18 October 2018 ~ I used to see Durga Puja festival today. Many Puja Mandap has been makeshift install in different places of Old Dhaka. During my walking with crowd people seen a large elephant walking with mahout’s who is ride him through mass traffic—The true essence of beauty lies in old part of Dhaka not only Durga Puja festival— You see anytime ! © Monirul Alam
Tag: olddhaka
তবু— স্মৃতিরা নানা কথা কয় . . .

সকাল বেলা বুবলী আমাকে জানালো—নানী মারা গেছেন ! আমি মা’র রুমে গেলাম ; দেখি মা সোফায় বসে কান্না-কাটি করছেন | বড় মামা ফোন করে জানিয়েছেন — তাদের মা আর নাই ! আমি ছুটলাম ওয়ারীর সালাউদ্দিন হাসপাতালে | নিথর দেহটা এক পাশে কাত হয়ে আছে; দেখে মনে হচ্ছে ঘুমাচ্ছেন ! নানী মারা যাবার সময় বড় মামা-মামী উপস্থিত ছিলেন | মামার কোলেই নানী শেষ নি:শ্বাস ত্যাগ করেন ! দিনটি ছিল—২৬ এপ্রিল ২০১৮ বৃহস্পতিবার সকাল নয়টা| নানী অসুস্থ হবার পর আমার এই বড় মামা-মামী সারাক্ষণ নানীর সেবা যত্ন করতেন |
নানীর সাথে আমার খুব একটা দেখা হতো না | অযুহাত হলো— সময় এবং ব্যস্ততা | কিন্তু নানী ঠিক খোজ-খবর রাখতেন সবার, তার নাতি-নাতনি আর নাত বউদের,তাদের সন্তানদের | নানীর বাসায় গেলে আমাদের জমিয়ে আড্ডা হতো| এই নানীর বাসাকে কেন্দ্র করে আমার ছোট বেলায় বেড়ে উঠা | স্কুল ছুটি শেষে আমরা নানীর বাসায় যেতাম,বাসার পিছনে বেশ কিছু ফলের গাছ ছিল—ছিল খেলার জায়গা; সেখানে আমরা বন্ধুরা মিলে খেলা-ধূলা করতাম |
ছোট বেলায় নানীকে খুব ভয় পেতাম | বড় হয়ে সেই নানী বন্ধু হয়ে গেল—হয়ে গেল প্রিয় মানুষ | নানী আমার বাবা’কে কখনো জামাই বলতেন না, বলতেন—তোর বাপ হইলো আমার আর এক—বেটা | আমার বাবা’কে সে খুব ভালোবাসতেন | প্রচন্ড ভালোবাসতেন তার বড় নাতিকে ( আমার বড় ভাই ) এই পরিবারে তাদের বড় নাতি ছিল—মধ্যমনি | বড় নাতিও ছিল নানা-নানীর অন্ধ ভক্ত |
নানী মারা যাবার এক সপ্তাহ আগেও নানীকে কোলে করে নিয়ে অনেকটা পথ হেঁটে গাড়ীতে উঠানো হলো হাসপাতালে নেওয়ার জন্য | বড় নাতির কোলে করে নানী সেই যে বাসা থেকে বের হলেন— ফিরলেন নিস্তেজ—নিথর হয়ে ! চির দিনের জন্য চলে গেলেন—না ফেরার দেশে |
হ্যাঁ—আমাদের নানীর বয়স হয়েছিল, কিন্তু মানুষের মন কখনো আপনজনকে হারাতে চায় না ! আর তাইতো আমাদের অভিমানী ছোট মামা ( মনু মামা ) তার মায়ের বিছানায় বসে—মায়ের রেখে যাওয়া স্মৃতি খুঁজে ফেরেন ! নীরবে চোখের পানি ফেলেন ! বড় একা হয়ে গেলেন আমার এই অভিমানী মামাটি ! আর সেজ মামা সেতো খানিকটা অসুস্থা ! মায়ের জন্য দোয়া পড়ছেন সারাক্ষণ ।
আমার পাঁচ মামা আর তিন খালা এবং আমার মা—তাদের বাবা-মা’র প্রতি ছিল প্রচন্ড আবেগ তাড়িত —ভালোবাসা ! যদিও নানী’কে তার সব সন্তান ভয় পেতেন খুব | অন্য দিকে তাদের পুলিশ বাবার কাছে ছিল—নানা প্রশ্রয় | নয় ভাই বোনের এই বিশাল সংসার— নানী একা সামাল দিতেন | মানুষকে প্রচন্ড ভালোবাসার ক্ষমতা ছিল— আমাদের এই নানীর |
মেজ মামা আমাকে একদিন ফোন করে বললেন—তোর নানীর একটা ছবি তুলে দিস, ব্যাংকে লাগবে | আমি শত ব্যস্ততা এড়িয়ে নানীর এই ছবিটি তুলেছিলাম | এই ছবিটা আমার কাছে—এক টুকরো স্মৃতি হয়ে থাকলো | আর উত্তরকালের প্রজন্ম হয়তো—এই ছবিটি দেখে জানবে তাদের অতীত ইতিহাস| এই রকম একজন ছিল—একদিন; সে আর নাই কোন দিন . . .
