বিউটি বোডিং এর পাশের গলি . . . 

রাতের শহরে এক পায়ে দাঁড়িয়ে থাকা—সেই ল্যাম্প পোষ্ট;এখান থেকে ষ্টীমারের হুইসেলের শব্দ শোনা যায়—সেই সদরঘাট নদী বন্দর !

এই আমি—এখানেই থাকি; বিউটি বোডিং এর পাশের গলি;

নদী পেরুলেই ডক ইয়ার্ড—হাতুড়ি পিটিয়ে জাহাজ মেরামতের সেই সব শব্দ 

গুলো ভেসে আসে—অন্ধকার বাতাসে; যেন মনে হয়—

ওরা অন্ধকারের পাখি—স্মৃতির শহরে সারারাত কি যেন খুঁজে-ফেড়ে;

অথচ ওরা পাখি নয়! এই আমি—এখানেই থাকি; বিউটি বোডিং এর পাশের গলি ।
১ আষাঢ়, ১৪২৩

পুরান ঢাকা

পচাকোরালিয়া এবং চে গুয়েভারা . . . 

চে গুয়েভারা আপনাকে অভিবাদন ।  শুভ জন্মদিন . . . 

চে গুয়েভারা বেরেটা মাথায় এই ছবিটি তুলেছিলেন আলোকচিত্রী -ফ্রেদি আলবার্তো।

তখন আমি বরগুনাতে সিডর (নভেম্বর ২০০৭) কাভার করতে। বিধ্বস্ত দক্ষিণ অঞ্চলের ক্ষত চিহ্নের ছবি তুলছি। এমনিতেই মন খারাপ। সিডর এর ধবংস যজ্ঞ নিয়ে কথা হচ্ছিল মাহমুদুজ্জামান বাবু ভাই এর সাথে- আমরা কি কি করতে পারি। এ ধরণের দূযোর্গ কি ভাবে মোকাবেলা করা যায় । আমরা বরগুনার বিভিন্ন জায়গায় ট্রলারে করে কিছু কিছু সাহায্য সহযোগীতা করছিলাম। কিন্তু এতো বড় ঘটনার মধ্যে আমাদের এই সামান্য সাহায্য কোন কিছুই নয়।

জায়গাটার নাম পঁচাকোরালিয়া। আমাদের ট্রলার যখন পঁচাকোরালিয়াতে থামানো হলো । মানুষের লাইন নদীর পার থেকে গিয়ে ঠেকেছে প্রধান সড়ক পর্যন্ত। এক দিকে পায়রা নদী অন্য দিকে বিধস্ত জনপদ। অসহায় মানুষের দিশেহারা অবস্থা। কিছু সাহায্য পাবার আশায় অধীর অপেক্ষায় কোন ট্রলার দেখলেই দল বেধেঁ নদীর পারে ছুটে আসা। প্রতিদিন রাতে জসিম ভাই এর অফিসে ( প্রথম আলোর সাংবাদিক ) ছোট ছোট ব্যাগে প্যাকেট করা হয় আর ভোর হলেই জায়গা ঠিক করে সারা দিনের জন্য ট্রলার নিয়ে বেড়িয়ে পড়া। দুই এক জায়গা গেলেই শেষ হয়ে যায়। তো সে দিন পঁচাকোরালিয়ায় সাহায্য দেওয়া হচ্ছিল- হঠ্যাৎ করেই আমার চোখ আটকে যায় কিছু কিশোর ছেলে বাবু ভাইয়ের টি-র্শাট দেখিয়ে কি যেন বলাবলি করছে। ওদের কাছে এগিয়ে যাই।

