বাবা, তোমাকে খুব দেখতে ইচ্ছে করে . . .

IMG_4849.JPG

“বাবা” তোমাকে যে খুব দেখতে ইচ্ছে করে । কত দিন যে তোমাকে দেখি না ! বুকের মধো কষ্ট গুলো আর্তনাদ করে উঠে-বার বার । কেন যে তোমার উপর বারবার এতো অভিমান হয় আমার । আমি কাউকে বোঝাতে পারিনা . . .

আজ ২০ ডিসেম্বর আমার বাবার ২৪তম মৃতু্য বাষির্কী । ১৯৯০ সালের এই দিনে বাবা, না ফেরার দেশে চলে যান । সে দিনের সংবাদটা আমরা ফোনে পেয়েছিলাম । আমি তখন বাসাতে ছিলাম, ঠিক সন্ধ্যার দিকে বাসায় ফোন আসে । ফোনটা আমার মা রিসিভ করেন- ও প্রান্তের কথা ঠিক বুঝতে না পেরে আমাকে ফোনটা দেন। আমি কথা বলে ততোক্ষণে বুঝে গেছি। আমরা আমাদের পি্রয় বাবাকে চিরদিনের মত হারিয়ে ফেলেছি।

বাবা ব্রেন ষ্টো্রক করেছিলেন । সে দিন হাইকোর্টে তাদের বার্ষিক ডিনার পাটির্ ছিল, সেখানে অংশ গ্রহণ করে মতিঝিল এক আত্মীয়ের বাসায় গিয়েছিলেন। সেখানেই শেষ নি:শ্বাস ত্যাগ করেন ।

গতকাল আমরা পারিবারিক ভাবে তার আত্মার মাগফেরাত কামনা করে কোরান খতম, দোয়ার আয়োজন করেছিলাম ।

ছোট মেঘ তার দাদা’কে দেখেনি। তাঁর কাছে, তার দাদা মানে ফ্রেমে বাঁধানো এক খানা সাদাকালো ছবি আর তার দাদীর কাছে থেকে শোনা নানা গল্প কথা ।

এ মাসে আমাদের গ্রামের বাড়ী হিজুলিয়া গিয়েছিলাম। বাবা যেখানে ঘুমিয়ে আছে ২৪ বছর ধরে। বাবা আপনি ভালো থাকবেন । আমার বাবার জন্য সবাই দোয়া করবেন . . .

পুরান ঢাকা, পাতলা খান লেন
২০ ডিসেম্বর, ২০১৪

Copy Right Notice:
All images,videos, ART and text in this site is copyrighted. http://www.monirulnews.com Please don’t use any image without written permission. Please contact witnessphoto@gmail.com

Prothom Alo Publication 21 December 2014

/home/wpcom/public_html/wp-content/blogs.dir/dee/259751/files/2014/12/img_2085.jpg

Copy Right Notice:
All images,videos, ART and text in this site is copyrighted. http://www.monirulnews.com Please don’t use any image without written permission. Please contact witnessphoto@gmail.com

Prothom Alo Publication 19 December 2014

/home/wpcom/public_html/wp-content/blogs.dir/dee/259751/files/2014/12/img_2080.jpg

Copy Right Notice:
All images,videos, ART and text in this site is copyrighted. http://www.monirulnews.com Please don’t use any image without written permission. Please contact witnessphoto@gmail.com

আকাশের আলপনারা রঙ ছড়ায় . . .

আকাশের আলপনারা রঙ ছড়ায় . . .

নির্জন পথ । প্রকৃতি এখানে অবিরল সত্য ;
মানুষের আসা-যাওয়া নেই ;
সেই পথ দিয়ে হেঁটে যাই দূরে—বহু দূরে ;
যেন নিজেকে; নিজের ভিতরে একদিন আমি ;
ডিঙ্গী নৌকাটি ভেঁসে আছে;
এখানে এক দিন—বষর্ার প্রতীক হয়ে ;
মনে মনে ভাবি সে যেন পেয়েছে —এক অনিবার্য অবসর !
হঠাৎ তার বুকের উপর দিয়ে উড়ে গেল-মাছরাঙ্গাটি।

ভোরের দোয়েলটি বসে আছে নীম গাছটিতে;
এখানে আকাশের আলপনারা রঙ ছড়ায়—অহরহ ।
সন্ধ্যা নামে—বাঁশ ঝাড়ে;
পৃথিবীর এই সব গল্পেরা—গল্প হয়ে বেঁচে রয় চিরকাল;
এখানে হারিয়ে যেতে চায় মন; এক দিন— এই খানে;
সেই অবসরে . . .

সৃষ্টিকাল, ডিসেম্বর, ২০১৪
মানিকগঞ্জ,হিজুলিয়া গ্রাম
মনিরুল আলম

Copy Right Notice:
All images,videos, ART and text in this site is copyrighted. http://www.monirulnews.com Please don’t use any image without written permission. Please contact witnessphoto@gmail.com

আগামী বাংলাদেশ . . .

