🎙️ একটি ছবি একটি মুহূর্তকে তুলে ধরতে পারে; আর ধারাবাহিক কয়েকটি ছবি একটি গল্প বলতে পারে। ভিজ্যুয়াল স্টোরিটেলিং হলো ছবির মাধ্যমে একটি গল্প বলার একটা শিল্প। নতুন যারা ফটোগ্রাফি করছেন তাদের জন্য ভিজ্যুয়াল স্টোরিটেলিং একটা ধারণ দেওয়া হলো। আপনার ফটোগ্রাফির প্রথম প্রজেক্টের সাফল্য কামনা করি ।
বাংলাদেশ জুড়ে ফুটে উঠেছে কাশফুল . . .
নদীমাতৃক বাংলাদেশের প্রকৃতিতে শরৎ আসে যেন এক নীরব কবিতার মতো—অসীম নীল আকাশে ভেসে বেড়ায় সাদা মেঘের ভেলা, আর বাতাসের মৃদু দোলায় দুলতে থাকে শুভ্র কাশফুল। বাঙালির কাছে কাশফুল শুধু ঋতুর একটি ফুল নয়; এটি শরতের এক চিরন্তন প্রতীক—নীরবে জানান দেয়, শরৎ এসে গেছে।
🎙️ On Assignment: While covering the Eid-e-Miladunnabi rally in front of Doel Chattar, I suddenly slipped and fell on the street and felt unwell for a while. My fellow photojournalist Ahad Ahadul Karim Khan Ahad from Dhaka Tribune immediately helped me. I am deeply grateful to him.
After regaining myself and returning to work, my other colleague Habib Habibur Rahman from Xinhua captured this moment. I looked a little shaken and exhausted in the picture, but it became a moment in itself—a moment that will stay with me.
Interestingly, Habib did not even know that I had fallen before he took this photograph.
My heartfelt thanks to all my fellow photojournalists who helped me and called to check if I was okay. Your kindness and support mean a lot to me.
বাংলা বাউল ধারার অমর সৃষ্টি, বাউল কবি (গগনচন্দ্র দাস) এর লেখা এই গানটি আমার খুব পছন্দের একটি গান। অনেক সঙ্গীত শিল্পী অমর এই গানটি তাদের অসাধারণ কণ্ঠে গেয়েছেন ! সবার প্রতি আমার আন্তরিক ভালোবাসা।
যতবার শুনি, ততবারই মনে হয়—মনের গভীরে লুকিয়ে থাকা এক অন্তর আত্মার খোঁজের গল্প যেন বেজে ওঠে এর সুরে সুরে।
এই গানটির সাথে আমার তোলা প্রাসঙ্গিক কোন ছবি জুড়ে দেওয়া যায় কিনা সেটা ভেবেছি অনেক বার । অবশেষে মনে হয়েছে, এই ছবিটি কাছাকাছি যেতে পারে। এই ছবিটি আমার খুব প্রিয় একটা ছবি । ছবিটি তুলেছিলাম ৬ নভেম্বর ২০১৮, কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণ থেকে।
পুরোনো ছবির আর্কাইভ নিয়ে বসলে হঠাৎ করেই এমন কিছু ছবির দেখা মেলে, যা আবার নতুন করে ভালো লাগা তৈরি হয়। মনটা আনন্দে ভরে ওঠে।
কিছু ছবি যেন শুধু ছবি নয়—স্মৃতি, অনুভূতি আর সময়ের এক টুকরো গল্প।
আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে সকল ভাষা শহীদের প্রতি জানাই বিনম্র শ্রদ্ধা। আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস আমাদের ভাষা, সংস্কৃতি ও আত্মপরিচয়ের গৌরবের দিন। ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি ঢাকা’তে ভাষার অধিকার রক্ষায় শহীদদের আত্মত্যাগের স্মরণে দিনটি পালন করা হয়। পরবর্তীতে UNESCO ১৯৯৯ সালে ২১ ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে ঘোষণা করে।
