Dreams never fade away, I hope one day we will achieve our goal. Love to my country ‘Bangladesh’ and of course big support and love to our Bangladesh National Cricket Team. Proud of Bangladesh Tigers.
I am with ICC Men’s World Cup Cricket trophy during photo shoot at the Sher-e-Bangla National Stadium in Dhaka. Once again thanks to our legendary sports photojournalist Tanku bhai Shamsul Hoque Tanku ( my former office colleague Prothom Alo ) to takes for this beautiful picture.
Diary / August 2023 Old Dhaka, Bangladesh Monirul Alam
Wherever I go, I see the lives that around me, as a photojournalist. I always carries on my camera. I feel it and I love picture and words. As a visual journalist my goal is to tell the reader what was there, clearly, quickly and without mystery . . .
Alhamdullaha Finally, I ended up with my assignment of Cox’s bazar district, the largest Rohingya refugee camp in the world in Bangladesh. And then returned to home, in my sweet home.
I love to ride motorbikes specifically on the high way ! I have been riding in this motorbike since 2010. Which I was received from my former daily newspaper office of Prothom Alo. It has still giving a good service with good a condition ! though precondition for regular maintenance of services. I have so many stories with my motorbikes . Yesterday, I am with my motorbike and my camera gears at the Buriganga 2nd bridge at Keraniganj part in Dhaka during my news coverage. Love the life you live. Live the life you love . . .
আর্জেন্টিনার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সান্তিয়াগো কাফিয়ারোকে কাছে থেকে দেখা . . .
নোট / বাম থেকে মনিরুল আলম, ইপিএ, আজাদ মজুমদার, ইএফই, পররাষ্ট্রমন্ত্রী সান্তিয়াগো কাফিয়ারো, আর্জেন্টিনা, জুলহাস আলম, এপি এবং ইমরান গর্জন এপি । গ্রুপ এই ছবিটি তুলে দেওয়ার জন্য ধন্যবাদ জানাই সান্তিয়াগোর অনুবাদকে তার নামটা জানা হয়ে উঠেনি। ছবি সৌজন্য : সান্তিয়াগোর অনুবাদক, হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল, ঢাকা, ২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩
এই ফেব্রুয়ারিতে ২০২৩ আর্জেন্টিনার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সান্তিয়াগো কাফিয়ারো তিন দিনের রাষ্টীয় সফর করেন—ঢাকায় । সফরত সময়ে রাষ্টীয় অতিথি ভবন যুমনা, বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন ( বাফুফে ) এবং পরিশেষে হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল তার নানা কর্মসূচি গুলো নিউজ কাভারেজ করি ।
প্রতিটি নিউজ কাভার করার সময়ে সান্তিয়াগো’কে কাছে থেকে দেখে মনে হয়েছে, সে খুব আন্তরিক, প্রানবন্ত একজন হাসিখুশি মানুষ । বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন ( বাফুফে ) তে বাংলাদেশ মহিলা ফুটবল দল এবং কর্মকর্তাদের সাথে নিয়ে নিজ থেকেই একটা গ্রুপ সেলফি তুললেন, তার হাতে থাকা মোবাইলটি দিয়ে ! আবার দেখা গেলে বাফুফে কর্মকর্তার হাত থেকে মেডেল গ্রহণ করার সময় মেডেলটি দুই হাতে উঁচু করে ধরে বেশ উচ্ছাস দেখালেন !
ক্যাপশন / আর্জেন্টিনার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সান্তিয়াগো কাফিয়ারো সফর সঙ্গী আল্ট্রা রানার Sebastian Gubia সাথে আমি । বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন ( বাফুফে ) অফিস প্রাঙ্গনে । ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ ছবি : মনিরুল আলম
বাংলাদেশের মানুষ আর্জেন্টিনা ফুটবল দলের প্রতি বাধভাঙ্গা উচ্ছাস, সমর্থন—ম্যারাডোনা, মেসিদের প্রতি গভীর ভালোবাসাই আর্জেন্টিনা দেশটি, তাদের কূটনৈতিক মিশন খুলতে ঢাকায় চলে এলেন, দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী সান্তিয়াগো । তিনি এসে দেখে গেলেন, বিশ্বের এ প্রান্তের মানুষেরা বর্তমান বিশ্বকাপ ফুটবল চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা ফুটবল দলটির প্রতি— কি অনুরাগ ! দেশ, ভাষা, ধর্ম, বর্ণ, জাতিভেদে— মানুষে মানুষে ভালোবাসার বন্ধনই সবচেয়ে বড়। আমার পক্ষ থেকে আবারো অভিনন্দন জানাই এবারের বিশ্বকাপ ফুটবল চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা ফুটবল দলকে এবং দক্ষিণ আমেরিকার দেশটিকে ।
