনা। কখনো বা পত্রিকার পাতায় সেইসব ছবি নানা শিরোনামে, ক্যাপশনে ছাপা হয় । ছাপা হওয়া ছবি দেখে মনে এক ধরনের প্রশান্তি কাজ করে । ছাপা না হলে মন খারাপ হয়, কিন্ত ভেঙ্গে পরেন না । ঐ যে বললাম— একজন ‘মানুষ’ জয়ীতা অনেক প্রাণ শক্তি ধারণ করেন. . .
তখন আমাদের ‘মা’ টাঙ্গাইল থেকে ঢাকার তার নানীর বাসায় বেড়াতে আসতেন । নারিন্দা এলাকায় তার নানা-নানীর বাসা ছিল, একদিন নিউ মার্কেট এলাকায় বেড়াতে গেলে সেখানকার কোন এক ষ্টুডিও থেকে এই ছবিটি তোলা । ছবিট কত সালে তোলা মায়ের আজগর মনে পরে না না । ছবি: পারিবারিক অ্যালবাম থেকে সংগ্রহ ।
বারান্দার গ্রীলে ঝুলতে থাকা বাহারি শুকনো পাতারা এক-ভিড় বাতাসে—নিঃশব্দে ঝরে প’রে ;— জানালা দিয়ে প্রবেশ করা এক-টুকরো আলোর রৌদ্র— মায়ের মুখে !