Counter Terrorism Raid in Dhaka

24122016 ~ Members of the Bangladeshi Special Weapons And Tactics (SWAT) of an operation to flush out suspected Islamist extremists in a hideout in Dhaka on December 24, 2016, as a team from the counterterrorism unit of Dhaka Metropolitan Police cordoned off a three-storey building in the capital. Two female militants along with two children surrendered to the cops, 1 female and a teen militant killed themselves during police raid by exploding suicidal vest outside their den while acting to surrender to the cops. © Monirul Alam

Police Raid Islamist Militant Hideout In Dhaka

December 24, 2016 - Dhaka, Bangladesh - Police ambulance carry a suspected Islamist dead body to the Dhaka Medical Hospital after and operation to storm an alleged militant hideout in Dhaka on December 24, 2016, as a team from the counterterrorism unit of Dhaka Metropolitan Police cordoned off a three-storey building in the capital. Two female militants along with two children surrendered to the cops, 1 female and a teen militant killed themselves during police raid by exploding suicidal vest outside their den while acting to surrender to the cops. © Monirul Alam
December 24, 2016 Dhaka, Bangladesh ~Police ambulance carry a suspected Islamist dead body to the Dhaka Medical Hospital after and operation to storm an alleged militant hideout in Dhaka on December 24, 2016, as a team from the counterterrorism unit of Dhaka Metropolitan Police cordoned off a three-storey building in the capital. Two female militants along with two children surrendered to the cops, 1 female and a teen militant killed themselves during police raid by exploding suicidal vest outside their den while acting to surrender to the cops. © Monirul Alam

Use QR Code . . . 

To me it’s fun way to use it; but it’s effective, recently I am using QR code in my web version images, like Facebook and other social media to maintain and use it properly. I think it’s work to boost your work and protect your all web contains, as usually, but it’s need a few seconds to prepare it, anyway. When you scan the QR code through the mobile apps than you can find URL link, easy way to go through the URL links if you know more about it. In this image, I use QR code, see the left side of the image black square barcode. 

According to the several web contains I visit to know it, the Quick Response Code is the trademark for a type of matrix barcode first designed for the automotive industry in Japan. A barcode is a machine-readable optical label that contains information about the item to which it is attached.

Now a days QR code use wider level to use it for the various reason. Users can generate and print their own QR codes for others to scan and use by visiting one of several paid and free QR code generating sites or apps.The technology has since become one of the most-used types of two-dimensional barcode.

I am always love to like technology and user friendly. I think you try to use it to your own prints and web contents. Life is a technology, keep in touch and upgrade your technology . . . 

Old Dhaka

December 2016

বাবা—তোমায় খুব দেখতে ইচ্ছা করে . . . 

নোট : বাবার এই ছবিটি পুরান ঢাকার কালাম ষ্টুডিও থেকে তোলা ।
বাবা—তোমাকে যে খুব দেখতে ইচ্ছে করে ! কত দিন যে তোমাকে দেখি না ! বুকের মধ্য খুব কষ্ট হয় ! একা একা নির্জনে কেঁদে ফেলি ! আকাশের দিকে তাকিয়ে থাকি—সেখানে অসীম শূন্যতা দেখি ! বাবা— কেন যে তোমার উপর বারবার এতো অভিমান হয় আমার—জানি না । আমি কাউকে বোঝাতে পারিনা . . .

আজ ২০ ডিসেম্বর আমার বাবার ২৬তম মৃত্যু বাষির্কী । ১৯৯০ সালের এই দিনে বাবা, না ফেরার দেশে চলে যান । সে দিনের সংবাদটা আমরা ফোনে পেয়েছিলাম । আমি তখন বাসাতে ছিলাম, ঠিক সন্ধ্যার দিকে বাসায় ফোন আসে । ফোনটা আমার মা রিসিভ করেন—ও প্রান্তের কথা ঠিক বুঝতে না পেরে আমাকে ফোনটা দেন। আমি কথা বলে ততোক্ষণে বুঝে গেছি; আমরা—আমাদের প্রিয় বাবাকে চিরদিনের মত হারিয়ে ফেলেছি। সে আর কোন দিন ফিরে আসবে না আমাদের পরিবারের মাঝে । আহা ! আমার প্রিয় বাবা !