প্রথম এই ছবিটা সেদিন—আর্জেন্টিনার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সান্তিয়াগো কাফিয়ারোর সাক্ষাৎকার শেষে হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে তোলা। বিদেশী মিডিয়াতে কর্মরত সাংবাদিকদের সাথে তার একটা স্বাক্ষাৎকার পর্ব ছিল তখন । গ্রুপ এই ছবিটি তুলে দেওয়ার জন্য ধন্যবাদ জানাই সান্তিয়াগোর অনুবাদকে, তার নামটা জানা হয়ে উঠেনি। ধন্যবাদ জানাই, ইএফই সাংবাদিক আজাদ ভাই, এপি’র সাংবাদিক জুলহাস ভাই এবং ধন্যবাদ জানাই এপি প্রিয় ভিডিও জার্নালিস্ট আল ইমরান গর্জন’কে ।
ক্যাপশন / পররাষ্ট্রমন্ত্রী সান্তিয়াগো কাফিয়ারো সাক্ষাৎকার জন্য আমাদের অপেক্ষা হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল, ঢাকা । ছবি : মনিরুল আলম
এই সময়ে তার দূরন্তপনার সাথে পেরে উঠা খুব একটা সহজ নয় ! স্কুল শেষ করে বাসায় ফিরে, বাবাকে জড়িয়ে ধরে —‘বাবা’ বলে তাঁর সেকি আদর ! তারপর শুরু হয় তার কথামালা, সেখানেও তার সাথে পেরে উঠা দায় ! আহা সময় ! অতঃপর আমার হৃদয়ের মাঝে এক অদ্ভুত ভালোলাগা তৈরি হয় ! আহা ভালোবাসা ।
যতো দূর মনে পরে—আমি ছেলেবেলায় বাবার কাছে থেকে খুব দূরে দূরে থাকতাম ! তার প্রতি ছিল খুব ভয় ! বড় হয়েও বাবা-ছেলের মধ্যে সেই দূরত্ব থেকে গেল ! সেই ভয় আর এই জীবনে কাটলো না । বাবা চলে গেলেন না ফেরার দেশে ! আজ অনেক আফসোস হয় ! ভদ্রলোক ছিলেন গভীর মনের মানুষ— একজন জ্ঞানী ব্যক্তি । তবে যতো সখ্যতা আর দাবি-দাওয়া ছিল, তা ছিল সব মায়ের সাথে ।
ঢেউ’কে দূরে কোথাও বেড়াতে যাওয়ার কথা বললে, সবার আগে সে রেডি ! ভাইকে সে বলে, ভাই তুই তাড়াতাড়ি রেডি হ ! আমরা বেড়াতে যাবো না ? অন্য দিকে তার মা তাকে বলে বেশি কথা বললে বেড়াতে যাওয়া কেনসেল !
আমি যতই বলি “মা” বেড়াতে গেলে তুমি কিন্তু দুষ্টমি করবা না, কে শোনে কার কথা ! খোলা জায়গা পেলে তো আর কথাই নেই । আমরা সবাই রাজা আমাদের এই রাজার রাজত্বে- নইলে মোদের রাজার সনে মিলব কী স্বত্বে ?
এই ছবিটা সেদিন— অমর ২১শে বই মেলায় তোলা । তার একটা পোট্রট । শত চেষ্টার পর তোলা । যদিও আমি আদর করে, আমার লক্ষী ‘মা’ বলে ডাক দিলেই সে এক দৌড়ে চলে আসে—আমার বুকে ! আমাদের ছোট দুই মানুষদের প্রতি ভালোবাসা । আল্লাহর কাছে অনেক দোয়া তারা যেন এই পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ মানুষ, সুন্দর মানুষ হয়ে গড়ে উঠে ।
Today 4 November, I am with Joumana El Zein Khoury, Executive Director, World Press Photo Foundation after discussion on the topic of ‘Photography for Impact – Responding to the changing world’ moderated by Shahidul Alam one of my photographic teacher and Managing Director, Drik Picture Library.
To me it’s a really thoughtful talks which is helpful for practicing photojournalism nowadays.
This event is organised as part of the Dhaka tour of World Press Photo 2022 exhibition. Thanks to Drik, for such a beautiful arrangement.
Good bye Cox’s bazar, my footsteps to the longest natural sea beach in the world. For me the magnitude of the seashore are always fascinate to seeing its views and spending times on the beautiful seashore.
And finally thanks to all of my friends and administrative personnel with their cooperation. And I had to stop for three nights to the hotel Shaibal, such a lovely place and with their pleasant companion, goodbye for now and hope to see you again . . .
আলী আমজাদের ঘড়ি, সিলেট শহর । জুন, ২০২২ ছবি: মনিরুল আলম
সিলেট শহরের গল্প গুলো সব সময় আমাকে কাছে টানে। মূলত এর ভূ-প্রকৃতিগত এবং ঐতিহাসিক কারণে । আমি যতোবার এই শহরে আসি মুগ্ধ হই এর সুন্দরের প্রতি। ‘আহা, কী অসাধারন সেইসব সৌন্দর্য ! যদিও এবারের বন্যা পরিস্থিতি, ২০২২ সেই চিত্রটি বদলে দিয়েছে ।পুরো জেলাই সপ্তাহজুড়ে বন্যার পানিতে আক্রান্ত ছিল । এখন পরিস্থিতি কিছুটা উন্নতি হচ্ছে ।
এবারের বন্যা পরিস্থিতি, ২০২২ কাভার করার জন্য অল্প সময়ের জন্য এসেছিলাম এই জেলায় । জেলা শহর থেকে উপজেলা শহর সহ প্রত্যন্ত অঞ্চলের বন্যা পরিস্থিতি প্রত্যক্ষ করলাম । বন্যায় আক্রান্ত মানুষদের দুঃখ-কষ্ট বেড়েছ । তবে তারা সেই পরিস্থিতি মোকাবিলা করছেন । আল্লাহ তায়ালা যেন তাদের এই দূর্যোগ থেকে রক্ষা করেন।
এই শহরের মানুষ গুলো খুব আন্তরিক। তাদের ভালোবাসার অসাধারন এক ক্ষমতা আছে, যা আমাকে মুগ্ধ করে । মানুষকে ভালোবাসতে শিখায় ।এবারও সেই ভালোবাসার এতোটুকু কমতি দেখিনি।যদিও সবার সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়ে উঠেনি, পরিবেশ এবং পরিস্থিতির ভিন্নতার কারণে। হয়তো কোন এক সময় সুযোগ হলে আবার আসবো এই প্রিয় শহরে। সবার জন্য শুভ কামনা । গুডবাই সিলেট . . .