ওদের সংসারটা ফুটপাতে ! প্রায় প্রতিদিন নিয়ম করে— ওদের মা’ এই ফুটপাতে রেখে যান ! তারপর—শুরু হয় মানুষের কাছে থেকে কিছু সাহায্য পাওয়ার— অপেক্ষা ! দিনমান এই ফুটপাত যেন— ওদের আপন ঠিকানা, ঘর-সংসার ! এখানেই পরিচয়— বেওয়ারিশ একটি কুকুরের সাথে । ওরা কুকুরটিকে ‘টাইগার’ নামে ডাকে । প্রিয়া—প্রতিবন্ধী, কথা বলতে পারে না, সারাক্ষণ হুইল চেয়ারে বসে থাকে। তার গলায় একটা সাহাযে্যর আবেদন ঝুলতে থাকে ! খুব সুন্দর করে হাসতে পারে— ছোট এই মেয়েটি । হুইল চেয়ারে বসেই কুকুরটিকে আদর করে সে । আমি— এই সব কথা গুলো যার কাছে থেকে জানলাম তার নাম—পূজা । ন্যাড়া মাথার ছোট পূজা, ফুটপাতের উপর একটা কাঁথা বিছিয়ে—সেখানেই শুয়ে পরে—তারপর আকাশের ঠিকানায় তাকিয়ে থাকে ! সেদিন— ওদের ফুটপাতের সংসারটা দেখে এলাম । আহা—ফুটপাতের জীবন . . .
Bangladeshi young people celebrate a Paush Shankranti in their roof top at old part of Dhaka, Every year on 14 January people celebrate it with joy of happiness.The Paush Shankranti is the last day of Bengali month Paush. The day is also known as ‘Makar Sangkranti’ it’s celebrate like India, Nepal and Bangladesh. In Bangladesh, young people of the old Dhaka celebrate Shakhrine with colorful kite flying during the day and than fire eating or blowing performances after dark with fireworks,music cracker works. also arranged.
The kite fighting gets all the more serious in the afternoon. Even the oldest members of the family join the youth. Meanwhile, different kinds of rice cakes, deserts and confections are made for the occasion. The festival is basically an event of joy, happiness and friendship. The scenes of Shakrain demonstrate the canvas of brotherhood and cheerfulness of old Dhaka dwellers.
বাবার এই ছবিটি পুরান ঢাকার কালাম ষ্টুডিও থেকে তোলা
পি্রয় বাবা—কে নিয়ে আমার কবিতা
সোনালী আকাশ . . .
সোনালী আকাশ থেকে খসে পরা
একটি উজ্জল নক্ষত্র;
হাজারো নক্ষত্রের মেলা থেকে—চির বিদায় নেয়া;
—দূর গন্তবের দিকে ! সোনালী আকাশ এখন নিস্পন্দন !
এমনি করে খসে পড়বে—হাজারো নক্ষত্র একদিন !
তখন সোনালী আকাশে অসীম শূণ্যতা।
( পি্রয় বাবা, আব্দুল মোন্নাফ তাকুরদারের স্বরণে)
জন্ম: ৬ নভেম্বর ১৯৩৬। মৃত্যু: ২০ ডিসেম্বর ১৯৯০
সৃষ্টিকাল/এপ্রিল,১৯৯৪
১.বাবার ২৫ তম মৃত্যু বাষির্কী পালন করতে আমাদের গ্রামের বাড়ী মানিকগঞ্জের হিজুলিয়াতে গিয়েছিলাম পরিবারের সদস্যরা মিলে। অন্যান্য সদস্যের মধ্য মা, বুবলী, মেঘ আর চাচা,চাচী এবং বুবলীর বড় ভাই-ভাবী এবং ওদের বাচ্চার । আমাদের গ্রামের মসজিদে বাদ মাগরিব নামায শেষে মিলাদ এবং দোয়া পাঠ করা হয়েছে । তার কবরস্থানে গিয়ে কবরে দোয়া পড়লাম । অনেকক্ষণ নিরবে দাঁড়িয়ে ছিলাম। এবার মা আমাদের কবরস্থানে একটা ঘর করে দিয়েছেন, যাতে বষর্ার,বৃষ্টি-বাদলে মরদেহ নিয়ে মানুষ সেখানে আশ্রয় নিতে পারে । এবারের বষর্ার বাবার কবরের মাটি ধসে গিয়েছে তা সংস্কার করার উদে্যগ নিলাম।
২.১৯৯০ সালের ২০ ডিসেম্বর, বাবা— না ফেরার দেশে চলে যান । সে দিনের সংবাদটা আমরা ফোনে পেয়েছিলাম । আমি তখন বাসাতে ছিলাম, ঠিক সন্ধ্যার দিকে বাসায় ফোন আসে । ফোনটা আমার মা রিসিভ করেন- ও প্রান্তের কথা ঠিক বুঝতে না পেরে, আমাকে ফোনটা দেন। আমি কথা বলে ততোক্ষণে বুঝে গেছি—আমরা, আমাদের পি্রয় বাবাকে চিরদিনের মত হারিয়ে ফেলেছি ! বাবা ব্রেন ষ্টো্রক করেছিলেন । সে দিন হাইকোর্টে তাদের বার্ষিক ডিনার পাটির্ ছিল । সেখানে অংশ গ্রহণ করে— মতিঝিল এক আত্মীয়ের বাসায় গিয়েছিলেন। সেখানেই শেষ নি:শ্বাস ত্যাগ করেন । আমার বাবর আত্মার শান্তি কামনা করে সবাইকে তার জন্য দোয়া করার অনুরোধ রইল । সবাই ভাল থাকুন . . .