বাবা ব্রেন ষ্ট্রোক করেছিলেন । সে দিন হাইকোর্টে তাদের বার্ষিক অনুষ্ঠান ছিল । সেখানে অংশ গ্রহণ শেষে মতিঝিল এক আত্মীয়ের বাসায় বেড়াতে গিয়েছিলেন। সেখানেই মাগরিবের নামায পরার সময় অসুস্থ বোধ করেন; অতপর সেখানে শেষ নি:শ্বাস ত্যাগ করেন । 

ছোট মেঘ তার দাদা’কে দেখেনি। তাঁর কাছে, তার দাদা মানে ফ্রেমে বাঁধানো এক খানা সাদাকালো ছবি—তার দাদীর কাছে থেকে শোনা নানা কথামালা । জনসন রোডের কোর্ট এলাকার সামনে দিয়ে গেলেই—মেঘ আমাকে প্রায়ই জিজ্ঞেস করে, বাবা এটা কি দাদার অফিস ছিল ? আমি তাকে পাল্টা জিজ্ঞেস করি, কে বলেছে তোমাকে— মেঘ বলে দাদী বলেছে । আমি বলি, হ্যাঁ এটা তোমার দাদার অফিস ছিল । আমরা তিন ভাই-বোন মিলে এখানে বেড়াতে আসতাম ছুটির দিনে । বাবা যখন—এই ঢাকা আইনজীবি সমিতির ( ১৯৮২-৮৩) সেক্রেটারি ছিলেন,তখন এখানে খুব আসা হতো নানা অনুষ্ঠানে । 

আমাদের বাবা—আমাদের গ্রামের বাড়ী হিজুলিয়াতে পরম শান্তিতে ঘুমিয়ে আছেন সঙ্গে তার বাবা-মা । বাবা আপনি ভালো থাকবেন । আমাদের বাবার জন্য সবাই দোয়া করবেন . . .

লিটন,লিপন,নাজু

পুরান ঢাকা, পাতলা খান লেন

২০ ডিসেম্বর, ২০১৬

Love, Pray & Happiness . . .  

16 December 2016 Dhaka, Bangladesh ~ Today’s my dear younger brother SHUVO is now married person.We pray both of you Shuvo & Arpeeta and thank you so much for your beautiful moments sharing with us.You know the together you are stronger, together you are one. Our wishes with pray, love & happiness.Have a wonderful married life! 

-Megh,Bubli & Your Choto Bhaiya.

16 December, 2016

Patla Khan Lane, Old Dkaka,Bangladesh

© Monirul Alam
© Monirul Alam

আহা বিজয়—আমাদের বিজয় দিবস . . . 

© Monirul Alam
মেঘ আমাকে বলল বাবা, আমাকে একটা ঘুড়ি কিনে দিও । আমার খুব ঘুড়ি উড়াতে ইচ্ছা করে । আমি যে ঘুড়িটা বানিয়েছি সেটা ভালো হয়নি, উড়ে না । আমি বললাম ঠিক আছে বাবা, তোমাকে একটা ঘুড়ি কিনে দিব । 

সেদিন বাপ-বেটা মিলে শাখারী বাজার গিয়ে একটা ঘুড়ি কিনে নিয়ে আসলাম । সে লাল-সবুজের পতাকাওয়ালা ঘুড়ি কিনবে, ওটাই তার পছন্দ । মেঘ কে বলালম, মেঘ এই সেই শাখারী বাজার যেখানে ভারতীয় একজন ফটোগ্রাফারের তোলা  বিখ্যাত একটা ছবি আছে, ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন সময়ে দুইজন গেরিলা অস্ত্র উচিয়ে শাখারী বাজারে প্রবেশ করছেন, আমার খুব পছন্দের ছবি । তারপর কিশোর পারেন সম্পকে যতোটুকু জানি তা মেঘকে বলালম—

