আমি সেই অনির্ব্বাণ . . . 

শরীরের ভিতরে বাসা বাঁধা —সেই ছোট ছোট ক্ষত গুলো 

আজ হারিয়ে যেতে শুরু করেছে—সেই একদিন;

ইনসুলিনের মাত্রা—৪২/৩০; আরো কিছু ঔষধ-পত্র !

ত্রিশ মিনিটের হাঁটার নিত্য সঙ্গী—ছোট মেঘ; 

আমি সেই অনির্ব্বাণ ! 

নিত্য সংসারি; জানালার পাশে 

বসে থাকা পরিবারের প্রিয়— সেই মুখ । 

২৮ জ্যৈষ্ঠ , ১৪২৩

পুরান ঢাকা

Living with Diabetes 

I live a long time with diabetes . It took nearly fifteen years . My diabetes is detected early January 2001 . At that time I was an academic staff of Pathshala, South Asian Media Academy, and also as a student of photography . During that time my body was not good signs . I feel fatigue and weakness , body weight began to decline , the various symptoms , including fatigue began .

Then , I went to several doctors before finally heads – excessive amount of glucose in the blood ! Finally it is detected ! And since then, my life is intertwined with Mixtard 50 Penfill Insulin nidel depicted the body twice a day !

However I am not a very good diabetes patient.I would have to see a doctor , ( irregular ) Dr. Sagir ( Birdem ) as soon as he appeared to me to say , Mr. journalist however , take care of your own body,that happen – you are a diabetes patient , the right way if you do not obey the rules – making body’s organs collapsed in near future.

And diabetes is the result of irregularities in the rules for me to tie my blood glucose levels to rise ! However, in the last two years, a number of serious diseases, as though my body is still good, are due to modern treatment .

As well as the increase in age and experience is gained . Learning from mistakes can be achieved . B- looking at my family , especially my ‘mother’, ‘Buble’ and favorite son ”Megh’ for a few days to go from this beautiful world !

The small lesions living of my body;

that has started to be lost—today; is a day,

Insulin levels 42 / 30; with medicine!

Thirty -minute walk constant companion

with my sweet baby— Megh

I am that— Anirban !

Ever family man ; sitting in front of the window

to the families loved one faces . . .

Living with diabetes © Monirul Alam
Living with diabetes © Monirul Alam

Living with diabetes © Monirul Alam
Living with diabetes © Monirul Alam
Living with diabetes © Monirul Alam
Living with diabetes © Monirul Alam
Living with diabetes © Monirul Alam
Living with diabetes © Monirul Alam

Living with diabetes © Monirul Alam

ডায়াবেটিসের সাথে বসবাস . . . 

© Mursalin Abdullah Megh

১.ছোট মেঘ তার বাবার মোবাইল ফোনটি দিয়ে ছবি তুলছে । সেদিন সাত মসজিদ রোড, ধানমন্ডিতে অবস্থিত বাংলাদেশ আই হসপিটালে গিয়েছিলাম ২য় বারের মতো চোখ দেখাতে, তখন মেঘ ছবিটা তুলেছে । ড. জাহাঙ্গীর আমাকে নানা পরীক্ষা করে, সামনে এবং দূরে সঠিক ভাবে দেখার জন্য নতুন করে—প্রগেসিভ পাওয়ার গ্লাস এ্যাডভাইস করলেন । অতপর ডাক্তার সাহেবের উপদেশ—অতিশয় মান্য !