প্রশ্ন করি- তোমরা কি নিয়ে কথা বলছো। উত্তরে ওরা বলে ঐ লোকটার গেঞ্জিতে যে মানুষটার ছবি আছে তাকে নিয়ে। আমি বলি ওনাকে চেনো-উত্তরে ওরা বলে না। কিন্তু ঐ গেঞ্জির ছবিটা সুন্দর উনি কে? ওদের আগ্রহ দেখে আমি অবাক হই- কিছুক্ষণ ওদের দিকে তাকিয়ে থাকি। তার পর বলি গেঞ্জির মানুষটা হচ্ছে বিপ্লবী চে গুয়েভারা। আজেন্টিনায় জন্ম । কিউবা বিপ্লবের অন্যতম একজন বিপ্লবী। কিংবদন্তি নেতা ফিদেল কাস্ত্রোর সহযোদ্ধা ছিলেন। মানুষের মুক্তির সংগ্রামে দেশে দেশে লড়াই করেছেন এই বীর। বলিভিয়ার সামরিক জান্তা চে-কে বন্দী অবস্থায় গুলি করে হত্যা করে। চে হচ্ছে সব দেশে সব কালের প্রতিবাদের স্বারক। ওরা আগ্রহী হয়ে উঠে। আমি বলি পড়া-শোনা করলে আরো জানতে পারবা ওর সম্পর্কে। 

মনে মনে ভাবি বাবু ভাইয়ের টি-র্শাটের ভিতর দিয়ে চে’ এই প্রত্যন্ত অঞ্চলেও উপস্থিত। অজনা অচেনা এই ছোট ছোট মানুষদের মনের ভিতরেও কি ভাবে জায়গা করে নিয়েছে এই বিপ্লবী মানুষটি। বেরেটা মাথায় তাঁর ছবি দেখে এবং তার সন্বন্ধে কিছু না জেনেই- দেশে-বিদেশের তরুণেরা কেন তাকে বন্ধু বা তাদেরই এক জন বলে মনে করে বুঝতে চেষ্টা করি। চে’ ছবিটির দিকে আর এক বার তাকাই এবং ভাবি কি অদ্ভুত ক্ষমতার অধিকারী। চোখের এক চাহনি দিয়েই কত দ্রুত সাধারণ মানুষের কাতারে মিশে যাচ্ছেন মৃত্যুর পরও! বাবু ভাই প্রশ্ন করে কি দেখেন? উত্তরে আমি বলি আপনার টি-শার্টের চে’ কে দেখি। পাল্টা উত্তরে বাবু ভাই বলেন,চে’ সব সময় সব জায়গায় -এ ভাবেই ঢুকে পরে সাধারণ মানুষের সাথে।

দেশছাড়া-ঘর ছাড়া, দেশে দেশে বিপ্লবের আগুন জ্বালাতে আর তো কাউকে পাওয়া যায় না চে’ কে ছাড়া । আবীর হাসান চে’ কে নিয়ে লেখা তার অনুবাদ গ্রন্থে -মোটর সাইকেল ডায়েরী ভূমিকাতে লিখেছেন উগ্র বামপন্থী বিপ্লবী কিংবা মধ্যবিত্ত শখের মার্কসবাদী সবার কাছে চে’ অনুপ্রেরণা হয়ে আছেন। মানুষের অন্তরে মুক্তির মশাল হয়ে তিঁনি চিরকাল বেঁচে থাকবেন সবার মাঝে। এখনতো দেখি চে গুয়েভারা আসলেই সবার মাঝেই স্থান করে নিয়েছে।

মনে মনে ভাবি বাবু ভাইয়ের টি-র্শাটের ভিতর দিয়ে চে’ এই প্রত্যন্ত অঞ্চলেও উপস্থিত। অজনা অচেনা এই ছোট ছোট মানুষদের মনের ভিতরেও কি ভাবে জায়গা করে নিয়েছে এই বিপ্লবী মানুষটি। বেরেটা মাথায় তাঁর ছবি দেখে এবং তার সন্বন্ধে কিছু না জেনেই- দেশে-বিদেশের তরুণেরা কেন তাকে বন্ধু বা তাদেরই এক জন বলে মনে করে বুঝতে চেষ্টা করি। চে’ ছবিটির দিকে আর এক বার তাকাই এবং ভাবি কি অদ্ভুত ক্ষমতার অধিকারী। চোখের এক চাহনি দিয়েই কত দ্রুত সাধারণ মানুষের কাতারে মিশে যাচ্ছেন মৃত্যুর পরও! বাবু ভাই প্রশ্ন করে কি দেখেন? উত্তরে আমি বলি আপনার টি-শার্টের চে’ কে দেখি। পাল্টা উত্তরে বাবু ভাই বলেন,চে’ সব সময় সব জায়গায় -এ ভাবেই ঢুকে পরে সাধারণ মানুষের সাথে।