পুরান ঢাকা | ৪ মে ২০১৮
ছবি: মনিরুল আলম
A rain-soaked city . . .
মেঘের গাছ বন্ধু হওয়া . . .
গত রাতে ঝড়ো বৃষ্টি হয়েছে । সেই সাথে মেঘের গর্জন আর ঘন ঘন বিদ্যুৎ চমকানো—কালবৈশাখী ! মেঘ বলল, বাবা আমার স্কুলে আগামীকাল বাষির্ক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা আছে, সকালে কি বৃষ্টি থাকবে ? আমি বললাম জানি না বাবা, দেখা যাক কি হয়, তুমি এখন ঘুমাও। সে একটু পরে আবার বলে, বাবা— আমিতো যেমন খুশি তেমন সাজোতে, নাম দিয়ে এসেছি—আমি গাছ সাজবো ! আমি বললাম বাবা ঠিক আছে । তুমি এখন ঘুমাও ।
বৃষ্টি ভেজা সকাল—খুব চমৎকার রোদ চারপাশে ! দেখেই মনটা আনন্দে ভরে উঠল ! মেঘ বেচারা খুব টেনশন করছিল, সে সকালে স্কুলে যেতে পারবে কিনা ? সকালে যদি বৃষ্টি হয় ! সকালের নাস্তা শেষ করে আমরা তিন জন রিকশাতে রওনা করলাম সঙ্গে মেঘের—গাছ বন্ধু ! মা-বেটা মিলে খুব সুন্দর করে এই গাছ বানিয়েছে, কাগজ কেটে কেটে—তাতে রঙ করা হয়েছে । মেঘের সেকি আনন্দ ! আজ সে তার স্কুলে— গাছ বন্ধু হয়ে ঘুরে বেড়াবে, তার অন্য সব বন্ধুদের সাথে । তার ফুপিকে বলছে সে গাছ সাজবে তার স্কুলে ।
সেন্ট টমাস মিশন প্রাইমারী স্কুলটিতে প্রবেশ করতেই, মনটা ভরে গেল অন্য রকম—এক আনন্দে ! সকালের মিষ্টি রোদে ভরে আছে মাঠ । চারপাশের গাছ গুলো—বৃষ্টি ভেজা ! আর মূল চার্চটি যেন—খুব নির্বাক ! সেই কতোদিন—কতোদিন দিন তার বুকে ঘড়ি এটে দাড়িয়ে আছে নিরবে । এখানকার মানুষ এখনো—সেই ঘড়ি দেখে পথ চলে ! সময় সময় ঘন্টা বাজিয়ে সময়ের জানান দেয়—সেই চার্চের দেয়াল ঘড়ি ।
ক্ষুদে শিক্ষার্থীরা মাঠে ঘুরে বেড়াচ্ছে— পরনে তাদের স্কুল ড্রেস হাতে লাল ফিতে বাঁধা । আমার কাছে খুব ভালো লাগলো, লাউড স্পিকারে— একটার পর একটা রবীন্দ্র সংঙ্গীত বাজছিল । আমার হিয়ার মাঝে / আমার পরানো যাহা চায় / আমি মুগ্ধ হয়ে সেই গানগুলো শুনছিলাম ।
স্কুলের প্রধান শিক্ষিকা উপস্থিত অতিথিদের অব্যর্থনা জানিয়ে একটু পর ঘোষণা দিলেন—তাদের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতার । উপস্থিত অতিথীরা ক্ষুদে শিক্ষার্থী এবং অভিভাবকদের উদ্দেশ্যে সুন্দর সুন্দর কথা বললেন।
শুরু হলো—বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতার অনুষ্ঠান । বিভিন্ন শ্রেনীর ক্ষুদে শিক্ষার্থীদের একটা জায়গায় বসানো হয়েছে । সেখান থেকে ক্লাস অনুযায়ী ডাকা হচ্ছে, খেলা গুলোতে অংশ গ্রহনের জন্য । প্রতিযোগিতা গুলো ছিল বেশ মজার । যেমন— জুতা-মোজা দৌড়,আলু তুলে দৌড় , অংক দৌড় ,মটরসুটি দৌড়,ভারসাম্য দৌড়। ব্যাঙ লাফ, হাঁস হাঁটা, চকলেট দৌড় সহ নানা আয়োজন ।