কিশোর পারেখ (১৯৩০-১৯৮২) একজন ভারতীয় ফটোগ্রাফার। মুক্তিযুদ্ধের সময় বিশ্বের নানা দেশের নামী-দামী পত্র-পত্রিকার সাংবাদিক ও ফটো সাংবাদিক অ্যাসাইনমেন্ট নিয়ে বাংলাদেশে এসেছিলেন। এদের মধ্যে পারেখ ছিলেন ব্যতিক্রম যিনি কোন অ্যাসাইনমেন্ট ছাড়াই স্বেচ্ছায় বাংলাদেশে এসে মুক্তিযুদ্ধের ছবি তুলেছিলেন। মাত্র ৮ দিনে তাঁর তোলা ৬৭টি ছবি মুক্তিযুদ্ধের এক অসামান্য দলিল হয়ে আছে। এ ছবিগুলো অবলম্বন করে পরে তিনি বাংলাদেশ : এ ব্রুটাল বার্থ নামে একটি ফটোগ্রাফি বই প্রকাশ করেন। ভারত সরকার তাঁর ছবি দেখে বইটির ২০ হাজার কপি অর্ডার দেন । তথ্য সুত্র : সামহোয্যার ইন ব্লগ । 

মেঘ সেই ঘুড়ি পেয়ে মহা খুশি ! সেদিন বিকেলে আমাদের ছাঁদে ঘুড়ি উড়ালাম—নীল আকাশে সাদা মেঘের ভেলায় লাল-সবুজের সেই ঘুড়ি ! 

মনে পরে গেল কৈশরে সেই সব স্মৃতি । পাতলা খান লেনে আমরা ছাদে ছাদে কতো ঘুড়ি উড়িয়েছি, পৌষ সংক্রান্তির প্রস্তুতি আর সবাই মিলে অফুরন্ত সেই আড্ডা ! 

বিজয় দিবসে আগের দিন রাতে আমাদের ছাঁদে ছোট ছোট কাগজের পতাকা দিয়ে সাজিয়ে—বাংলাদেশের পতাকা উড়িয়েছি । বন্ধুরা মিলে বিজয় দিবসে ঘুরতে বেড়িয়েছি । চন্দনের গাড়ীতে করে ঘুরতে বেড়িয়ে রেনেসাঁ ব্যান্ডের একাত্তরের রেনেঁসা অ্যালবামের ( ১৯৯৮ ) সেই গান গুলো খুব শুনতাম । এখন সেই সব শুধু স্মৃতি । এখন ছোট মেঘ’কে নিয়ে বিজয় দিবস উদযাপন করি । 

আমাদের তরুণ প্রজন্ম বাংলাদেশে’কে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে সামনের দিকে এটা আমাদের জন্য গর্বের বিষয়—পাশাপাশি আমাদের মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস জানাতে হবে । স্বাধীনতার জন্য সাধারন মানুষের যে সর্বাত্মক জনযুদ্ধ ও আত্মত্যাগ করে লাল-সবুজের ভুখন্ডের জন্ম তার প্রতি এবং তাদের প্রতি যথাযথ সন্মান দেখানো । 

সবাইকে মহান বিজয় দিবসের শুভেচ্ছা . . . 

১৬ ডিসেম্বর ২০১৬

পুরান ঢাকা 

 GFMD Sammit in Bangladesh 

GFMD Summit in Bangladesh ~ Prime Minister Sheikh Hasina inaugurated the conference and urged the global community to focus on the migrant and refugee crisis across the world on 10 December 2016, in Dhaka, Bangladesh. The 9th annual meeting of the Global Forum on Migration and Development, GFMD, Dhaka representatives from 125 countries and over 30 UN agencies, international organisations, global civil society and business are participating in the three-day GFMD Summit. © Monirul Alam

The Idea of India . . . 

23 November 2016 Dhaka, Bangladesh ~ I know Asim, through his works ‘The Idea of India’ and his others Photojournalistic works. To me, Idea of India is a brilliant work especially, I like his narrative words and Images. Recently he visited in Bangladesh and to attend 4th Counter Foto Anniversary Celebration programmed in Dhaka. I was meet him and attend his presentation at Biswya Sahitya Kendra on 23 Nov. 2016. That day he has been presenting ‘Designing Project for Digital Media’ it’s wonderful and more informative update information who like to works in depth photojournalism with Digital Media,it’s really helpful. I love his working way as a independent Photojournalist. Asim Rafiqui presently represent NOOR Images, as a man he is very friendly. Another photographer KM Asad and me meet him and makes an Adda a few minutes with Asim at Chobir Haat on the opening day of Counter Foto exhibition and Anniversary Celebrating day’s. LOVE Asim. 

Asim delivered his lecture at Biswya Sahitya auditorium in Dhaka © Monirul Alam