প্রথম আলো, শুভ জন্মদিন . . .

প্রথম আলো, শুভ জন্মদিন! আজ প্রিয় পত্রিকা প্রথম আলোর, ২৭তম জন্মদিনে আন্তরিক শুভেচ্ছা, ভালোবাসা ! এই বিশেষ দিনটিতে আমার পক্ষ থেকে প্রথম আলো পরিবারের সকল সদস্যের জন‍্য রইল অফুরন্ত অভিনন্দন ও শুভ কামনা।

আমার স্পষ্ট মনে আছে, পাঠশালা থেকে ফটোগ্রাফির ওপর তিন বছরের কোর্স শেষ করার পরই আমার পেশাদার জীবনের শুরু। প্রথমে ‘আইস মিডিয়া’তে ফটোসাংবাদিক হিসেবে কাজ শুরু করি, এরপর যোগ দিই প্রথম আলোতে। সম্ভবত সালটা ছিল ২০০৫।

প্রথম আলোতে আমার যাত্রা শেষ হয় ২০১৭ সালে—প্রায় এক যুগ! এই দীর্ঘ পথচলায় আমি যেমন প্রথম আলোর কাছ থেকে সাংবাদিকতার পাঠ নিয়েছি, ঠিক তেমনি আমার মেধা, মনন ও অভিজ্ঞতা উজাড় করে দিয়েছি প্রতিষ্ঠানটির জন্য। প্রথম আলোতে যোগদানের পরপরই এই পত্রিকার প্রতি এক ধরনের গভীর আস্থা, শ্রদ্ধা এবং ভালোবাসা তৈরি হয়েছে, যা এখনো বিদ্যমান আছে এবং সব সময়ই থাকবে আশা রাখি।

প্রথম আলোর পুরনো সংখ্যাগুলো ঘাঁটলে আজও সেখানে আমার কাজের স্বাক্ষর খুঁজে পাওয়া যাবে। একটি মজার বিষয় হলো, প্রথম আলোতে যোগদানের মাত্র কয়েক মাসের মধ্যেই সম্পাদক মতিউর রহমান ( মতি ভাই ) আমাকে ডেপুটি চিফ ফটোসাংবাদিকের গুরুদায়িত্ব দেন। তখন আমাদের ফটোগ্রাফি বিভাগের চিফ ছিলেন জিয়া ইসলাম ( আমার পছন্দের একজন মানুষ ) যা হোক, আমি সবসময় সততা ও নিষ্ঠার সাথে আমার সেই দায়িত্ব পালনের চেষ্টা করেছি।

ছবি: মনিরুল আলম

দীর্ঘদিন দৈনিক সংবাদপত্রে কাজ করার ফলস্বরূপ যে অসাধারণ অভিজ্ঞতা অর্জন হয়, তা জীবনের মূল্যবান সম্পদ। আমি সেই অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়েছি—যা আমাকে আজ আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে কাজ করার সুযোগ করে দিয়েছে। এছাড়া আমি নানা প্রতিষ্ঠানে ফটোগ্রাফি এবং ফটোসাংবাদিকা বিষয়ে খন্ডকালীন শিক্ষকতা করি ।

প্রথম আলো নিয়ে আমার উপলব্ধি হলো, যেকোনো প্রতিষ্ঠানের সাফল্যের পেছনে সঠিক পরিকল্পনা, কৌশল এবং দূরদর্শী নেতৃত্ব কাজ করে। প্রথম আলোর বিশাল সাফল্যের ক্ষেত্রেও এর ব্যতিক্রম ঘটেনি। আমার কাছে মনে হয়েছে, প্রয়াত মালিক লতিফুর রহমান এবং দূরদর্শী সম্পাদক মতিউর রহমান—এই দুজনের ব্যক্তিত্বই প্রথম আলোর সাফল্যের মূল ভিত্তি । তবে এ কথাটি মনে রাখতে হবে এই ধরনের মানুষদের নিয়ে নানা আলোচনা সমালোচনা হবে বিশেষ করে আমাদের এই সমাজে।

আজকের দিনের পত্রিকাটির প্রধান শিরোনাম— ‘সত্যই সাহস’—মন ছুঁয়ে গেল। সম্পাদক মতিউর রহমান ( মতি ভাইয়ের ) সেই সুচিন্তিত লেখাটি মনোযোগ দিয়ে পড়লাম; সুন্দর বিশ্লেষণ করেছেন পত্রিকাটি নিয়ে । আমার এখনো মনে পরে মতি ভাই কমরেড মণি সিংহ এর প্রয়াণে একটা অসাধারণ লেখা লিখেছিলে, যদিও তখন আমি প্রথম আলোতে কাজ করতাম না, কিন্তু লেখাটি পড়ে আমার কাছে অসাধারণ মনে হয়েছিল।