আমরা অভিভাবকরা ক্ষুদে শিক্ষার্থীদের এই সব খেলা দেখে—খুব মজা পেলাম । এরই মধ্য ছোট ছোট এই মানুষ গুলো যেমন খুশি তেমন সাজো প্রতিযোগিতা অংশ নিয়ে সারা মাঠ ঘুরতে লাগলো । কেউ সেজেছে — বঙ্গবন্ধু , কেউ কৃষক, কেউ মুক্তিযাদ্ধা, কেউ কমান্ডার,আবার কাউকে দেখা গেল ডাক্তার সেজে ঘুরে বেড়াতে; কেউ সেজেছে কৃষ্ণ কিন্তু রাধা’কে দেখা গেল না, আবার কেউ শিক্ষিকা সেজেছে, কেউ বা উকিল । মেঘ তার গাছ নিয়ে গাছ বন্ধু হয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছে—মনের আনন্দে ।
একটু পরে শিক্ষার্থীদের টিফিন দেয়া হলো । এর পর পর অভিভাবক এবং শিক্ষকদের জন্য একটা প্রতিযোগিতা ছিল । সেটাও খুব মজা হলো । প্রতিযোগিতার শেষ পর্ব ছিল পুরষ্কার বিতরণ ।
এবার মাইকে ঘোষণা এলো — ব্যাঙ লাফে প্রথম পুরষ্কার পেয়েছেন, নিরব মিয়া ! আমি ছোট নিরব মিয়াকে দেখার জন্য আগ্রহী হয়ে উঠলাম ! এরই মধ্য মাইকে ঘোষণা এলো মেঘের নাম— সে যেমন খুশি তেমন সাজোতে—প্রথম পুরষ্কার পেয়েছে !
বেটা’তো আমার মহা খুশি, সে প্রথম পুরষ্কার পেয়েছে ! আমি মেঘ’কে জড়িয়ে ধরে আদর করলাম । আমি মেঘ’কে বললাম, তোমার স্কুল’তো আমাকেও একটা পুরষ্কার দিয়ে দিল । মেঘ বলল, আমি দেখেছি—তুমি বেলুন ফুটানো’তে ২য় হয়েছ । এবার আমাদের বিদায়ের পালা, স্কুল কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ জানিয়ে বাড়ীর পথে রিকশা নিলাম, সঙ্গে দুটি পুরষ্কার আর গাছ বন্ধু . . .
সেন্ট টমাস স্কুল, পুরান ঢাকা
০৬ মার্চ,২০১৭ © Monirul Alam
Paush Shankranti Celebration in Dhaka
Single Click of the Shutter . . .

29 November 2016 Dhaka, Bangladesh ~ Megh and his mother sit on the studio for taking passport photo at the Picture Center Studio in the Banani Super Market, Dhaka. Studio photo business is still now in populer, everywhere in Bangladesh and abroad, especially in passport photo for various preposes.Here one think I remember to read a beautiful words,Stopping time with a single click of the shutter. Yes, it is really a good experiences to a signal click of shutter ! and use for various preposes ! Love the life with fun. © Monirul Alam
An Epic Photojournalistic Journey . . .