/home/wpcom/public_html/wp-content/blogs.dir/dee/259751/files/2014/12/img_2065.jpg

চারটা ৩১ মিনিট উপস্থিত হাজার হাজার মানুষ এক সঙ্গে গেয়ে উঠল জাতীয় সংগীত । তারপর মুহুমুর্হু স্লোগান, ‘জয় বাংলা’ । সোহরাওয়াদীর্ উদ্যানের এ প্রান্ত যেন কেঁপে উঠল আর একবার ! শুরু হল শপথ বজ্রমুষ্টি সবার হাত । আগামী দেশ গড়ার । আমি ততোক্ষণে এই শিশুদের পাশে চলে এসেছি । আকাশের দিকে হাত তুলে ছোট ছোট শিশুরা দিয়ে যাচ্ছে স্লোগান- ওদের পেছনে দাঁড়িয়ে আছে -আমাদের স্বাধীনতা স্তম্ভ । ওরা আমাদের আগামী বাংলাদেশ । আমি মনে মনে আর একবার গেলে উঠলাম

‘আমার সোনার বাংলা
আমি তোমার ভালোবসি . . . ”

সোহরাওয়াদী উদ্যান, ঢাকা
১৬ ডিসেম্বর ২০১৪

Copy Right Notice:
All images,videos, ART and text in this site is copyrighted. http://www.monirulnews.com Please don’t use any image without written permission. Please contact witnessphoto@gmail.com

Prothom Alo Publication 17 December 2014

/home/wpcom/public_html/wp-content/blogs.dir/dee/259751/files/2014/12/img_2044.jpg

Copy Right Notice:
All images,videos, ART and text in this site is copyrighted. http://www.monirulnews.com Please don’t use any image without written permission. Please contact witnessphoto@gmail.com

পাঠশালার বিড়াল কাহিনী . . .

IMG_2027.JPG

রায়ের বাজার বধ্য ভুমি স্মৃতি সৌধ থেকে আ্যসাইনমেন্ট শেষ করে পাঠশালায় এলাম। আবির ভাই এর সাথে একটা কাজ ছিল । সেখানে দেখা হয়ে গেল পাঠশালার বিড়াল পরিবারের সাথে ! টিচারস রুমে ছোট ছোট বিড়াল ছানা গুলো খেলা করছে । এ সব দেখতে দেখতে বিড়াল পে্রমী তপু প্রবেশ করল ।

বিড়াল ছানা গুলো তপুর শব্দ শুনে মিউ মিউ করে ডাকতে লাগল । তপু আমাকে বল্লো, মনির ভাই বিড়াল গুলো আমাকে চেনে । ওদের এখন দুপুরের খাবার সময় হয়েছে । আমি দেখলাম তপুর হাতে এক প্যাকেট তরল দুধ । সে দুটি প্লেটে দুধ ডেলে দেবার সাথে সাথে মিউ মিউ করে চারটি বিড়াল ছানা দুধ খেতে শুরু করল । তার একটু পর মা বিড়ালটা এসে তাদের সাথে যোগ দিল । তারপর পুরো বিড়াল পরিবার তাদের দুপুরের খাবার শেষ করল । তপু সহ পাঠশালার অনেকেই এই বিড়াল গুলোকে খুব আদর এবং ভালোবাসে । পাঠশালার বিড়াল পরিবার সুখে থাক . . .

পান্থপখ, ঢাকা
১৪ ডিসেম্বর ২০১৪

Copy Right Notice:
All images,videos, ART and text in this site is copyrighted. http://www.monirulnews.com Please don’t use any image without written permission. Please contact witnessphoto@gmail.com

Prothom Alo Publication 14 December 2014

IMG_2022.JPG

Copy Right Notice:
All images,videos, ART and text in this site is copyrighted. http://www.monirulnews.com Please don’t use any image without written permission. Please contact witnessphoto@gmail.com

Prothom Alo Publication 12 December 2014

IMG_2008.JPG

Copy Right Notice:
All images,videos, ART and text in this site is copyrighted. http://www.monirulnews.com Please don’t use any image without written permission. Please contact witnessphoto@gmail.com

সব বন্ধুরা যেন পাখিদেরকে খাবার দেয় . . .

IMG_2007.JPG

শীতের সকাল- আমরা ছাদে উঠছি । মেঘের হাতে মুড়ির পেয়ালা আর আমার হাতে চায়ের কাপ। সকালের রোদে একটু সময় কাটাব। আজ আমার ছুটির দিন । জরুরি কাজ না থাকলে মেঘকে খানিকটা সময় দেই । ওর সাথে নানা খেলাধূলা করি।

মুড়ির পেয়ালাটা নেয়া হয়েছে পাখিদের খাবার দিতে । পাশের বাসায় মেঘের এক কাক-দাদু আছেন। সে নিয়ম করে প্রতিদিন সকালে কাকদের খাবার দেন। কখনোও কখনোও মেঘ জানালার পাশে দাড়িয়ে তা দেখে। তার সাথে কথা বলে। কাক দাদু মেঘকে খুব আদর করেন।

মেঘের ফুপি প্রকৃতি ভালোবাসে। নিয়মিত গাছ-পালা আর পাখিদের যত্ন করে । আমাদের ছাদটিকে ছোটখাটো একটা বাগান বলা যেতে পারে। মেঘ তার কাছে থেকে শিখছে-কি ভাবে প্রকৃতিকে ভালোবাসতে হয়। সে এখন এই বাগানের অনেক ফুলের নাম বলতে পারে।

বাবা, ‘আমি না গাছের ওখানে পাখিদের খাবার দিয়েছি, সব পাখিরাতো মনে করে, এই বাসায় খাবার দেয় । এই বাসায় প্রতিদিন করে যেতে হবে’। ‘পাখিরা উড়তে উড়তে ক্লান্ত হয়ে যায় – তাই ওদের খাবার দিতে হয় । রোদে গরম লাগে,পানি পিপাসা লাগে- তাই ওদের পানি দিতে হয় । ‘ আমি বলি তোমাকে কে বলেছে? মেঘ বলে ফুপি বলেছে।

বাবা, তুমি সব বন্ধুদের বলে দাও-সবাই যেন পাখিদেরকে খাবার দেয় . . .

পুরান ঢাকা, পাতলা খান লেন
১২ ডিসেম্বর, ২০১৪

Copy Right Notice:
All images,videos, ART and text in this site is copyrighted. http://www.monirulnews.com Please don’t use any image without written permission. Please contact witnessphoto@gmail.com