ছোট ছোট কথা | ঘাটের কথা . . .

বুড়ীগঙ্গা নদীর ঘাটে বসে থাকা নৌকার মাঝি । ঢাকা, ২০ এপ্রিল ২০১৯ ছবি: © মনিরুল আলম

সেদিন গিয়েছিলাম বুড়ীগঙ্গা নদীর এক ঘাটে— বসে ছিলাম প্রায় সারা বিকেল ।পাশেই পোস্তগোলা শশ্মান ঘাট—এই শশ্মান ঘাটকে কেন্দ্র করে রয়েছে আমার অনেক স্মৃতি ! প্রিয় বন্ধু ‘বাবু’ সড়ক দূর্ঘটনায় মারা গেলে ওকে আমরা এই শশ্মান ঘাটে দাহ্য করেছিলাম । সারারাত ধরে জ্বলতে থাকা চিতার আগুনের সামনে আমরা দাড়িয়ে ছিলাম ক’বন্ধু—দেখছিলাম আমাদের প্রিয় বন্ধুটি চিতার আগুনে আস্তে আস্তে পুড়ে ছাই হয়ে মিলিয়ে যাচ্ছে আমাদের সামনে থেকে ।

অনেকদিন এদিকটায় আসা হয় না; আজ যেন কি মনে হলো সঙ্গে ক্যামেরাটি নিয়ে বেড়িয়ে পরলাম। বুড়ীগঙ্গার এই দিকটায় এতোটা প্রাণচাঞ্চল্য নেই—সদরঘাটের মতো । এসব ঘাটে নৌকা খুব বেশী থাকে না যাত্রীও কম পারাপার হয় । ৭/৮ টি নৌকা ঘাটে সিরিয়াল দিয়ে যাত্রী পারাপার করে ।এক নৌকায় ৮/১০ জন যাত্রী হলে মাঝি তার নৌকা নিয়ে বুড়ীগঙ্গা নদী পাড়ি দেন । জন প্রতি পারাপারে দশ টাকা করে নেন তারা । আমি ঘাটের এক পাশে দাড়িয়ে ছবি তুলছিলাম আর মাঝিদের কথা শুনছিলাম ।

তাদের দৈনন্দিন জীবনের আয়-রোজগার, থেকে শুরু করে—পরিবার-পরিজন, সমাজ-সংসার, রাজনীতি, ধর্ম তাবৎ দুনিয়ার গল্প তারা করেন; ঘাটে বসে থেকে।একটু ধৈর্য ধরে বসে তাদের কথা শুনলে বর্তমান সমাজ নিয়ে তাদের ভাবনা-চিন্তা গুলো জানা যায়—বোঝা যায়।

এখন চলছে বর্ষার ভরা মৌসুম । বুড়ীগঙ্গা নদীর দিকে তাকালে সেই চিত্র স্পষ্ট ! দেশের বেশ কয়েকটি জেলায় বন্যার কারণে পানি বন্দী হয়ে পড়েছে দরিদ্র এবং নিম্ন আয়ের মানুষেরা । এদের আলাপচারিতায় সেইসব মানুষের দুঃখ-কষ্টের কথা গুলো জানা গেল ।

আমি একজন মাঝিকে জিজ্ঞেস করলাম, নদীতে এতো কচুরিপানা কেন ? উত্তরে হাসেম মাঝি আমাকে বলেন— আর কইয়েন না ভাই, এই পানা কাইটা নৌকা পাড়ে ভিড়াইতে আমাগো খুব কষ্ট হয়, যাত্রীরা নৌকায় হাত না লাগাইলে একা একা নৌকা চালানো যায় না; এই সব পানা বানের স্রোতে ভাইস্যা আইছে— ভাই।

হঠাৎ একজন বলে উঠলো; ঐ দেহেন একটা গুইসাপ সাঁতার কাইটা এই দিকে আইতেছে, আমরা সবাই তাকালাম । আমি দেখলাম— সাপটি সাঁতার কেটে এসে কচুরিপানা গুলোর মধ্যে আশ্রয় নিলো । মাঝিদের মধ্যে একজন বলে উঠলো, ঐ গুইসাপকে মারিস না—গুইসাপ মারতে হয় না; ওইডা মনে হয় বানের পানিতে ভাইস্যা আইসে । আমি সাপটিকে দেখি তার কয়েকটা ছবি তুলি !