২.ডায়াবেটিসের সাথে আমার বসবাস দীর্ঘ দিনের । তা প্রায় পনের বছর হতে চলল । ২০০১ সালের জানুয়ারিতে প্রথম আমার ডায়াবেটিস সনাক্ত হয় । তখন আমি পাঠশালায়, সাউথ এশিয়ান মিডিয়া একাডেমিতে কাজ করি এবং ফটোগ্রাফীর একজন শিক্ষার্থী । নানা কারনেই শরীরটা ভালো যাচ্ছিল না। ক্লান্তি ও দুর্বলতা বোধ করা, শরীরের ওজন কমতে শুরু করা, অবসাদ সহ নানা উপসর্গ শুরু হলো । 

৩.অতপর,নানা ডাক্তার দেখিয়ে অবশেষে বারডেমে গেলাম — রক্তে গ্লুকোজের পরিমান মাত্রাতিরিক্ত ! ডায়বেটিকস সনাক্ত হলো ! আর তখন থেকেই আমার দৈনন্দিন জীবনের সাথে জড়িয়ে গেল—Mixtard 50 Penfill Insulin দুই বেলা করে শরীরে শুঁই ফোটানোর কাজ !

৪.ডায়াবেটিসের রোগী হিসাবে আমি কখনো ভালো রোগী না ! আমি যে ডাক্তারের কাছে দেখাতাম, ( অনিয়মিত ) ড. ছগীর ( বারডেম) — সে আমাকে দেখা হলেই বলতেন, মনির সাহেব সাংবাদিকতা করেন আর যাই করেন, নিজের শরীরের প্রতি যত্ন নিয়েন, মনে রাইখেন—আপনি একজন ডায়াবেটিসের রোগী, সঠিক ভাবে নিয়ম পালন না করলে—শরীরের বিভিন্ন অঙ্গ-প্রতঙ্গ কলাপস করা শুরু করবে! 

 ৫.ডায়বেটিসের নিয়ম-টাই আমার জন্য অনিয়ম হলো এবং এর ফলাফল—আমার রক্তে গ্লুকোজের পরিমান বৃদ্ধি থাকা ! তবে গত দুই বছরে কয়েকটা রোগ আমার শরীরকে ভয়াবহ করে তোলে—যদিও আধুনিক চিকিৎসার কারণে এখনো ভালো রয়েছি । 

 ৬.বয়স বৃদ্ধির পাশাপাশি সময় এবং অভিজ্ঞতা অর্জন হয় । ভুল থেকে শিক্ষা অর্জন করা যায় । নিজের পরিবারের দিকে তাকিয়ে বিশেষ করে— আমার ‘মা’, ‘বুবলী’ আর প্রিয় সন্তান ‘মেঘে’ জন্য আরো কিছু দিন এই সুন্দর পৃথিবীতে থেকে যেতে চাই ! 
নোট: নিজের ডায়াবেটিক রোগের জীবন-যাপনের অভিজ্ঞতা গুলো সবার সাথে শেয়ার করতে চাই। কেউ হয়ত এটা পড়ে অভিজ্ঞতা অর্জন করবেন অথবা নিজে সচেতন হবেন, অন্যকে জানাবেন— আর এই সব নিয়েই আমার একটা কাজ—”ডায়াবেটিসের সাথে বসবাস” . . . 
২৬ জ্যৈষ্ঠ , ১৪২৩

পুরান ঢাকা

ধূপখোলার সেই মাঠে . . .

এক দিন—এই জ্যৈষ্ঠের তপ্ত দুপুরে আমি হাটিয়াছি—ধূপখোলার সেই মাঠে;পাতলা খান লেন হয়ে—সিংটোলা, কুলুটোলা, ডিষ্টিলারী রোড—

সেই কাঠের পুল, লোহার পুল—আর নাই ।

অতপর—সেই সব আজ স্মৃতির শহরে; সেই পুরান ঢাকা !

জয়দেব সেদিন বলছিলেন—লোহার পুলের পাশেই

সেই মঠ আর বট গাছের কথা—সেই নারিন্দা খাল!

বাবা তখন আমাকে নিয়ে আসতেন—এই সন্ধ্যার মাঠে ; 

বাবা আজ আর নাই—কতোদিন বারান্দায় দাঁড়িয়ে দেখেছি, আমার সেই বাবা—

কালো কোর্ট আর চশমা পরে হেঁটে যেতেন—জজ আদালতে ;

সেই সন্ধ্যা, ধূপখোলা মাঠ, কাঠের পুল, মঠ আর দেখা হয়ে উঠেনা—আজ ! 