মতি ভাইয়ের লেখাটি পড়তে গিয়ে হঠাৎ করে Apple-এর প্রয়াত কিংবদন্তী সিইও স্টিভ জোবসের বিখ্যাত স্ট্যানফোর্ড বক্তৃতার একটি অংশ মনে পড়ে গেল—তিনি বলেছিলেন, “Truth be told”।

একজন পাঠক হিসেবে প্রিয় পত্রিকাটির কাছে আমার একান্ত প্রত্যাশা: ‘সত্যই সাহস’ যেন শুধু একটি স্লোগান হয়ে না থাকে। আমি পত্রিকার প্রতিটি পাতায়, প্রতিটি প্রতিবেদনে, প্রতিটি ছবিতে, প্রতিটি ভিডিওতে, প্রতিটি মন্তব্যে এই সাহসিকতার সত্য প্রকাশ দেখতে চাই। একজন নিবেদিত পাঠক হিসেবে এই দাবিটুকু নিশ্চয়ই আমি করতে পারি।

একজন ভিজ্যুয়াল জার্নালিস্ট হিসেবে কাজ করতে গিয়ে আমি অনুভব করেছি, বর্তমান সময়ে সাংবাদিকদের মাল্টি-প্ল্যাটফর্ম সাংবাদিকতায় অবশ্যই দক্ষতা অর্জন করতে হবে। তথ্যপ্রযুক্তি দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলেছে এবং প্রতিনিয়ত নতুন নতুন প্ল্যাটফর্ম আপডেট হচ্ছে। সাংবাদিকদের উচিত এই পরিবর্তনকে ইতিবাচকভাবে গ্রহণ করা এবং সময়ের সাথে তাল মিলিয়ে প্রয়োজনীয় দক্ষতা অর্জন করা।

এই দক্ষতা অর্জনের ক্ষেত্রে সংবাদ প্রতিষ্ঠান বা পত্রিকাগুলোর ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং অনস্বীকার্য বলে আমি মনে করি। প্রতিষ্ঠানগুলোর সঠিক উদ্যোগই পারে সাংবাদিকদের ভবিষ্যতের জন্য প্রস্তুত করতে।

পরিশেষে, আরও একবার প্রথম আলোকে তার ২৭তম বছরে উষ্ণ অভিনন্দন জানাই। পত্রিকার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সকল কলাকুশলী ও শুভানুধ্যায়ীর জন্য রইল আন্তরিক শুভকামনা।

‘সত্যই সাহস’, ‘সত্যই প্রথম আলো’!

ডাইরি / ৪ নভেম্বর ২০২৫
পুরান ঢাকা, বাংলাদেশ
ভিজুয়াল জার্নালিস্ট, ইপিএ
© মনিরুল আলম

Never Stop Learning . . .

Photo: Zakirul Majed Konok

I am truly delighted to have had the opportunity to conduct a class for the Basic Photography Course of the  Bangladesh Photographic Society-BPS, Bangladesh Photographic Institute – BPI, the education wing of the Bangladesh Photography Society (BPS), after a long time. 

During my early days of learning and practicing photography, I had many wonderful memories with these two organizations — BPS and BPI.

My heartfelt thanks and gratitude to everyone associated with BPS and BPI. 

Photo: Zakirul Majed Konok

WITNESS MY TIME

Diary / October 2025

© Monirul Alam

Photo: Zakirul Majed Konok

Celebrating 2025 World Photography Day . . .

I picked up a camera in the late 90s and have been working as a visual journalist ever since, covering news, documentaries, and human-interest stories across the country for National and International news media’s. Presently work with european pressphoto agency / epa based in Bangladesh.

Grateful to have turned my childhood passion into a lifelong journey—over 25 years of photography, making a living, and supporting my family.

Wherever I go, I seek the life unfolding around me. My camera is always with me—through its lens I feel, I listen, I breathe. I seek stories in moments, in pictures, and in the quiet poetry of words . . .

📷 Many thanks to my beloved son MEGH 💕 took this beautiful portrait.


© Mursalin Abdullah

Happy World Photography Day 2025!