দেশছাড়া-ঘর ছাড়া, দেশে দেশে বিপ্লবের আগুন জ্বালাতে আর তো কাউকে পাওয়া যায় না চে’ কে ছাড়া । আবীর হাসান চে’ কে নিয়ে লেখা তার অনুবাদ গ্রন্থে -মোটর সাইকেল ডায়েরী ভূমিকাতে লিখেছেন উগ্র বামপন্থী বিপ্লবী কিংবা মধ্যবিত্ত শখের মার্কসবাদী সবার কাছে চে’ অনুপ্রেরণা হয়ে আছেন। মানুষের অন্তরে মুক্তির মশাল হয়ে তিঁনি চিরকাল বেঁচে থাকবেন সবার মাঝে। এখনতো দেখি চে গুয়েভারা আসলেই সবার মাঝেই স্থান করে নিয়েছে।

কাঁচা মরিচের ঝাল . . . 

© Monirul Alam

১.এ মাসের প্রথম দিকে একটা জরুরী কাজে গ্রামের বাড়ী যেতে হয়েছিল । গ্রামের বাড়ী গেলেই ঘুরে ফিরে গ্রামটা দেখা আমার অভ্যাস—লোকজনের সাথে কথা বলা খোঁজ-খবর করা । বাবার কবর দেখতে যাওয়ার সময় শুকিয়ে যাওয়া ভুট্টার ক্ষেত চোখে পড়ল— আরো চোখে পড়ল মরিচ ক্ষেত ! সারি সারি মরিচ গাছ । সেই গাছে থোকায় থোকায় ঝুলে আছে টকটকে লাল আর সবুজ মরিচ ! দেখতে খুব সুন্দর লাগছে । 

আমি মরিচ ক্ষেতের পাশে গিয়ে ঝুলে থাকা মরিচ গুলোকে আরো ভালো ভাবে দেখলাম । বেশ কিছু ছবি তুললাম । ছোট বেলার—এই মরিচ ক্ষেতের একটা স্মৃতি মনে পরে গেল । আমার দাদীকে দেখতাম, বাড়ীর পাশের একটা ক্ষেত থেকে প্রতিদিনের খাবারের জন্য মরিচ তুলতে । শাড়ীর আঁচলে করে সেই মরিচ নিয়ে বাড়ী ফিরতেন । সেই সব আজ শুধু স্মৃতি ! 

২.জরুরী কাজ সেরে ঢাকায় ফিরলাম দুই দিন পর । কাঁচা বাজার নিয়ে একটা প্রতিবেদনের জন্য হাতিরপুল বাজার গিয়ে নানা তরকারীর ছবি তুলছিলাম । তখন রোজা শুরু হওয়ার দুই দিন বাকী ছিল । বিক্রেতাকে দর-দাম জিজ্ঞেস করতেই বিক্রেতা আমাকে জানালেন—রোজা শুরুর সাথে সাথে এই সব পণ্যের দাম দিগুণ হবে ! না তরকারী বিক্রেতা ঠিক কথা বলেননি ! এই সব পণ্যের দাম এখন ২ গুণ না ৮ গুণ থেকে ১০ গুণ ! কাঁচা মরিচ এখন ৬০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে !  