২০ ডিসেম্বর, ২০১৫ / হিজুলিয়া, মানিকগঞ্জ
বাম পাশে আমার বাবা ,উপরের ছবি আমি এবং মেঘ নিচের ছবি আমার চাচা এবং আমি । ছবি: মনিরুল আলম বাবা তোমায় খুব দেখতে ইচ্ছা করে . . .
“বাবা” তোমাকে যে খুব দেখতে ইচ্ছে করে । কত দিন যে তোমাকে দেখি না ! বুকের মধো কষ্ট গুলো আর্তনাদ করে উঠে-বার বার । কেন যে তোমার উপর বারবার এতো অভিমান হয় আমার । আমি কাউকে বোঝাতে পারিনা . . .
আজ ২০ ডিসেম্বর আমার বাবার ২৪তম মৃতু্য বাষির্কী । ১৯৯০ সালের এই দিনে বাবা, না ফেরার দেশে চলে যান । সে দিনের সংবাদটা আমরা ফোনে পেয়েছিলাম । আমি তখন বাসাতে ছিলাম, ঠিক সন্ধ্যার দিকে বাসায় ফোন আসে । ফোনটা আমার মা রিসিভ করেন- ও প্রান্তের কথা ঠিক বুঝতে না পেরে আমাকে ফোনটা দেন। আমি কথা বলে ততোক্ষণে বুঝে গেছি। আমরা আমাদের পি্রয় বাবাকে চিরদিনের মত হারিয়ে ফেলেছি।
বাবা ব্রেন ষ্টো্রক করেছিলেন । সে দিন হাইকোর্টে তাদের বার্ষিক ডিনার পাটির্ ছিল, সেখানে অংশ গ্রহণ করে মতিঝিল এক আত্মীয়ের বাসায় গিয়েছিলেন। সেখানেই শেষ নি:শ্বাস ত্যাগ করেন ।
গতকাল আমরা পারিবারিক ভাবে তার আত্মার মাগফেরাত কামনা করে কোরান খতম, দোয়ার আয়োজন করেছিলাম ।
ছোট মেঘ তার দাদা’কে দেখেনি। তাঁর কাছে, তার দাদা মানে ফ্রেমে বাঁধানো এক খানা সাদাকালো ছবি আর তার দাদীর কাছে থেকে শোনা নানা গল্প কথা ।
এ মাসে আমাদের গ্রামের বাড়ী হিজুলিয়া গিয়েছিলাম। বাবা যেখানে ঘুমিয়ে আছে ২৪ বছর ধরে। বাবা আপনি ভালো থাকবেন । আমার বাবার জন্য সবাই দোয়া করবেন . . .
পুরান ঢাকা, পাতলা খান লেন
২০ ডিসেম্বর, ২০১৪ মানিকগঞ্জের হিজুলিয়ায় আমাদের কবরস্থান, ১৯৩৭ সালে এটা স্থাপিত হয় । ছবিটি ২০, ডিসেম্বর, ২০১৫ তারিখে তোলা। ছবি: মনিরুল আলম
কোন এক ঈদে আমাদের গ্রামের বাড়ী হিজুলিয়াতে এই ছবিটা তুলেছিলাম। বাম থেকে চাচা মহিদুর রহমান,দাদা আবদুর রাজ্জাক তাল্কদার,বাবা আবদুল মোন্নাফ তালুকদার। ছবি :মনিরুল আলম
Hijulia, Manikgonj, Bangladesh, December, 2015— A villager flocks of his goats for feeding in the winter morning at the village of Hijulia. This week our family member visit in our beautiful village and enjoy the winter season. A winter morning is misty and cold. There is dense fog everywhere. Sometimes the fog is so dense that the sun rays cannot seen. People in general and children get up late in a winter morning we enjoy delicious and sweet baker. Payer of date juice and many other things.