WITNESS MY TIME
Diary / 19 August 2025
Dhaka, Bangladesh
© Mursalin Abdullah

আমাদের “মা” হারানোর দিনগুলো . . .

দিনশেষে ঘরে ফিরি । মায়ের মুখটা আর দেখি না এখন । শূন্য বিছানাটা যেন আমাকেই দেখে ! জানালা দিয়ে চলে আসা এক টুকরো আলোয় ভরে উঠে মায়ের বিছানা। এখন সেই আলোই যেন আমাদের মায়ের মুখ ! মায়ের ঘরটায় আজ অসীম শূন্যতার উপস্থিতি ! তবুও কিসের যেন এক প্রশান্তি ছড়িয়ে থাকে—সারা ঘরময় ।

যখন পৃথিবীর ভারে বুকটা হু-হু করে ওঠে,
তখন আর কেউ কানে কানে ভরসা দিয়ে বলে না—
সব ঠিক হয়ে যাবে; দুশ্চিন্তা করিস না—বাবা !

হিজলের ছায়া তলে তোমার দিয়েছো—এক গভীর ঘুম!
ভালো থেকো আমাদের প্রিয় বাবা-মা . . .

ডাইরি / সেপ্টেম্বর ২০২৫ ঢাকা
লিটন, লিপন, নাজু
ছবি © মনিরুল আলম

ছবি © মনিরুল আলম

When a Photojournalist’s Lens Turns Poetic . . .

I stand with one of my favorite personalities, the renowned photographer, photo editor and educator Abir Abdullah. I must say—there is no doubt about his gentle nature and kindness.


© Monirul Alam

Yesterday, I visited his solo photography exhibition ‘Troubling Rain’ at La Galerie, Alliance Française de Dhaka — where journalistic images transformed into poetic expressions on the gallery walls.

At the same time, I had the opportunity to conduct a brief interview with him, which I hope to share with my friends on social media soon. I also collected his exhibition brochure, where he explained why this project matters so deeply today.

He wrote:
“Over the past two decades, I have turned my lens to the monsoon—a season celebrated in Bengali literature through countless poems and songs, praised for its beauty, rhythm, and romance. But beyond the lyrical and the romantic lies another, less documented reality: the disruptions, hardships, and quiet struggles that rain brings to everyday life.”


© Monirul Alam

Once again, my heartfelt congratulations and best wishes to him for the success of this remarkable exhibition.

‘Troubling Rain’ – is open for all til 23 August, 2025 from 3-9pm, except Sunday. Alliance Française de Dhaka.


His exhibition catalog © Monirul Alam

WITNESS MY TIME
Diary / 15 August 2025
La Galerie, Alliance Française de Dhaka
© Monirul Alam & © Abir Abdullah

BBC News Article read for Photojournalist . . .

BBC News Article : Love, loss and duty: Ukraine’s photojournalists share stories of war. Photojournalists may read this article . . .

In the three years since Russia launched its full-scale invasion of Ukraine, hundreds of photographers have documented the human impact of the war on the front line and in civilian areas.

Some of them have shared stories about their photos which have appeared in BBC coverage since February 2022.

https://www.bbc.com/news/articles/cq5g6q5wnz3o.amp

“To lose your friend in an attack inside Russia, rather than defending our country in Ukraine, is very difficult,” he said. “I took this photo because of the emotional impact it had on me. It says a lot about the situation and how hard it was for them.”

—Kostiantyn Liberov 

আই লাভ টু রিড নিউজপেপার . . . 

সকাল বেলা চা খেতে খেতে নিয়মিত পত্রিকা পড়ার অভ্যাস  আমার সেই ছোটবেলা থেকে। তখন আমাদের বাসায় দৈনিক পত্রিকা এবং সাপ্তাহিক পত্রিকা রাখা হতো নিয়মিত । বাবার পছন্দ ছিল ইত্তেফাক আর মায়ের সাপ্তাহিক বেগম । আমাদের পরিবারের সবাই কমবেশি পত্রিকা পড়তাম তখন। বর্তমানে ফটোসাংবাদিকতাকে পেশা হিসাবে নেওয়ার ফলে প্রতিদিন নিয়ম করে অনেক গুলো পত্রিকা অফলাইন বা অনলাইন পড়তে হয় । 

আমার কাছে— হাতে নিয়ে পত্রিকা পড়া সবসময়ই এক অসাধারণ ভালোলাগার বিষয় । সেই  ভালোলাগার আবেদন এখনো ফুরিয়ে যায়নি । অনলাইনে পত্রিকা পড়ার পাশাপাশি সুযোগ পেলেই দৈনিক পত্রিকাটি ঠিক ঠিক কাছে টেনে নেই পড়ার জন্য—তো যাইহোক !