ঢাকা সিটি করপোরেশন রোজায় নির্ধারিত মূল্যে পণ্য বিক্রির ঠিক করে দিলেও তা ক্ষেত্র বিশেষে মানা হচ্ছে না । সমকাল ১৩ জুন, ২০১৬ প্রত্রিকাটিতে দেখলাম ঢাকা দক্ষিণের মেয়র ( ডিএসসিসি ) সাঈদ খোকন নিজে বাজার পরির্দশনে গিয়ে অতিরিক্ত মূল্যে পণ্য বিক্রির জন্য খুচরা ব্যবসায়ীদের জরিমানা করছেন, ছবি সহ প্রতিবেদনটি ছাপা হয়েছে । এটা ভালো উদ্যোগ পাশাপাশি অযৌক্তিক মুনাফাবাজারিদের রাজত্ব ভেঙ্গে দিতে উদ্যোগ নিতে হবে । 

রোজা মানুষকে সংযমি হতে শিখায় । অথচ এই রোজার মাসে নিত্য প্রয়োজনীর পণ্যের দাম ৮ থেকে ১০ গুণ বৃদ্ধি করা হয়েছে । সাধারন মানুষের কষ্টার্জ্জিত আয়ের এই ভাবে লুন্ঠন—নিশ্চই ঐ সব ব্যবসায়ীদের সংযমি হতে শিখায় না . . . 

পুরান ঢাকা

৩০ জ্যৈষ্ঠ , ১৪২৩

To live a sacred life . . . 

You are meant to live a sacred life—a life of purpose, meaning and direction. You have a body, you have a mind, you are part of society.You have to learn to get along with people basically and to take care of yourself and become responsible to the world, to a certain extent but your greater responsibility is to knowledge that is within you to guide you.You must find this sacred life.You start with yourself, within yourself, to find the source and center of your power and inner direction . . . 

Note: I think to see this video to learn more about nature and life . It’s a sacred life of human being where we live in this beautiful word, Hope to enjoy it please I would like to request you to use your head phone for better sound effects . It’s a 4.01 minutes video.  

-Monirul Alam

আমি সেই অনির্ব্বাণ . . . 

শরীরের ভিতরে বাসা বাঁধা —সেই ছোট ছোট ক্ষত গুলো 

আজ হারিয়ে যেতে শুরু করেছে—সেই একদিন;

ইনসুলিনের মাত্রা—৪২/৩০; আরো কিছু ঔষধ-পত্র !

ত্রিশ মিনিটের হাঁটার নিত্য সঙ্গী—ছোট মেঘ; 

আমি সেই অনির্ব্বাণ ! 

নিত্য সংসারি; জানালার পাশে 

বসে থাকা পরিবারের প্রিয়— সেই মুখ । 

২৮ জ্যৈষ্ঠ , ১৪২৩

পুরান ঢাকা

Living with Diabetes 

I live a long time with diabetes . It took nearly fifteen years . My diabetes is detected early January 2001 . At that time I was an academic staff of Pathshala, South Asian Media Academy, and also as a student of photography . During that time my body was not good signs . I feel fatigue and weakness , body weight began to decline , the various symptoms , including fatigue began .

Then , I went to several doctors before finally heads – excessive amount of glucose in the blood ! Finally it is detected ! And since then, my life is intertwined with Mixtard 50 Penfill Insulin nidel depicted the body twice a day !

However I am not a very good diabetes patient.I would have to see a doctor , ( irregular ) Dr. Sagir ( Birdem ) as soon as he appeared to me to say , Mr. journalist however , take care of your own body,that happen – you are a diabetes patient , the right way if you do not obey the rules – making body’s organs collapsed in near future.

And diabetes is the result of irregularities in the rules for me to tie my blood glucose levels to rise ! However, in the last two years, a number of serious diseases, as though my body is still good, are due to modern treatment .

As well as the increase in age and experience is gained . Learning from mistakes can be achieved . B- looking at my family , especially my ‘mother’, ‘Buble’ and favorite son ”Megh’ for a few days to go from this beautiful world !