ইতিমধ্যে মাঝিরা নতুন নতুন যাত্রী নিয়ে নদী পাড়ি দিচ্ছেন। কেউ কেউ নৌকায় বসে ঝিমুচ্ছেন; কেউ আবার নতুন গল্প জুড়ে দিচ্ছেন, একজন মাঝি বলে ওঠেন— ভাই এই ঘাটে আমি একজন মানুষরে মইরা যাইতে দেখছি—মানুষটা ১৩ বছর যাবত পঙ্গু হইয়া বাড়ীতেই থাকতো। দুই হাতের উপর ভর কইরা চলাচল করতো । একদিন এই ঘাটের সামনে আইয়া পিছলা খ্যাইয়া পইড়া গেল; হের পরে হে মইরা গেল গা— হাইরে মানুষের জীবন !

সন্ধ্যা নেমে আসে । আমি কচুরিপানা গুলোর দিকে তাকাই—তারা দলে দলে ভেসে আসছে; গুইসাপটিকে খুঁজি; চোখে পরে না । একজন মাঝিকে দেখি— কচুরিপানা কেটে কেটে যাত্রী নিয়ে নদী পাড়ি দিচ্ছেন। সদরঘাট লঞ্চ টারর্মিনাল থেকে ইষ্টিমার ছেড়ে আসার শব্দ পাই। আমি ফিরে যাবার জন্য তৈরি হই। আজ আমাকে দৈনন্দিন জীবনের কিছু ছবি পাঠাতে হবে আমার এজেন্সি—ইপিএ’র জন্য . . .

২০ এপ্রিল ২০১৯ বুড়ীগঙ্গা নদী

ঢাকা, বাংলাদেশ

বুড়ীগঙ্গা নদী পারাপার . . .

18670957_10158775680125707_7183096945597771050_n
© Monirul Alam / WITNESS PHOTO

সংবাদ আলোকচিত্র ~ স্কুল শিক্ষার্থীরা স্কুল ছুটি শেষে লাইফ জ্যাকেট পরে নৌকায় করে, বুড়ীগঙ্গা নদী পারাপার হচ্ছে । গরমের উত্তাপ থেকে বাঁচতে, মাথায় ছাতা ধরে রেখেছে । নিজেদেরকে নৌ দূরর্ঘটনার হাত থেকে রক্ষা করতেই এই ব্যবস্থা ! এ সকল স্কুল শিক্ষার্থীরা লাইফ জ্যাকেট পরে প্রতিদিন নৌকায় বুড়ীগঙ্গা নদী পার হয়ে স্কুলে যাওয়া-আসা করে ।

ঘাটের টোল আদায়কারী চাঁন মিয়া জানান, কেরাণীগঞ্জের নানা এলাকা থেকে এ সকল শিক্ষার্থীরা নৌকায় করে আসে,ঢাকায় । নৌকা দিয়ে পারাপারের সময় তারা এই জ্যাকেট গুলো পরে, নৌকা ডুবির হাত থেকে বাঁচতেই, অভিভাবকরা এই ব্যবস্থা করে দিয়েছেন, নিজ নিজ সন্তানের জন্য । তারা লাইফ জ্যাকেট গুলো ঘাটেই রেখে যায়, কেউ কেউ নৌকাতে রাখে । হারানোর কোন সুযোগ নেই। পরিচিত হয়ে গেছে সবাই । ২৩ মে, ২০১৭ সদরঘাট, বুড়ীগঙ্গা নদী, ঢাকা, বাংলাদেশ । ছবি: মনিরুল আলম

তবুও মানুষের আশ্রয় এখানেই . . .

photo-1494576732
© Monirul Alam

খালপাড়ে পড়ে আছে কয়েক ফুট উঁচু নোংরা পলিথিনের স্তূপ—সেখানে মাছি উড়ছে! দুর্গন্ধ, কাছে যাওয়া যায় না! রয়েছে ঘোড়ার আস্তাবল। সরু খাল দিয়ে বয়ে যাওয়া—দগদগে কালা পানি! সেই কালা পানিতে ধোয়া হচ্ছে লন্ড্রির কাপড়! এটা বুড়িগঙ্গা নদীর শাখা খাল, কামরাঙ্গীরচরের প্রবেশ মুখের চিত্র।

