আমার শ্রদ্ধা ভাজন শিক্ষক . . .

Kirsten Claire (English Photographer) ছিলেন। তিনি পাঠশালায় প্রথম দিকে আমাদের ফটোগ্রাফির শিক্ষক ছিলেন। ফটোগ্রাফির বাইরেও তাঁর কাছ থেকে শেখার মতো অনেক কিছু ছিল। তার মধ্যে অন্যতম ছিল নিয়মিত ডায়েরি লেখার অভ্যাস। তাঁর মনটা ছিল অসাধারণ সুন্দর। নিজের জানা বিষয়গুলো খুব সুন্দর ও ব্যতিক্রমীভাবে উপস্থাপন করতে পারতেন।

কোলাজ ফটোগ্রাফি। Photo © Kirsten Claire

তিনি আমাকে ডাকতেন ‘মনি’ বলে ! মনির—নামটা ঠিকমতো উচ্চারণ করতে পারতেন না— সে আমাদের বলতেন ‘নিয়মিত ডাইরি লিখবা, এটা তোমাদের অনেক কাজে লাগবে!’ কিন্তু তখন আমার বাউন্ডুলে স্বভাবের কারণে সেই পরামর্শ আর নিয়মিত মেনে চলা হয়ে ওঠেনি। তবে একটু একটু লিখতাম ।

Photo : © Monirul Alam

ফটোগ্রাফির নানা বিষয়ের পাশাপাশি তাঁর কাছ থেকে আরও একটি মজার বিষয় শিখেছিলাম—কোলাজ ফটোগ্রাফি। তাঁর কাজের ধরন ছিল একধরনের স্বতন্ত্র শৈল্পিকতা। পরে তাঁর কাজের ধারা কিছুটা ফটোসাংবাদিকতার দিকে মোড় নিয়েছিল বলে আমার মনে পড়ে। তবে তাঁর শৈল্পিক কাজগুলোই আমার কাছে বেশি ভালো লাগত। প্রতিটি ছবির ছিল নিজস্ব আবেদন, আর ছবির ভেতরের গল্পগুলো ছিল অসম্ভব আকর্ষণীয় ।

সময়ের সঙ্গে অনেক স্মৃতি ঝাপসা হয়ে যায়, কিন্তু কিছু মানুষের শেখানো কথা, তাঁদের কাজের সৌন্দর্য আর আন্তরিকতা মনের গভীরে থেকে যায়। Kirsten Claire আমার কাছে তেমনই একজন শিক্ষক।

কৃতজ্ঞতা ও শ্রদ্ধা, আমার শিক্ষক Kirsten Clair কে . . .

নোট: ১ ছবিটি আমার ডাইরি । ২য় ছবিটি © Kirsten Claire এর তৈরি করা পাঠশালার উপর একটা কোলাজ ফটোগ্রাফি ।

📷 WITNESS MY TIME
Diary / October 2026
© Monirul Alam

Leave a Reply