The object of my work is to report the real moment of life. I recorded many times as an eyewitness. My main interest lies in documentary storytelling focusing on global issues . . .
Bangladesh based artist, photojournalist and documentary filmmaker currently works documenting social issue. His photographs have been widely published national and international media around the world. He lives in Dhaka with his beautiful family. He loves photography & teaching with creative way . . .
-Monirul Alam
https://monirulalam.net/portfolio/
In Our Misfortune . . .

I remember when I met you in the house of terror
Of what you gave me and surrender to me.
In those moment in which the light was a dream or a miracle.
However, you were the light among the darkness.
We were as one in our misfortune.
Today,after thousands of misfortunes more.
I can see you, as I did then, always looking forward.
We will see each other again through the fog that we will disperse.
Do not forget comrade.
[ Muriel Dockendorff Navarrete ] Chilean Poet,Lyricist and economics student
Notes: Currently I read the book ‘Tortured Truths’ by Rahnuma Ahmed. Love to read this book and I think it’s a great collection to me.Book cover photo: Shahidul Alam
Old Dhaka
November 2016
অদ্ভুত রহস্যময় —এক আলো !

আমাদের ছাঁদে একটা বেঞ্চ আছে । যেখানে বসে থাকা যায় আবার লম্বা হয়ে শুয়ে থাকা যায় । আমি মাঝে মাঝে রাতে— ছাঁদে হাটতে গেলে সেই বেঞ্চটিতে চিত হয়ে শুয়ে আকাশের দিকে তাকিয়ে থাকি । অন্ধকার আকাশ দেখি—জেগে থাকা চাঁদ,তারা দেখি ! কতো দিন মনে করেছি—মহাকাশ বিষয়ক কিছু বই পত্র কিনে পড়াশোনা করবো। আকাশ সম্পকে কিছু জানাশোনা হবে । কিন্তু নানা কারণে তা আর হয়ে উঠেনি । হয়তো কোন একদিন হয়ে উঠবে ।
আজ ১৪ নভেম্বর ২০১৬ সাল । মেঘকে ডাক্তারের কাছে নিয়ে যেতে হবে—ধানমন্ডিতে । আ্যপয়েন্টমেন্ট করা আছে, রাত আটটায় ওর সিরিয়াল—পাঁচ । শীতের সময় মেঘের ঠান্ডা এবং এ্যালার্জিটা বেড়ে যায়, তাই এই সময়টা তাকে বেশ সর্তকে রাখতে হয় । কিন্তু কে শোনে কার কথা—সারাক্ষণ দুষ্টমি আর খেলে বেড়ানো !
আজ রাতের আকাশটা অন্য রকম হবে ! বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যম থেকে যতোটুকু জানা গেল আজকের চাঁদটা অনেক অনেক বেশী উজ্জল এবং বড় দেখাবে সাধারনের তুলনায় । যাকে সুপারমুন বলা হয় । চাঁদের এ রকম উজ্জ্বলতম রূপ শেষবার দেখা গিয়েছিল ১৯৪৮ সালে। আবার দেখা যাবে ১৮ বছর পর, ২০৩৪ সালের ২৫ নভেম্বর নাসার তথ্য তাই বলছে । পৃথিবীকে ঘিরে চাঁদের যে কক্ষপথ রয়েছে তার আকৃতি ডিম্বাকার হওয়ায় কক্ষপথে প্রদক্ষিণ করার সময় চাঁদ কখনো পৃথিবীর খুব কাছে চলে আসে, আবার কখনো অনেক দূরে চলে যায়। চাঁদ যখনই পৃথিবীর খুব কাছে চলে আসে, তখন তা পৃথিবী থেকে খুব উজ্জ্বল দেখায়।