একটা সময় এই খালটি বুড়ীগঙ্গা নদীর একটা চ্যানেল ছিল, এখন দখল হতে হতে তা সরু খালে পরিণত হয়েছে! এই খাল পার এলাকায় দেখা হলো কয়েকজন মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের সঙ্গে—বিকেলে তারা এখানেই ঘোরাফেরা করে, মানে খেলাধুলা। এই শিশুদের সঙ্গে আমার পরিচয় হলো, টুকটাক কথা হলো ওদের সঙ্গে—ওরা ছবি তুলতে চাইলে আমি ওদের ছবি তুললাম। চোখে পড়ল টিন দিয়ে ঘেরা কিছু ছোট ছোট ঘর। কিছু নারী শ্রমিককে দেখলাম—নোংরা পলিথিনের স্তূপের ওপর বসে কাজ করছেন। আমার সঙ্গে ক্যামেরা থাকায় তাঁরা কেউ কেউ মুখ ঢেকে ফেললেন। এঁরা সামান্য অর্থের বিনিময়ে সারা দিন পলিথিন ঘাঁটাঘাঁটি করেন। তাঁদের থেকে একটু সামনের দিকে এগিয়ে গেলাম—চোখে পড়ল ব্রিজ! ব্রিজের নিচে বিকেলের রোদে বসে আছে একটি শিশু! মাটির নিজ দিয়ে বেরিয়ে আসা একটি ড্রেনের মুখ দিয়ে নোংরা পানি পড়ছে সরু খালটিতে—শিশুটি বসে বসে সেই পানি পড়া দেখছে! আরো চোখে পড়ল কিছু বেওয়ারিশ কুকুর! এরা সবাই এই বিষাক্ত পরিবেশে বেড়ে উঠছে—ভাবলেশহীন সব প্রাণ! আমি বিকেলের আলোয় একের পর এক ছবি তুলে যাই! সব চোখ যেন আমার ক্যামেরাকে কেন্দ্র করে ঘুরতে থাকে! কারো কারো চোখে আনন্দের ঝিলিক দেখি! কেউ কেউ ভীত-সন্ত্রস্ত! সেদিন পরিবেশ বিপর্যয় নিয়ে ছবি তুলতে গিয়েছিলাম—পুরান ঢাকার বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে অবস্থিত কামরাঙ্গীরচর ও এর আশপাশের এলাকায়

1494576626-Image-02
© Monirul Alam

এই এলাকা বুড়িগঙ্গার দ্বিতীয় চ্যানেল হিসেবে পরিচিত। দীর্ঘদিন ধরে দখল প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে, এলাকাটি ঘুরলেই তা চোখে পড়ে। আর এই দখল প্রক্রিয়ার সঙ্গে জড়িত সরকারি মদদপুষ্ট লোকজন, সেটা আর বলার অপেক্ষা রাখে না! সময় সময় রাজনৈতিক পটপরিবর্তন হয়, একদল চলে নতুনরা ক্ষমতায় বসেন, তখন দখল প্রক্রিয়ার চিত্রেরও বদল ঘটে!

মূল নদী থেকে শুরু করে নদীটির আশপাশের খাল, খানা-খন্দে পানির প্রবাহ দেখলেই বোঝা যায়, বিশেষ করে শুকনো মৌসুমে নদীর পানিতে কালো এক ধরনের তরল পদার্থ ভাসতে থাকে, পুরো শুকনো মৌসুম। মাদ্রাসার শিশুদের সঙ্গে নদীর পানি নিয়ে কথা বলতেই—ওরা জানাল এ সময়ে (শুকনো মৌসুমে) তারা এই নদীর পানি ব্যবহার করে না। ওরা জানাল—এই পানিতে গোসল করলে শরীর পচে যায়, ঘাসহ নানা ধরনের অসুখ হয়। এ সময় এলাকার কেউ নদীর পানি ব্যবহার করেন না। বর্ষা মৌসুমে নদীর পানি যখন কিছুটা ভালো থাকে—তখন তারা এই নদীর পানিতে গোসল করাসহ অন্যান্য কাজে তা ব্যবহার করে।