The small lesions living of my body;

that has started to be lost—today; is a day,

Insulin levels 42 / 30; with medicine!

Thirty -minute walk constant companion

with my sweet baby— Megh

I am that— Anirban !

Ever family man ; sitting in front of the window

to the families loved one faces . . .

Living with diabetes © Monirul Alam
Living with diabetes © Monirul Alam

Living with diabetes © Monirul Alam
Living with diabetes © Monirul Alam
Living with diabetes © Monirul Alam
Living with diabetes © Monirul Alam
Living with diabetes © Monirul Alam
Living with diabetes © Monirul Alam

Living with diabetes © Monirul Alam

ডায়াবেটিসের সাথে বসবাস . . . 

© Mursalin Abdullah Megh

১.ছোট মেঘ তার বাবার মোবাইল ফোনটি দিয়ে ছবি তুলছে । সেদিন সাত মসজিদ রোড, ধানমন্ডিতে অবস্থিত বাংলাদেশ আই হসপিটালে গিয়েছিলাম ২য় বারের মতো চোখ দেখাতে, তখন মেঘ ছবিটা তুলেছে । ড. জাহাঙ্গীর আমাকে নানা পরীক্ষা করে, সামনে এবং দূরে সঠিক ভাবে দেখার জন্য নতুন করে—প্রগেসিভ পাওয়ার গ্লাস এ্যাডভাইস করলেন । অতপর ডাক্তার সাহেবের উপদেশ—অতিশয় মান্য !

২.ডায়াবেটিসের সাথে আমার বসবাস দীর্ঘ দিনের । তা প্রায় পনের বছর হতে চলল । ২০০১ সালের জানুয়ারিতে প্রথম আমার ডায়াবেটিস সনাক্ত হয় । তখন আমি পাঠশালায়, সাউথ এশিয়ান মিডিয়া একাডেমিতে কাজ করি এবং ফটোগ্রাফীর একজন শিক্ষার্থী । নানা কারনেই শরীরটা ভালো যাচ্ছিল না। ক্লান্তি ও দুর্বলতা বোধ করা, শরীরের ওজন কমতে শুরু করা, অবসাদ সহ নানা উপসর্গ শুরু হলো । 

৩.অতপর,নানা ডাক্তার দেখিয়ে অবশেষে বারডেমে গেলাম — রক্তে গ্লুকোজের পরিমান মাত্রাতিরিক্ত ! ডায়বেটিকস সনাক্ত হলো ! আর তখন থেকেই আমার দৈনন্দিন জীবনের সাথে জড়িয়ে গেল—Mixtard 50 Penfill Insulin দুই বেলা করে শরীরে শুঁই ফোটানোর কাজ !

৪.ডায়াবেটিসের রোগী হিসাবে আমি কখনো ভালো রোগী না ! আমি যে ডাক্তারের কাছে দেখাতাম, ( অনিয়মিত ) ড. ছগীর ( বারডেম) — সে আমাকে দেখা হলেই বলতেন, মনির সাহেব সাংবাদিকতা করেন আর যাই করেন, নিজের শরীরের প্রতি যত্ন নিয়েন, মনে রাইখেন—আপনি একজন ডায়াবেটিসের রোগী, সঠিক ভাবে নিয়ম পালন না করলে—শরীরের বিভিন্ন অঙ্গ-প্রতঙ্গ কলাপস করা শুরু করবে! 

