উমাম, ইরফান ভাইয়ের ছেলে আমাকে জানালো, আংকেল আমার বাবা’কে নিয়ে আমি একটা লেখা লিখেছি । লেখাটা আপনাকে পাঠাতে চাই, একটু পড়ে দেখবেন । আমি উমাম’কে বললাম, লেখাটা আমাকে ই-মেইল করো । মাত্র কয়েক দিন হলো, এই ছোট মানুষটি তার প্রিয় বাবা’কে—চির দিনের জন্য হারিয়ে ফেলেছে ! তার মনের অনুভূত কি রকম হতে পারে তা খুব সহজেই—অনুমেয় । আমি উমাম’কে বলি, তুমি লেখাটা পাঠাও, সম্ভব হলে লেখাটা আমাদের পত্রিকায় ছাপাতে চেষ্টা করবো । লেখাটা ছাপা হলে, হয়তো ছোট এই মানুষটির মন কিছুটা হলেও— সান্তনা খুঁজে পাবে !
ইরফান’কে হত্যা করে হয়েছে ! তার মৃত্যুটি স্বাভাবিক ভাবে হয়নি । তার মৃত্যুটি ছিল—নির্মম একটি হত্যাকান্ড ! স্বাভাবিক মৃত্যুর গ্যারান্টি চেয়ে— আমরা মানব বন্ধন করেছি । রাষ্ট্রের কাছে এই হত্যাকান্ডের বিচার চাওয়া ছিল— আমাদের একটা নিরব প্রতিবাদের অংশ । পরিবারটি বা আমরা এতটুকু সান্তনা পাবো—যদি হত্যা কান্ডটি যারা ঘটিয়েছেন, তাদের খুঁজে বের করে—যথাযথ শাস্তি প্রদান করা হয়।
এই মাসের ২ এপ্রিল, ২০১৬ ইরফান, ব্যাংক থেকে টাকা তুলতে গিয়ে নিঁখোজ হন । পরের দিন তার লাশ পাওয়া যায়— নারায়নগঞ্জের লিংক রোডের জালকুড়ি এলাকায় । এই ইরফান এবং আনিস ভাইয়ের সাথে কত কত স্মৃতি জড়িয়ে আছে—আমার । দৃক এবং পাঠশালার ডার্করুমে । ছবি পি্রন্ট করা থেকে শুরু করে—ফিল্ম ডেভেলাপ, কন্টাক পি্রন্ট, ছবির প্রদর্শনী— আরো কত কি । মনে পরে গেল বঙ্গবন্ধুর সাদাকালো লাইফ সাইজ ছবিটির পি্রন্ট করার কথা । আমরা ছবির নেগেটিভটি ডাকর্রুমের দেয়ালে প্রজেকশন করে ছবিটি পি্রন্ট করে ছিলাম কারণ লাইফ সাইজ ছবি পি্রন্ট করার কোন বিকল্প পদ্ধতি ছিল না । আলম ভাইকে দিয়ে বিদেশ থেকে রোল পেপার আনানো হয়েছিল, লাইফ সাইজ পি্রন্ট করার জন্য । এরকম আরো কত কত স্মৃতি ইরফান আর আনিস ভাইয়ের সাথে জড়িয়ে আছে—সেই সব আজ স্মৃতি । দুজনেই চলে গেছেন না ফেরার দেশে ।
ছোট উমাম তার বাবা’কে নিয়ে লেখাটা পড়তে পড়তে আমার চোখ ভিজে আসছিল । মনে পড়ছিল ইরফানের নিয়ে অনেক স্মৃতি ! উমাম, তার লেখার একটা জায়গায় লিখেছে, ‘আজ আমি বাবাহারা, এই বাবাই আমার সব ছিল,আমার এখন ভীষণ একাএকা লাগে’ ।
কী ছিল আমার বাবার অপরাধ ? কেন এবং কী কারণে আমার বাবা’কে খুন করা হলো ? আমরা তিনজন মিলে ছোট একটা পরিবার ছিলাম । ছোট উমাম, মাননীয় প্রধান মন্ত্রীর কাছে অনুরোধ জানিয়েছে, তার বাবার হত্যাকারীদের খুজে বের করে তাদের শাস্তি দিতে ।
উমামের লেখাটি, ‘বাবা হত্যার বিচার চাই’ লিংকটা দিলাম । যা প্রথম আলোর অনলাইন সংস্করণে ছাপা হয়েছে । আপনারা লেখাটি পড়তে পারেন ।
People believe that the festival will carry prosperity by eliminating the sorrow and sufferings of the previous year. The festival is actually a festival to satisfy Load Shiva, the great Debadideb of Hindu Religion. Though the festival takes place on the mid night of Chaitra Songkranti, the preparation phase usually starts before one month of the day. In Bangladesh, it is frequently found to take place at Thakurgaon, Patuakkhali,Gazipur, Dhaka and other district in villages and cities.
Though the festival takes place on the mid night of Chaitra Songkranti, the preparation phase usually starts before one month of the day. The arrangement team of the festival go from village to village to procure the necessary components like paddy, oil, sugar, salt, honey, money and other items with the arranged cosmetics such as Shiva, Parvati and Narod.On midnight of the Songkranti, the worshippers are gathered together to worship the God and after puja the or asad is distributed.