মিরপুর-গাবতলী এলাকা থেকে শুরু হয়ে রায়েরবাজার বধ্যভূমি, হাজারীবাগ, লালবাগ ও কামরাঙ্গীরচর—এদিকে বাবুবাজার ব্রিজের নিচ হয়ে লালকুঠি, শ্যামবাজার, পোস্তগোলা, পাগলা পর্যন্ত বিস্তৃত এলাকা দখল আর নদী দূষণের চিত্র প্রায়—অভিন্ন। আমি বুড়িগঙ্গা নদী ঘেঁষে নিমির্ত বেড়িবাঁধটির কল্পনায় আনি—না কোথাও খুঁজে পাই না এতটুকু দূষণমুক্ত পরিবেশ। যেখানে ভোরে বা বিকেলে রোদে নদীটির বাঁধ ধরে হেঁটে যাওয়া যায় বহু দূরে—কিংবা নৌকা নিয়ে নদী ভ্রমণে বেরিয়ে পড়া যায়—এই নদী বুড়িগঙ্গার বুকে! একটা সময় (নব্বই দশকে) আমাদের স্কুলজীবনে এই নদীতে বন্ধুরা মিলে নৌকাতে ঘুরে বেড়িয়েছি, শ্যামবাজার থেকে এক কাদি/ছড়ি কলা কিনে নৌকায় বসে তা খেতে খেতে গল্প করেছি, নদীর দুই পারের নানা চিত্র দেখেছি, জাল দিয়ে মাছ ধরা দেখেছি! আজ সেই সব চিত্র কোথায় হারিয়ে গেছে! অতীত কল্পনা থেকে বাস্তবে ফিরে আসি!

পরিবেশ বিশেষজ্ঞরা সংবাদমাধ্যমে নানা সময়ে জানিয়েছেন এই নদী নিয়ে তাঁদের শঙ্কা ও পর্যবেক্ষণের কথা। প্রায় ৬২ ধরনের রাসায়নিক বর্জ্যে অনেক আগেই বিষাক্ত হয়ে গেছে বুড়িগঙ্গার পানি। বাতাসে ছড়াচ্ছে দুর্গন্ধ। নদীর তলদেশে জমাট বেঁধেছে আট ফুট পুরু পলিথিনের স্তর। পরিবেশ সংরক্ষণ আইন ও প্রাণিবিজ্ঞানীদের মতে, মাছ ও জলজ প্রাণী বসবাসের জন্য প্রতি লিটার পানিতে দ্রবীভূত অক্সিজেনের পরিমাণ পাঁচ মিলিগ্রাম বা তার বেশি থাকা প্রয়োজন। অন্যদিকে, দ্রবীভূত হাইড্রোজেন মাত্রা কমপক্ষে সাত মিলিগ্রাম থাকা উচিত। অথচ বুড়িগঙ্গা নদীর পানিতে অক্সিজেনের পরিমাণ প্রায় শূন্যের কোটায়।

1494576663-Image-04
© Monirul Alam

এত দূষণ এবং দখলের মধ্যেও জীবন এখানে থেমে নেই! প্রতিদিন ঘরছাড়া, গ্রামছাড়া অসহায় মানুষের দল আশ্রয় নেয় এই নগরে। তাদের বসবাসের আশ্রয়স্থল হয় কখনো এই এলাকার কোনো বস্তিতে, এখানে-সেখানে বা অন্য কোথাও! বিপন্ন পরিবেশ, তবুও আশ্রয়হীন মানুষের আশ্রয় এখানেই—বেঁচে থাকতে হবে! ন্যায়-অন্যায় এখানে বিবেচ্য নয়—কখনই! নানা অপরাধ এখানে সংগঠিত হয়। পরিবেশগত কারণেই তা ধরাছোঁয়ার বাইরেই থেকে যায়। বড় কোনো অপরাধ সংগঠিত হলে প্রশাসনের টনক নড়ে, আবার রাজনৈতিক ছত্রচ্ছায়া এবং অসৎ প্রসাশনিক লোকজনের বদৌলতে অপরাধীরা ছাড়া পেয়ে যান।