গতকাল কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে নিউজ ইভেন্টটি কভার করতে গিয়ে অনেক পরিচিত মুখের সঙ্গে দেখা হলো, কথা হলো। এই দিনটিতে শহীদ মিনারে গেলে যেন পুরোনো দিনের স্মৃতিগুলো আবারও ফিরে আসে—অনেকের সঙ্গে দেখা হয়, কিছুক্ষণ গল্প-আড্ডা হয়, আর মনটা ভরে ওঠে এক অন্যরকম অনুভূতিতে।
এবার দেখা হলো না আব্দুল মালেক বাবুল ভাইয়ের সঙ্গে। তিনি প্রতি বছর এইদিনটিতে সকালবেলায় একবার শহীদ মিনারে আসতেন। আরও অনেকেই আসতেন—আমাদের ছোট্ট একটা আড্ডা বসত। কিন্তু এবার অনেক পুরনো মুখের সঙ্গেই আর দেখা হলো না, সেই অভাবটা অনুভব করলাম।
তবে অনেক দিন পর গতকাল কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে রতন’দার সঙ্গে দেখা হয়ে ভালো লাগল। এছাড়া দেখা হলো মেরাজ, মঞ্জুর, নান্নু ভাই, আমিনুল ভাই, কাজল’দা এবং আরো অনেকের সাথে। কাজল’দা তাঁর পুরস্কারপ্রাপ্ত বিখ্যাত ছবিটির পেছনের গল্প শোনালেন আমাদের। আমরা কিছু সময় একসঙ্গে আড্ডা দিলাম, ছবি তুললাম, ছবির গল্প শুনলাম। তারপর এলো ফেরার পালা।
সিনহুয়া সংবাদ সংস্থার ফটোসাংবাদিক হাবিবুর রহমানের সঙ্গেও দেখা হলো। হাবিন একজন পরিশ্রমী ফটোগ্রাফার তার কাজ আমার ভালো লাগে । তার কাজের মধ্যে একধরণের চেষ্টা দেখতে পাই ।
তিনি ছবি তোলার পাশাপাশি তার ড্রোন ক্যামেরা দিয়ে ছবি ও ভিডিও ফুটেজ সংগ্রহ করছিলেন। কিছু সময়ের জন্য তিনি তাঁর ড্রোনটি আমাকে ব্যবহার করতে দিলেন ছবি ও ভিডিও ধারণের জন্য। আমি সেটি দিয়ে কিছু ছবি এবং ভিডিও করলাম। হাবিরের এই আন্তরিক সহযোগিতা আমার খুব ভালো লেগেছে—তাঁকে আন্তরিক ভাবে আমি ধন্যবাদ জানাই।
সব মিলিয়ে দিনটি ছিল স্মৃতি, শ্রদ্ধা আর বন্ধুত্বের এক অনন্য মেলবন্ধন। ভাষা শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানাতে গিয়ে সহকর্মী ও প্রিয়জনদের সঙ্গে এই দেখা-সাক্ষাৎ যেন সম্পর্কের বন্ধনকে আবারও নতুন করে গড়ে তোলে।
মহান একুশের চেতনাই আমাদের এভাবেই বারবার একত্রিত করে, স্মরণ করায়—ভাষা, স্মৃতি আর ভালোবাসার বন্ধন কখনও মুছে যায় না।
গত বছর ২০২৫ শেষ ডিসেম্বরের ছুটতিতে আমরা গ্রামের বাড়িতে গিয়েছিলাম । মূল উদ্দেশ্য ছিলো প্রিয় বাবা- মায়ের কবর জিয়ারত করা । নিজেদের মতো করে বাবা- মায়ের আত্মার শান্তি কামনা করে দোয়া, দরুদ পাঠ করা । আল্লাহর অশেষ রহমতে তা সুন্দর ভাবে শেষ করেছি ।
অর্থ : ‘হে আমাদের প্রতিপালক! রোজ কিয়ামতে আমাকে, আমার পিতা-মাতা ও সকল মুমিনকে ক্ষমা করুন।’
(সুরা ইবরাহিম, আয়াত : ৪১)
২০২৫ সালের ১৫ মে, বৃহস্পতিবার বিকেল ৪টা ২০ মিনিটে আমাদের প্রাণপ্রিয় মা জননী এই পৃথিবীর মায়া ত্যাগ করে মহান আল্লাহর ডাকে সাড়া দেন। তাঁর শূন্যতা আমাদের জীবনে এক অপূরণীয় শূন্যতা হয়ে থাকবে।