সম্প্রতি ডেইলি স্টার পত্রিকাটি চোখ বুলাতে বুলাতে একটা নিউজের প্রতি আমার দৃষ্টি নিবদ্ধ হলো । আমার কাছে ভেরি ইন্টারেস্টিং মনে হতে— নিউজটা পড়তে শুরু করলাম । 

ডেইলি স্টার নিজস্ব প্রতিবেদকের করা সংবাদটি পড়ে যা বুঝলাম, প্রযুক্তির পরিবর্তনের হাওয়া এখানেও লেগেছে ! যাহোক নিউজ টির মূল বিষয় হলো আমাদের দেশে ৭৩% মানুষ খবরের কাগজ পড়ে না ।

প্রশ্ন হলো তাহলে কি আমাদের দেশের মুদ্রিত সংবাদপত্র গুলো কি সত্যিই তাদের আবেদন হারাচ্ছে ? বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর বরাত (বিবিএস) দিয়ে ডেইলি স্টার পত্রিকায় এক সংবাদ প্রতিবেদন ছাপা হয়েছে,গত ৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ । অন্যান্য পত্রিকায়ও এই সংবাদটি প্রকাশিত হয়েছে । পরিসংখ্যান বলছে, ৭৩% মানুষ খবরের কাগজ পড়ে না। তবে মুদ্রিত সংবাদপত্রের পরিবর্তে মানুষ মোবাইল ফোনে অনলাইন সংস্করণ পড়ে থাকেন । 

সময়ের প্রয়োজনে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার নিশ্চয়ই বুদ্ধিমানের কাজ । আমি যেমন আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহারের পাশাপাশি আমার সেই ছোট বেলায় এই পত্রিকা পড়ার অভ্যাসটি ধরে রাখতে চাই । আই লাভ টু রিড নিউজপেপার . . . 

ডাইরি / ফেব্রুয়ারি, ২০২৫

ছবি : © মনিরুল আলম

ছোট ছোট কথা . . .

মায়া ছবির গল্প . . .

সেদিন টেন মিনিট স্কুলের কৃতী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠান ছিল । ‘মেঘ’ সেই সংবর্ধনায় যোগ দিয়েছিল একজন কৃতী শিক্ষার্থী হিসাবে । মেধাবী শিক্ষার্থীদের আরো অনুপ্রাণিত করতে—টেন মিনিট স্কুলের উদ্যোগটা ছিল খুব সুন্দর এবং গোছানো। তাদের সকলকে আমাদের পক্ষ থেকে আবারও ধন্যবাদ ।

অনুষ্ঠানটি শেষ হতে তখন সন্ধ্যা হয়ে গিয়েছিল। আমাদের পেটে তখন প্রচন্ড ক্ষুধা ! আমরা তাড়াতাড়ি করে ধানমন্ডির ইয়াম চা রেস্তোরাঁয় পৌঁছালাম। সবাইকে বলেছিলাম সময়, সুযোগ হলে তোমাদের এই রেস্তোরায় একদিন খাওয়াব । অতঃপর আমরা সেই সুস্বাদু খাবার খেয়ে বাসায় ফিরেছিলাম সেদিন। দিনটিকে স্মৃতি করে রাখলো আমাদের কিছু মায়া ছবি ।

ডাইরি / ২৫ জানুয়ারি ২০২৫
কেআইবি, খামার বাড়ি, ঢাকা
© মনিরুল আলম

ছোট মা ‘ঢেউ’ এর সাথে আমি । ইয়াম চা রেস্তোরা , ধানমন্ডি, ঢাকা জানুয়ারি ২০২৫ © মনিরুল আলম
ছবি ‘মেঘ’ এবং ‘ঢেউ’ টেন মিনিট স্কুলের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে ।কেআইবি, খামার বাড়ি, ঢাকা জানুয়ারি, ২০২৫ © মনিরুল আলম

উন্মাদের অনুষ্ঠানে আমাদের যোগদান এবং অভিজ্ঞতা . . .