অতপর—সেই সব আজ স্মৃতির শহরে; সেই পুরান ঢাকা । 

২৩ জ্যৈষ্ঠ , ১৪২৩

পুরান ঢাকা

 Duck’s Swimming on a Pond . . . 

জল ছবি | Water Color | Duck’s Swimming on a Pond , June / 2016 © Monirul Alam

মেঘের সাঁতার কাটা . . . 

বাপ-বেটা দুজনে মিলে পুকুরে সাঁতার কাটলাম বেশ মজা করে । ছোট মেঘ’কে বললাম, আসো বাবা তোমাকে একটু সাঁতার শেখাই, সে তো পুকুরে গোসল করতে পেরে মহা খুশি ! আমাকে ধরে ধরে বেশ সাঁতার কাটলো সে !  

সাঁতার কাটার এই মুহুর্তটি ভিডিও চিত্রে ধরে রাখলো মেঘের ‘মা’ । যদিও সে শহরের মানুষ, নানা কারণেই তার সাঁতার শেখা হয়ে উঠেনি । আমাদের সাঁতার কাটা দেখে সেও একটু সাহস করে পুকুরে নেমেছিল ! 

হিজুলিয়া গ্রামে আমাদের এই পুকুরটিকে রয়েছে আমার নানা স্মৃতি— মাছ ধরা, ঘন্টার পর ঘন্টা পুকুরে গোসল করা আর বর্ষায় নৌকা চালিয়ে পুরো এলাকা ঘুরে বেড়ানো ।

ওয়ারফেইজের সেই বিখ্যাত গানটি এখনো কানে বাজে—মনে পরে যায় আমার কৈশর/ সেই সব দিন গুলি আজও ভুলিনি আহা . . . 

হিজুলিয়া, মানিকগঞ্জ 

৩০, মে, ২০১৬

Harvesting time in Bangladesh . . . 

Hijulia, Manikgonj, Bangladesh- A group of Bangladeshi farmers processes paddy at the village of Hijulia, Manikgonj, Bangladesh on 28 May, 2016. The government of Bangladesh fixed the prices at Tk 23 and Tk 32 per kilogram of paddy and rice respectively, while the rate of per kg of wheat is set at Tk 20. A plurality of Bangladeshis earn their living from agriculture. Although rice and jute are the primary crops, wheat is assuming greater importance. Photo: Monirul Alam

To leave a sacred life . . . 

In the attitude of silence the soul finds the path clear light. May, 2016, Hijulia,Manikgonj, Bangladesh © Monirul Alam

দৈনন্দিন জীবনে ফটোসাংবাদিকরা . . . 

© Monirul Alam

ফটোসাংবাদিকতা নি:সন্দেহে ঝুঁকিপূর্ণ পেশা । ছবির এই মানুষ গুলো ফটোসাংবাদিকতায় রয়েছে দীর্ঘ অভিজ্ঞতা এবং ঘটে যাওয়া নানা ঘটনার প্রত্যক্ষ স্বাক্ষী । পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে—নানা ঘটনার মধ্যে বিভিন্ন সময়ে জীবনের ঝুঁকি নেয়া সহ রয়েছে— নানা আক্রান্ত হওয়ার ঘটনা।সাংবাদিকতা পেশায় বাংলাদেশে রাজনৈতিক দলগুলোর প্রভাব থাকার  কারণে সাংবাদিকদের মধ্যে রয়েছে ভিন্ন ভিন্ন মতাদর্শ । 

এই ছবিটি ৫, এপ্রিল, ২০১৫ তারিখে তুলেছিলাম । বিএনপি চেয়াপপারসন খালেদা জিয়া ঢাকার বকশিবাজারে স্থাপিত অস্থায়ী বিশেষ জজ আদালতে—জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট ও জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দূনীতি মামলার হাজিরা দিতে আসবেন । আইনজীবি, সাংবাদিক এবং প্রশাসনের লোকজন সেখানে অবস্থান নিয়েছেন। পুরান ঢাকা, ২৭ মে, ২০১৬ 

মনিরুল আলম 

 ওম নমঃ শিবায়ঃ, ওম নমঃ ভগবতী বাশুদেব . . . 