এর অনেক আগেই, ১৯৯০ সালের ২০ ডিসেম্বর, আমাদের প্রিয় বাবা আমাদের ছেড়ে চলে গেছেন। বাবা-মা দু’জনের স্মৃতি আজও আমাদের হৃদয়ে অমলিন, তাঁদের ভালোবাসা ও আদর্শই আমাদের চলার পথের শক্তি।
Foot Steps 👣 Ramna Park, Dhaka, Bangladesh. January 2026
📍 Ramna Park located at the heart of Dhaka,it is a patch of green relief amid the city’s hustle and bustle. With its greenery, calm lake, and open paths, it’s a great place to relax.
Ramna Park / Google Maps
Ramna Park is especially popular for morning or evening walks, spending time with loved ones, or capturing beautiful photographs surrounded by nature.
Witness My Time is therefore not just about images, it is a document of time, a testimony of human existence, and a trace of truth left behind for the future of humanity. It is an ongoing process of my visual storytelling, through which I seek to become a witness to my time.
সকল প্রশংসা একমাত্র মহান আল্লাহর। তাঁর অশেষ রহমতে মেঘ-ঢেউ-এর মা এখন আগের চেয়ে অনেক ভালো—আলহামদুলিল্লাহ।
তীব্র শীতের সেই মধ্যরাত ! হাসপাতালের ইমার্জেন্সি, উৎকণ্ঠা আর দোয়ায় ভরা সময়—সব মিলিয়ে আমরা তখন এক কঠিন পরীক্ষার মধ্য দিয়ে যাচ্ছিলাম। ভোরে আবার অসুস্থতা, ডাক্তার দেখানো, পরীক্ষা-নিরীক্ষা—মনে হচ্ছিল, যেন পুরো পরিবার এক গভীর ট্রমার ভেতর দিয়ে হাঁটছি। বিপদে আল্লার উপর বিশ্বাস এবং ভরসা রেখে ধৈর্য্যর পরীক্ষা দিচ্ছিলাম।
সেই মুহূর্তগুলোতে বারবার মনে পড়ছিল মা-এর কথা। ‘মা’ আমাদের জীবনের—বটবৃক্ষ । যাঁর ছায়ায় সাহস পেয়েছি, শক্তি পেয়েছি। আজ তিনি নেই। এক ঝড়ে সেই বটবৃক্ষ ঝরে গেছে। গতবছর ১৫ মে, ২০২৫। বাবার মারা যাবার পর মা-ই ছিলেন আমাদের পৃথিবী।
সন্তানের অসহায়ত্ব প্রত্যেক মা-বাবা বুঝতে পারেন । মনে হলো—তারা যেন না ফেরার দেশ থেকে আমাদের এই বিপদে এগিয়ে এসেছেন —দোয়া করছেন । মহান আল্লাহর উপর ভরসা এবং বিশ্বাস ছিল, আল্লাহ আমাদের হেফাজত করেছেন । জীবন সুখ-দুঃখের মিশেল, আর সত্য বিশ্বাসই হচ্ছে শক্তি। আল্লাহ যেন আমাদের পরিবারকে ধৈর্য ও সামর্থ্য দান করেন।
এই কঠিন সময়ে যারা পাশে ছিলেন—আত্মীয়, স্বজন, বন্ধু ও শুভানুধ্যায়ী—সবার প্রতি আমরা হৃদয়ের গভীর থেকে কৃতজ্ঞতা।
দূরত্ব আসতে পারে, নীরবতা জমতে পারে—তবুও বিপদে প্রকৃত মানুষগুলো পাশে থেকে যায়। সবার জন্য রাব্বুল আল আমিনের কাছে দোয়া । সবাই ভালো থাকুন ।
ছবি : হিজুলিয়া, মানিকগঞ্জ । ডিসেম্বর ২০২৫ মনিরুল আলম
I picked up a camera in the late 90s and have been working as a visual journalist ever since, covering news, documentaries, and human-interest stories across the country for National and International news media’s. Presently work with european pressphoto agency / epa based in Bangladesh.