দখল হয়ে যাওয়া নদীর পারে গড়ে উঠেছে পলিথিন ও প্লাস্টিক গলানোর কারখানা। ফেলে দেওয়া পলিথিন আর প্লাস্টিক এসব কারখানায় জড়ো করা হয়—তারপর তা আগুনে পোড়ানো হয়। দিনে-রাতে সারাক্ষণ এই এলাকায় ধোঁয়ার কুণ্ডলী দেখা যায়! এসব গলানো প্লাস্টিক আবার ব্যবহার করে তৈরি করা হয় নতুন প্লাস্টিকের পণ্য। দীর্ঘদিন ধরেই এসব কারখানা থেকে দূষিত বর্জ্য উন্মুক্ত স্থানে ফেলার কারণে পুরো এলাকা দূষিত হচ্ছে, দূষিত হচ্ছে বাতাস, বাড়ছে শ্বাসকষ্টের রোগ। যাঁরা এলাকায় বসবাস করেন, তাঁরা অনেকটা অসহায় হয়ে বেঁচে আছেন। এলাকাটি ঘুরে চোখে পড়ল পরিবেশ বিপর্যয়ের নানা চিত্র! দখলদার আর ক্ষমতাসীনদের নেতৃত্বে চলছে—এই পরিবেশ বিপর্যয়ের ঘটনা! পরিবেশ অধিদপ্তরসহ অন্যান্য কর্তৃপক্ষ, যাঁরা এসব দেখার দায়িত্বে আছেন—তাঁরা সত্যি কি তা দেখছেন? শুনেছি—নদী রক্ষায় সরকারের একটি টাস্কফোর্স আছে, সময়ে সময়ে তাঁরা জানান দেন, তাঁরা আছেন—শুধু টেবিলে আর খাতা-কলমে! তাঁদের মাঠে যাওয়ার মতো সময় হয় না।

আশার কথা শোনা যাচ্ছে, এ সরকারের সময়ে সম্প্রতি পানিসম্পদমন্ত্রী আনিসুল ইসলাম মাহমুদ সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, বুড়িগঙ্গা নদীর পানিপ্রবাহ বৃদ্ধির মাধ্যমে পানি দূষণমুক্ত করার লক্ষ্যে সরকার বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছে। বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের অধীন ‘বুড়িগঙ্গা নদী পুনরুদ্ধার’ শীর্ষক প্রকল্প বাস্তবায়নাধীন রয়েছে। আমরা বিভিন্ন সরকারের আমলে এই রকম আশা বাণী শুনতে পাই কাজ হোক আর না হোক! সাধারণ জনগণ হিসেবে এই আশার ‘বাণী’ আমাদের ভরসা। জানি না, আবার কখনো এই মৃতপ্রায় নদী বুড়িগঙ্গা দখল, দূষণের জালমুক্ত হয়ে আবার প্রাণ সঞ্চারিত হবে কি না!

লেখক : সাংবাদিক ও আলোকচিত্রী

 

Broadcast and Cross-Media Journalism

©Monirul Alam
©Monirul Alam

I would like to start four months Post-Graduation Certificate Course in Broadcast & Cross-Media Journalism under the BRAC University and PATHSHALA in Collaboration with Erasmus University, Rotterdam the Netherlands. Hope it would be a good drives for me to studies in a New Media.

Copy Right Notice:
All images,videos and text in this site is copyrighted. http://monirul.photoshelter.com/  OR see more on http://statigr.am/meghmonir Please don’t use any image without written permission. Please contact witnessphoto@gmail.com

 

 

400 years Dhaka History through Light and Sound Display in Lalbagh

©Monirul Alam
The night view of the Diwan-i-amm palace east part of Lalbagh.©Monirul Alam

The sky was cloud that day, before an hour heavy rain was splash in the Dhaka city; I make a phone call to Sultana Apa who will be arrange a Light-Sound Display at Lalbagh Fort in old part of Dhaka. She reply me after, we hope to start around 7.p.m. I moved to Lalbagh fort from my office around 5.p.m.

The ministry of Culture organized the `Light and Sound Display in Lalbagh Fort program first time (fixed display show) in Bangladesh, the Bangladesh government financed in thes project with support of Creation Unlimited, the 30 munities light-sound display show will be open for the public after inauguration it may regularly display for two times in Lalbagh fort,  said their press release.

After a few discussion about the issue the Hon. Minister Abul Kalam Azad ministry of Culture arrive on time with other official and special guest was also present their, Finally the light and sound display was shown.