মনে মনে একটা হিসাব করলাম । মেঘকে ডাক্তার দেখিয়ে ফিরতে ফিরতে রাত দশটা হবে তাই সন্ধ্যার আকাশে চাঁদ উঠাটা আমাকে মিস করতে হবে,তাই রাতের আকাশে চাঁদের আলোটাই আমাকে উপভোগ করতে হবে । যদিও সন্ধ্যাটা ছিল সুপারমুন দেখার উপযুক্ত সময় ! যাই হোক, ব্যস্ত জীবনে অনেক সময় অনেক কিছু করা হয়ে উঠে না । এটা সত্য আর এই সত্যটা—আমি মানি ।
মজার ব্যাপার হলো, আমি যদি সন্ধ্যার সুপারমুনটি দেখতাম তাহলে রাত এগারোটার পর সেই সুপারমুনটি হয়তো আর দেখতে চাইতাম না । আর আমার জন্য এক চমক এবং বিস্ময় এখানে অপেক্ষা করছিল ! রাতের খাওয়া-দেওয়া শেষ করে ছাঁদে চলে গেলাম । হ্যাঁ প্রতিদিনের চেয়ে আজ রাতের চাঁদের আলো অন্যরকম লাগছিল, অনেক বেশী উজ্জল তবে বড় ব্যাপারটা ঠিক বুঝে উঠতে পারছিলাম না, তবে অনুভূতিটা অন্য রকম ছিল ।
বেঞ্চটিতে লম্বা হয়ে শুয়ে শুয়ে চাঁদ দেখছি । হঠাৎ খেয়াল করলাম চাঁদের বেশ কিছু দূরে—আকাশের পূর্ব দিক থেকে পশ্চিম দিকে একটা লম্বা আলোর রেখা ! আমি মনে করলাম কেউ হয়তো টর্চ দিয়ে আলো ফেলছে । কিন্তু না সেই আলোর লম্ভটা চাঁদের দিকে এগিয়ে আসছে ! ব্যাপারটা আমার কাছে অদ্ভুত লাগলো, আমি সর্তক হলাম কিন্তু ততোক্ষণে যা ঘটার তা ঘটে চলছে ! আমি আমার সঙ্গে থাকা মোবাইল দিয়ে ছবি তুলছি পাশাপাশি বুবলীকে ফোন দিচ্ছি যেন মেঘকে নিয়ে দ্রুত ছাঁদে আসে, ঘটে যাওয়া সেই ঘটনাটি দেখে ! কিন্তু ওরা আসতে আসতে বিষয়টি শেষ হয়ে গেল । ওরা শুধু আলোর রেখাটি দেখতে পেল—দূর থেকে । ঘটনাটি ছিল মাত্র কয়েক মুহুর্ত ! আসলে কি ঘটেছিল ?
আমি যতোটুকু বুঝতে পারি, পরিষ্কার আকাশে এক টুকরো লম্বা মেঘ ( সাদা/কালো ) চাঁদকে অতিক্রম করছিল অর্থাৎ যখন চাঁদ আর ঐ মেঘে মুখোমুখি হলো তখন সৃষ্টি হলো সেই ভয়াবহ আলোর সৌন্দর্য ! অদ্ভুত রহস্যময় —এক আলো ! কি রকম এক অদ্ভুত আলো ছড়িয়ে পড়েছিল আমার চারপাশে । আর আমার মনের ভিতর অজানা এক ভয় দানা বেঁধেছিল ! পরর্বতীতে মোবাইলে তোলা ছবি গুলো বারবার দেখছিলাম যদিও সেখানে পুরো ব্যাপারটা বোঝা গেল না তবে সেই মুহুর্তটা ধরা থাকলো ।
আসলে সেই সময়টা কি ঘটেছিল ? বিজ্ঞান কি বলে ? জ্যোতির্বিদরা এর কি ব্যাখ্যা দিবেন ? কেন শুধু মাত্র ঐ সময়ে ঐ রকম অদ্ভুত আলো ছড়িয়ে পড়ল । যা এক ধরণের ভয়ের অনুভূতি তৈরি করেছিল আমার মনে ! আহা—রহস্য ঘেরা এই মহাজগত ! কতো কিছুই না ঘটে চলছে . . .
১. ছবি তোলার সময় : ১১.১৩ মিনিট ( মোবাইল ফোনে তোলা )
২. ছবি তোলার সময় : ১১.২১ মিনিট ( ডিএসএলআরে তোলা )
মনিরুল আলম
পুরান ঢাকা, পাতলা খান লেন
১৪ নভেম্বর ২০১৬






