কোন এক কিশোরের আকাশ ছোঁয়ার স্বপ্ন ছিল—একদিন; যদিও তা কেটে যাওয়া ঘুড়ির মতো; বাতাসে দুলতে দুলতে একদিন হারিয়ে গেছে—কোন এক আকাশে; অথচ প্রতিবছর পৌষ সংক্রান্তি দিনে; সেই স্বপ্নটা ফিরে আসে . . .
ঢাকা / বাংলাদেশ
কোন এক কিশোরের আকাশ ছোঁয়ার স্বপ্ন ছিল—একদিন; যদিও তা কেটে যাওয়া ঘুড়ির মতো; বাতাসে দুলতে দুলতে একদিন হারিয়ে গেছে—কোন এক আকাশে; অথচ প্রতিবছর পৌষ সংক্রান্তি দিনে; সেই স্বপ্নটা ফিরে আসে . . .
ঢাকা / বাংলাদেশ
ফিরে গেছে চাষা সেই কবে; বিষাদের ছায়া গুলো রয়ে গেছে মাঠে মাঠে মৃত পাখি আর মরা ঘাসের গল্প—ফিরে আসে . . .
ঢাকা / বাংলাদেশ
তখন বিকেল গড়িয়ে সন্ধ্যা নামছে—
মনু মিয়া তার ছিন্ন কালো ছাতাটি বোগল দাবা করে
বাড়ীর উদ্দেশ্য হাটা দেয়; এই আমাদের জীবন . . .
I wish you to a wonderful new year and your dreams come true. For my part, I will do my desire of the mind to fight forward, to continue the struggle will be more focused. Welcome to new year 2020 . . .
Old Dhaka / Bangladesh
January, 2020


জ্যোতিষ শাস্ত্রে মানুষের যে ভুগোল লেখা থাকে, তা আমার কখনো দেখা হয়ে উঠেনি; দেখা হয়ে উঠেনি আকাশমন্ডলের সেই সব— জ্যোর্তিময় গ্রহ, নক্ষত্রদের ! অথচ কোন এক শুক্লা তিথিতে জন্ম নেওয়া গাছটির সাথে, আমার জন্ম সনদের যোগ খুঁজে পাওয়া গেছে—সেই কবে থেকে . . .
পুরান ঢাকা / বাংলাদেশ

আজকের আকাশে কোথায়ও চাঁদটাকে খুঁজে পেলাম না, আকাশের দিকে তাকিয়ে থেকে অসংখ্য তারা দেখলাম — তারা মিটিমিট করে জ্বলছে . . .
এটা প্রকৃতির নিয়ম বাবা-মা তাদের সন্তানকে প্রচন্ড ভালোবাসে । যা সন্তানের জন্য অমূল্য সম্পদ । আমাদের বাবা তার তিন সন্তানকে প্রচন্ড ভালোবাসতেন, কিন্তু আমাদের বাবার ক্ষেত্রে সেই ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশটা ছিল, যতোটানা প্রকাশ্যে তার চেয়ে অনেক বেশী ছিল—অন্তরের । এমনিতেই বাবা খুব কম কথা বলতেন, চুপচাপ থাকতে পছন্দ করতেন ।
আমি ছোট বেলায় খুব দুরন্ত ছিলাম, বাবা’কে খুব ভয় পেতাম ! যতোটা না ভয় পেতাম মা’কে । মাথার মধ্যে বুদ্ধি আটতাম কি করে তাকে ফাঁকি দেওয়া যায় ! আজ এই সময়ে এসে ভাবি, বাবাটাই আমাকে ফাঁকি দিয়ে চলে গেলেন ! বাবা, সন্ধ্যা তারার দেশে দিয়েছেন— অন্তহীন ঘুম !
আজ আমাদের বাবার ২৯তম মৃত্যু বাষির্কী। আমাদের পরিবারের প্রায় সবাই হিজুলিয়াতে গেছেন। সেখানে মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছে । আমাদের যাওয়া হয়ে উঠেনি, আমাদের মেঘ ( ছোট বাবা ) স্কুলে স্কুলে ভর্তি যুদ্ধ পরীক্ষায় লিপ্ত হয়েছে । তাকে নিয়ে আমরা এ স্কুল ও স্কুল দৌড়ে বেড়াচ্ছি ।
মনটা বিষন্ন থাকায় রাতের বেলায় ছাঁদে উঠলাম। খানিকটা চুপচাপ বসে থেকে, বাবার সঙ্গে আমার কিছু স্মৃতি মনে করার চেষ্টা করলাম । পেশায় আইনজীবি হওয়ায় দিনের বেলা তার সময় কাটতো আদালত পাড়ায়। সন্ধ্যার পর থেকে মধ্যরাত অবধি তার চেম্বারে । অনেক রাত জেগে কাজ করতেন, মাঝে মাঝে ছাঁদে পায়চারি করতেন ! রাত গভীর হলে ঘুমাতে যেতেন ।
আমাদের জন্য প্রত্যাশিত থাকতো ছুটির দিন গুলো, নিজে বাজার করতে খুব পছন্দ করতেন । তার পছন্দের খাবার ছিল ডিম ভাজা, ডাল আর ভাত। তার বড় একটা থালা ছিল, সেই থালাতে করে খুব মজা করে ডিম ভাজা দিয়ে ভাত মেখে আমাদের খেতে ডাকতেন । যদিও সেই দিনগুলি ছিল খুব অল্প সময়ের জন্য, তখন আমরা কেবল হইচই, স্কুল আর নানী-দাদী বাড়ী যাই—দিনমান।আহা সেই সব সময় !
আজকের আকাশে কোথায়ও চাঁদটাকে খুঁজে পেলাম না, আকাশের দিকে তাকিয়ে থেকে অসংখ্য তারা দেখলাম — তারা মিটিমিট করে জ্বলছে ! মায়ের ফোন পেলাম। মা জানালেন, হিজুলিয়াতে বাবার স্বরণে মিলাদ মাহফিলের কাজটি ভালো ভাবে হয়েছে ।
বাবা— তোমার জন্য ভালোবাসা . . .
—পুরান ঢাকা
২০ ডিসেম্বর, ২০১৯
বিকেলের রোদে হেঁটে যায় পথিক,—
হিজলের ছায়াতল; বুনো ঝোঁপ;
মরা খাল; সাঁকো পেরিয়ে—
নি:সঙ্গ—সেই কবরস্থান; অন্ধ পেঁচাটি
বসে আছে— নি:শব্দে;
পিতা—পিতামহ আর স্বজনেরা
দিয়েছে অন্তহীন এক ঘুম—এইখানে;
তবু এই আমি,—
অযুত প্রার্থনায় দাড়িয়ে থাকি
এক প্রসন্ন সন্ধ্যায় ।
মানিকগঞ্জ, হিজুলিয়া / ডিসেম্বর ২০১৯
শুকনো ডাল
কাক বসে আছে
শীত কাঁপাচ্ছে
ডিসেম্বর, ২০১৯
নি:শব্দ মেঘ
নীলাকাশে বিস্ময়
নদী চলছে
ডিসেম্বর, ২০১৯
কার্তিকে ব্রতী
অর্চনার প্রদীপে
ফুল চন্দন
নভেম্বর ২০১৯, ঢাকা