 ৫.ডায়বেটিসের নিয়ম-টাই আমার জন্য অনিয়ম হলো এবং এর ফলাফল—আমার রক্তে গ্লুকোজের পরিমান বৃদ্ধি থাকা ! তবে গত দুই বছরে কয়েকটা রোগ আমার শরীরকে ভয়াবহ করে তোলে—যদিও আধুনিক চিকিৎসার কারণে এখনো ভালো রয়েছি । 

 ৬.বয়স বৃদ্ধির পাশাপাশি সময় এবং অভিজ্ঞতা অর্জন হয় । ভুল থেকে শিক্ষা অর্জন করা যায় । নিজের পরিবারের দিকে তাকিয়ে বিশেষ করে— আমার ‘মা’, ‘বুবলী’ আর প্রিয় সন্তান ‘মেঘে’ জন্য আরো কিছু দিন এই সুন্দর পৃথিবীতে থেকে যেতে চাই ! 
নোট: নিজের ডায়াবেটিক রোগের জীবন-যাপনের অভিজ্ঞতা গুলো সবার সাথে শেয়ার করতে চাই। কেউ হয়ত এটা পড়ে অভিজ্ঞতা অর্জন করবেন অথবা নিজে সচেতন হবেন, অন্যকে জানাবেন— আর এই সব নিয়েই আমার একটা কাজ—”ডায়াবেটিসের সাথে বসবাস” . . . 
২৬ জ্যৈষ্ঠ , ১৪২৩

পুরান ঢাকা

ধূপখোলার সেই মাঠে . . .

এক দিন—এই জ্যৈষ্ঠের তপ্ত দুপুরে আমি হাটিয়াছি—ধূপখোলার সেই মাঠে;পাতলা খান লেন হয়ে—সিংটোলা, কুলুটোলা, ডিষ্টিলারী রোড—

সেই কাঠের পুল, লোহার পুল—আর নাই ।

অতপর—সেই সব আজ স্মৃতির শহরে; সেই পুরান ঢাকা !

জয়দেব সেদিন বলছিলেন—লোহার পুলের পাশেই

সেই মঠ আর বট গাছের কথা—সেই নারিন্দা খাল!

বাবা তখন আমাকে নিয়ে আসতেন—এই সন্ধ্যার মাঠে ; 

বাবা আজ আর নাই—কতোদিন বারান্দায় দাঁড়িয়ে দেখেছি, আমার সেই বাবা—

কালো কোর্ট আর চশমা পরে হেঁটে যেতেন—জজ আদালতে ;

সেই সন্ধ্যা, ধূপখোলা মাঠ, কাঠের পুল, মঠ আর দেখা হয়ে উঠেনা—আজ ! 

অতপর—সেই সব আজ স্মৃতির শহরে; সেই পুরান ঢাকা । 

২৩ জ্যৈষ্ঠ , ১৪২৩

পুরান ঢাকা

 Duck’s Swimming on a Pond . . . 

জল ছবি | Water Color | Duck’s Swimming on a Pond , June / 2016 © Monirul Alam

মেঘের সাঁতার কাটা . . . 

বাপ-বেটা দুজনে মিলে পুকুরে সাঁতার কাটলাম বেশ মজা করে । ছোট মেঘ’কে বললাম, আসো বাবা তোমাকে একটু সাঁতার শেখাই, সে তো পুকুরে গোসল করতে পেরে মহা খুশি ! আমাকে ধরে ধরে বেশ সাঁতার কাটলো সে !  

সাঁতার কাটার এই মুহুর্তটি ভিডিও চিত্রে ধরে রাখলো মেঘের ‘মা’ । যদিও সে শহরের মানুষ, নানা কারণেই তার সাঁতার শেখা হয়ে উঠেনি । আমাদের সাঁতার কাটা দেখে সেও একটু সাহস করে পুকুরে নেমেছিল ! 

হিজুলিয়া গ্রামে আমাদের এই পুকুরটিকে রয়েছে আমার নানা স্মৃতি— মাছ ধরা, ঘন্টার পর ঘন্টা পুকুরে গোসল করা আর বর্ষায় নৌকা চালিয়ে পুরো এলাকা ঘুরে বেড়ানো ।

ওয়ারফেইজের সেই বিখ্যাত গানটি এখনো কানে বাজে—মনে পরে যায় আমার কৈশর/ সেই সব দিন গুলি আজও ভুলিনি আহা . . . 

হিজুলিয়া, মানিকগঞ্জ 

৩০, মে, ২০১৬