Grateful to have turned my childhood passion into a lifelong journey—over 25 years of photography, making a living, and supporting my family.
Wherever I go, I seek the life unfolding around me. My camera is always with me—through its lens I feel, I listen, I breathe. I seek stories in moments, in pictures, and in the quiet poetry of words . . .
📷 Many thanks to my beloved son MEGH 💕 took this beautiful portrait.
I love to ride motorbikes specifically on the high way ! I have been riding in this motorbike since 2010. Which I was received from my former daily newspaper office of Prothom Alo. It has still giving a good service with good a condition ! though precondition for regular maintenance of services. I have so many stories with my motorbikes . Yesterday, I am with my motorbike and my camera gears at the Buriganga 2nd bridge at Keraniganj part in Dhaka during my news coverage. Love the life you live. Live the life you love . . .
দিনমজুর মামুন টুকরি মাথায় দাড়িয়ে, পুরান ঢাকা ছবি: মনিরুল আলম
সকাল সকাল মেঘ’কে নিয়ে ছুটলাম স্কুলে তার ভর্তি পরীক্ষা আছে । এ বছরও মেঘ’কে নিয়ে শুরু হয়েছে ভর্তি যুদ্ধ যুদ্ধ খেলা ! আহা—আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থা !
ঘূর্ণিঝড় ‘ফেথাই’ দূর্বল হয়ে পড়েছে কিন্তু এর প্রভার পড়েছে—সারা দেশে । গত দুই দিনে মানুষের দুর্ভোগ বেড়েছে অনেক । একদিকে নিম্নচাপ আর অন্য দিকে শীত । জানা গেলে; সামনেই শৈত প্রবাহ আসছে— আসছে ৩০ ডিসেম্বর জাতীয় সংসদ নির্বাচন ।
গতকাল মেঘ’কে নিয়ে বাসায় ফিরলাম বৃষ্টিতে ভিজে । আজ ছাতা নিয়ে বের হয়েছি; বৃষ্টি নেই— সূর্য মামারও দেখা নেই তবে আবহাওয়া একটা গুমোট ভাব রয়েছে । স্কুল গেটে দাড়াতেই হাতে একটা লিফলেট ধরিয়ে দিল—ভোট চাই ! আবার কেউ কেউ নতুন স্কুলের ঠিকানার লিফলেট হাতে গুঁজে দিচ্ছে !
দিনমজুর মামুনের সাথে কথা হলো — ইট টানার টুকরিটা মাথায় দিয়ে, টুপি মাথায়— একটা গামছা শরীরে জড়িয়ে দাড়িয়ে আছেন, আজকের মতো তার ইট টানার কাজ শেষ। একটু পরেই পাওনা বুঝে ফিরে যাবেন; ভোর রাইতে উঠছি, আইজ ইট টানার কাজ পাইছিলাম— কোনদিন কাজ পাই আবার পাই না । আইজ মোট ৮০০ টাকা কামাই করছি । সে ঢাকা শহরে এসেছেন কয়েক বছর হলো, দিনমজুর হিসাবে কাজ করছেন । মামুনের সাথে কথা বলতে বলতে আমরাও ফিরে চলি—আমাদের গন্তব্যে . . .