Picture and Annotation | The last pray and love, one of our closed friend’s Babu’s funeral on 18 November, 2011, at Postogala Shoshan Ghat, Old Dhaka, Bangladesh. He was a critically injured by motorcycle accident on the road after an hour’s admitted to the hospital after an week he was death on 17 November, 2011 Dhaka, Bangladesh. I took this photos during his funeral programmed. © Monirul Alam
হিন্দু অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া : হিন্দুদের অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া সম্পন্ন হয় সৎকারের মাধ্যমে। তাদের প্রত্যেককে চিতার আগুনে পোড়ানো হয়— শুধু সাধু এবং ৫ বছরের নিচের শিশুদের ছাড়া। বিভিন্ন প্রক্রিয়া শেষে মৃতদেহটি চিতার আগুনে পোড়ানোর পর চিতাটিকে পানি ঢেলে ঠান্ডা করা হয় । তারপর শেষ শ্রদ্ধা জানানোর জন্য চিতার চারপাশে মোমবাতির জালানো হয়, পয়সা ছিটানো হয়,একটি মাটির কলসে গাঁদা ফুল, তুলসি গাছ রেখে শেষ প্রনাম জানানোর পর উল্টো দিকে ঘুরে মৃতের স্বজনরা চিতা ঘাট থেকে মন্ত্র পাঠ করতে করতে বেড়িয়ে যান । বেড়িয়ে যাওয়ার সময়—একজন স্বজন একটা লাঠির আঘাতে মাটির কলসটি ভেঙ্গে রেখে যান । সনাতন ধর্ম মতে, মৃতদেহ আগুনে পোড়ালেই —দেহের পাঁচটি উপাদানই আগুন, পানি, মাটি, বাতাস এবং মহাবিশ্ব সব জায়গায় মিশে যায়।

ছবিটি ১৮ নভেম্বর, ২০১১ সালে পুরান ঢাকার পোস্তগোলা শশ্মান ঘাট থেকে রাত ১টার দিকে তুলি । বিপ্লব ঘোষ বাবু —আমাদের খুব ভালো বন্ধু ছিল । ছোট বেলায় আমাদের এক সাথে বেড়ে উঠা, একই এলাকায় বসবাস । বাবু—এক মটর সাইকেল সড়ক দূর্ঘটনায় হাসপাতালে চিকিত্সাধীন অবস্থায় মারা যায় । আমরা বন্ধুরা ওর অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ায় উপস্থিত ছিলাম । সেই সময়ে আমি আমার ক্যামেরা Canon G12 দিয়ে ছবি তুলেছিলাম। আজ সেই সব স্মৃতি হয়ে আছে । প্রিয় এই বন্ধুটিকে আমরা কেউ ভুলে যাইনি । বাবু’কে অনেক অনেক ভালোবাসা । 

বাংলাদেশ ফটোগ্রাফিক সোসাইটি ( বিপিএস ),পাঠশালা, সাউথ এশিয়ান মিডিয়া একাডেমী অতপর প্রথম আলো সংবাদপত্র— ফটোগ্রাফী নিয়ে কতো কতো স্মৃতি আর ঘটে যাওয়া ঘটনার এক জন প্রত্যক্ষ স্বাক্ষী—এই সব নিয়েই—ছবি এবং ছবির ভাষ্য । 

পুরান ঢাকা, ২৬ মে, ২০১৬