The light-sound show mainly present the 400 years history of DHAKA, a beautiful narrative with sound and light present the history of Bengal, Mugal period and Bangladesh history. During the display present viewer were really enjoyed when the light and sound appeared into the Lalbagh fort  building like Darbar Hall & Hammams,Tomb of Pari Bibi’s. Finally the present viewer thanks to the organizer and historians expert,  said a few suggestion after the end of the show and Azad also recommend a few things about these display.

Short Summery of Lalbagh:

The 17th century, Lalbagh Fort is still witness of Mughal Emperor of Bengal  the most popular and renowned fort and a great signature of art  in Bangladesh. It is also known as Fort Aurangabad. It is situated beside the Buringal River in old part of Dhaka, Lalbagh. It was an incomplete structure by a Mughal Emperor named Prince Muhammad Azam (third son of Aurangazeb). He started the work of the fort in 1678 during his vice-royality in Bangladesh (Previous Bengal). He stayed in Bengal for 15 months. It remained incomplete when he was called by his father Aurangazeb.

Shaista Khan was the new Subedar of Dhaka in that time, and he did not complete the fort. In 1684, the daughter of Shaista Khan named Iran Dukht (Pari Bibi) died there. After her death, he started to think the fort as ominous, and left the structure incomplete. Among the 3 major parts of Lalbagh Fort, one is the tomb of Pari-bibi (middle of east-west of the fort),The Mosque (west),The Diwan-i-aam palace (east).

After Shaista Khan left Dhaka, it lost its popularity. The main cause was that the capital was replaced from Dhaka to Murshidabad. After the end of royal Mughal period, the fort became abandoned. In 1844, the area achieved its name as Lalbagh replacing Aurangabad, so the fort as Lalbagh Fort.

Reports:Monirul Alam

Copy Right Notice:
All images,videos and text in this site is copyrighted. http://monirul.photoshelter.com/  OR see more on http://statigr.am/meghmonir Please don’t use any image without written permission. Please contact witnessphoto@gmail.com

Portrait | Dhaka

©Monirul Alam
©Monirul Alam

Dhaka, Keranigonj, Bangladesh June 2013

A Bangladeshi dock yard labor Milon 48, take a pose and smile  for photos in front of repaired Ship. He  works as a day labor and earn 280 tk per day. Thousand of dock workers laboring on ships in Keranigonj yard on the Buriganga river, Dhaka, Bangladesh

Copy Right Notice:
All images and text in this site is copyrighted. http://monirul.photoshelter.com/  Please don’t use any image without written permission. Please contact witnessphoto@gmail.com

Bidden farewell to Goddess Durga| bangladesh

© Monirul Alam

 6.Oct.2011.Dhaka- The idols of Durga were taken to the bank of the river Buriganga in the afternoon on Thursday. Hundreds of thousands of Hindus across the country have bidden farewell to Goddess Durga. The five-day long Durga Puja an annual Hindu festivals in South Asian were ended. ©Monirul Alam 

© Monirul Alam

R=Picture update June-2011

Road Block & Protest:
A group of Rickshaw and van pullers block the second Buriganga bridge and set fire on Thursday demanding daylong movement of non-motorized  . . .

http://monirul.photoshelter.com/gallery-image/Reportages/G0000VoJ.1Jrzk3o/I0000nIvRKRmUHaA

BNP Protest:
The opposition BNP holds a meeting blocking the road in front of its Naya Paltan office in the city on Thursday protesting the  . . .

http://monirul.photoshelter.com/gallery-image/Reportages/G0000VoJ.1Jrzk3o/I0000MgGNePygZ6s

Live In Danger !!!

Old Dhaka September 2010. Around 50 families and 100 bachelors live in this structure made of Iron and wood.This House in Kamalbagh near on the Buriganga river. Unsafe and unhygienic accommodation to the poor who throng the capital for work. Copy Right:Monirul Alam

Illegal Structure Knocks Down

Dhaka Buriganga River September 2010. Bangladesh Inland Water Transport Authority BIWTA demolish illegal shop on their land at Shoarighat near the bank of Buriganga river. More than seventy structures demolish lead by Dhaka District Magistrate Mohammad Kamruzaman with fire service, RAB and Police.Copy Right:Monirul Alam