ক্যাপশন : উন্মাদ ম্যাগাজিনের সম্পাদক আহসান হাবীব এর সাথে ঢেউ এবং মেঘ । ঋদ্বি গ্যালারী, মিরপুর এগারো, ঢাকা। ছবিঃ © মনিরুল আলম

পুরান ঢাকা টু মিরপুর এগারো । উদ্দেশ্য ছিল দুইটা [এক ]‘উন্মাদ’ এর আয়োজনে বাংলা কমিকস্ প্রদর্শনী ও উৎসবে যোগ দেওয়া ! [ দুই ] ঢেউ বলছিল বাবা আমার জন্মদিনে তো কোথাও আমাদের নিয়ে ঘুরতে গেলা না ! তাই সবাই মিলে একটু ঘুরে আসা !

সড়ক পথের প্রায় পনেরো কিলোমিটারের এই জার্নিতে আমাদের অভিজ্ঞতা হয়েছিল অনেক । যেমন সড়ক অবরোধ, রথ যাত্রার মিছিল দেখা, যানজট, তীব্র গরম ! এবং গন্তব্যে পৌছাতে নানা পদ্ধতির প্রয়োগ করা । কখনো পায়ে হাঁটা, কখনো রিকশা আবার কখনো সিএনজি করে অবশেষে কাঙ্খিত গন্তব্যে পৌছানো । যাহোক এটাই এখন আমাদের সহনীয়-অসহনীয় ঢাকা শহর । কারণ আমরা ঢাকাবাসী ! আমরা ঢাকায় থাকি !

ঋদ্বি—গ্যালারীতে কমিকস্ প্রদর্শনীর কমিকস্ গুলো দেখে খুব মজা পাচ্ছিলাম।হঠাৎ আমি ঢেউকে বললাম ঐ লোকটাকে চেনো ? ঐ যে চেয়ারে একা একা বসে আছেন ? উনার কাছাকাছি কিন্তু যেও না ! ঢেউ সঙ্গে সঙ্গে বলে উঠলো কেন বাবা ! উনি কি ভয়ঙ্কর লোক ! আমি বললাম না উনি হচ্ছেন ‘উন্মাদ’ ম্যাগাজিনের সম্পাদক !

ঢেউ ততোক্ষণে বুঝে গেছে আসল ব্যাপারটা ! সে দেখেছে
তাদের বাসার বুক সেলফে এই উন্মাদ ম্যাগাজিন কয়েকটা কপি আছে । পরে আমি হাসতে হাসতে বললাম —হ্যাঁ মা উনি হচ্ছে গ্র্যান্ডফাদার অফ জোকস, আমাদের উন্মাদ ম্যাগাজিনের সম্পাদক আহসান হাবীব।

বাংলাদেশের একজন জনপ্রিয় কার্টুনিস্ট, রম্য সাহিত্যিক এবং কমিক লেখক । উনার কিন্তু আরো দুইজন বিখ্যাত ভাই আছেন তারা হলেন জনপ্রিয় সাহিত্যিক প্রয়াত হুমায়ূন আহমেদ এবং মুহাম্মদ জাফর ইকবাল।

আমরা প্রদশর্নী দেখা শেষ করে উন্মাদ ম্যাগাজিনের কিছু বিশেষ সংখ্যা, ষ্টিকার, কিছু কমিকসের বই কিনে, ঋদ্বি ক্যাফেতে খাওয়া দাওয়া শেষ করে মেঘ/ ঢেউ এর নানী বাসা হয়ে ফিরে এলাম নিজেদের গন্তব্যে ।

বাংলা কমিকস্ প্রদর্শনী ও উৎসবে ঢেউ। ছবি: © মনিরুল আলম
বাংলা কমিকস্ প্রদর্শনী ও উৎসবে মেহেদী হক এর আঁকা-লেখা একটা কমিক্স © মেহেদী হক
ঢেউ এবং বুবলীর একটা
ক্যারিকেচার কার্টুনিস্ট © কাজী আরিয়ান

ডাইরি / ৭ জুলাই, ২০২৪
মিরপুর, ঢাকা, বাংলাদেশ
© মনিরুল আলম

Bangladesh Press Photo Contest 2024 Exhibition . . .

Congratulations to all the winners and participants of the Bangladesh Press Photo Contest 2024 organized by Drik.

It’s important to appreciate the power of a single image in the world of press media and publication. As a pressman, I want to say that a single picture is a strong matter.

The exhibition opening day at Drik sounds like an exciting event to look forward to. I’m sure it will be a fantastic experience for all involved. Hope to see you all . . .

Diary / Old Dhaka, Bangladesh
July 2024 © Monirul Alam

Invitation poster picture: Picture of the Year 2023
Quddus Alam, Focus Bangla